খুঁজুন
, ,

দূর্যোগ দূর্বীপাকে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের পাশে ছিল মহানগর আওয়ামীলীগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 April, 2020, 4:55 pm
দূর্যোগ দূর্বীপাকে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের পাশে ছিল মহানগর আওয়ামীলীগ

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ৪৩ টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডে ইউনিট পর্যায়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ভোগ্যপন্য উপহার সামগ্রী প্রদানের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।

আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) ৩৯ নং দক্ষিণ হালিশহর ৪০ নং উত্তর পতেঙ্গা ও ৪১ নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডে ১ শত ৫০ জন করে কর্মী সমর্থকদের মাঝে এই উপহার সামগ্রী তুলে দিয়ে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন।

এই কার্যক্রম মাসব্যাপী চলমান থাকবে।

আজ প্রদত্ত ভোগ্যপন্য উপহসার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাউল, মশুর ডাল, সয়াবিন তেল, ছোলা, আলু, পিয়াজ ও লবন।

এইসব উপহার সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি এড.ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল্ মাহমুদ, শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুক, আইন সম্পাদক এড. ইফতেখার হোসেন চৌধুরী সাইমুল, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, নির্বাহী কমিটির সদস্য কামরুল হাসান ভুলু, রোটারিয়ান মোহাম্মদ ইলিয়াছ, ইপিজেড থানা আওয়ামীলীগের চৌধুরী হারুনুর রশিদ, এ.এস.এম ইসলাম, ৪১ নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আলহাজ্ব ছালেহ আহমদ চৌধুরী, সুলতান নাসির উদ্দীন, সফিউল আলম, হাজী মোহাম্মদ আলী, হাজী জয়নাল আবেদীন, জয়নাল আবেদীন আজাদ, কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন, কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

ভোগ্য পন্য উপহার সামগ্রী তৃনমূল কর্মীদের হাতে তুলে দিয়ে ট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ. জ. ম নাছির উদ্দীন বলেন, এযাবত কাল বাংলাদেশে যত দূর্যোগ-দূর্বিপাক হয়েছে প্রত্যেক সময় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ তৃণমূল নেতা-কর্মীদের পাশে দঁড়িয়েছে এবং সাহস যুগিয়েছে। এবারাও তার ব্যতিক্রম নয়। একজন কর্মীও যাতে অনাহারে না থাকে সেই পদক্ষেপ নিয়েই কার্যক্রম হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

তিনি আরো বলেন, মানব জাতির ইতিহাসে অনেক বড় বড় মহামারীর প্রাদুর্ভাবের কথা জানি, বিশ্বযুদ্ধের কথা জানি, কিন্তু সমগ্র বিশ্ব একসাথে করোনা ভাইরাসের কারণে এমন করে অর্থনীতি,রাজনীতি, ব্যবসায় বাণিজ্য সহ সব দিক দিয়ে সম্ভবত এতবড় বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় নি।

মেয়র বলেন, করোনার সংক্রমনের ফলে থমকে গেছে বিশ্বের অর্থনীতি। আগামী দিনে বিশ্বের দেশে দেশে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণকে বৈশ্বিক মহামারী হিসাবে ঘোষণা করেছে। গত বছরের ডিসেম্বরের প্রথম দিকে যখন চিনের উহান প্রদেশে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে তখন আমরা কেউ ভাবতে পারিনি, আমাদের মত দেশে এর বিস্তৃতি ঘটবে।

মেয়র বলেন, করোনার ভয়াল থাবা বিশ্বকে বুঝিয়ে দিচ্ছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উদাসীনতার পরিণাম। এই ধরনের পরিস্থিতিতে দেশের অনেক শিল্পপতি, সামাজিক ব্যক্তিত্ব এগিয়ে এসেছেন।যা একটি ভালো দিক। জাতির সংকটময় মুহূর্তে এগুলো দেখে অনেকেই অনুপ্রাণিত হচ্ছেন এবং অকাতরে দান করছেন। বিশ্বের সবচাইতে উন্নত দেশগুলো যেখানে এ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে সেখানে আমাদের মত দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে শংকিত হতেই হয়। আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণই উত্তম। সেক্ষেত্রে বতর্মানে সারা বিশ্বে সামাজিক দূরত্বের বিষয়টি প্রাধান্য পাচ্ছে। যেহেতু করোনা ভাইরাসের কোন প্রতিষেধক এখনও আবিষ্কৃত হয় নি, সেহেতু এটির প্রসারণের হার কমিয়ে রাখাই হচ্ছে সর্বোত্তম পন্থা। তবে সামাজিক দূরত্বের বিষয়টি মানুষ ধীরে ধীরে অনুধাবন করতে পারছে।

তিনি বলেন, প্রতিদিনকার খবরে বিদেশে মৃত্যুর মিছিল দেখে শিহরিত হই। কোনো অস্বাভাবিক মৃত্যুই আমাদের কাছে কাম্য নয়।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

আনোয়ারায় একমাত্র ছেলের ছুরিকাঘাতে মা-বাবা নিহত, ঘাতক আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 25 July, 2026, 6:05 pm
আনোয়ারায় একমাত্র ছেলের ছুরিকাঘাতে মা-বাবা নিহত, ঘাতক আটক

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় বিয়ে না দেওয়ায় কথা কাটাকাটির জেরে ছেলের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে স্বপন দাশগুপ্ত (৬৫) ও কল্পনা দাশগুপ্ত (৫৫) নামের এক দম্পতি নিহত হয়েছেন। 

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ১০ নম্বর হাইলধর ইউনিয়নের পূর্ব গুজরা গ্রামের মহাজন বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে রোমি রাজ দাশগুপ্তকে (৩০) আটক করে আনোয়ারা থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুর পৌনে ২টার দিকে নিজ বাড়িতে বিয়ে না দেওয়ার জেরে ছেলে রোমি রাজ দাশগুপ্তের সঙ্গে তার মা কল্পনা দাশগুপ্তের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে কাঁচি দিয়ে মায়ের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালান রোমি রাজ। এতে ঘটনাস্থলেই কল্পনা দাশগুপ্তের মৃত্যু হয়। স্ত্রীকে বাঁচাতে বাবা স্বপন দাশগুপ্ত এগিয়ে এলে তাকেও উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনে লুটিয়ে পড়েন।

পরবর্তী সময়ে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পর স্বপন দাশগুপ্তের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত রোমি রাজ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। এর আগেও তাকে একাধিকবার পাবনার একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে প্রায় তিন-চার মাস আগে তিনি বাড়িতে ফিরেছিলেন।

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহতাবউদ্দিন উদ্দীন বলেন, আহত অবস্থায় স্বপন দাশগুপ্তকে আনা হয়। তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক থাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত চমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছিল, তবে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পর তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকের সচেতনতাই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার মূল শক্তি: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 25 July, 2026, 5:26 pm
সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকের সচেতনতাই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার মূল শক্তি: মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিকের সচেতনতা, দায়িত্ববোধ ও সক্রিয় অংশগ্রহণই একটি পরিচ্ছন্ন, ডেঙ্গুমুক্ত, সবুজ ও নান্দনিক চট্টগ্রাম গড়ে তোলার মূল শক্তি। পরিচ্ছন্নতা কোনো একদিনের কর্মসূচি নয়, এটি একটি জীবনাচরণ| তাই প্রতি শনিবার নিজের বাসা, ছাদ, আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে এবং পরিচ্ছন্নতার সংস্কৃতি পরিবার ও বিদ্যালয় থেকেই শুরু করতে হবে।

আজ ২৫ জুলাই শনিবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম, পরিচ্ছন্ন শহর, সবুজ নগর, প্রফুল্ল মন, সুস্থ জীবন’-এ প্রতিপাদ্যে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ চট্টগ্রাম গড়ার প্রত্যয়ে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালির উদ্বোধন পরবর্তী প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এরপর জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভিন্ন ব্যানার, টি-শার্ট ও টুপি পরিধান করে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে শুরু হয়ে কাজির দেউরী, নেভির মোড়, অফিসার্স ক্লাব, র‌্যাডিসন ব্লু মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনঃরায় সার্কিট হাউসে এসে শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, একটি সমাজ বা রাষ্ট্রের ইতিবাচক পরিবর্তন শুরু হয় ব্যক্তি ও পরিবার থেকে। তাই প্রতিটি নাগরিক যদি সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজের বাসা, আঙিনা, ছাদ ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তোলেন, তাহলে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা অনেক সহজ হবে| তিনি বলেন, সরকারি সংস্থার একার পক্ষে নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়; এ জন্য প্রয়োজন সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন বলেন, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ বর্তমানে জন স্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ রোগ প্রতিরোধে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এর সঙ্গে সাধারণ জনগণের সচেতনতা সৃষ্টি ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি| আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসাবাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে| কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে, কারণ জমে থাকা পানিতেই এডিস মশা বংশবিস্তার করে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা, জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ| এ ধরনের কর্মসূচি শুধু একটি দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিয়মিতভাবে চালিয়ে যেতে হবে| সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণকে এ ধরনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান বিভাগীয় কমিশনার|

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ মনিরুজ্জামান, সিএমপি কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলী, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম প্রমূখ।

বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ প্রশাসন, সিভিল সার্জনের কার্যালয়সহ সকল সরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকতা-কর্মচারীগণ র‌্যালিতে অংশ নেন।

কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সকল প্রতিষ্ঠান একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন| ভবনের ছাদ, ড্রেন, বাগান, জলাধার, অব্যবহৃত স্থান ও সংলগ্ন এলাকা পরিষ্কার করার পাশাপাশি ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এদিকে সকাল ১১টায় কোর্ট হিলস্থ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উদ্যোগে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে পৃথকভাবে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র‌্যালির আয়োজন করা হয়। এসময় বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের আঙ্গিনা ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভবনের ছাদে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারগণ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এডিএম, সকল এডিসি, সিনিয়র সহকারী কমিশনার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণসহ কর্মচারীরা পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন।

এছাড়া পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে চলমান ও টেকসই করতে প্রতি সপ্তাহে নির্ধারিত একদিন সকল সরকারি দপ্তর, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানানো হয়।

চট্টগ্রাম জেলা, মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল সরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

বায়েজিদে নালায় মিললো বিপুল সংখ্যক ‘বুলেট’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 25 July, 2026, 5:07 pm
বায়েজিদে নালায় মিললো বিপুল সংখ্যক ‘বুলেট’

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ বাংলা বাজার এলাকায় একটি নালা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় প্রায় দেড় হাজার বুলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১২০টি বড় আকারের এবং ১ হাজার ২০০টির বেশি ছোট আকারের বুলেট রয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে বাংলা বাজার এলাকায় বিএসআরএম কারখানার ৫ নম্বর গেটসংলগ্ন নালা থেকে এসব বুলেট উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া বড় বুলেটগুলো একে-৪৭সহ ভারী অস্ত্রে ব্যবহৃত হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বুলেটগুলোর ধরন ও উৎস নিশ্চিত হতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।

স্থানীয়রা জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নালা পরিষ্কারের সময় একটি বস্তা দেখতে পান। পরে বস্তাটি খুলে বিপুল পরিমাণ বুলেট দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি বুলেটগুলো জব্দ করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল বলেন, ‘শেরশাহ বাংলা বাজার এলাকায় বিএসআরএম কারখানার পাশের একটি নালা থেকে বস্তাবন্দি বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২০টি বড় এবং ১ হাজার ২০০টির বেশি ছোট বুলেট রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে এসব বুলেট সেখানে রেখে গেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’