খুঁজুন
, ,

শাহাদাতকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে হবে:খসরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 5 March, 2020, 7:28 pm
শাহাদাতকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে হবে:খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনের নামে এখন বাংলাদেশে যে ব্যবস্থা চলছে তা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। ২০১০ সালের নির্বাচনের কৌশল ছিল এক রকম। এখন ভিন্ন প্রেক্ষাপট। বেগম খালেদা জিয়া এখন জেলে বন্দী। নেতা কর্মীদের নামে হাজার হাজার মামলা-হামলা, গুম, খুন ও নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়ে আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় থাকতে হচ্ছে। নির্বাচনে জিততে হচ্ছে।

একটি আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে আমাদেরকে নির্বাচন করতে হচ্ছে। নির্বাচনে সরকার তাদের সুবিধামত পদ্ধতি বানিয়ে নিয়েছে। এখন তারা ইবিএম মেশিন নিয়ে এসেছে, যেটা দিয়ে ভোট চুরি করা যায়। নির্বাচনী এলাকার বাহির থেকে বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে ভোট কেন্দ্রের বাহিরে ভয় প্রদর্শন করতে হয়। আর ভিতরে ব্যালট প্যানেলে ভোটাররা ফিঙ্গার প্রিন্ট দিলেই আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা ভোট দিয়ে দেয়। তবুও ৫% এর উপরে ভোট পরে না।

তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের অবস্থা এখন খুবই করুন। আওয়ামীলীগের মতো করুন অবস্থা বিএনপি’র নয়। তাদের মত ভীত সন্ত্রস্ত বিএনপি নয়। আওয়ামীলীগ এখন ভোটের ভয়ে আছে। তাদের ভয় বেগম খালেদা জিয়া ও জনগণকে। জনগণের প্রতি তাদের আস্থা নেই। সরকারী কর্মকর্তাদের দিয়ে যে অন্যায় কাজ করাচ্ছে, তাদের সেই ভয়ও আছে। আওয়ামীলীগ সবসময় একটা আতঙ্কের মধ্যে আছে।

এই যে আওয়ামীলীগের ভয়, সেই ভয়টাকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। তাই ডাঃ শাহাদাত হোসেনকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদেরকে নির্বাচনের দিন পুরোপুরি প্রস্তুত থাকতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) চসিক নির্বাচন উপলক্ষে কাজীদেউরীস্থ সেনা কল্যাণ কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এতে তিনি বলেন, চসিক নির্বাচনে আমাদের দলীয় নেতা কর্মীদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে নির্বাচনী কার্যক্রমে। সবাইকে কেন্দ্রে থাকতে হবে। যেখানে অন্যায় কর্মকান্ড হবে সেখানেই প্রতিবাদ করতে হবে। যার যার কেন্দ্রে দায়িত্ব নিয়ে প্রার্থীদের জিতাতে হবে। সিনিয়র নেতারা প্রার্থীদের জিতাতে না পারলে জবাবদিহী করতে হবে। আমাদেরকে সাহসিকতার সাথে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে।

তিনি ‘এজেন্টদের শক্তি না থাকলে কেন্দ্রে থাকার দরকার নাই’ নির্বাচন কমিশনারের এই বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, ভোট কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টরাতো যুদ্ধ করতে যায় না। এজেন্টদের কাজতো মারামারি করা নয়। এই নির্বাচন কমিশনের সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার কোন ক্ষমতায় নাই।

তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ শতভাগ আচরণবিধি ভঙ্গ করে নির্বাচন করে। আর বিএনপি শতভাগ নির্বাচন বিধি মেনে চলে। চট্টগ্রামে যদি আওয়ামীলীগ কোন আচরণ বিধি ভঙ্গ করে তাহলে আমাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে। কারণ নির্বাচন কমিশনের কাছে কোন বিচার নাই।

তিনি আইন শৃংখলা বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা সব দলের জন্য সমান সুযোগ দেবেন। সবার সাথে সমান ব্যবহার করবেন। যদি আইন প্রয়োগে ভারসাম্য থাকে তাহলে আমরা প্রতিবাদ করবো।

সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যতো বাধা আসুক আমরা নির্বাচনের মাঠে থাকবো। প্রয়োজনে প্রতিবাদ করবো তারপরও নির্বাচনের মাঠ ছাড়বো না। সকল অন্যায় প্রতিহত করে জয় ছিনিয়ে আনবো।

তিনি বলেন, বিএনপি যে সম্মান দেখিয়ে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে, সেই সম্মান আমি রাখবো। নগর বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে আমরা আহ্বান জানিয়েছি, ভোটকেন্দ্রে আইডি কার্ড ছাড়া কেউ যেনো ঢুকতে না পারে। এ ছাড়া আরও কিছু দাবি জানিয়েছি। আশা করি, কমিশন দাবিগুলো মানবে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবের রহমান শামীম বলেন, চসিক নির্বাচনে যারা জীবন বাজি রেখে বিএনপির প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনকে বিজয়ী করে আনবে, তাদের বিএনপির কমিটিতে মূল্যায়ন করা হবে। জনমত বিএনপির সঙ্গে আছে। তারাই আমাদের শক্তি। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হই, তাহলে বিজয় আমাদের হবেই।

কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছে। বিএনপি জনগণের সেই ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য নিরন্তর সংগ্রাম করে যাচ্ছে। আর এর অংশ হিসেবেই নির্বাচনীযুদ্ধে আমরা নেমেছি। এই যুদ্ধে জনগণই আমাদের একমাত্র সঙ্গী।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বিগত দিনের সাংগঠনিক রির্পোট পেশ করে বলেন, বর্তমান অগণতান্ত্রিক সরকারের জলুম নির্যাতনের মধ্যে আমরা চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দায়িত্ব প্রাপ্তি হওয়ার পর ১ বছরের মাথায় দীর্ঘ ২১ বছর না হওয়া মহানগর কমিটি পূর্ণাঙ্গ করেছি। ১৪টি থানা ও ৪৩টি ওয়ার্ড কমিটি গঠন করেছি। রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিবেশে আমরা ২ টি মহাসমাবেশ ২ টি কর্মীসভা ২টি প্রতিনিধি সভা করেছি। তাছাড়া প্রতিকূল পরিবেশে কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচিগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করেছি।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, সরকারের জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখে সরকার প্রতিহিংসার নগ্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আমরা গণতন্ত্র ও নেত্রীর মুক্তি নিশ্চিত করতে রাজপথসহ সবখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছি।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্মসম্পাদক এস এম সাইফুল আলম’র পরিচালনায় বর্ধিত সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন মহানগর ওলামাদলের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবদুল হান্নান জিলানী। মৃত্যুবরণকারী নেতৃবৃন্দের শোক প্রস্তাব পাঠ করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্মসম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মো: মিয়া ভোলা, শামসুল আলম, এড. আবদুস সাত্তার, হাজী মোহম্মদ আলী, সৈয়দ আজম উদ্দিন, জয়নাল আবেদিন জিয়া, নাজিমুর রহমান, আশরাফ চৌধুরী, শফিকুর রহমান স্বপন, সৈয়দ আহমদ, মাহবুবুল আলম, নাজিম উদ্দিন, এড. মফিজুল হক ভুঁইয়া, ইকবাল চৌধুরী, এড. আবদুস সাত্তার সারোয়ার, এস এম আবুল ফয়েজ, এম এ হান্নান, উপদেষ্টা সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, চবি অধ্যাপক নসরুল কদির, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, মো: শাহ আলম, এসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, আহামেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, জাহাঙ্গির আলম দুলাল, কাউন্সিলর মো: আবুল হাশেম, মনজুর আলম মনজু, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ সিহাব উদ্দিন আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুরুল আলম চৌধুরী মনজু, মো. কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক সিহাব উদ্দিন মুবিন, থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মো. সালাউদ্দিন, মো: সেকান্দর, কাউন্সিলর মো. আজম, হাজী হানিফ সওদাগর, ডা. আফসার উদ্দিন, সরফরাজ কাদের রাসেল, আবদুল্লাহ আল হারুন, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, আফতাবুর রহমান শাহীন, মো. সাহাবউদ্দিন, জাহিদ হাসান, মাঈন উদ্দিন চৌধুরী মাঈনু, রোকন উদ্দিন মাহামুদ, আবদুল কাদের জসিম, হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।

আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:12 am
আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, আমাদের এই লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বাংলাদেশের মানুষ লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে সবাই ঢাকায় একত্রিত হয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার আমরা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশ্যে লং মার্চের যাত্রা শুরু করেছি। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে যাচ্ছে, সেই স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্য আমাদের এই লং মার্চ।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই লং চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা দলে দলে এই লং মার্চে অংশগ্রহণ করুন। এই লং মার্চ কোনো ১১ দলের লং মার্চ নয়। এই লং মার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের লং মার্চ।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করব। যদি সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এই লং মার্চের ছয় দফা এক দফাতে পরিণত হবে।’