খুঁজুন
শনিবার, ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিসি সুলতানা প্রত্যাহার, মামলার সিদ্ধান্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২০, ৩:০০ অপরাহ্ণ
ডিসি সুলতানা প্রত্যাহার, মামলার সিদ্ধান্ত

গভীর রাতে বাসায় গিয়ে সাংবাদিককে আটকের পর ডিসি অফিসে মোবাইল কোর্ট বসিয়ে কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীনকে কুড়িগ্রাম থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রবিবার দুপুরে এ কথা জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

এর আগে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগ্যানকে জামিন দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজাউদ্দৌলা। কারাগার থেকে বের হওয়ার পর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের কারণে তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

আরিফুল ইসলামের পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ২৫ হাজার টাকা জামানতে আরিফকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তবে মামলাটির আপিল চলমান রয়েছে।

আরিফুল ইসলামের স্ত্রী মোস্তারিমা সরদার বলেন, ‘রাত সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ করে আমাদের বাড়ির গেটে ধাক্কাধাক্কির শব্দ শুরু হয়। আমরা জানতে চাই কারা ধাক্কাচ্ছে। এ সময় বলা হয়, দরজা খুলুন, না হয় ভেঙে ফেলা হবে। পরে তারা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে পড়ে। ঢুকেই মারতে শুরু করে আরিফকে। কেন মারছেন জিজ্ঞাসা করতেই তারা আরিফকে বলে, ‘তুই অনেক জ্বালাচ্ছিস।’ মারতে মারতে তাকে নিয়ে যায়।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীনের বিরুদ্ধে অনিয়মের সংবাদ পরিবেশন এবং ফেসবুকে দুর্নীতি সংক্রান্ত পোস্ট দেওয়ার কারণে উনি ক্ষুব্ধ হয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। ’

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে ডিসি সুলতানা পারভীন সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘যদি ঐ ঘটনাই হতো, সেটা তো এক বছর আগের কথা। ঐটা যদি কোনো বিষয় হতো, তাহলে তো তখনই আমরা কোনো অ্যাকশনে যেতাম।’ তিনি বলেন, টাস্কফোর্সের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এদিকে গভীর রাতে সাংবাদিকের বাসায় টাস্কফোর্সের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাসা থেকে জোর করে তুলে নিয়ে মোবাইল কোর্ট সাজা দিতে পারে না। গাঁজা-মদ যদি ঘরে থেকেও থাকে, তবে তা নজরদারিতে রাখবে। এরপর যখন সময় হবে তখন তাকে মাদকসহ আটক করবে। আর এসব মাদকদ্রব্য যদি কেউ লুকিয়ে রাখে, তাহলে আমাদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তার নিজস্ব আইনবলে পদক্ষেপ নেবে।’

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে আরিফুল ইসলামকে মাদকবিরোধী অভিযানের কথা বলে আটক এবং পরে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানের সময় মাদকসহ আরিফুল ইসলাম রিগানকে আটক করা হয় বলে দাবি করেন অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা।

Feb2

ঈদে বাসে বাড়তি ভাড়া নিলেই ব্যবস্থা: মালিক সমিতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
ঈদে বাসে বাড়তি ভাড়া নিলেই ব্যবস্থা: মালিক সমিতি

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাসে বাড়তি ভাড়া আদায় ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি (বিএসপিএমএস)।

কোনো অবস্থাতেই সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার (২ মে) রাজধানীর রমনার ইউনিক হাইটসে সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি কফিল উদ্দিন আহাম্মদ। সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলমের সঞ্চালনায় সভায় কার্যকরী সভাপতি এম এ বাতেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরশেদুল আলম কাদেরী এবং অতিরিক্ত মহাসচিব এ এস এম আহমেদ খোকনসহ ৭৯ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে সমিতির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের সব জেলা শাখা ও ইউনিটগুলোতে সরকার নির্ধারিত বাসভাড়া মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করতে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঈদযাত্রায় যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে কোনোভাবেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না।

গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানে প্রিজাম্পটিভ আয়কর (এআইটি) দ্বিগুণ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মালিকরা। একই সঙ্গে টায়ার-টিউবসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে জানান। বর্ধিত আয়কর প্রত্যাহার এবং যন্ত্রাংশের দাম কমানোর বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সমিতি।

পরিবহন মালিকদের এই সভায় আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাস মালিক সমিতির নেতারা জানান, শনিবারের সভায় সারা দেশে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও ট্যাঙ্কলরি চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে একটি উপ-কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই কমিটি যানজট ও দুর্ঘটনা নিরসনসহ পরিবহন খাতের সমস্যাগুলো কেন্দ্রীয় কমিটির মাধ্যমে সমাধানে কাজ করবে। সমিতিকে আরও শক্তিশালী করতে সব বৈধ সংগঠনকে এর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে সভার মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যাগুলো নিরসনের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

নবদিগন্তের সূচনা, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
নবদিগন্তের সূচনা, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আর পাঁচটা দিনের থেকে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের আজকের চিত্রটা একেবারেই আলাদা। সুনসান স্টেডিয়াম যেন হঠাৎই জেগে উঠেছে। কানায় কানায় পূর্ণ গ্যালারি, মাঠে খুদে ক্রীড়াবিদদের চমকপ্রদ ক্রীড়া প্রদর্শনী; নিরাপত্তা বাহিনীর সতর্ক পাহারা আর সংবাদকর্মীদের অবিরাম ব্যস্ততা। সব আয়োজন এক উপলক্ষ্য ঘিরে—নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা।

আজ বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ক্রীড়াঙ্গনের প্রতিভা অন্বেষণের এই প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে। একই সঙ্গে সারা দেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলোতেও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন খুদে ক্রীড়াবিদরা।

শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণে ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু হয়েছিল নতুন কুঁড়ির। বাংলাদেশ টেলিভিশনের আশির দশকের জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনেক প্রতিভা উঠে এসে শিল্প অঙ্গনে। বহু বছর পর সেই পরিচিত নাম আবার ফিরে এসেছে, তবে এবার মঞ্চ নয়, সবুজ মাঠ-গালিচায়। যাত্রা শুরু হলো নতুন এক স্বপ্ন- ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’এর।

আগামী দিনের তারকাদের উৎসাহ জানাতে ঢাকা থেকে ছুটে এসেছেন বিভিন্ন বিভাগের দেশসেরা ৩২ জন খেলোয়াড়। একেকজন একেক খেলার প্রতিনিধি–কেউ খেলেন ক্রিকেট, কেউবা ফুটবল কিংবা কাবাডি। আজ সবাই এক প্ল্যাটফর্মে। আগামীর তারকা খুঁজে বের করতে সরকারের নেওয়া উদ্যোগ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’ হয়ে এসেছেন তারা।

সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে দলীয় ইশতেহারে রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনার সুযোগ পেলে দেশে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন সরকার সংশ্লিষ্টরা। এরই মধ্যে দেশসেরা খেলোয়াড়দের মাঝে ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হয়েছে এবং এ প্রক্রিয়া আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতা পাচ্ছেন অ্যাথলেটরা।

আজ সিলেটে গণমাধ্যমকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক যেমনটা বলছিলেন, নির্বাচনের আগেই ইশতেহারে প্রধানমন্ত্রী স্পোর্টসকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশ গড়ার পরিকল্পনার অন্যতম অংশ ছিল স্পোর্টস। ইশতেহার বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। সরকার ইতিমধ্যে ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়াভাতা চালু করেছে।

উদ্বোধনী ভেন্যু হিসেবে ঢাকার পরিবর্তে সিলেটকে বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা। এ প্রসঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা থেকে আমরা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস শুরু করব কি না এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলাম। উনি বললেন, ‘আমাকে ঢাকায় রাইখো না। ঢাকার বাহিরে নিয়ে যাও। সবসময় ঢাকা থেকে শুরু করা হয়। আমি চাই এটা ঢাকার বাহিরে থেকে শুরু হোক।’ তারই পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা সিলেট থেকে শুরু করছি।”

প্রসঙ্গত, ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে মোট ৮টি জনপ্রিয় ইভেন্টে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। খেলাগুলো প্রথমে শুরু হবে উপজেলা পর্যায়ে। সেখান থেকে বিজয়ীরা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় হয়ে সবশেষে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে। ১৩-২২শে মে’র মধ্যে শেষ হবে আঞ্চলিক পর্বের খেলা।

পুরো বাংলাদেশকে ১০টি শক্তিশালী অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। সেগুলো হলো ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ। এসব অঞ্চলের মধ্যে বিভিন্ন জেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিটি পর্যায়ে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক ও বাস্তবায়ন কমিটি পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করছে, যাতে কোনো মেধা অবমূল্যায়িত না হয়।

ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টনের প্রতিটি পর্যায়ে নকআউট পদ্ধতিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। দাবায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সুইস লিগ পদ্ধতিতে খেলা হবে। ব্যক্তিগত ইভেন্ট অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও মার্শাল আর্টের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বাছাই (হিট/নকআউট) এবং ফাইনাল রাউন্ডের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করা হবে। প্রতিযোগিতায় একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ দুটি খেলায় অংশ নিতে পারবে।

রেজিস্ট্রেশনের জন্য খুব অল্প সময় থাকা সত্ত্বেও সারা দেশ থেকে গত ১২-২৬ এপ্রিল ডেডলাইন পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতায় আট ইভেন্টের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬৯৩ জন প্রতিযোগী। এরমধ্যে ছেলে ১ লাখ ২০ হাজার ৯৪৯ জন, মেয়ে ৪৬ হাজার ৭৪৪ জন। ঢাকা অঞ্চল থেকে সবচেয়ে বেশি ২৫ হাজার ৩৮৭ জন প্রতিযোগী রেজিস্ট্রেশন করেছেন। সবচেয়ে কম রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে ময়মনসিংহ অঞ্চলে। সেখানে ৭ হাজার ৯৬৬ জন রেজিস্ট্রেশন করেছেন।

দেশেই লন্ডন-ইউরোপের মতো স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
দেশেই লন্ডন-ইউরোপের মতো স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সরকার দেশেই লন্ডন ও ইউরোপের মতো স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২ মে) সিলেটের চাঁদনীঘাট এলাকায় সুধী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

জলাবদ্ধতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতি বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা রোধে ও শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রাখার জন্য খাল খনন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা মাটির নিচ থেকে পানি তুলছি, কৃষিকাজের জন্যও পানি তুলছি। এটি ধীরে ধীরে ভয়াবহ অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হলে আমাদের প্রথম কাজটি হচ্ছে খাল খনন।

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স আড়াই মাসের মতো। এরই মধ্যে আমরা দেশের মানুষের সামনে যেসব প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করেছিলাম সেগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।

তিনি বলেন, সিলেটের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল দ্রুত চালু করে এক হাজার ২০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। মানুষকে শারীরিকভাবে সুস্থ রাখাই মানুষের লক্ষ্য।

এ সময় ঢাকা-সিলেট রেললাইন ডাবল লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিসহ অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত করতে বন্ধ কল কারখানা চালু করারও আশ্বাস দেন তিনি।

এর আগে শনিবার সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে সরকারপ্রধান। এক দিনের এই সফরে সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।

দিনের কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ত্যাগ করার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।