খুঁজুন
, ,

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার আসামি কাউন্সিলর মিজান গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 11 October, 2019, 11:42 am
শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার আসামি কাউন্সিলর মিজান গ্রেফতার

-1

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ৩২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান ওরফে পাগলা মিজানকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

আজ শুক্রবার ভোররাতে সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি হাবিবুর রহমান মিজান এখন আওয়ামী লীগ নেতা। তার নামে মোহাম্মদপুর থানায় ১৯৯৬ সালে ইউনূস হত্যা, ২০১৬ সালে সাভার থানায় জোড়া হত্যা মামলা রয়েছে। এছাড়া মোহাম্মদপুর বিহারি ক্যাম্পে মাদক নিয়ন্ত্রণকারী ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি পরিচিত।

অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া মিজান বহুবার গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছেন। তার সেকেন্ড ম্যান মাতব্বর তুহিন নেশাখোর। বর্তমানে ইয়াবা ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছেন আদাবরে।

১৯৮৯ সালে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাসায় হামলার সময় মিজান ছিলেন ফ্রিডম পার্টির বড়ো নেতা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টাকারীদের অন্যতম ছিলেন মিজানুর রহমান মিজান। পাগলা মিজান নামেই সবাই তাকে চেনে। হত্যাচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি নাম বদলিয়ে রাখেন হাবিবুর রহমান মিজান। পরে এক সময় ফ্রিডম পার্টি থেকে গিয়ে ভেড়েন আওয়ামী লীগে। তিনি এখন মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের আলোচিত-সমালোচিত নেতা। গত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্য রাতে ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে হামলা চালায় একটি চক্র। তারা সেখানে গুলি করে এবং বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় শেখ হাসিনা বাড়ির ভেতর অবস্থান করছিলেন। বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীরাও পাল্টা গুলি চালান। একপর্যায়ে হামলাকারীরা চলে যায়। এ ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা হয়।

১৯৯৭ সালে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলার অভিযোগপত্র দেয়। এতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) সৈয়দ ফারুক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুর রশিদ ও মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) বজলুল হুদা এবং নাজমুল মাকসুদ মুরাদসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়।

অভিযোগপত্রে মিজানুর রহমান ওরফে পাগলা মিজানকে হামলার পরিকল্পনাকারীদের একজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মিজানের ছোটো ভাই মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফাও ছিলেন হামলাকারী দলের সদস্য।

মোহাম্মদপুরের স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মোস্তফা ১৯৯৫ সালে দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে মারা যান। সম্প্রতি কাউন্সিল হয়েছে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের। তবে এখনো নতুন কমিটির তালিকা আসেনি। কমিটিতে মিজানের স্থানও হতে পারে।

জানা যায়, ১৯৭৬ সালে ফ্রিডম পার্টির পক্ষ থেকে মিজান, শামীম জালালী ওরফে দারোগার ছেলে শামীম, বাবুল ওরফে পিচ্চি বাবুলসহ কয়েক জন লিবিয়া যান গেরিলা ট্রেনিং নিতে। হামলার ঘটনার সময় মিজান ছিলেন ফ্রিডম পার্টির ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর জোনের কো-অর্ডিনেটর।

মিজান যেভাবে ‘পাগলা’ মিজান দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মিজান মোহাম্মদপুরে এসেই শুরু করেন চাঁদাবাজি, ছিনতাই। ছিনতাইকারী হিসেবেই ১৯৭৪/৭৫ সালে তার বিশেষ পরিচিতি আসে। ১৯৭৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে খামারবাড়ি খেজুর বাগান এলাকায় ছিনতাই করতে গেলে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে লালমাটিয়ায় মসজিদের পাশে পুকুরে নেমে পড়েন। পুলিশ তাকে বারবার নির্দেশ দিলেও তিনি পুকুর থেকে উঠে আসেননি। ৪/৫ ঘণ্টা পর তিনি কোনো ধরনের কাপড় ছাড়াই উঠে আসেন। তার এ ধরনের কাণ্ডজ্ঞানহীন কাজের জন্য পুলিশ তাকে ‘পাগলা’ আখ্যা দেয় এবং তাকে ছেড়েও দেয়। তখন থেকেই এলাকায় তার নাম ছড়িয়ে পড়ে পাগলা মিজান নামে।

Feb2
Feb2

তামিম বললেন ‘তানজিদ বগুড়ার’, প্রধানমন্ত্রীর জবাব ‘ও বাংলাদেশের ছেলে’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 16 August, 2026, 1:49 pm
তামিম বললেন ‘তানজিদ বগুড়ার’, প্রধানমন্ত্রীর জবাব ‘ও বাংলাদেশের ছেলে’

বাংলাদেশ দল যখন অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে, তখন কিশোরগঞ্জের পথে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কলে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের অভিনন্দন জানান। এ সময় ভিডিও কলে যুক্ত ছিলেন তামিম ইকবাল। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার একটি কথোপকথন বেশ আলোচিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মানুষের পক্ষ থেকে দলের খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। নাজমুল হোসেন শান্ত, হাসান মাহমুদ ও তানজিদ হাসানের সঙ্গে কথা বলেন। নিজের কর্মব্যস্ততার ফাঁকেই তৎক্ষণাৎ ক্রিকেটারদের সাথে ভিডিও কলে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ক্রিকেটারদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।

তারেক রহমানের বাড়ি বগুড়ায়, তানজিদেরও বাড়ি একই জেলায়। সেই কথাই প্রধানমন্ত্রীকে উল্লেখ করেন তামিম। তানজিদের সঙ্গে তারেক রহমান কথা বলার সময় বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক হস্তক্ষেপ করে বলেন, ‘ও তানজিদ হাসান, বগুড়ার ছেলে, সেঞ্চুরি করেছে।’ সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিসিবি সভাপতিকে সংশোধন করে দিয়ে বলেন, ‘বগুড়ার না, ও বাংলাদেশের ছেলে। সে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছে, বগুড়াকে না।’

এ সময় ক্রিকেটারদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে অপেক্ষা করছি আপনাদের স্বাগত জানানোর জন্য। সবার শরীর ভালো আছে তো? একটু (ক্লান্তি) হবে স্বাভাবিক। গরম কেমন ওখানে? ভালো গরম? দেশের মতো? আসেন আপনারা সুস্থভাবে। বাংলাদেশের মানুষ আপনাদের স্বাগত জানাতে অপেক্ষা করছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তাদের মাটিতে বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক জয় দেশের ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। দলের খেলোয়াড়দের দৃঢ় মনোবল, আত্মবিশ্বাস, দক্ষতা ও দলগত প্রচেষ্টার ফলেই এই অসাধারণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

সরকার প্রধান বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরের টেস্টেও বাংলাদেশ ভালো খেলবে এবং সিরিজ জয়ের এই সম্ভাবনাকে সাফল্যে রূপ দেবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৭ সালে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার টেস্ট র‍্যাংকিংয়ের এক নম্বর দল অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই মাটিতে হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ল তারা।

বাংলাদেশকে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 16 August, 2026, 1:36 pm
বাংলাদেশকে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশকে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

তিনি বলেন, আজকে এখানে যে মাছ অবমুক্ত করা হলো, এই মাছগুলো যখন বড় হবে, ডিম পাড়বে, বিভিন্ন খালে-বিলে ঢুকবে, তখন উপকার কাদের হবে? লন্ডনের মানুষের উপকার হবে নাকি জাপানের মানুষের উপকার হবে? উপকার হবে বাংলাদেশের মানুষের।

রোববার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাকুন্দিয়ার মির্জাপুর এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের মানুষ ও গ্রামের মানুষের কল্যাণ। জনগণ বিগত নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দল বিএনপিকে বিজয়ী করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতিটাই হচ্ছে এমন একটি রাজনীতি, যেই রাজনীতি বাস্তবায়ন করলে দেশের মানুষ উপকৃত হবে, গ্রামের মানুষ উপকৃত হবে। এই রাজনীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

খাল খনন কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী জানান, নির্বাচনের আগে তারা খাল খননের কর্মসূচি শুরুর কথা বলেছিলেন। সরকার গঠনের পর আল্লাহর রহমতে সারা দেশে খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে। এর ফলে কৃষকরা উপকৃত হচ্ছেন। পাশাপাশি খালের আশপাশের এলাকার মানুষও পানির সুবিধা পাচ্ছেন।

তারেক রহমান বলেন, শুধু খাল খনন করলেই হবে না, খালের পানি যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে। কৃষিতে সেচ সুবিধার পাশাপাশি মাছের উৎপাদন বাড়াতেও এসব জলাশয় কাজে লাগাতে হবে।

তিনি জানান, আজ ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন নদী ও বড় বড় খালে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে কৃষকরা সেচ সুবিধা পাবেন, অন্যদিকে মাছ আহরণের মাধ্যমে দেশের মানুষের খাদ্যের চাহিদা পূরণে সহায়তা হবে।

নারী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই নারী সমাজকে পিছিয়ে রেখে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ পরিচালনার সময় নারীদের শিক্ষার প্রসারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন এবং নারীদের দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করেছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, দেশের নারীদের শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তোলার মাধ্যমে তাদের দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার অংশীদার করতে হবে। নারী-পুরুষ সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেই বাংলাদেশকে একটি জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিপুলসংখ্যক মানুষ করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। মাছের পোনা অবমুক্তকরণকে ঘিরে পাকুন্দিয়ার মির্জাপুর এলাকায় সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য, কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মীর শাহে আলম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো.শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের এমপি মো. ফজলুর রহমান প্রমুখ।

অনুকূল পরিবেশ না হ‌লে ভারত যাবেন না প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 16 August, 2026, 1:19 pm
অনুকূল পরিবেশ না হ‌লে ভারত যাবেন না প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তা‌রেক রহমা‌নের ভারত সফ‌রের আগে অনুকূল পরিবেশ তৈ‌রির তা‌গিদ দি‌য়ে‌ছে বাংলা‌দেশ। ঢাকার চাওয়া, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত প্রত্যর্পণ চু‌ক্তির মাধ্যমে ফেরত এবং ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির স‌ন্দেহভাজন হত্যাকারী‌দের প্রত্যর্পণ কর‌বে দেশ‌টি।

রোববার (১৬ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে এক সং‌ক্ষিপ্ত ব্রিফিং‌য়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ের মুখাপত্র এ কে এম শহীদুল করিম প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নি‌য়ে সরকা‌রের এ অবস্থান তু‌লে ধ‌রেন।

মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশ এবং ভারতের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারতে একটি দ্বিপাক্ষিক সফরের সম্ভাবনা নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। ত‌বে সম্প্রতি দিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য মতবিনিময়ের ফলে এই প্রক্রিয়াটি বিঘ্নিত হয়েছে, যিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

শহীদুল করিম ব‌লেন, আমরা এই বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি। আমরা মনে করি যে, এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের প্রত্যর্পণে যেন আমাদের অনুরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে।

তি‌নি ব‌লেন, আমাদের দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শহীদ ওসমান হাদির অভিযুক্ত খুনিদের বাংলাদেশের হাতে তুলে দিতে হবে। আমরা তাদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।

মুখপাত্র ব‌লেন, আমরা পুনরায় বলছি যে, আমরা সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে আমাদের প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে যাব।

আগামী সেপ্টম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ নি‌তে আমন্ত্রণ জা‌নি‌য়ে‌ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ ছাড়া, প্রধানমন্ত্রী‌কে দ্বিপক্ষীয় সফ‌রের জন্যও আমন্ত্রণ জা‌নি‌য়ে‌ছে ভারত।

সম্প্রতি শেখ হা‌সিনা‌কে দি‌ল্লি‌তে বক্তব্য দেওয়ার সু‌যোগ ক‌রে দেওয়া‌কে কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস স‌ম্মেল‌নে অংশগ্রহণ নি‌য়ে অ‌নিশ্চয়তা তৈ‌রি হয়। প‌রে অবশ্য ঢাকা-‌দি‌ল্লির কূট‌নৈ‌তিক তৎফরতায় প্রধানমন্ত্রী‌র দ্বিপক্ষীয় সফর নি‌য়ে আলোচনা শুরু হয়।