খুঁজুন
শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনায় দেশে ৪জনসহ ৫ দেশে মোট ১৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২০, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
করোনায় দেশে ৪জনসহ ৫ দেশে মোট ১৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এ সংক্রমিত হয়ে বাংলাদেশের মধ্যে চারজন এবং দেশের বাইরে আরো ৪টি দেশে ১৫ জনসহ এখন পর্যন্ত ১৯ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর জানা গেছে।

আজ ২৫ মার্চ বুধবার সকাল এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়ে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১৯ হাজার। এর মধ্যে বাংলাদেশি রয়েছেন ১৯ জন।

প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশেই মারা গেছেন ৪ জন। দেশের মধ্যে প্রথম মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায় গত ১৮ মার্চ। জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা বিভাগ (আইইডিসিআর) প্রথম নিশ্চিত করেন গত ১৮ মার্চ প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় এক বৃদ্ধের মৃত্যুর খবর।

দুদিনে মৃত্যুর আর কোন খবর পাওয়া না গেলেও গত ২১ মার্চ মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদফতরে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে আরেকজনের মৃত্যুর খবর জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। গত ২৩ মার্চ বিকেলে আইইডিসিআর অনলাইন ব্রিফিংয়ে জানায় দেশের মধ্যে তৃতীয় বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর।

গতকাল ২৪ মার্চ মঙ্গলবার বিকেলে অনলাইন লাইভ ব্রিফিংয়ে আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা চতুর্থ ব্যক্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

দেশের বাইরে ১৫ বাংলাদেশির মৃত্য : দেশের বাইরে আরো ৪টি দেশে মোট ১৫ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে সর্ব্বোচ্চ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। সেখানে এখন পর্যন্ত ৮ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। শুধুমাত্র গতকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুজন নারী ও দুজন পুরুষের মৃত্যু হয় দেশটির নিউইয়র্কে।

তারা সেদেশের এলমহার্স্ট হসপিটাল ও প্লেইনভিউ হসপিটাল নর্থওয়েলে মারা গেছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তথ্য নিশ্চিত করেন। এদের মধ্যে ৬০ বছরের আবদুল বাতেন, ৭০ বছরের নূরজাহান বেগম এবং ৪২ বছরের এক বাংলাদেশি প্রবাসী নারী মারা গেছে এলমহার্স্ট হসপিটালে। এবং ৫৯ বছরের এটিএম সালাম মারা গেছেন প্লেইনভিউ হসপিটাল নর্থওয়েলে।

এর আগে গত ২৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রে মারা গেছেন ৩৮ বছরের আমিনা ইন্দ্রালিব তৃষা এবং ৬৯ বছরের মোহাম্মদ ইসমত। তার আগের সপ্তাহে মারা গেছেন মোতাহের হোসেন ও মোহাম্মদ আলী নামের আরো দুজন বাংলাদেশি।

দেশের বাইরে এর পরেই বাংলাদেশি মৃত্যুর সংখ্যা বেশি ছিলো যুক্তরাজ্য। যুক্তরাজ্যে সর্বমোট ৫ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে ৪৯ বছর বয়সী খসরু মিয়া নামে এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয় লন্ডনে।

এর আগের দিন মঙ্গলবার একই হাসপাতালে মারা গেছেন পূর্ব লন্ডনের বাঙালি অধ্যুষিত হোয়াইট চ্যাপেলের সেটেলস স্ট্রিট এলাকার বাসিন্দা বাংলাদেশি প্রবাসি হাজি জমসেদ আলী (৮০)।

যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী প্রথম ব্যক্তি ছিলেন ম্যানচেস্টারে বসবাসরত ৬০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি। তিনি পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে ইতালি থেকে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন ব্রিটেনে।

দ্বিতীয় বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন লন্ডনের বাঙালি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটসে। করোনাভাইরাসের সঙ্গে হাসপাতালে আটদিন যুদ্ধ করার পর পূর্ব লন্ডনের রয়েল লন্ডন হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন ৬৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি। তৃতীয় বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন যুক্তরাজ্যে সফররত এক বাংলাদেশি। লন্ডনের গ্রেট অরমন্ড হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তাছাড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশের বাইরে একজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয় ইতালির মিলানে। গত ২০ মার্চ তিনি মারা যান। পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, তার বয়স ৫০ হলেও ঘনিষ্ঠজনেরা জানান, প্রায় ৬০ বছর বয়সী ছিলেন ওই ব্যক্তি।

গতকাল ২৪ মার্চ মঙ্গলবার গাম্বিয়ায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক বাংলাদেশি ইমামের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ধর্ম প্রচারের কাজে সেখানে সফররত ছিলেন। এর আগে আরো কয়েকটি দেশ ভ্রমণ করেছিলেন। গাম্বিয়ায় করোনা আক্রান্ত হয়ে এটাই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা।

২৪ ঘন্টা/আর এসপি

Feb2

‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসার রাজনীতির ছোবল’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসার রাজনীতির ছোবল’

জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে ফ্যাসিবাদের সময়ে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির ছোবল বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

শুক্রবার (৫ জুন) নগরের কাজীর দেউড়ির জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেখুন এই বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি জিয়া ঘাটে ঘাটে, ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে তাঁর যে অবস্থান সেটা বাংলাদেশকে অনেক বেশি আলোড়িত করেছে, সমৃদ্ধ করেছে। সেই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এ স্মৃতি জাদুঘর। এটা আমরা দেখলাম, পরিপূর্ণভাবে দেখতে পারিনি। আজ সকালে এসেছি।

আমার পাশে আছেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, ডান পাশে চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান মাননীয় সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, জেলা প্রশাসক, আমার মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তা আছেন। আমরা এটা দেখলাম। এসে শুনলাম। এর অনেক রুম আমরা খালি দেখেছি। কারণ এটা রেনোভেশন হচ্ছে। সুন্দর করে রেনোভেট করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত জিনিসগুলো সংরক্ষণ করা হবে। আমরা এরপর যাব জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সে যেটি ফ্যাসিবাদের সময়ে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা হয়েছিল সম্পূর্ণভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি ঈর্ষা করে। এটা একটা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির ছোবল। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স আমরা নতুন করে করব। সেটি আমরা পরিদর্শন করব। আরও কিছু স্থাপনা পরিদর্শন করব।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশের স্বাধীনতায় মহান মুক্তিযুদ্ধে যে মহান ঘোষণাটি দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার পর একটার পর একটা উনার পদক্ষেপ ছিল। উনি যুদ্ধ করেছেন। উনি বীরউত্তম হয়েছেন। উনি সেনাপ্রধান হয়েছেন। উনি সফল রাষ্ট্রনায়ক হয়েছেন। বাংলাদেশের সমৃদ্ধির জন্য উনি একসময় বাংলাদেশের চিত্রই পাল্টে ফেলেছিলেন। যদিও ফ্যাসিবাদ এসে বারবার সেটি ভূলুণ্ঠিত করেছে। আমরা সেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি এবং তাঁর স্মৃতিগুলো সংরক্ষণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সব কিছু করবে।

কত দ্রুত জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের মেরামত কাজ শেষ হবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, আমাদের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক এ বিষয়ে। এ জন্য আজ মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নেতৃত্বে আমরা পরিদর্শনে এসেছি। এ স্থাপনাটি এবং জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স যেটিকে পরবর্তীতে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স ঘোষণা করা হয়েছিল। এগুলো ঐতিহাসিক নিদর্শন। আগামী প্রজন্মের আসলে এগুলো জানতে হবে। তাদের এখানে আসতে হবে, দেখতে হবে। আমাদের ইতিহাস যদি না জানি তাহলে জাতি হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারব না। ভূমিকম্পের কারণে এখানে কিছু ডেমেজ হয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ে মেরামত করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেব ইনশাআল্লাহ।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ পালিত হচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ সম্মেলন (ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন দ্য হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট) এই দিনেই শুরু হয়েছিল। এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন পর্যন্ত। তখন থেকেই প্রতি বছর এই দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে। প্রতি বছরই দিবসটি আলাদা আলাদা শহরে, আলাদা আলাদা প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পালিত হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘প্রকৃতি থেকে প্রেরণা, জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন পরিবেশ ও উন্নয়নমূলক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস হলো পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টি ও কার্যক্রম জোরদারের জন্য জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান উদ্যোগ। বছরের পর বছর ধরে এটি জনসচেতনতা বৃদ্ধির অন্যতম বৃহৎ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে, যা বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে কোটি কোটি মানুষের অংশগ্রহণে পালিত হয়ে আসছে।

দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবারও বাস পড়ল নদীতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবারও বাস পড়ল নদীতে

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস পদ্মায় পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাট পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বাস থেকে যাত্রী নামানো অবস্থায় ছিল বলে মনে হচ্ছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, বাস পদ্মায় ডুবে যাওয়ার ঘটনা শুনেছি। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ৩ নম্বর পল্টুন থেকে কুষ্টিয়ার কুমারখালি থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ‘সৌহার্দ্য পরিবহনে’র একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এ ঘটনায় মোট ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।