খুঁজুন
, ,

কর্ণফুলীর বর্তমান চিত্র ভয়াবহ-আর ক্ষতি হতে দেওয়ার সুযোগ নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 12 October, 2019, 7:37 pm
কর্ণফুলীর বর্তমান চিত্র ভয়াবহ-আর ক্ষতি হতে দেওয়ার সুযোগ নেই

.jpg

দেশের লাইফ লাইন, চট্টগ্রাম বন্দরের প্রাণ কর্ণফুলীর অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে উল্লেখ করে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেছেন, কর্ণফুলীর বর্তমান চিত্র ভয়াবহ। এভাবে যদি চলতে থাকে অদূর ভবিষ্যতে এ নদী থাকবে কিনা আমার সন্দেহ আছে। এখন যে অবস্থায় আছে তা আর ক্ষতি করতে দেওয়ার সুযোগ নেই।

শনিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে নগরের ফিরিঙ্গিবাজারে অভয়মিত্র ঘাটে চ্যানেল আইয়ের ২১ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে ‘দেশের অর্থনীতির হার্ট কর্ণফুলীর দখল-দূষণমুক্তসহ ক্যাপিটাল ড্রেজিং করে পূর্বেও অবস্থায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

চ্যানেল আইয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান চৌধুরী ফরিদের সভাপতিত্বে এ বৈঠকে নদীপাড়ের দখল, পানি দূষণ, বিভিন্ন জলজ প্রাণী ও মাছের বিলুপ্তি, ভরাট, লাইটারেজ জাহাজের অলস বসে থাকা, সিলট্রেশন, নব্যতা সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধানে সুপারিশ উঠে আসে।

ভূমিমন্ত্রী আরো বলেন, সবই সরকার করে দেবে এমন নয়। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমাদের প্রবৃদ্ধি ৭-৮ শতাংশে থাকছে। রিজার্ভ বেড়েছে। কর্মসংস্থান বেড়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে ব্যাপক। এর সঙ্গে যদি আমাদের মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে না পারি তাহলে সাসটেইবেল হবে না।

কর্ণফুলীর বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব বেশি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের মধ্যে একমাত্র গড গিফটেড পোর্ট চট্টগ্রাম বন্দর। ২ হাজার ১০০ বছরের বেশি এ বন্দরের বয়স। কর্ণফুলী নদী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটিকে ঘিরে সরকারের অনেক পরিকল্পনা আছে। কর্ণফুলী নদী বন্দরের ব্যবহারের বিষয় আছে।

বন্দর চেয়ারম্যানের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, নদী রক্ষায় দ্রুত যা যা করার করতে হবে। ড্রেজিং ভেরি ইমপর্টেন্টে। এগ্রেসিভলি কাজ করেন। আমরা তো আছি। আমি চাই আপনি থাকাবস্থায় একটি ম্যানুয়াল তৈরি করে যান। যাতে সাসটেইবেল হয়। দরকার হলে স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বসতে হবে। বন্দরকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

বালু এখন গোল্ডের মতো হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বালুর দাম বেশি। অনেকে নানা ভাবে নদীর বালু নিয়ে যাচ্ছে। বন্দরকে দায়িত্ব নিতে হবে কর্ণফুলী নদী রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে।

তিনি বলেন, নিজেদের ইচ্ছেমতো চলা আর ঠিক হবে না। সবাই মিলে কর্ণফুলীকে রক্ষা করতে হবে। এটি আমাদের অহংকার, আমাদের প্রাণ। এটিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। কর্ণফুলীর দুই পাড়ের শিল্পকারখানা সরাতে হবে। সিরিয়াসলি চিন্তা করতে হবে। না হলে হবে না। শিল্পকারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

লাইটারেজ জাহাজের যত্রতত্র পার্কিং বন্ধের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সাগরের সঙ্গে এ নদীর লিংক আছে। আমাদের বাণিজ্য বাড়ছে। লাইটারেজ জাহাজ বাড়ছে। আজ থেকে ১০ বছর আগেও এত জাহাজ ছিল না নদীতে। কেন? হতে পারে নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে জাহাজ আসবে নদীতে। কিন্তু পার্কিংয়ের জন্য এ নদী নয়। নেভিগেশনে সমস্যা হচ্ছে। সিলট্রেশন হচ্ছে। দূষণ হচ্ছে। বন্দর চেয়ারম্যানকে বিষয়টি কড়াভাবে দেখতে হবে। প্রয়োজনে কোস্টগার্ডের সহযোগিতা নিন।

তিনি বলেন, হালদা নদী একটি বিস্ময়। মৌসুমে মাছ ডিম ছাড়তে আসে। আবার চলে যায়। এটা প্রাকৃতিক বিষয়। কিন্তু কয়েক বছর ধরে নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে শুনেছি।

পলিথিনের কারণে কর্ণফুলীতে ড্রেজার মেশিন অকার্যকর হয়ে যাওয়ার ছবি দেখিয়ে মন্ত্রী বলেন, পলিথিনের এই যদি অবস্থা হয়। এটা কার দায়িত্বে পড়ে। যত বেশি পারি সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

সমন্বয়ের অভাব আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সবার সঙ্গে সবাই কথা বলে ধাপে ধাপে কাজ করলে সময় বাঁচবে, টাকা বাঁচবে। সিটি করপোরেশন বলেন সিডিএ বলেন সবাই কিন্তু সরকারের টাকা খরচ করছে। আলটিমেটলি জনগণের টাকা যাচ্ছে। প্রপার সমন্বয় থাকলে শুধু কর্ণফুলী নয়, সাসটেইনেবল সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো। কর্ণফুলী নদী রক্ষায় ড্রেজিংসহ যা যা করা দরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবেন বলে জানান মন্ত্রী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, কর্ণফুলী আমাদের অস্তিত্ব। কর্ণফুলীকে দখল ও দূষণমুক্ত করতে হবে। কর্ণফুলী নদী কেন, কী কারণে, কী জন্য দূষণ হচ্ছে এটি কমবেশি সবাই জানি। সবাই বুঝি। সবাই যদি যার যার অবস্থান থেকে নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করলে দখল-দূষণ থেকে নদী রক্ষা পাবে।

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিজ্ঞা করা উচিত, নাগরিক দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করবো। তাহলে বাসযোগ্য, সাসটেইবেল সিটি ফিরে পাবো। চার বছর মেয়রের দায়িত্ব পালনের তিক্ত ও ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা হচ্ছে নগরবাসীর সম্পৃক্ততা-সহযোগিতায় অনেক ঘাটতি আছে। কর্ণফুলীর জন্য বন্দরকে দায়ী করা হয়। ক্যাপিটাল ড্রেজিংতো করতে পারছে না। পলিথিনের লেয়ার জমে গেছে। কোনো মেকানিজম কাজ করছে না। তাই নাগরিকদের ভূমিকা বেশি। জনসচেতনতা প্রয়োজন।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল জুলফিকার আজিজ বলেন, বন্দর ও কর্ণফুলী ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নদী না থাকলে বন্দর থাকবে না। ১ নম্বর জেটির নিচের দিকে নব্যতা বেড়েছে। আগে জাহাজ আসতো ৮ দশমিক ৭ মিটার ড্রাফটের। এখন জাহাজ আসে সাড়ে ৯ মিটার ড্রাফটের। কারণ আমরা ড্রেজিং করে নব্যতা বাড়িয়েছি। উপর দিকে নব্যতা বাড়াতে অনেক প্রতিবন্ধকতা। কারণ এখানে মাটিটা মাটি না, গার্বেজ। পলিথিনের উৎস বাসাবাড়ি। এটি ড্রেজিংয়ে বড় বাধা।

তিনি বলেন, সরকারের সদিচ্ছা আছে। মাস্টারপ্ল্যান করা হয়েছে। যেখানে ৫৬টি রিকমন্ডেশন আছে। একটি চসিক, সিডিএ, ওয়াসা, ডিসি অফিস ও বন্দর মিলে মনিটরিং করবে। মূল কথা ড্রেজিং লাগবে। আমরা বিদেশি ফার্মকে দিয়ে একটি স্টাডি করাচ্ছি। কতটা সোজা করা যায় নদীকে। নদীকে সুন্দর করতে হলে কিছুটা ভাঙা লাগবে।

সীমানার ব্যাপারে প্রতিবন্ধকতা আছে। এখানে যেসব বিজনেস ও শিল্প আছে সেগুলো কোথায় রিলোকেটেড হবে সেই স্টাডি আমি পাইনি। তারাও আমাদের অর্থনীতির অংশ।

দৈনিক আজাদী সম্পাদক এমএ মালেক বলেন, পলিথিন সরকার নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু আসছে কোথা থেকে। পলিথিনের উৎস কারখানা। সেখানে বোমা মারলে উড়ে চলে যাবে। কারখানায় তালা মারলে হবে না। একেবারে উচ্ছেদ করতে হবে। আমরা আসলে উৎসটা ধরি না।

তিনি আরো বলেন কর্ণফুলী হচ্ছে বাংলাদেশের ফুসফুস, কর্ণফুলী বাঁচাতে হবে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। সবাই মিলে এটা করবো। নিজেদের বাঁচতে হবে। নিজেদের বাঁচাতে হলে পারিপার্শ্বিক সব কিছুতে লক্ষ্য রাখতে হবে। সচেতন হতে হবে। তাহলে দেশ ও জাতি বাঁচবে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ বলেন, কর্ণফুলী নদী দিয়ে দেশের সিংহভাগ আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। ৪০০-৫০০ বছর আগে কর্ণফুলী ছিল কোর্ট বিল্ডিংয়ের নিচে। ক্রমে দক্ষিণে সরে এসেছে। সরকারের টাকা আছে। কর্ণফুলী বাঁচাতে যদি ৬ মিটার খনন করতে হয় তবে উন্নত ড্রেজার আনতে হবে। দেশের মানুষের মধ্যে আইন না মানা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এর জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে যাতে আইন মানে।

চট্টগ্রাম চেম্বারের সহ-সভাপতি ও সাইফ পাওয়ারটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মো. রুহুল আমিন বলেন, বাকলিয়ায় ২০ ইঞ্চি ড্রেজার লাগানোর পর আধ ঘণ্টা পর পর বন্ধ হয়ে যাচ্ছিলো। শুধু পলিথিন নয়, ফিশিং নেট, গৃহস্থালি বর্জ্যে ড্রেজার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এরপর চীন থেকে আনা হলো ৩২ ইঞ্চি ড্রেজার। সেটিও ব্যর্থ হলো। এরপর বিশেষজ্ঞদের নিয়ে জরিপ করে দেখা গেলো ৪২টি খাল দিয়ে প্রতিদিন ৮-৯ হাজার মেট্রিকটন বর্জ্য নদীতে পড়ছে।

জোয়ার-ভাটার নদী হলে এখানে নৌযান চালানো যেত না। সিটি করপোরেশনের পানি যাচ্ছে বর্জ্যসহ। খালের মুখে বর্জ্য সার্ক করে পুড়িয়ে ফেলার ব্যবস্থা বিশ্বের সব জায়গায় আছে। কর্ণফুলী না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না। কর্ণফুলী মরে গেলে পুরো দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসাইন বলেন, ভূমিমন্ত্রীর বদান্যতায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকার মধ্যে ২০ লাখ টাকা পেয়েছি। আরএস মূলে অবৈধ স্থাপনা আছে ২ হাজার ১১২টি, বিএস মূলে ৭৫টি। আদালতের রায়ে আরএস মূলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হবে। ৫ দিনে ২৩০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করে ১০ একর জমি উদ্ধার করেছি। নিম্নআদালতে একটি মামলা রয়েছে। এখনো ১২টি মামলা রয়েছে। বর্তমান অর্থবছরে ভূমি মন্ত্রণালয়ে ২৫ কোটি টাকা চেয়ে রেখেছি। কর্ণফুলী আপনাদের নদী। দখলদারদের তালিকা নদী কমিশনের ও জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইটে রয়েছে। বন্দর চেয়ারম্যানের উদ্দেশে বলবো, উচ্ছেদ করা জায়গা মাস্টারপ্ল্যান করে দ্রুত শাসনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম ফজলুল্লাহ বলেন, কর্ণফুলীর সঙ্গে কাপ্তাই হ্রদের সম্পর্ক আছে। হ্রদটির নাব্যতা হ্রাস পেয়েছে, সে ব্যাপারে কেউ নজর দিচ্ছি না। স্যুয়ারেজ সিস্টেম না থাকায় নগরের ৫০ হাজার স্যানিটারি ল্যাট্রিনের আড়াই হাজার টন বর্জ্য নদীতে পড়ছে। এর বাইরে হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কসাইখানা, লাইটার জাহাজের বর্জ্য, পাহাড়ি বালু নদীতে পড়ছে। কর্ণফুলী ও হালদা এখনো বেঁচে আছে জোয়ার-ভাটার কারণে। কিছু দিন পর এ নদী খালে পরিণত হবে। দুর্বিষহ অবস্থা নেমে আসবে।

বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি এমএ সালাম বলেন, কর্ণফুলী সুন্দর রাখতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। পাহাড় খেয়ে ফেলেছি আমরা। কর্ণফুলী খেয়ে ফেললে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শিল্প বাড়বে, এটা বন্ধ করা যাবে না। শিল্পকে সবুজ করার জন্য ব্যবসায়ীদের কমিটমেন্ট থাকতে হবে।

হালদা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরীয়া বলেন, কর্ণফুলীর পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও দূষণ বন্ধে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সমন্বয় জরুরি। চসিক, সিইউএফএল, কেপিএম ও ওয়াসা দূষণ বন্ধে উদ্যোগী হতে হবে। কালুরঘাট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ফেরি সার্ভিস চালু করলে নগরের অর্ধেক যানবাহন কমে যাবে।

কর্ণফুলী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী বলেন, নদীকে ব্যবসার উপাদানে পরিণত করা হয়েছে। ক্যাপিটাল ড্রেজিং বন্ধ মানে হচ্ছে অপারেশন থিয়েটারে রোগীর অর্ধেক অপারেশন করে ডাক্তারের চলে যাওয়ার মতো।

আইবিএফবি’র সভাপতি এসএম আবু তৈয়ব বলেন, মানুষের শরীরের নার্ভ ঠিক না থাকলে ব্যথা অনুভব হয়। পৃথিবীর নার্ভ হচ্ছে নদী, খাল, জলাশয়। কর্ণফুলী নামের সঙ্গে একটি মেয়ের কানের দুল হারানোর লোকগাথা আছে, কিন্তু এখন আমরা কর্ণফুলী নদীই হারাতে বসেছি।

স্থপতি আশিক ইমরান বলেন, কঠোর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে কর্ণফুলীর দখল ও দূষণ বন্ধে। সরকার র‌্যাংগস ভবন ভেঙে সড়ক করেছে, হাতির ঝিল করেছে, নদীপাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করছে। কর্ণফুলীও বাঁচাতে পারবে।

কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব বলেন, কর্ণফুলী চট্টগ্রামের নাভি। ভূমিমন্ত্রীর ওপর আমরা আস্থা রাখতে চাই। তিনি বলেছিলেন, দখলদারদের চেয়ে সরকারের হাত অনেক বেশি লম্বা।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সম্পাদক- সাংবাদিক আলীউর রাহমান। সেসময় চ্যানেল আইএর দর্শক ফোরামের সদস্য জাহেদুর রহমান সোহেল, মোহাম্মদ এনাম, আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি অ্যাপক আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক এম এ মালেক, কর্ণফুলী উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফারুখ, কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রণি, কর্ণফুলী সাম্পান মাঝি কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি পেয়ার আলী, সহ সভাপতি জাফর আহম্মদ, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, চর পাথরঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান সাবের আহম্মদ, সাংস্কৃতিক সংগঠক আব্দুল হালিম দোভাষ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: এরশাদ উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 10:17 pm
পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: এরশাদ উল্লাহ

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ বলেছেন, পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নাশকতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে। দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে কেউ যাতে ষড়যন্ত্র বা অপতৎপরতা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নসিমন ভবনে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার’ বিরুদ্ধে সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি আয়োজন নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এরশাদ উল্লাহ বলেন, “গণরোষে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট অপশক্তি দিল্লি থেকে দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।” তাঁর দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে এবং মানুষকে উসকে দিয়ে কৃত্রিম অরাজক পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ যাতে কোনো অপকর্ম বা নাশকতা করতে না পারে, সে বিষয়ে নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। সুযোগসন্ধানী অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি কোনো অপতৎপরতার তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ড ও থানায় বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশ ও মিছিলের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা হবে এবং এসব কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত থাকবেন।

চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতা আবু সুফিয়ান বলেন, “নাশকতার চেষ্টা হলে মাঠেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।” দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য কেউ নাশকতা, সহিংসতা কিংবা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা যাতে কোনো অপশক্তির কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের রেখে যাওয়া কোনো অপশক্তি কিংবা তাদের সহযোগীরা যেন আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। গুজব, অপপ্রচার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানি ছড়িয়ে যারা অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের ব্যাপারে জনগণকেও সচেতন হতে হবে। একই সঙ্গে বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালালে তার দায় দল নেবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আবু সুফিয়ান আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও নাশকতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডে নেতাকর্মীদের সক্রিয় করে সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। দেশের উন্নয়ন, জনকল্যাণ ও স্থিতিশীলতার পথে কোনো ষড়যন্ত্র যাতে বাধা হয়ে দাঁড়াতে না পারে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

সভায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় সাংগঠনিক কর্মতৎপরতা জোরদার এবং নাশকতা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকার বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ,এড. আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, এস এম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দিন, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন ও শিহাব উদ্দিন মুবিন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এমপি, সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, সদস্য ইকবাল চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন জিয়া, এস এম আবুল ফয়েজ, আবুল হাশেম, ইস্কান্দার মির্জা, মুজিবুল হক, মোহাম্মদ মহসিন, মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মোশারফ হোসেন ডিপটি, জাফর আহমেদ, মাহাবুব রানা, আবু মুসা, হানিফ সওদাগর, মোহাম্মদ আজম ও মোহাম্মদ ইউসুফ ।

এ ছাড়া মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, তরুণ দলের সেলিম হাফেজ ও মনিরুজ্জামান মুরাদসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পলাতক ফ্যাসিস্টের দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র রুখে দিতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল ঐক্যবদ্ধ: দীপ্তি-শাহেদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 8:38 pm
পলাতক ফ্যাসিস্টের দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র রুখে দিতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল ঐক্যবদ্ধ: দীপ্তি-শাহেদ

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বলেন, পলাতক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র রুখে দিতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বা সহিংসতার নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সেগুলো নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরী।

তিনি আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে দেশকে অস্থিতিশীল করার চলমান রাজনীতির বিরুদ্ধে করণীয় শীর্ষক প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপ্তি বলেন, জনগণের প্রত্যেক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে বেকাঁদায় ফেলতে পলাতক ফ্যাসিস্ট পুরানো জ্বালাও পোড়াও রাজনীতি বেচে নিয়েছে। আওয়ামী লীগের এ জ্বালাও পোড়াও রাজনীতি এ দেশে আর চলবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের সফর বানচাল করতে পলাতক আওয়ামী লীগ দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও আগুন সন্ত্রাস শুরু করেছে।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, সন্ত্রাসের জবাব আরেক সন্ত্রাস নয়-আইনের শাসন। প্রতিহিংসার জবাব প্রতি হিংসা নয়-ন্যায় বিচার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ হৃদয়ে ধারণ করে সরকার কর্তৃক জনগণের কল্যাণে গৃহিত কর্মসূচি ঘরে ঘরে পৌছে দিতে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন সহায়কের ভূমিকা পালন করছে। জনগণের অধিকার ও নিরাপত্তাই হবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি এসময় রাজনৈতিক সহিংসতা ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন ১৫টি থানা ও ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড যুবদল নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে সদা সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলে প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যের মধ্য উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, সহ সভাপতি ফজলুল হক সুমন, জাহাঙ্গীর আলম, গফুর বাবুল, সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, মোহাম্মদ মুসা, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, জসিমুল ইসলাম কিশোর, মুজিবুর রহমান, অরুপ বড়ুয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, হুমায়ুন কবির, রাশেদুল হাসান লেবু, সেলিম উদ্দিন রাসেল, সহ সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি সিকদার, মুজিবুর রহমান রাসেল, আসাদুর রহমান টিপু, জাহাঙ্গীর আলম বাঁচা, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, তানভীর মল্লিক, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মহিউদ্দিন মুকুল, আসাদুজ্জামান রুবেল, এস এম বখতিয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, সহ- সম্পাদক মনোয়ার হোসেন মানিক, কামরুল ইসলাম, কমল জৌতি বড়ুয়া, শাহেদুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, হাফেজ কামাল উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, মোহাম্মদ ইউসুফ, মিজানুর রহমান দুলাল, মো: হাসানুজ্জামান, ইয়াছিন আজাদ, আবুল কালাম, ফারুক হোসেন স্বপন, সদস্য কলিম শিকদার, গোলাম ইয়াজদানী সাবাব, প্রফেসর সাইদুল হক শিকদার, আবদুল্লাহ আল মামুন, থানা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আজম, মোশাররফ আমীন ,বজল আহমেদ, খোরশেদ আলম, সদস্য সচিব শওকত খান রাজু, মোহাম্মদ মুসা, মো: ইলিয়াস, মনজুর আলম মনজু, মোরশেদ কামাল, আশিক মল্লিক, মোস্তাকিম মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম রুবেল, মো: ইয়াছিন, সাজ্জাদ হোসেন সাদ্দাম, মোহাম্মদ সোহেল, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক এস এম আলী, মোহাম্মদ হাসান, আবু বক্কর বাবু, বাদশাহ আলমগীর, সাইফুল ইসলাম, মাসুদ আলমসহ থানা ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ।

দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 6:54 pm
দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

দাম বাড়ানোর কারণে জনগণের যে কষ্ট হবে, তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে অব্যাহতভাবে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংকট প্রতিদিন নতুন মাত্রায় আমাদের সামনে আবির্ভূত হচ্ছে। এর ফলশ্রুতিতে বিমার প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়া বাড়ছে। এ অবস্থায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের পক্ষে এ মুহূর্তে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এরকম একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। জনগণের জীবনমানের কষ্ট লাঘবের অভিপ্রায়ে রাজনীতিতে এসেছি। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জনগণের যে কষ্ট হবে, এটি আমি উপলব্ধি করি।

তিনি বলেন, সরকার নিরুপায় না হলে এমন অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে চাইত না। তবে চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জ্বালানি তেলের দাম আবার সমন্বয় করে আগের পর্যায়ে বা তার চেয়েও কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।