খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে ফোন দিলেই বাড়ি যাবে ‘ডাক্তার’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২০, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
লক্ষ্মীপুরে ফোন দিলেই বাড়ি যাবে ‘ডাক্তার’

অ আ আবীর আকাশ,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ::: করোনা ভাইরাস রোধে সারাদেশে মানুষকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হচ্ছে। এতে মানুষ স্বাভাবিক অসুস্থ্য হলেও আতঙ্কে ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হচ্ছেন না। এমন পরিস্থিতিতে লক্ষ্মীপুরের সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতাল এখন ফাঁকা। তাই জেলার মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে এমনই ব্যতিক্রম উদ্যোগ নিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ।

মেডিকেল হটলাইনে ফোন দিলেই চিকিৎসা সেবা দিতে ভ্রাম্যমান মেডিকেল টিম রোগীর বাড়িতে যাবে। মেডিকেল টিম হটলাইন নাম্বার দু’টি হলো, ০১৮৮৯৭৫৩০৩৯ ও ০১৬৩১৬২০৮০৫।

আজ দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে এ ভ্রাম্যমান মেডিকেল টিম’র উদ্বোধন করেন লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান পিপিএম সেবা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আবদুল গাফ্ফার, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) উপ পরিচালক মানিক চন্দ্র দে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিয়াজুল কবির, সহকারী পুলিশ সুপার মং নে থোয়াই মারমা, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন টিপু, লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক, সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আনোয়ার হোসেন, এনএসআই ফিল্ড অফিসার রাজিব প্রমূূখ।

সিভিল সার্জন ডাঃ আবদুল গাফ্ফার জানান, করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে মানুষ অসুস্থ্য হলেও ভয়ে হাসপাতাল যেতে চাচ্ছেন না। তাই জেলার সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফোন দিলেই এভ্রাম্যমান মেডিকেল টিম চলে যাবে রোগীর বাড়িতে। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন এম ছাত্তার ট্রাস্ট। তিনি আরো জানান, চিকিৎসা সেবা নিতে দুটি হট লাইন চালু রয়েছে। প্রাথমিক রোগের চিকিৎসা ও পরামর্শ পাওয়া যাবে এ হট লাইন ও ভ্রাম্যমান মেডিকেল টিমের কাছে।

পুলিশ সুপার ড. এ. এইচ. এম কামরুজ্জামান বলেন, জেলার সকল ভুক্তভোগী রোগী ভ্রাম্যমান মেডিকেল টিমের মাধ্যমে সেবা পাবে। করোনার দূর্যোগের মুহুর্তে কেউ যেন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় সে দিকে লক্ষ্য রেখে এ মেডিকেল টিম কাজ করবেন বলে আশা করি।

এদিকে এর আগে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সভাপতি এ. কে. এম সালাহ উদ্দিন টিপুর উদ্যোগে একটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। মেডিকেল টিমটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে রোগীদের সেবা দিচ্ছেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…