খুঁজুন
, ,

মধ্যবিত্তদের আর্তনাদের কথা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 April, 2020, 10:17 pm
মধ্যবিত্তদের আর্তনাদের কথা

পুরো বিশ্বজুড়ে চলছে মহা প্রাণঘাতক করোনা যুদ্ধ পুরো বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও এই করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে দেশের জনগনের কষ্ট লাঘবে বাংলাদেশ সরকার বিদ্যুৎ,গ্যাস বিলের বিলম্ব ফ্রি মওকুফ সহ গামেন্টস শ্রমিকদের বেতন ভাতা প্রদানের জন্য প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, করোনা পরিস্থিতি প্রভাব মোকাবেলায় ব্যবসায়ীদের মন্দা কাটাতে ইতিমধ্যে সরকারের প্রায় ৭২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষনা করেছেন, চিকিৎসা সেবায় নিয়েজিত সকলদের জন্য সুরক্ষা বীমা পুরষ্কার দিচ্ছেন আরো বিভিন্ন কল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে নিয়েছেন।

সমস্যা হচ্ছে আমরা যারা নগরে বসবাসরত মধ্যবিত্ত ভাড়াটিয়ারা আছি। সত্যিই এই মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোর প্রতি নজর বা দেখার মতো কেউ নেই। দেশের এই করোনা পরিস্থিতি মাত্রা যদি আরো ভয়াবহতা ধারন করে এবং সারাবিশ্বে সহ দেশের পরিস্থিতি যে হারে দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে এই মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোর অবস্থা চরম ভয়াবহতার দিকে এগিয়ে চলছে । এই মধ্যবিত্তদের অনেককিছু ম্যানেজ করে চলতে হয়। এই মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো সমাজে না পারে পিছনে ফিরতে, না পারে কারো কাছে হাত পেতে সাহায্য নিতে।এই মধ্যবিত্তদের মাস শেষ হলেই উপার্জিত আয়ের বড় একটা অংশ বাসা ভাড়া দিতেই গিয়েই প্রায় খরচ হয়ে যায় । যদি এমন করে লক ডাউন চলতেই থাকে তবে বেশিরভাগেই মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোর আয় রোজগারে ব্যাপকভাবে এই চাপের প্রভাব পড়বে।

তখন এই মধ্যবিত্তদের বাসা ভাড়া তো দূরের কথা নিত্যদিনের খরচ গুলোই মেটাতে পারবেনা অনেকেই।

আর যারা চাকরীজীবি ও ছোটখাটো ব্যবসা-বাণিজ্য করে কোনরকম রোজগারের মাধ্যমে পরিবার গুলো চালায় কি হবে এই মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোর একমাত্র ওই সৃষ্টিকর্তাই জানেন!!
এভাবে চলতে থাকলে আর বেশ কিছুদিন এই মানুষগুলোকে আয় শূণ্য হতে হবে। আমাদের মতো এইসব বেশিরভাগই মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোর নেই কোন জমাকৃর্ত অর্থ ব্যাংক ব্যালেন্স বা কোন ধনসম্পদ, এমন করে এই বেহালদশা দিন দিন চলতে থাকলে আগামী দিনগুলোতে এই অবস্থা হবে খুবই মারাত্মক।

আমরা এই মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো কিভাবে জীবনযাপন করবো ভাবতে পাচ্ছি না।

অতএব, দেশের ভয়াবহ এই অবস্থার কথা বিবেচনা করে বাসা ভাড়া মওকুফের এর ব্যাপারে মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে সরকার এবং বাড়িওয়ালাদের যৌথভাবে ভেবে দেখা উচিত বলে মনে করছি। ইতিমধ্যে ঢাকার অনেক হৃদয়বান বাড়িওয়ালারা দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে করোনা পরিস্থিতির কারণে তারা বাড়ি ভাড়া নিবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

আমাদের এই চট্টগ্রাম নগরীতে তেমন কোন বাড়িওয়ালা এখনো পর্যন্ত এমন উদার মানুষিকতার পরিচয় দিয়ে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি!!!

দেশের এই করুন পরিস্থিতির মধ্যে বাড়ি ভাড়া নামক এই চাপ থেকে কেউ কি আছে যারা এই মানুষগুলোর দিকে তাকাবে,, এই মানুষগুলোকে এই চাপ প্রয়োগের হাত থেকে কে রক্ষা করবে???

রিজাদুল হক টিপু
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।

আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:12 am
আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, আমাদের এই লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বাংলাদেশের মানুষ লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে সবাই ঢাকায় একত্রিত হয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার আমরা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশ্যে লং মার্চের যাত্রা শুরু করেছি। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে যাচ্ছে, সেই স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্য আমাদের এই লং মার্চ।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই লং চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা দলে দলে এই লং মার্চে অংশগ্রহণ করুন। এই লং মার্চ কোনো ১১ দলের লং মার্চ নয়। এই লং মার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের লং মার্চ।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করব। যদি সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এই লং মার্চের ছয় দফা এক দফাতে পরিণত হবে।’