খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যমুনা টিভির সাংবাদিক পরিবারের সদস্যসহ করোনায় আক্রান্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
যমুনা টিভির সাংবাদিক পরিবারের সদস্যসহ করোনায় আক্রান্ত

ইনডিপেনডেন্ট টিভির এক সাংবাদিকের করোনা শনাক্তের পর আরও একজন সাংবাদিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি বেসরকারি টিভি চ্যানেল যমুনা টেলিভিশনে সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত। তবে শুধু তিনি একা নন, তার পরিবারের বাকি তিন সদস্যও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। ওই সাংবাদিক এবং তার শ্বশুর বর্তমানে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ওই চ্যানেলের একাধিক সাংবাদিক এ তথ্য জানান।

এর আগে ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ক্যামেরা পার্সনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। ওই ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের ৪৭ সহকর্মীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, যমুনা টেলিভিশনের রিপোর্টার এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ক্যামেরা পারসন একই বাহকের (Career) মাধ্যমে নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন। তারা দু’জনই গত ২৫ মার্চ খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে মুক্তি দেওয়ার ঘটনা সংবাদ সংগ্রহে ঘটনাস্থলে ছিলেন।

গত ৩ এপ্রিল ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের পক্ষ থেকে তাদের ওই কর্মীর করোনায় আক্রান্তের বিষয়টি জানানো হয়। ওইদিন চ্যানেলটির সম্পাদক এক ভিডিওবার্তায় জানান, তার ওই সহকর্মী ২৬ মার্চ পর্যন্ত অফিস করেছেন। তিনি অসুস্থ অনুভব করায় কয়েকদিন ছুটিতে ছিলেন। এর মধ্যে শরীরে করোনার লক্ষণ দেখা দিলে নিজেই আইইডিসিআরের সঙ্গে যোগাযোগ করে নমুনা পরীক্ষা করান। তাতে করোনা ধরা পড়লে তাকে হাসাপাতালে নেওয়া হয়। তার অবস্থা উন্নতির দিকে।

জানা গেছে, যমুনা টেলিভিশনের ওই সাংবাদিকও ২৬ মার্চে অফিস করতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ায় সেদিন থেকে ছুটিতে ছিলেন। এর মধ্যে তার শরীরে করোনার লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে। এমনকি তার শ্বশুর, স্ত্রী এবং দুই মাস বয়সী বাচ্চার দেহেও একই লক্ষণ দেখা যায়। তিনি আইইডিসিআরে যোগাযোগ করলে পরীক্ষার পর করোনা শনাক্ত হয়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…