খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিমলায় শিশুর চার টুকরো মরদেহ উদ্ধার!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২০, ১১:৪২ অপরাহ্ণ
ডিমলায় শিশুর চার টুকরো মরদেহ উদ্ধার!

সংগৃহিত ফাইল ছবি

নীলফামারী প্রতিনিধি॥নীলফামারীর ডিমলায় রুজেল ইসলাম(১১) নামের এক শিশুর চার টুকরো লাশ ভুট্টা ক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে এলাকারাসীর সহযোগীতায় পুলিশ।

বুবধার(১৫এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে জেলা মর্গে প্রেরন করেন।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার(ডোমার-ডিমলা সার্কেল) জয়ব্রত পাল।শিশুটি ডিমলা সদর ইউনিয়নের রামডাঙ্গা গ্রামের মৃত, মোজাম উদ্দিনের ছেলে।

শিশুটির স্বজন ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, ডিমলা সদর ইউনিয়নের রামডাঙ্গা আমতলী গ্রামের মৃত, মোজাম উদ্দিনের দ্বিতীয় স্ত্রীর পুত্র রুজেল ইসলাম বাবা-মা মারা যাবার পর থেকে তার নানী ভিক্ষুক রেজিয়া বেগমের বাড়িতে থাকত। গত ৮ এপ্রিল থেকে শিশুটি হঠাৎ নিখোজ হয়ে যায়।পরিবারের পক্ষে অনেক খোজাখুজির পর মাইকিং করেও কোনো সন্ধান মেলেনি।

বুধবার সকালে ডিমলা সদর ইউনিয়নের বাবুরহাট দক্ষিনপাড়া গ্রামের এতিমখানা সংলগ্ন হোটেল ব্যবসায়ী বাবুলের বাড়ির সামনে কুকুর শিশুটির খন্ডিত একটি হাত ফেলে রেখে গেলে তা দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়।পরে এলাকাবাসী অনেক-খোজা খুজির এক পর্যায়ে পচা গন্ধ অনুভূত হলে রামডাঙ্গা আমতলী বাজারের উত্তর দিকে একটি কালভার্ডের পাশে লেলিন নামের একজনের ভুট্টা ক্ষেতে শিশুটির বাকী তিন খন্ডিত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানালে ডিমলা থানা পুলিশ শিশুটির চার খন্ডিত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠায়।

স্থানীয়দের ধারনা শিশুটি নিখোজের দিন তাকে হত্যা করে ভুট্রাক্ষেতে হয়তোবা ফেলে রাখা হয়েছিল।

ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ বলেন, শিশুটিকে পরিকল্পিত ভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ ভুট্রাক্ষেতে ফেলে রাখা হয়েছিল।পরে হয়তোবা লাশটির পচা গন্ধ পেয়ে শিয়াল ও কুকুর লাশটিকে খন্ডিত করেছে। লাশটি শোয়ানো অবস্থায় ছিল।এ রিপোট লেখা পর্যন্ত মামলা হয়নি তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…