খুঁজুন
, ,

এবার ৮৩ জন ডাক্তার নিয়ে টেলিমেডিসিন সেবার উদ্যোগ নিলেন ফারাজ করিম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 April, 2020, 9:36 pm
এবার ৮৩ জন ডাক্তার নিয়ে টেলিমেডিসিন সেবার উদ্যোগ নিলেন ফারাজ করিম

নেজাম উদ্দিন রানা, রাউজান (চট্টগ্রাম):দেশে মহামারী করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার আগে থেকেই বেশ সোচ্চার থেকে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম করে আসছেন চট্টগ্রামের রাউজানের সাংসদপুত্র ও তরুণ রাজনীতিবিদ ফারাজ করিম চৌধুরী।

তারই ধারাবাহিকতায় এবার প্রায় ৮৩ জন ডাক্তার নিয়ে শুরু করলেন টেলিফোনে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম।

নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে আজ ১৯ এপ্রিল রবিবার সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন ফারাজ করিম চৌধুরী।

তার দেওয়া ঐ স্ট্যাটাসে চট্টগ্রামের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি মেডিকেলের স্বনামধন্য ৮৩ জন ডাক্তারের নাম ও মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়েছে। যাদেরকে প্রতিদিন বিকাল ৫ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত ফোন করলে পাওয়া যাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ফারাজ করিম চৌধুরী বলেন, “চলমান লকডাউন পরিস্থিতিতে বৃহত্তর চট্টগ্রাম বিভাগের প্রত্যেক জেলার মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের এই কার্যক্রমে সম্মানিত ডাক্তারবৃন্দ কোন ফি ছাড়াই সেবা দিবেন। যা আমাদের সকলের জন্য ভালো হবে বলে আমি মনে করি।”

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজের পাঠকদের জন্য ফারাজ করিম চৌধুরীর স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

বৃহত্তর চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনসাধারণের কল্যাণে এগিয়ে এসেছেন সময়ের সাহসী যোদ্ধা আমাদের সম্মানিত ডাক্তারবৃন্দ। পুরো চট্টগ্রাম বিভাগের প্রত্যেকটি জেলার যে কোন প্রান্তের মানুষের যদি জরুরী চিকিৎসা সেবার প্রয়োজন হয় তবে প্রতিদিন বিকেল ৫ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত সম্মানিত ডাক্তারদের কাছে নিম্নোক্ত নাম্বারে ফোন করে নির্দ্বিধায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন। সৌজন্যতার সাথে ডাক্তারদের ফোন করবেন, জনাব ফারাজ করিম চৌধুরীর ফেসবুক পেইজ থেকে নাম্বার সংগ্রহ করেছেন তাও বলবেন।

১. অধ্যাপক ডাঃ জয়ব্রত দাশ,
এম.বি.বি.এস, এফ.সি.পি.এস(মেডিসিন)
এম.ডি; ডি.কার্ড
অধ্যক্ষ, সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ।
মোবাইলঃ ০১৮১৯-৩১৮৩৩৪

২. ডাঃ আলী আসগর চৌধুরী।
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ,
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
০১৮১৯-৩৪৫২৫২

৩. ডাঃ বিনয় পাল।
লিভার ও পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞ,
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
০১৫৫২-৩৬৯২২৪

৪. ডাঃ এস এম আলী হায়দার।
লিভার ও পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞ,
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
০১৬৭৪-৮৯৮৭০৭

৫. ডাঃ কামরুন নাহার লুনা।
শিশু বিশেষজ্ঞ,
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
০১৭৫২-০০৪২৭৩

৬. ডাঃ শাহ আলম সবুজ।
শিশু বিশেষজ্ঞ,
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
০১৮১৯-৬১৩৬৭০

৭. অধ্যাপক ডাঃ সুযত পাল।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ,
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
০১৭১১-৭৬২৫৮২

৮. ডাঃ খায়রুল কবির টিপু।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ,
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
০১৭৫১-৮৯৭০৪৫

৯. ডাঃ ইমরান আলম চৌধুরী।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ,
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
০১৮১২-৪৯২৯৬৪

১০. ডাঃ মিজানুর রহমান।
হাঁড় ভাঙ্গা ও বাত-ব্যাথা বিশেষজ্ঞ
চ.মে.ক.
০১৮১৯-৩১৫৫২৩

১১. ডাঃ সমিরুল ইসলাম।
হাঁড় ভাঙ্গা ও বাত-ব্যাথা বিশেষজ্ঞ,
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
০১৭১১-১৫৫৮৯৫

১২. ডাঃ জামান আহমেদ।
নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ,
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
০১৮১৩-১৫৬৫৭৮

১৩. ডাঃ ফজলে কিবরিয়া চৌধুরী।
হাঁপানি ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ,
আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল।
০১৬৮৬-৮২৮৬২৯

মেডিসিন বিভাগ-

১৪. ডাঃ ইশতিয়াক হোসেন।
এম.বি.বি.এস
রেজিস্টার, এস.এম.সি.এইচ
মোবাইলঃ ০১৮১২-১০১৮৬৮

১৫. ডাঃ বাবর চৌধুরী।
০১৬৭৪- ৩৮৫৭৮০

১৬. ডাঃ ফজলে গফফার পলাশ।
০১৮৩৩-১৪৬৯৪৬

১৭. ডাঃ রুবেল দাশ
০১৮১৩-৭৮৬৭৯৮

১৮. ডাঃ মেজবাহ উদ্দিন সবুজ
০১৮১১-১০০৫৭০

১৯. ডাঃ মইনুদ্দিন মুন্না
০১৮১৪-১৩৮৮৭৫

২০. ডাঃ শাহ নেওয়াজ পারভেজ
০১৬৭৩-৩৪৬৭৮২

২১. ডাঃ শাহিন শাহেব
০১৮২০-০০২৩৬৯

২২. ডাঃ কুমার বিশ্বজিত বিশু
01839144803

২৩. ডাঃ রিয়াজ উদ্দিন বিপ্লব
এম.বি.বি.এস
মোবাইলঃ ০১৬৭৩-৭৯৬০৩৩

হৃদরোগ বিভাগঃ

২৪. ডাঃ হোসেন আহম্মদ
এম.বি.বি.এস; ডি-কার্ড
সহকারী অধ্যাপক, মেডিসিন ও হৃদরোগ বিভাগ;
কার্যনির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন।
মোবাইলঃ ০১৯৭৯-৯৫৩৫৬২

২৫. ডাঃ নাহিদ ইমতিয়াজ।
এম বি বি এস, পিজিটি(হৃদরোগ)
মোবাইলঃ ০১৮১১১৯৭২৭১

২৬. ডাঃ ফজলুল করিম বাবুল।
এম বি বি এস, এফ.সি.পি.এস
মোবাইলঃ ০১৮১৯-৮৪২০০৩

২৭. ডাঃ আহমেদ রিজোয়ান আনোয়ার মাশরাফি।
০১৬৭৩-৯৪০১৩৫

২৮. ডাঃ ইবনুল ইসলাম।
০১৬৭৫-২৭০৭৯১

২৯. ডাঃ নাসরিন আক্তার।
সহকারী সার্জন
এম বি বি এস(ডি.ইউ)
বিসিএস (স্বাস্থ্য), পিজিটি (হৃদরোগ)
মোবাইলঃ ০১৮১৫-০০২৬৬৬

৩০. ডাঃ আরিফ ইনায়েত।
০১৭৯৫-০৬৮৬২৫

৩১. ডাঃ অনিক মজুমদার।
০১৬৭৭৪১৯৮৮৬

নাক-কান-গলা বিভাগঃ

৩২. প্রফেসর ডাঃ ধনঞ্জয় মজুমদার
বিভাগীয় প্রধান,নাক,কান ও গলা বিভাগ
সাউদার্ণ মেডিকেল কলেজ
মোবাইলঃ ০১৮১৯৩৪২৩১৩

৩৩. ডাঃ দেবুঙ্কুর সরকার প্রাচী
মোবাইলঃ ০১৯৭৪-৯৫৯৪৩২

৩৪. ডাঃ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
এম বি বি এস, বিসিএস(স্বাস্থ্য)
পিজিটি (ENT)
মোবাইলঃ ০১৮৮৮-২৩৫৮৭০

চর্মরোগ বিভাগঃ

৩৫. ডাঃ আরিফুল আমীন
এম বি বি এস, ডিডিডি
কনসাল্টেন্ট, ডার্মাটোলজিস্ট
কোষাধ্যক্ষ, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন।
মোবাইলঃ ০১৮১৯-৩১৯৬৯৮

চক্ষু বিভাগঃ

৩৬. ডাঃ এইচ এম ফয়েজ উল্লাহ সামি
এম বি বি এস, পিজিটি (opthalmology)
মোবাইলঃ ০১৭২২-৫১৩৬৬৫

ক্যান্সার বিভাগঃ

৩৭. ডাঃ হাবিব ইমরান
HMO, ঢাকা মেডিকেল কলেজ
মোবাইলঃ ০১৭৩০-১৩৩১৩৯

ডেন্টাল বিভাগঃ
৩৮. ডাঃ স্বীকৃত দাশ গুপ্ত
মোবাইলঃ ০১৭৫৫-০০৫৫১৭

৩৯. ডাঃ আবদুস সামি
মোবাইলঃ ০১৮৫৪-৭৩৪১৫৫

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞঃ
৪০. ডাঃ আবির দাশ
এম বি বি এস; বিসিএস(স্বাস্থ্য)
০১৭১০-২৭৩৫৪৪

৪১. ডাঃ মো. রিদোয়ান চৌধুরী
এম বি বি এস, পিজিটি(মেডিসিন)
পিজিপিএল
মোবাইলঃ ০১৮৫৫-৬৪৫১৫৪

৪২. ডাঃ শুভ চৌধুরী
এম বি বি এস(সি ইউ)
মোবাইলঃ ০১৮৬৪-৪৯০৭০৭

৪৩. ডাঃ জুনায়েদ হোসেন
মোবাইলঃ ০১৬৭১-১০৪২৬৯

৪৪. ডাঃ অমিত দাশ
মোবাইলঃ ০১৮৪৫-৬৯৬৯৬৭

৪৫. ডাঃ আকিল ইবনে তাহের(মুবিন)
মোবাইলঃ ০১৮৩০-৯২৯২৯৪

৪৬. ডাঃ মো. আব্দুল হাদী
মোবাইলঃ ০১৮৭৪-১৫২১৮৯

৪৭. ডাঃ মোঃ ইমরান
মোবাইলঃ ০১৮৭৪-১৫২১৮৯

গাইনী বিশেষজ্ঞঃ

৪৮. ডাঃ এনী ইসলাম
এম বি বি এস; এস এইচ ও
ইউনাইটেড হসপিটাল
মোবাইলঃ ০১৬৩৪-২০৭৪৭৫

৪৯. ডাঃ তানজিনা জাহান সায়মা
এম বি বি এস, এম ও, একুশে হাসপাতাল
মোবাইলঃ ০১৭১৭-০২৫৮২৯

৫০. ডাঃ নাহিন
মোবাইলঃ ০১৭৩১-১৮৩৮৭৮

অন্যান্যঃ
————–

৫১. ডাঃ বাবলু ধর
০১৪০৩-৫৪০১৭৮

৫২. ডাঃ পঞ্চান্ন চৌধুরী
০১৭৯২-১৪৫৮২০

৫৩. ডাঃ মো. মুনতাসির
০১৬৩৪-২০৭৪৭৫

৫৪. ডাঃ সুলাইমান
০১৯২৬-৩৩৬৯২৭

৫৫. ডাঃ মুশারফ তানভির
০১৬৭৫-৮৫০২৯১

৫৬. ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
০১৬২৬-১৮১৮৩৭

৫৭. ডাঃ রেজাউল রহমান
০১৬৭৪-১৪১৫১৮

৫৮. ডাঃ দিপেন
০১৭১২-১২১০৫৬

৫৯. ডাঃ রোকন উদ্দিন
০১৮৭৭-৫৫৮৫৭৫

৬০. ডাঃ ফাহাদ হোসেন
০১৭৯১-৬২৬৭৬৪

৬১. ডাঃ হারুন-অর-রশীদ
০১৮১৯-১০৩০৮৩

৬২. ডাঃ হোসেন মুরাদ
০১৬৭২-০২২১৬৯

৬৩. ডাঃ ইমতিয়াজ উদ্দিন মানিক
০১৫২১-৩২৪৫৬৭

৬৪. ডাঃ মাসুম বিল্লাহ মাহিন
০১৯৪৪-১৩৮৬৭৭

৬৫. ডাঃ ফয়সাল আহমেদ
০১৭৭৯-২১৫৭৫৯

৬৬. ডাঃ ওসমান গণি
০১৭৭১-২৩২৪৬৭

৬৭. ডাঃ তাজওয়ার আহমেদ অয়ন
০১৯২৯-৬৯২০৯৭

৬৮. ডাঃ নূর মোহাম্মদ তানজীম
০১৫২১-৫৩২৮৮৫

৬৯. ডাঃ মাহমুদ হাসান
০১৬৮২৩৩৯৭৩৯

৭০. ডাঃ অতন্দ্র আকাশ
০১৯৮৬-৯৩৩৬৭৯

৭১. ডাঃ এ.এল.এন.এস শাহরিয়ার।
০১৭৮৮-৩৭৭৯৪৮

৭২.ডাঃ আজমাইন ইকতিদার।
০১৮৪৯-৯১৩২৯৮

৭৩. ডাঃ আফিফ আনজুম রিফাত।
০১৫২১-২১২৬১৪

৭৪. ডাঃ হাবিবুর রহমান।
সভাপতি,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ।
মোবাইলঃ ০১৬২৭-২৭০৮৯৭

৭৫. ডাঃ এম.এ. আউয়াল রাফি।
সহ-সভাপতি,
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রসংসদ
মোবাইলঃ ০১৯৫৭-৭১৮৭৯৩

৭৬. ডাঃ মোঃ শোয়াইব।
০১৮৩০০৩৩৯৯৮

৭৭. ডাঃ আসাদ্দুজামান ফাহিম।
০১৮৫২৫১৬২০৫

৭৮. ডাঃ অর্পন দে।
০১৫২১২২৩৬৩৯

৭৯. ডাঃ আবদুল আল নোমান রাসেল।
০১৭৪৬৪০৪৯০৯

৮০. ডাঃ মোস্তফা আশিক।
০১৬৮৪৮৪৮৮৯৩

Updated list

৮১. ডাঃ নাঈম হাসান
এম.বি.বি.এস
মোবাইলঃ ০১৫২১-৪৮৫৫৫৭

৮২. ডাঃ মো.পারভেজ রানা
এম বি বি এস, পিজিটি(মেডিসিন)
সিসিডি বারডেম, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৮১৮-২০৮৬২৬

৮৩. ডাঃ মোঃ ইরফান উদ্দিন
বিডিএস (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় )
রেজিষ্ট্রেশন নং ৮৪২২
ওরাল & ডেন্টাল সার্জন
০১৮১৮৭০১৩৭৬

নির্ধারিত সময়ের বাইরে ফোন না করার জন্য অনুরোধ করছি।

এই স্ট্যাটাসটি শেয়ার করার মাধ্যমে আপনার প্রিয়জনদের এই চিকিৎসা সেবা নিতে অনুপ্রাণিত করুন।

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2585822648323669&id=1506253366280608

২৪ ঘণ্টা/এম আর/রানা

Feb2
Feb2

যুগ্ম-সচিব পদে ১৭৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 10:31 pm
যুগ্ম-সচিব পদে ১৭৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

১৭৯ জন উপসচিবকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। বিএনপি সরকার গঠন করার পর প্রশাসনে এটিই প্রথম বড় পদোন্নতি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে নতুন যুগ্ম-সচিবদের পদায়ন করে আদেশ জারি করা হয়নি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর বা অনলাইনে ই-মেইলে (sa1@mopa.gov.bd) পাঠাতে পারবেন।

পদোন্নতির আদেশে উল্লেখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম ঠিকানা উল্লেখ করে যোগদানপত্র দাখিল করবেন।

পরবর্তী সময়ে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনরকম বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে, তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে পৃথক প্রজ্ঞাপনে আরও ৭ জনকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে একদিনে মোট ১৭৯ জন এ পদে পদোন্নতি দেওয়া হলো।

বর্তমানে প্রশাসনে যুগ্ম-সচিবের সংখ্যা হলো এক হাজার ৬১ জন। এ পদোন্নতির মূল বিবেচ্য ছিল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারের ২৪তম ব্যাচ। এছাড়া ইতোপূর্বে বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারাও পদোন্নতির তালিকায় রয়েছেন।

‘সরকারের উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’-এ বলা হয়েছে, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, উপসচিব পদে কমপক্ষে ৫ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা উপ-সচিব পদে কমপক্ষে ৩ বছর চাকরিসহ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে কোনো কর্মকর্তা যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।

সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্যই সবুজায়ন জরুরি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 3:04 pm
সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্যই সবুজায়ন জরুরি : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সব সৃষ্টি থেকে উপকার ভোগ করতে হলে, মানুষ হিসেবে আমাদের অবশ্যই কিছু দায়িত্ব এবং কর্তব্য রয়েছে। যথানিয়মে সব সৃষ্টির যত্ন এবং পরিচর্যা করা মানব সমাজের দায়িত্ব।

তিনি বলেন, বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার সঙ্গে সঙ্গে এটি প্রমাণিত সত্য, বাস্তুতন্ত্র বা ইকোসিস্টেমের সঙ্গে মানব সমাজের সম্পর্ক গভীর এবং অবিচ্ছেদ্য। বাস্তুতন্ত্রের নিরাপদ লালন এবং বিকাশের সঙ্গে মানব সমাজের নিরাপদ বেড়ে ওঠা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সুতরাং, আজকের এই পরিবেশ মেলা কিংবা বৃক্ষমেলার আয়োজন, এটি কিন্তু বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর ও সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য একটি নিরাপদ বিনিয়োগ বলেই আমি মনে করি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা এবং উপকারিতা নিয়ে নতুন করে বেশি কিছু বলার নেই। বৃক্ষরোপণ কিংবা সবুজায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি অবগত। আপনার-আমার-আমাদের আগামী প্রজন্মের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্যই সবুজায়ন জরুরি। একটি সন্তান পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করলে, আসুন আমরা একটি করে গাছ লাগানোর মধ্য দিয়ে প্রতিটি প্রাণের জন্মকে উদযাপন করি, স্মরণীয় করে রাখি। একজন নবজাতকের পাশাপাশি একটি গাছও বেড়ে উঠুক। এভাবেই এগিয়ে যাক সবুজায়নের জন্য সামাজিক আন্দোলন।

তারেক রহমান বলেন, সবুজায়নের সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারিভাবেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রিন ভলান্টিয়ারিজম চালু করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একইসঙ্গে ক্লাইমেট ইয়ুথ ফেলোশিপ চালু এবং এনভায়রনমেন্ট স্টার্ট-আপ ফান্ডসহ বেশ কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও সবুজ বাংলাদেশ গঠন অসম্ভব নয়।

বর্তমান সরকার পাঁচ বছরে নতুন করে ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচি নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে ইচ্ছেমতো গাছ রোপণ করলেই উদ্দেশ্য সাধিত হবে না। বরং কোন পরিবেশে, কোন প্রকারের মাটিতে, কি ধরনের আবহাওয়ায়, কোন প্রজাতির গাছ রোপণ করা দরকার, এগুলো-পরীক্ষা নিরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যেমন ইউক্যালিপটাস কিংবা আকাশমণি প্রজাতির গাছ দ্রুত বেড়ে ওঠে, কিন্তু এ ধরনের গাছ আমাদের পরিবেশের জন্য কতটা উপযোগী সেটি অবশ্যই গবেষণার দাবি রাখে।

তিনি বলেন, নতুন বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে দেশীয় প্রজাতির গাছ যেমন ওষুধি, অর্কিড, বাঁশজাতীয়, বনজ, ফলদ, অর্থকরী এবং বিপন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন বৃক্ষরোপণ অবশ্যই জরুরি, তবে রোপিত গাছ নিরাপদে বেড়ে উঠছে কিনা কিংবা বেড়ে উঠতে পারছে কিনা, সেটি নিশ্চিত করা তার চেয়েও বেশি জরুরি। আর যুগ যুগ ধরে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের অংশ হয়ে যাওয়া, বিদ্যমান গাছগুলোকে কেটে না ফেলে, জীব বৈচিত্র্য রক্ষা করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। আমি আশা করি, বনবিভাগ সেটি নিশ্চিত করবে। সরকার পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, ম্যানগ্রোভ ধ্বংস এবং বন্যপ্রাণী নিধনের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত-এটি এখন আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কার বিষয় নয়। বরং এটিই এখন আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহ কিংবা দাবদাহ, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, আমাদের কৃষি, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি সর্বোপরি জন জীবনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। এই বাস্তবতায় বর্তমান সরকার পরিবেশকে কোনো আলাদা খাত হিসেবে নয়, বরং জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য এমন একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন, জলবায়ু-সহনশীল টেকসই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশ সংরক্ষণ পাশাপাশি এগিয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি বর্তমান সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন ও পুনঃখননের যে কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে, সেটি শুধুমাত্র কৃষকদের জন্য বছর জুড়ে কৃষি সেচ সুবিধাই নিশ্চিত করবে না, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার ক্ষেত্রেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তবে পরিবেশের উন্নয়ন শুধুমাত্র বৃক্ষরোপণ কিংবা খাল খননের ওপরই নির্ভর করে না। রাজধানীসহ বিশেষ করে সারাদেশের সব নগর বন্দর এবং শহরতলির বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতেও আমূল পরিবর্তন আনার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার এরইমধ্যে কাজ শুরু করেছে। একইসঙ্গে জৈব সার উৎপাদন, পুনর্ব্যবহার, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন এবং রিডিউস-রিইউজ-রিসাইকেল এই থ্রিআরএস নীতিকে সরকার জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের নীতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে আনতে হলে এটি শুধুমাত্র নগর প্রশাসন কিংবা পুলিশ দিয়ে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এজন্য প্রয়োজন ছোট বড় প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণ। প্রতিটি নাগরিকের প্রতি উদাত্ত আহ্বান, অনুগ্রহ করে যেখানে সেখানে বর্জ্য কিংবা উচ্ছিষ্ট ফেলবেন না।

ঘরে কিংবা বাইরে সবসময় সব বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলুন। নিজে সুস্থ থাকুন-নিজের পরিবারের জন্যও পরিবেশ সুন্দর রাখুন বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

কক্সবাজার ও বান্দরবানে পাহাড়ধসে ৭ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 12:27 pm
কক্সবাজার ও বান্দরবানে পাহাড়ধসে ৭ জনের মৃত্যু

টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের চকরিয়া ও বান্দরবানের লামায় পাহাড়ধসের পৃথক ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে চকরিয়া উপজেলার মছনিয়া কাটা এলাকায় বসতঘরের ওপর পাহাড়ধসে মাটি চাপা পড়ে একই পরিবারের দুই শিশু মারা যাওয়ার তথ্য দিয়েছে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন। এছাড়া আজ ভোরে চকরিয়ার পার্শ্ববর্তী বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া-পাগলির ঝিরি এলাকায় পৃথক দুই ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

চকরিয়ার ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে মৃতদের নাম জানা যায়নি। ভোরবেলায় মছনিয়াকাটা এলাকায় একটি বসতঘরে পাহাড়ধসে দুই শিশুসহ তাদের মা চাপা পড়েন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন এবং তাদের মা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

অন্যদিকে বান্দারবানের লামায় আজিজনগরে একটি ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন এবং অপর ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী মারা গেছেন।

মৃত পাঁচজন হলেন- মিশনপাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫) ও তাদের ছেলে মোহাম্মদ সোলেমান (৫)। অপর ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ জুয়েল (৩৪) ও স্ত্রী কুলছুমা আক্তার (২৫) মাটিচাপা পড়ে মারা যান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরে পাহাড়ধসের পর এলাকার মানুষের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, লামার আজিজনগরে পৃথক দুই ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।