খুঁজুন
, ,

দুঃখী মানুষের পাশে সবসময় আছেন প্রধানমন্ত্রী : মীর হেলাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 July, 2026, 11:31 pm
দুঃখী মানুষের পাশে সবসময় আছেন প্রধানমন্ত্রী : মীর হেলাল

দেশের যেকোনো দুর্যোগে ও দেশের কল্যাণ সাধনে দুঃখী মানুষের পাশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চট্টগ্রামের প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দ্বারে দ্বারে ত্রাণসামগ্রী যথাসময়ে পৌঁছে দেওয়া হবে, কেউ সহায়তাহীন থাকবে না।

আজ বুধবার (৮ জুলাই) বিকালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন বন্যা ও পাহাড়ধস প্রবণ এলাকা পরিদর্শন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি এসব কথা বলেন।

এর আগে আজ বিকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্দেশে ঢাকায় তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অধিক বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং এ সংক্রান্ত দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা দেন। তিনি কঠিন এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয় দিয়ে সহায়তা করার প্রতি বিশেষ জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রীর সেই সদয় নির্দেশনা পাওয়ার পর পরই বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে মানুষের কল্যাণের জন্য তড়িঘড়ি করে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল। তিনি সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম শহরে পৌঁছান এবং দিনব্যাপী কঠোর পরিশ্রম করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা ও হাটহাজারী উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেন। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন, দলীয় নেতাকর্মীসহ ত্রাণ গ্রহীতা সর্বস্তরের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রীর ঝটিকা সফর ও ত্রাণ বিতরণের সময়সূচি অনুযায়ী আজ রাত ৯ টা চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌরসভার ৩নং আজিমপুর ওয়ার্ড এলাকায় প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ত্রাণসহায়তা পৌঁছে দেন প্রতিমন্ত্রী। এর আগে রাত ৮.৩০ মিনিটে হাটহাজারী উপজেলার মেখলস্থ ইছাপুর এলাকায় প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। তিনি আজ রাত ৭.৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলীস্থ খিল্লাপাড়া এলাকায় প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণসহায়তা পৌঁছে দেন। রাত ৭.০০ টায় চট্টগ্রামের জালালাবাদস্থ বটতল এলাকায় প্রবল বর্ষণে প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন ও ত্রাণ বিতরণ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সরকারি সহায়তার বার্তা পৌঁছে দেন।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আজ ৬.৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ থানার অন্তর্গত বাংলাবাজার ব্যাংক কলোনি পাহাড়ের ফাটলস্থল পরিদর্শন করেন এবং এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সাথে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষণে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় তৈরি হওয়া জলাবদ্ধতা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।

গতকাল রাতে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এই বৈরী আবহাওয়া থেকে নিজেদের জানমাল রক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা করার জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনসহ সকল জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী এবং স্থানীয় তরুণ সমাজকে সমন্বিতভাবে সর্বাত্মক পাশে দাঁড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

Feb2
Feb2

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদরাসার ওপর পাহাড় ধসে ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 July, 2026, 6:09 pm
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদরাসার ওপর পাহাড় ধসে ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একটি মাদরাসাচাপা পড়ে ৭ রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বহু সংখ্যক শিশু আটকা পড়েছে।

৮ জুলাই বুধবার দুপুর আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-০৩ ব্লকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের একটি মাদরাসার ওপর পড়ে। ওই সময় মাদরাসায় পাঠদান চলছিল। আকস্মিক পাহাড়ধসে ভবনটি মাটিচাপা পড়লে ভেতরে থাকা শিক্ষার্থীরা আটকা পড়ে।

খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়।

ক্যাম্পের রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক রফিক জানান, বিকেল পৌনে ৩টা পর্যন্ত সাত শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার দাবি, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বহু শিক্ষার্থী আটকা পড়ে আছে এবং স্থানীয়দের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, এখন পর্যন্ত দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে এবং তিনি ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলছিল। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও শিক্ষার্থী আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 July, 2026, 5:57 pm
অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী

মেয়েদের স্নাতক (অনার্স) পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা অবৈতনিক করার পাশাপাশি ভালো ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একই সঙ্গে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ প্রদান এবং কৃষকের সুরক্ষায় পেঁয়াজ-রসুন সংরক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের কথাও জানান তিনি।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান বিএনপি সরকার নারী শিক্ষার পাশাপাশি নারী এম্পাওয়ারমেন্ট অর্থাৎ অর্থনৈতিকভাবেও যাতে তারা শক্তিশালী হতে পারে, সেজন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছেন। আমরা একই সঙ্গে আরেকটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি, যেটি খালেদা জিয়া সরকার মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট (এইচএসসি) পর্যন্ত ফ্রি করেছিলেন। আমরা এবার ডিগ্রি বা অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে আমাদের সঙ্গে গ্যালারিতে অনেক নারী শিক্ষার্থী উপস্থিত আছে। তারাও সরাসরি এই সংসদ অধিবেশনটি দেখছে। আমরা অনার্স পর্যন্ত যে নারীদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করব। তাদের মধ্যে যারা ভালো রেজাল্ট করবে, তাদেরকে আমরা স্কলারশিপ দিতে চাই।’

মহিলা আসনের সাংসদ শাম্মী আক্তারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চাদেরকে স্কুল ড্রেস দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। একই সঙ্গে আমরা তাদেরকে স্কুল ব্যাগও দেব। আমি এখানে সকল সংসদ সদস্যকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, আমরা পর্যায়ক্রমে সমগ্র বাংলাদেশের সরকারি প্রায় ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় বিদ্যালয় আছে। ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রায় এক কোটি ২০ লাখের মতো বাচ্চা আছে। আমরা পর্যায়ক্রমে ক্লাস ওয়ান থেকে ফাইভ পর্যন্ত সকল বাচ্চাদের কাছেই পৌঁছানোর চেষ্টা করব।’

৮ হাজার বায়ুপ্রবাহ মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা

কৃষি খাত নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পেঁয়াজ ও রসুনের অপচয় রোধ, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে একাধিক বাস্তবমুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।’

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব প্রশমনে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পেঁয়াজ সংরক্ষণ” প্রকল্পের আওতায় ৩ হাজার ৫০০টি এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ পদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং বিপণন কার্যক্রম উন্নয়ন’ শীর্ষক চলমান প্রকল্পের আওতায় ফরিদপুরসহ পেঁয়াজ ও রসুন উৎপাদনকারী জেলাগুলোতে ৯০০টি মডেল সংরক্ষণ ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি সংরক্ষণ ঘরের ধারণক্ষমতা ১০ থেকে ১২ টন। এসব সংরক্ষণাগার কৃষকদের উৎপাদিত পেঁয়াজ ও রসুন দীর্ঘ সময় সংরক্ষণে সহায়তা করছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং বাজারসংযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে পেঁয়াজ ও রসুনের পচনশীলতা কমানো সম্ভব হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘২০২৫–২৬ অর্থবছরে প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য ১৯ হাজার কৃষকের মধ্যে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।’

সংসদ নেতা জানান, বর্তমানে ‘বায়ুপ্রবাহ পদ্ধতিতে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ পদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং বিপণন কার্যক্রম উন্নয়ন’ শীর্ষক নতুন একটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ফরিদপুরসহ দেশের প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় মোট ৮ হাজার বায়ুপ্রবাহ মেশিন স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, ‘এ প্রযুক্তির মাধ্যমে পেঁয়াজ ও রসুনের অপচয় উল্লেখযোগ্য হারে কমবে এবং কৃষকরা মৌসুম শেষে ন্যায্যমূল্যে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন।’

কর্ণফুলী টানেলের দেয়ালে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 July, 2026, 5:49 pm
কর্ণফুলী টানেলের দেয়ালে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি প্রাইভেট কার ভেতরের দেয়ালে ধাক্কা দিয়েছে। এতে টানেলের সৌন্দর্য রক্ষায় ব্যবহৃত ডেকোরেটিভ (শোভাবর্ধনকারী) বোর্ডের প্রায় ১৫ ফুট এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে নয়টার দিকে টানেলের ভেতরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর গাড়িটি জব্দ করেছে টানেল কর্তৃপক্ষ।

টানেলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে আনোয়ারার প্রান্ত থেকে পতেঙ্গামুখী একটি প্রাইভেট কার টানেলে প্রবেশ করে। ভেতরের কিছু দূর যাওয়ার পর গাড়িটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একপাশের দেয়ালে সজোরে ধাক্কা দেয়। এরপর গাড়িটি দেয়াল ঘেঁষে বেশ খানিকটা পথ এগিয়ে গিয়ে থামে। এতে টানেলের ভেতরের ডেকোরেটিভ বোর্ডের একাংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।

জানতে চাইলে টানেলের টোল ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ ফারুক বলেন, ‘দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে টানেলের ভেতরের প্রায় ১৫ ফুট দীর্ঘ ডেকোরেটিভ বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি বর্তমানে আমাদের হেফাজতে জব্দ রয়েছে।’

তিনি আরও জানান, গাড়িটি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।