খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২২দিন পর কাল দুবাই থেকে রাউজানের সাহাবুলের লাশ দেশে আসবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২০, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
২২দিন পর কাল দুবাই থেকে রাউজানের সাহাবুলের লাশ দেশে আসবে

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :
অবশেষে দীর্ঘ ২২দিন পর দুবাই থেকে মরহুম মোঃ সাহাবুল আলমের মরদেহ কার্গো বিমানযোগে দেশে আসবে সোমবার রাতে। তার স্বজনরা জানান বাংলাদেশে লাশ আনার সব প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে।

আগামীকাল সোমবার (৪ মে) রাত ১২টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরনেরর কথা রয়েছে কার্গো বিমানটি।

ঢাকা থেকে এ্যাম্বুলেন্স যোগে লাশ নিয়ে আসা হবে নিজ বাড়ী রাউজানের হলদিয়া ইউপির গর্জনিয়া এলাকায়। এরপর জানাযা শেষে লাশ দাফন হবে কবর স্থানে।

তবে জানাযা কবে হবে তা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নিয়ে  জানানো হবে বলে জানান মরহুমের বড় ভাই মুহাম্মদ হানিফ।

উল্লেখ্য, গত (১২ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সাহাবুল আলম ষ্ট্রোক করে ইন্তেকাল করেন দুবাইতে। তার বয়স হয়েছিল ৪৩ বছর।

জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন যাবত ডায়াবেটিক রোগে ভুগছিলেন। সকালে হঠাৎ বাসায় অসুস্থবোধ করলে নেওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানে তিনি স্ট্রোক করে মারা যান।

তিনি বিবাহিত ছিলেন। তিনি ১ ছেলে ও ১ মেয়ের জনক। ছেলে বড়, মেয়ে ছোট।

অত্যন্ত নম্র ও ভদ্র সাহাবুল আলমের অকাল মৃত্যুতে পরিবার সহ সমগ্র এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।তিনি ডেরা দুবাইতে গ্রোচারী (বাজমাল) ব্যবসা করতেন।

জানাগেছে, ১১ এপ্রিল শনিবার রাত থেকে সাহাবু অসুস্থবোধ করলে স্থানীয় ক্লিনিকে ডাক্তার দেখিয়ে ঔষধ নেন। রবিবার সকালে বুকে ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট সহ বমি হতে থাকলে তাঁকে দ্রুত নেওয়া হয় মেডিকেলে। সেখানে ভর্তির ২ঘন্টা পর চিকিৎসারত অবস্থায় বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যার দিকে মারা যায় সাহাবুল।

মরহুম শাহাবুল আলম চট্টগ্রামের রাউজান হলদিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের গর্জনীয়ার মরহুম সিরাজুল হকের ৩য় পুত্র।

তিনি স্থানীয় সমাজসেবী সংগঠন গর্জনীয়া গফুর শাহ (রহঃ) নবীন সংঘের সাবেক সমাজসেবা সম্পাদকেরর দায়িত্বেও ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/রানা

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…