খুঁজুন
, ,

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 July, 2026, 5:57 pm
অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী

মেয়েদের স্নাতক (অনার্স) পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা অবৈতনিক করার পাশাপাশি ভালো ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একই সঙ্গে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ প্রদান এবং কৃষকের সুরক্ষায় পেঁয়াজ-রসুন সংরক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের কথাও জানান তিনি।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান বিএনপি সরকার নারী শিক্ষার পাশাপাশি নারী এম্পাওয়ারমেন্ট অর্থাৎ অর্থনৈতিকভাবেও যাতে তারা শক্তিশালী হতে পারে, সেজন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছেন। আমরা একই সঙ্গে আরেকটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি, যেটি খালেদা জিয়া সরকার মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট (এইচএসসি) পর্যন্ত ফ্রি করেছিলেন। আমরা এবার ডিগ্রি বা অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে আমাদের সঙ্গে গ্যালারিতে অনেক নারী শিক্ষার্থী উপস্থিত আছে। তারাও সরাসরি এই সংসদ অধিবেশনটি দেখছে। আমরা অনার্স পর্যন্ত যে নারীদের শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করব। তাদের মধ্যে যারা ভালো রেজাল্ট করবে, তাদেরকে আমরা স্কলারশিপ দিতে চাই।’

মহিলা আসনের সাংসদ শাম্মী আক্তারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চাদেরকে স্কুল ড্রেস দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। একই সঙ্গে আমরা তাদেরকে স্কুল ব্যাগও দেব। আমি এখানে সকল সংসদ সদস্যকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, আমরা পর্যায়ক্রমে সমগ্র বাংলাদেশের সরকারি প্রায় ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় বিদ্যালয় আছে। ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রায় এক কোটি ২০ লাখের মতো বাচ্চা আছে। আমরা পর্যায়ক্রমে ক্লাস ওয়ান থেকে ফাইভ পর্যন্ত সকল বাচ্চাদের কাছেই পৌঁছানোর চেষ্টা করব।’

৮ হাজার বায়ুপ্রবাহ মেশিন স্থাপনের পরিকল্পনা

কৃষি খাত নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পেঁয়াজ ও রসুনের অপচয় রোধ, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে একাধিক বাস্তবমুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।’

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব প্রশমনে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পেঁয়াজ সংরক্ষণ” প্রকল্পের আওতায় ৩ হাজার ৫০০টি এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ পদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং বিপণন কার্যক্রম উন্নয়ন’ শীর্ষক চলমান প্রকল্পের আওতায় ফরিদপুরসহ পেঁয়াজ ও রসুন উৎপাদনকারী জেলাগুলোতে ৯০০টি মডেল সংরক্ষণ ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি সংরক্ষণ ঘরের ধারণক্ষমতা ১০ থেকে ১২ টন। এসব সংরক্ষণাগার কৃষকদের উৎপাদিত পেঁয়াজ ও রসুন দীর্ঘ সময় সংরক্ষণে সহায়তা করছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং বাজারসংযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে পেঁয়াজ ও রসুনের পচনশীলতা কমানো সম্ভব হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘২০২৫–২৬ অর্থবছরে প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য ১৯ হাজার কৃষকের মধ্যে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।’

সংসদ নেতা জানান, বর্তমানে ‘বায়ুপ্রবাহ পদ্ধতিতে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ পদ্ধতি আধুনিকায়ন এবং বিপণন কার্যক্রম উন্নয়ন’ শীর্ষক নতুন একটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ফরিদপুরসহ দেশের প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় মোট ৮ হাজার বায়ুপ্রবাহ মেশিন স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, ‘এ প্রযুক্তির মাধ্যমে পেঁয়াজ ও রসুনের অপচয় উল্লেখযোগ্য হারে কমবে এবং কৃষকরা মৌসুম শেষে ন্যায্যমূল্যে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন।’

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।