খুঁজুন
, ,

আবারও গোল্ডেন বুট লিওনেল মেসির : এ নিয়ে ষষ্ঠবার অর্জন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 17 October, 2019, 9:59 am
আবারও গোল্ডেন বুট লিওনেল মেসির : এ নিয়ে ষষ্ঠবার অর্জন

ছবি সংগৃহিত

আবারও গোল্ডেন বুট জিতলেন লিওনেল মেসি। ইউরোপের ঘরোয়া লিগগুলোয় সবচেয়ে বেশি গোল করায় সর্বোচ্চ গোল স্কোরার হয়ে টানা তৃতীয়বার গোল্ডেন বুট জিতলেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি৷ এ নিয়ে রেকর্ড ষষ্ঠ এবং টানা তৃতীয়বারের মতো এই পুরস্কার জিতলেন এ ছোট ম্যাজিসিয়ান বার্সেলোনা অধিনায়ক৷

১৯৬৭ সাল থেকে গোল্ডেন বুট পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়৷ প্রথমবার এই পুরস্কার জিতেছিলেন ইউসেবিও৷ তবে মেসি সবচেয়ে বেশি ৬ বার গোল্ডেন বুট জিতেছেন৷ ২০০৯-১০, ২০১১-১২ ও ২০১২-১৩ মৌসুমে পুরস্কারটি জিতেছিলেন মেসি।

পুরস্কারটি জয়ের দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। চারবার এ পুরস্কার জিতেছেন তিনি। এছাড়াও দু’বার গোল্ডেন বুট পেয়েছেন সুয়ারেজ।

বুধবার বার্সেলোনায় জমকালো অনুষ্ঠানে সপরিবারে হাজির হন মেসি। সেইসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বার্সার সতীর্থরাও৷ সুয়ারেজ ও জোর্ডি আলবা আগাগোড়া মেসির সঙ্গে অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন৷

পিএসজির ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পেকে হারিয়ে পুরস্কারটি ঘরে তোলেন মেসি। গেল মৌসুমে ইউরোপিয়ান ঘরোয়া লিগে ৩৬ গোল করেন বার্সা অধিনায়ক। আর ফরাসি ক্লাব পিএসজির প্রাণভোমরা করেন ৩৩ গোল।

গোল্ডেন বুট জয়ের পর সঙ্গীদের ধন্যবাদ জানান মেসি। তিনি বলেন, আবারও সাফল্যের স্বীকৃতি পেলাম। সতীর্থদের ছাড়া এর একটিও জিততে পারতাম না। সবাইকে ধন্যবাদ।

Feb2
Feb2

ইউপি সদস্যের বিবাহিত বোন পান বিধবা ভাতা, বাবা-ছেলে-ভাতিজা প্রতিবন্ধী ভাতা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 11 August, 2026, 12:52 pm
ইউপি সদস্যের বিবাহিত বোন পান বিধবা ভাতা, বাবা-ছেলে-ভাতিজা প্রতিবন্ধী ভাতা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

নিজস্ব সংবাদদাতা:: গত ৮, ৯ ও ১০ আগস্ট কিছু পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে ও “ইউপি সদস্যের বিবাহিত বোন পান বিধবা ভাতা, বাবা, ছেলে, ভাতিজা প্রতিবন্ধী ভাতা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমি ইউপি সদস্য মুনির উদ্দিনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদের বিস্তারিত পড়ে আমি অবাক ও হতভম্ব হই। সব চেয়ে বড় অবাক হওয়ার বিষয় হলো সব পত্রিকার শিরোনাম একই। সংবাদে আমার বিরুদ্ধে উদ্যেশ্য প্রণোদিত ভাবে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনেছে।

আমি এহেন উদ্যেশ্য প্রণোদিত, অসত্য ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এহেন উদ্যেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রকাশে নিবৃত থাকার দাবি জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমকে।
‎২০২২ সালে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে আমি আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী সকল প্রার্থীর যোগ ফলের অধিক ভোট পেয়ে বিপুল ভোটে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হই। আমার এই জনপ্রিয়তাকে মেনে নিতে পারছে না এলাকার কিছু চাটুকার ও কুচক্রী মহল। তারাই নানা ভাবে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে। যারফলে মনগড়া কাহিনী সাজিয়ে সত্যকে গোপন করে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে এহেন অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

প্রকৃত সত্য হচ্ছে। আমার বোন সাবরিনা ইয়াছমিন পারিবারিক মামলা নং ৪৪৩/২০ মুলে তালাক প্রাপ্ত হয়। ফলে সেই বিধবা ভাতার আওতায় আসে। পরে তার পূণরায় বিবাহ হলেও তার নাম তালিকা থেকে বাদ যায়নি। তালিকা থেকে কারো নাম বাদ দেওয়া বা সংযোজন করা কোনটার এখতিয়ার আমার নেই। তবে বিয়ের পর থেকে আমার বোনের ভাতার সম্পূর্ন টাকা একটি মাদ্রাসায় দিয়ে দেওয়া হয়।

‎আমার বাবার প্রতিবন্ধী ভাতা ও মায়ের বয়স্ক ভাতার তালিকা হয় ২০১৮ সালে । আমি মেম্বার নির্বাচিত হই ২০২২ সালে । সুতরাং তাদের ভাতার তালিকার বিষয়ে আমাকে জড়িয়ে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করা  ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

সংবাদে আরো উল্লেখ করা হয়, আমার ভাতিজা হাচ্ছান বীন আলম সাজিদ ও আমার ছেলে আবরার বীন মুনির সাআদ। উভয়ের সমাজ সেবা কর্তৃক প্রতিবন্ধী আইডি কার্ড রয়েছে। যার আইডি নং যথাক্রমে আবরার-আইডি নং -২০১৫১৫১০৪৯৫১১০২১৩১-০২ ও হাচ্ছান-আইডি নং -২০১০১৫১০৪৯৫১২২৫১৬। ২০২২ সালে উপজেলা প্রশাসন থেকে ২০ জনের প্রতিবন্ধী তালিকা দেওয়ার নির্দেশ দিলে প্রতিবন্ধী না পাওয়াতে ১৬ জনের তালিকা জমা দেওয়া হয় ।

‎সংবাদে  সেলিনা আক্তার জন্মগতভাবে বাকপ্রতিবন্ধী। আমার বাঁধায় তালিকা ভুক্ত হয়নি কথাটা ডাহা মিথ্যা ও বানোয়াট। যেখানে ২০ জনের চাহিদা ছিলো সেখানে ১৭ জনের তালিকা দেওয়া কি এমন বিষয় ছিলো ? এছাড়া তারা চেয়ারম্যানের কাছেও যেতে পারতো।

“দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস” পত্রিকায় ইউপি সদস্যের বিবাহিত বোন পান বিধবা ভাতা, বাবা-ছেলে-ভাতিজা প্রতিবন্ধী ভাতা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি উদ্যেশ্য প্রণোদিত, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্র মূলক। আমি এহেন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এহেন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাই।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপি’র নেতৃত্বে মুন্না-মানিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 11 August, 2026, 11:38 am
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপি’র নেতৃত্বে মুন্না-মানিক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে লায়ন এ.এম মুন্না চৌধুরীকে এবং সদস্য সচিব হয়েছেন বেসরকারি কারা পরিদর্শক জোবাইরুল আলম মানিক।

রবিবার(১০ আগস্ট) এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক(দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি কমিটি অনুমোদন করেন।

আগামী ছয় (০৬) মাসের জন্য নিম্নোক্ত ৬৮ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়:

আহ্বায়ক: লায়ন এ.এম মুন্না চৌধুরী

সিনিয়র-যুগ্ম আহ্বায়ক: বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মাস্টার ও শামসুল আলম।

যুগ্ম আহ্বায়ক: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আরিফুল ইসলাম, জয়নুল আবেদীন কায়সার, মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মাসুদ, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ কাইয়ুম।

সদস্যসচিব: জোবাইরুল আলম মানিক

সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব: মোঃ মুশফিকুর রহমান চৌধুরী মিশকাত

যুগ্ম সদস্যসচিব: মাওলানা আনাস মাহমুদ, মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, ফরিদুল আলম, মীর মনসুরুল ইসলাম, জহির উদ্দিন, রোকজিনা আক্তার (তানিয়া আমিন), জিয়াউর করিম, মোহাম্মদ আরজু, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, মোঃ নুরুল আমীন, মঈনুদ্দিন সাকিব, মোঃ রিদওয়ানুল করিম হৃদয়, তারেকুল ইসলাম মিনহাজ।

সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, সিফাত চৌধুরী।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ আকাশ নূর, মোঃ হাসিন ইশরাক চৌধুরী, লায়ন মোহাম্মদ উল্লাহ মাহমুদ, শহিদুল ইসলাম সাহেদ, এ.কে.এম মোর্শেদ, তৌহিদুল ইসলাম মাসুম, সাকিবুল ইসলাম, ইয়াসিনুর রহমান, হারুনুর রশিদ, সাইফুর রহমান আরিফ, ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর, দেলোয়ার মাহমুদ, মোহাম্মদ নাইমুল হাসান, আবদুল মান্নান, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম কাদেরী।

দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক: ইরফান মাহমুদ আল সাঈদ

সহ-সম্পাদক: জহির উদ্দিন চৌধুরী হিমেল

আইন বিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট আরমান উদ্দিন আজাদ

উপ-সম্পাদক: এ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান, এ্যাডভোকেট মুহিবুল্লাহ মুহিব।

প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক: ইমরান হোসেন তারা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক: মোহাম্মদ শাহেদুল আলম, জাফর ইসলাম চৌধুরী, রিয়াজ মোহাম্মদ সাকিব তালুকদার, শাহেদুল আলম শিকদার।

কোষাধ্যক্ষ: মোঃ সাইফুল ইসলাম (রাব্বি)

সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: শেখ বদিউল আলম নোমান

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: সৈয়দ মোঃ শাহরিয়ার ইমন।

শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: মোসলেম উদ্দিন শাকিল

সহ-সম্পাদক: মোঃ এমরানুল ইসলাম

নারী বিষয়ক সম্পাদক: ডালিয়া বড়ুয়া

সহ-সম্পাদক: জুবাইদা হক তানজু, মরিয়ম বেগম।

সদস্য: আব্দুর রাজ্জাক, মোহাম্মদ সায়েমুল হক, হাফেজ মিজানুর রহমান কাদেরী, আবরার হাবিব, রাশেদুল আলম সৌরভ, হায়দার আলী, এস. এম. মোজাম্মেল ইসলাম, সুমাইয়া সুলতানা নাহিন,আরফাতুর রহমান, নাঈম উদ্দিন।

এমপির গলায় রামদা ধরে বাড়িসহ সব সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 11 August, 2026, 8:53 am
এমপির গলায় রামদা ধরে বাড়িসহ সব সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগ

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরীর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তার গলায় রামদা ধরে বসতবাড়িসহ সম্পত্তির দলিল রেজিস্ট্রি করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এমপির স্ত্রী পারভিন আক্তার বাদি হয়ে তার তিন সৎ ভাইসহ আটজনের বিরুদ্ধে দিরাই আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জসিমের আদালতে মামলাটি করা হয়। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার প্রধান আসামিরা হলেন—নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সৎ ভাই মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক, মিজানুর রহমান চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরী। অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন দিরাই উপজেলার মাতারগাঁওয়ের আমিরুল ইসলাম, পুরাতন কর্ণগাঁওয়ের ছয়ফুল চৌধুরী, দলিল লেখক মুজিবুর রহমান, তাজুল ইসলাম এবং মোহরার মমতাজ বেগম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নাছির উদ্দিন চৌধুরী অসুস্থ ও শারীরিকভাবে অক্ষম থাকার সুযোগে তার দুই স্ত্রী ও সন্তানদের পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার পরিকল্পনা করেন আসামিরা। এরই অংশ হিসেবে ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি দিরাই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দুই কর্মচারীকে কর্মকর্তা সাজিয়ে নাছির উদ্দিন চৌধুরীর বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে অসুস্থ নাছির উদ্দিন চৌধুরীকে দলিলে স্বাক্ষর করতে বলা হলে তিনি অসম্মতি জানান।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অসম্মতি প্রকাশের একপর্যায়ে আসামিরা নাছির উদ্দিন চৌধুরীর গলায় রামদা ধরে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক স্বাক্ষর আদায় করেন। ওই সময় তার অপর স্ত্রী শেলী চৌধুরী বাধা দিতে গেলে তাকেও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ সময় নাছির উদ্দিন চৌধুরীর এক সমর্থক ওয়াকিব হাসান সেখানে উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি দেখে ফেললে তাকেও ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এছাড়া ২০২২ সালের জানুয়ারিতে এমপির বাড়িতে গেলে স্ত্রী পারভিন আক্তার মারধর ও শ্লীলতাহানির শিকার হন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী পারভিন আক্তার সংবাদমাধ্যমকে জানান, নাছির উদ্দিন চৌধুরী স্ট্রোক করার পর যখন চরম অসুস্থ ছিলেন, তখন তার গলায় দা ধরে বসতবাড়িটি লিখে নেওয়া হয়। সংসদ সদস্য হওয়ার অনেক আগেই তিনি বাড়িটি তৈরি করেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে এ নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। পরে স্বামী তাকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) দিলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সৎ ভাই মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক বলেন, ‘গলায় দা ধরে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগ সত্য নয়। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মামলার বিষয়টি বিস্তারিত জেনে আমরা আইনিভাবেই তার মোকাবিলা করব।’

দিরাই আদালতের পেশকার মুহিত লাল চন্দ মিঠু মামলার আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

নাছির উদ্দিন চৌধুরী দিরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমানে সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য। দীর্ঘদিন ধরেই তার পরিবারের ভেতর সম্পত্তি নিয়ে সৎ ভাইদের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। সংসদ সদস্যের অসুস্থতাকে পুঁজি করে এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।