খুঁজুন
, ,

২২৮ রানের লিড নিয়ে শেষ বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 9:55 am
২২৮ রানের লিড নিয়ে শেষ বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস

তৃতীয় দিনের সকালের সেশনে হাসান মাহমুদ ও তাইজুল ইসলাম ফিরে গেলেন। তারপরও অনড় অবস্থানে মেহেদী হাসান মিরাজ। এবার তাসকিন আহমেদের সঙ্গে পেলেন দারুণ সঙ্গ। তার সঙ্গে প্রায় পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি গড়েছিলেন। লাঞ্চের পর প্রথম ওভারেই আউট হন মিরাজ। শেষ জুটিতে ৮ রান যোগ করে বাংলাদেশকে ২২৮ রানে লিড এনে দেন তাসকিন ও ইবাদত হোসেন। অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে তারা ১৩৮ ওভার খেলে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে।

৬ উইকেটে ৩৫১ রানে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে হাসান ও তাইজুল আউট হন। হাসানকে এলবিডব্লিউ করেন জশ হ্যাজলউড। তাইজুল তার বলেই ক্যামেরন গ্রিনের ক্যাচ হন। তারপর তাসকিন ও মিরাজ দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত জুটিকে টেনে নেন। প্রথম সেশনে ৬৬ রান তোলে বাংলাদেশ ২ উইকেটের বিনিময়ে।

লাঞ্চের আগে ১২৬তম ওভারে পঞ্চম বলে ১২তম টেস্ট ফিফটি করেন মিরাজ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে চলতি ইনিংসে বাংলাদেশের তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে পঞ্চাশ ছোঁন তিনি। ড্রেসিংরুম থেকে তাকে করতালিতে অভিবাদন জানান সতীর্থরা।

৩২ রানে মিরাজ দিন শুরু করেন। ১১৭ বল খেলে ৫ চারে হাফ সেঞ্চুরি হয়েছে তার। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের আধিপত্য তার হাতেই চলমান। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে মিরাজ ১০৯ রানের এক ইনিংস খেলেছিলেন। সেই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৪ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশ এবার ছড়ি ঘুরাচ্ছে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

তারপর ১২৯তম ওভারের প্রথম বলে কামিন্সের এক বাউন্সারে তাসকিন আহমেদের ব্যাটে লেগে বাউন্ডারি হয়। তাতে বাংলাদেশের স্কোর চারশ ছাড়ায়। বাংলাদেশের লিডও দুইশ ছাড়িয়ে গেছে। পরের বলেই একই জায়গায় তাসকিনকে জীবন দেন স্টিভেন স্মিথ। বলটা ধরতে পারলে টেস্টে সর্বোচ্চ ক্যাচ নেওয়ার রেকর্ডটি একার করে নিতে পারতেন তিনি।

৮ উইকেটে ৪১৭ রান করে প্রথম সেশনের সমাপ্তি টানে বাংলাদেশ। তারপর লাঞ্চ শেষে ফিরে চতুর্থ বলে হ্যাজলউডের পঞ্চম শিকার হন মিরাজ। অজি পেসার তার ৩০০তম টেস্ট উইকেট তুলে নেন। মিরাজ অ্যালেক ক্যারির গ্লাভসে ধরা পড়েন। ১৫৪ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে ৬৫ রান আসে তার ব্যাটে।

এই দিন বাংলাদেশের অবশিষ্ট চার উইকেটের সবগুলো নিয়েছেন হ্যাজলউড। ইবাদতকে (৭) ক্যারির ক্যাচ বানিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট নেন অজি পেসার।

Feb2
Feb2

শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 10:27 am
শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবার এক নৃশংস ও মর্মস্পর্শী হত্যাকাণ্ডের শিকার হোন বঙ্গবন্ধু।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও এই দিনে তার সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব; তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল; পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামালকে হত্যা করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, সামরিক সচিব জামিলউদ্দিন আহমেদ, এসবি কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককেও হত্যা করে ঘাতকেরা।

বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগের নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায়ও একই দিনে হামলা চলে। তিনি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি হত্যার শিকার হন। বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার মেয়ে বেবি, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং আবদুল নঈম খান নামে এক আত্মীয়কেও হত্যা করে ঘাতকেরা।

শেখ মুজিবুর রহমানের দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় ছিলেন বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। তারা প্রাণে বেঁচে যান।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতো। এদিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

তবে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যা এখনো বহাল রয়েছে।

সামিট এফএসআরইউ থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু, বাড়ছে সরবরাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 8:37 am
সামিট এফএসআরইউ থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু, বাড়ছে সরবরাহ

সামিট এলএনজি টার্মিনাল শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট থেকে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে।

সামিটের মুখপাত্র জানান, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ২টার মধ্যে সরবরাহ ধীরে ধীরে বাড়িয়ে পূর্ণ সক্ষমতা ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত করার আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্যাসের সরবরাহ বাড়লে শিল্প কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও অন্যান্য গ্রাহকের জন্য গ্যাসের প্রাপ্যতা বাড়বে। এর ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর চাপও কমবে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বাসসকে বলেন, সামিট শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তাদের এফএসআরইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে।

তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, ধীরে ধীরে গ্যাসের চাপ বাড়বে এবং মধ্যরাতের মধ্যে পূর্ণমাত্রায় সরবরাহে পৌঁছাবে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বলেন, একই সঙ্গে এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউ থেকেও গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে, যাতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো যায়।

রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট নির্বাচন নিয়ে নতুন সংকট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2026, 11:03 pm
রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট নির্বাচন নিয়ে নতুন সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ রেলওয়ে (কর্মচারী) কল্যাণ ট্রাস্টের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির শ্রমিক প্রতিনিধি নির্বাচন-২০২৬ ঘিরে বিরোধ ও আইনি জটিলতা আরও গভীর হয়েছে। ভোটার তালিকা, প্রার্থিতা যাচাই-বাছাই, আপিলের সময়সীমা এবং নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এক প্রার্থী। এর মধ্যেই আগামী ১৬ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের ভোটগ্রহণে আপাতত অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন “গ” গ্রুপ এর বৈধ প্রার্থী আহামুদুর রহমান টিটু,প্রধান সহকারী, ডিটিও,ঢাকা দপ্তর।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, গত ১২ জুলাই ২০২৬ বাংলাদেশ রেলওয়ে (কর্মচারী) কল্যাণ ট্রাস্টের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির শ্রমিক প্রতিনিধি নির্বাচন-২০২৬-এর তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী ৩০ জুলাই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দের সময় নির্ধারিত ছিল।

তবে বাদীপক্ষের অভিযোগ, ভোটার তালিকায় একাধিক কর্মচারীর নাম, পদবি ও কর্মস্থলসংক্রান্ত ভুল-ত্রুটি,অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী, চাকুরী হইতে অব্যাহতি নেওয়া কর্মচারী, মৃত ব্যক্তির নাম,বদলীজনিত ব্যক্তি,কর্মস্থল থেকে অনেক দূরের কর্মচারী ছিল। কয়েকজনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া এবং একই ব্যক্তির নাম একাধিক কেন্দ্রে থাকার বিষয়ও মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সংশোধনের জন্য ০২ আগস্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত আবেদন করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২৯ জুলাই প্রকাশিত মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের খসড়া তালিকায় একজন প্রার্থীকে বৈধ এবং অন্য ০২ জন কে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে আপিলের সুযোগ দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বাদীপক্ষের দাবি, নির্বাচনী নীতিমালা ও তফসিলে আপিলের কোনো বিধান না থাকা সত্ত্বেও আপিলের সুযোগ দেওয়া হয়।

মামলার নথিতে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে অবৈধ ঘোষিত এক প্রার্থী নির্ধারিত সময়ের ০৮ মিনিট পর আপিল জমা দেন। নথিতে আপিল গ্রহণের সময় ১৪:০৮ মিনিট উল্লেখ রয়েছে।

পরবর্তী সময়ে ৩০ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে সাড়ে সাতটার দিকে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ‘সাময়িকভাবে বৈধ’ বা ‘স্থগিত’ প্রার্থী হিসেবে রাখা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই প্রার্থীকে তার সংশ্লিষ্ট মামলার নিষ্পত্তির প্রমাণ দাখিলের জন্য সময় দেওয়া হয়।

এরপর ৬ আগস্ট নির্বাচন কমিশনের একটি অফিস স্মারকের মাধ্যমে ওই প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে বৈধ ঘোষণা এবং ‘গোলাপ ফুল’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। বাদীপক্ষ এই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে।

আদালতে কারণ দর্শানোর নোটিশ
বিষয়টি আদালতে গড়ানোর পর সংশ্লিষ্টদের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি হয়েছে। নথিতে ৬ আগস্টের নির্বাচন কমিশন-সংক্রান্ত অফিস স্মারক বাতিল, ভোটার তালিকা সংশোধন এবং মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতে প্রার্থিতা নির্ধারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আদালতের আদেশ চাওয়া হয়েছে।
এছাড়া মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট অফিস স্মারকের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং নির্বাচন কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদনও করা হয়েছে।

ভোটে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেন ” গ” গ্রুপ এর মই মার্কার বৈধ প্রার্থী আহামুদুর রহমান টিটু।

এই আইনি জটিলতার মধ্যেই সংশ্লিষ্ট প্রার্থী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি ১৬ আগস্টের নির্বাচনে আপাতত ভোটগ্রহণে অংশ নেবেন না। এ বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনারকে লিখিতভাবে অবহিত করেছেন বলেও জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, তার সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের বিরুদ্ধে নয়; বরং একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বার্থে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে আদালতে বিচারাধীন কার্যক্রমের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়ে আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, তা মেনে নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও জানিয়েছেন, নির্বাচনসংক্রান্ত বিরোধের কারণ, প্রাসঙ্গিক তথ্য ও তাদের অবস্থান গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেছেন।

কী হতে যাচ্ছে?
১৬ আগস্ট নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্ধারিত সময় ঘনিয়ে আসার মধ্যে আদালতে বিচারাধীন বিরোধ এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর ভোটগ্রহণে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

তবে মামলার অভিযোগগুলো এখনো আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি। নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের বক্তব্য এবং আদালতের পরবর্তী আদেশের ওপরই এ বিরোধের চূড়ান্ত পরিণতি নির্ভর করবে।

এখন সবার নজর আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত এবং নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।