খুঁজুন
, ,

বোয়ালখালীর পৌর মেয়রকে সরকারী ত্রান বরাদ্দ না দেয়ায় দক্ষিণ জেলা বিএনপির প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 12 May, 2020, 3:35 pm
বোয়ালখালীর পৌর মেয়রকে সরকারী ত্রান বরাদ্দ না দেয়ায় দক্ষিণ জেলা বিএনপির প্রতিবাদ

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। সংগঠন সংবাদ : করোনা ভাইরাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের পক্ষ থেকে আসা ত্রাণের বরাদ্দ চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আবুকে না দেয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি।

আজ মঙ্গলবার (১২ মে) দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, সি. যুগ্ম আহবায়ক আলী আব্বাস ও সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খান স্বাক্ষরিত এক যুক্তবিবৃতিতে নেতৃবৃন্দরা বলেন, করোনার সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে বোয়ালখালীতে এ পর্যন্ত ৮ দফায় ত্রাণ এসেছে। প্রতিবারই ব্যবস্থাপনার স্তর লঙ্ঘন করে ত্রাণ বরাদ্দে মেয়রকে বাদ দিয়ে পৌর এলাকায় বিতরণ করা হয়েছে।

বোয়ালখালী পৌর মেয়র বিএনপি দলীয় হওয়ায় এলাকায় ত্রাণ বিতরণের জন্য পৌর মেয়রকে বরাদ্দ প্রদান করা হয়নি। সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাদের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

সরকারের ত্রাণ পৌর মেয়রের নামে বরাদ্দ না দিয়ে কাউন্সিলরের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের কোথাও এই ধরনের নজির নেই।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, বোয়ালখালীর পার্শ্ববর্তী পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালীসহ জেলার সব পৌরসভা এলাকায় মেয়রের নামে পৌর এলাকার ত্রাণ বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু বোয়ালখালী পৌরসভার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। এটি জনগণের ভোটের রায়ের প্রতি অবিচার ও ক্ষমতার অপব্যবহার।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বোয়ালখালী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকারি নিয়মনীতির তোয়ক্কা না করে পৌর এলাকার সরকারি ত্রাণ পৌর মেয়রকে বরাদ্দ না দিয়ে নিজের ইচ্ছে মাফিক বিলি বন্টন করেন।

তিনি নিয়ম লঙ্গন করে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতাদের যোগসাজশে তাদের দেয়া তালিকা অনুযায়ী ত্রাণ বরাদ্দ এবং বিতরণ করছেন।
ফলে সুবিধা বঞ্চিত মানুষ ত্রাণ বরাদ্দ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের বিষয়ে বোয়ালখালীর ইউএনও’র বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে পৌর মেয়র লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু জেলা প্রসাশন এই অভিযোগের ব্যাপারে এখনো কার্যকর কোন প্রদক্ষেপ গ্রহন করেনি।

নেতৃবৃন্দ বলেন, এখন আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে চাল ও খাটের মধ্যে তেল পাওয়া যাচ্ছে। জনগণের টাকায় কেনা ত্রাণ ক্ষমতাসীন দলের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও আওয়ামী লীগের নেতারা আত্মসাৎ করছেন।

প্রতিদিন সারাদেশে ত্রাণের চাল, ডাল ও তেল ধরা পড়ছে। আওয়ামী দলীয় চেয়ারম্যান, মেম্বাররা গরীবের ত্রাণের চাল চুরির উৎসবে মেতে উঠেছে।

দেশের সকল সংকটকালীন মুহুর্তে আওয়ামীলীগ জনগণের কথা না ভেবে লুটপাতে ব্যস্ত হয়ে যায়। আওয়ামীলীগের এমপিরা জনগণের জন্য বরাদ্ধকৃত ত্রাণ থেকে ভাগ বসাচ্ছে। আবার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি দলীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সরকারী ত্রাণের বরাদ্দ থেকেও বাদ দিচ্ছে।

নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন, সারাদেশে অসহায় মানুষের জন্য সরকার যে ত্রাণ বরাদ্দ দিচ্ছে তা পর্যাপ্ত নয়, তার উপরে এসব ত্রাণ থেকে আওয়ামী লীগ দলীয় চেয়ারম্যান, মেম্বাররা তা আত্মসাত করছে। তাদের যে চোরের মনমানসিকতা তারা সে দৃষ্টিভঙ্গির সংকির্ণতা থেকে এখনো বেরিয়ে আসতে পারেনি।

অপরদিকে বিএনপি দীর্ঘ এক যুগ ক্ষমতার বাহিরে থাকার পরও সারাদেশে বিএনপি, অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নিজস্ব অর্থায়নে কর্মহীন মানুষদের পাশে দাড়িয়েছে।

জনগণের দল হিসাবে বিএনপি নেতাকর্মীরা জনগণের পাশে দাড়িয়েছে। করোনা শুরু থেকে চট্টগ্রামে বিএনপি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, বর্তমানে দেশের এই দূর্যোগকালীন সময়ে কে কোন কোন দল করে তা বিবেচনা করার সময় নয়। মানুষ হিসাবে মানুষের পাশে দাড়ানো সবার কর্তব্য। নেতৃবৃন্দ বোয়ালখালীর নির্বাচিত র্পৌর মেয়র আবুল কালাম আবুকে ত্রাণের বরাদ্দ থেকে বাদ চিন্তা থেকে বেরিয়ে এসে দলমত নির্বিশেষে জনগনের কল্যাণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

২৪ ঘন্টা/এম আর

Feb2
Feb2

নেপালে শতাধিক বিদেশি পর্যটকসহ নিখোঁজ ৪০০, নিহত ৫৫

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 7:59 pm
নেপালে শতাধিক বিদেশি পর্যটকসহ নিখোঁজ ৪০০, নিহত ৫৫

নেপালে আকস্মিক বন্যায় ৪০০ জন পর্যটক নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। দেশটির ট্যুরিজম বোর্ডের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে ২৯১ জনই বিদেশি নাগরিক। ১০৫ জন ভারতীয় এবং ১১১ জনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শনাক্ত হওয়া বাকিদের মধ্যে নেপালের স্থানীয়, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশের নাগরিক আছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে রাত সাড়ে ৭টার পর বার্তা সংস্থা রয়টার্স ৫৫ জন নিহতের তথ্য দিয়েছে। নিখোঁজ ও হতাহতের সংখ্যা নিয়মিত বাড়ছে। এই বন্যায় প্রতিবেশী তিব্বতেও ‘ব্যাপক হতাহতের’ খবর দিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি। দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিব্বতে কৈলাস মানসসরোবরে যাওয়া প্রায় ৪০০ তীর্থযাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

বুধবার ভোরে আকস্মিক বন্যায় নেপালের রাসুওয়া জেলায় চীন সীমান্তবর্তী এলাকার কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়। সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল প্রাথমিক তথ্যের বরাত দিয়ে পার্লামেন্টে জানিয়েছেন, হিমালয় ঘেঁষা চীন-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকায় সকালে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এরপর শুরু হয় তুষারধস। সেখান থেকে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে তিব্বত অঞ্চলে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। শিশির খানাল জানান, তাঁর দেশ চীনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত ২৬ পুলিশ সদস্য, ৯ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য এবং ৪৪ জন সামরিক সদস্য নিখোঁজ আছেন।

এদিকে দ্য কাঠমান্ডু পোস্টকে কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও জলবায়ু গবেষক রিজন ভক্ত কায়স্থ জানিয়েছেন, প্রাথমিক মূল্যায়নে ধারণা করা হচ্ছে, তুষারধস লহেন্দে নদীর প্রবাহ আটকে দিলে ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। একই সময় ভূমিকম্পও অনুভূত হয়।

নেপাল পুলিশ ও এএফপির প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যায়, নদীর প্রবল স্রোত আশপাশের বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কাদামাটির মধ্যে একটি বাড়ির শুধু ওপরের তলা বেরিয়ে আছে। নেপালের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তারা হেলিকপ্টার ও দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত সদস্যদের পাঠিয়েছে।

জলবিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ প্রায় ৪৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। বেশ কয়েকটি মহাসড়কও বন্ধ হয়ে গেছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, নেপালের অংশে বন্যার কারণে তিব্বতের গিরং বন্দরে ব্যাপক হতাহত ও বহু মানুষ নিখোঁজ হয়েছে। সিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সর্বাত্মক উদ্ধার অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এসব প্রতিবেদনে তিব্বতে আহত বা নিহতের সংখ্যা জানানো হয়নি।

বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 6:24 pm
বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান (বিডিএস) অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। একই সঙ্গে এসব পণ্যের অনুকূলে দেওয়া বিএসটিআই লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণিত হওয়ায় এসব পণ্য না কেনার জন্য ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছে বিএসটিআই।

আজ বুধবার বিএসটিআই জানিয়েছে, নিয়মিত সার্ভিল্যান্স কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্প্রতি বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য সংগ্রহ করে নিজস্ব অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এতে বেশ কিছু পণ্যের মান সঠিক পাওয়া গেলেও কয়েকটি ব্র্যান্ডের ঘি, বাটার অয়েল ও মসলা নির্ধারিত মান পূরণে ব্যর্থ হয়।

বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় বাঘাবাড়ি ব্র্যান্ডের ঘিতে মিল্ক ফ্যাট পাওয়া যায়নি। পাম অলিন ও বনস্পতি ব্যবহার করে তা ‘ঘি’ নামে বাজারজাত করার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ ছাড়া বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের উৎপাদিত কারি পাউডার হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালা ভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলা পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান অনুযায়ী অকৃতকার্য হয়েছে। এসব মসলায় মোট অ্যাশ ও লবণের মাত্রা নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।

নিম্নমানের ঘি ও বাটার অয়েলের তালিকায় রয়েছে বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ি’ ব্র্যান্ডের ঘি, কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টসের ‘অরুন বাঘাবাড়ী’ ব্র্যান্ডের ঘি, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্টের ‘নিউ রাঁধুনী’ ও ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল।

পরীক্ষায় এসব ঘি ও বাটার অয়েলে রিফ্র্যাক্টিভ ইনডেক্স, আয়োডিন ভ্যালু, স্যাপোনিফিকেশন ভ্যালু ও পলেন্সকে ভ্যালু নির্ধারিত সীমার বাইরে পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জাতীয় মান অনুযায়ী পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

তিনি বলেন, পণ্যের মান সনদ দেওয়ার পাশাপাশি নকল ও ভেজাল রোধে সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে বিএসটিআইয়ের কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, পণ্যের উপাদানসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছেন মহাপরিচালক।

জুলুসে জনসমুদ্র চট্টগ্রাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 2:35 pm
জুলুসে জনসমুদ্র চট্টগ্রাম

লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে জশনে জুলুস। ৫৫তম জশনে জুলুসে নেতৃত্ব দিয়েঠেন পাকিস্তানের দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ.)। সঙ্গে ছিলেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) ও শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব আহমেদ শাহ (ম.জি.আ)।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঐতিহ্যের জশনে জুলুস শুরু হয়।

ভিড় পেরিয়ে সেই জুলুস অপরপ্রান্ত টাইগারপাসে পৌঁছে দুপুর সাড়ে ১২টায়। এ সময় আকাশ মেঘে ছেয়ে যায়, ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি শুরু হয়।

বৃষ্টিতে ভিজেই হুজুর কেবলার গাড়ি অনুসরণ করে জুলুস। আবার একই পথে ফিরে যায় জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা মাঠে।

জুলুস অংশগ্রহণকারী ও পথচারীদের পানি, শরবত, খেজুর, কলা, বিরিয়ানি বিতরণ করছেন বিভিন্ন সংগঠন ও আগ্রহী মানুষেরা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বাইরে প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক জলুসের শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করেছেন। জুলুস চলাকালে লালখান বাজার-মুরাদপুর ফ্লাইওভার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ছিল।

জুলুসের কারণে বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে বাস, ট্রাক, পিকআপ, মোটরসাইকেলে আশেকরা আসেন নগরে। স্বাভাবিকভাবেই কিছু সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর ১২ রবিউল আউয়াল আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম নগরে এ জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

পীর আল্লামা সাবির শাহ বলেন, প্রিয় নবীর আগমনে খুশি উদযাপন করা কোরআন, হাদিস দ্বারা স্বীকৃত। আল্লাহ নেয়ামত প্রাপ্তিতে আনন্দ তথা ঈদ উদযাপন করতে বলেছেন। তাই সর্বকালের, সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মদ (দ) প্রত্যেক সৃষ্টির জন্য নেয়ামত। জশনে জুলুস এমন একটা কর্মসূচি যেখানে শরীয়ত বিরোধী কোনো কাজ হয় না। কোরআন তেলাওয়াত, নাতে রাসুল (দ) পাঠ, রাসুলের সীরাত আলোচনা হয় এখানে। তাই ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন করতে পারা ভাগ্যের ব্যাপার।

জুলুসে আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মনজুর আলম, সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, এডিশনাল সেক্রেটারি আলহাজ শামসুদ্দিন, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি মোহাম্মদ কমর উদ্দীন (সবুর), প্রেস এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দীন, ক্যাবিনেট মেম্বার পেয়ার মোহাম্মদ, মাহমুদ নেওয়াজ, মহিউদ্দিন খোকনসহ গাউসিয়া কমিটির নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।