খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোয়ালখালীর পৌর মেয়রকে সরকারী ত্রান বরাদ্দ না দেয়ায় দক্ষিণ জেলা বিএনপির প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২০, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
বোয়ালখালীর পৌর মেয়রকে সরকারী ত্রান বরাদ্দ না দেয়ায় দক্ষিণ জেলা বিএনপির প্রতিবাদ

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। সংগঠন সংবাদ : করোনা ভাইরাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের পক্ষ থেকে আসা ত্রাণের বরাদ্দ চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আবুকে না দেয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি।

আজ মঙ্গলবার (১২ মে) দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, সি. যুগ্ম আহবায়ক আলী আব্বাস ও সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খান স্বাক্ষরিত এক যুক্তবিবৃতিতে নেতৃবৃন্দরা বলেন, করোনার সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে বোয়ালখালীতে এ পর্যন্ত ৮ দফায় ত্রাণ এসেছে। প্রতিবারই ব্যবস্থাপনার স্তর লঙ্ঘন করে ত্রাণ বরাদ্দে মেয়রকে বাদ দিয়ে পৌর এলাকায় বিতরণ করা হয়েছে।

বোয়ালখালী পৌর মেয়র বিএনপি দলীয় হওয়ায় এলাকায় ত্রাণ বিতরণের জন্য পৌর মেয়রকে বরাদ্দ প্রদান করা হয়নি। সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাদের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

সরকারের ত্রাণ পৌর মেয়রের নামে বরাদ্দ না দিয়ে কাউন্সিলরের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের কোথাও এই ধরনের নজির নেই।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, বোয়ালখালীর পার্শ্ববর্তী পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালীসহ জেলার সব পৌরসভা এলাকায় মেয়রের নামে পৌর এলাকার ত্রাণ বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু বোয়ালখালী পৌরসভার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। এটি জনগণের ভোটের রায়ের প্রতি অবিচার ও ক্ষমতার অপব্যবহার।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বোয়ালখালী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকারি নিয়মনীতির তোয়ক্কা না করে পৌর এলাকার সরকারি ত্রাণ পৌর মেয়রকে বরাদ্দ না দিয়ে নিজের ইচ্ছে মাফিক বিলি বন্টন করেন।

তিনি নিয়ম লঙ্গন করে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতাদের যোগসাজশে তাদের দেয়া তালিকা অনুযায়ী ত্রাণ বরাদ্দ এবং বিতরণ করছেন।
ফলে সুবিধা বঞ্চিত মানুষ ত্রাণ বরাদ্দ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের বিষয়ে বোয়ালখালীর ইউএনও’র বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে পৌর মেয়র লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু জেলা প্রসাশন এই অভিযোগের ব্যাপারে এখনো কার্যকর কোন প্রদক্ষেপ গ্রহন করেনি।

নেতৃবৃন্দ বলেন, এখন আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে চাল ও খাটের মধ্যে তেল পাওয়া যাচ্ছে। জনগণের টাকায় কেনা ত্রাণ ক্ষমতাসীন দলের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও আওয়ামী লীগের নেতারা আত্মসাৎ করছেন।

প্রতিদিন সারাদেশে ত্রাণের চাল, ডাল ও তেল ধরা পড়ছে। আওয়ামী দলীয় চেয়ারম্যান, মেম্বাররা গরীবের ত্রাণের চাল চুরির উৎসবে মেতে উঠেছে।

দেশের সকল সংকটকালীন মুহুর্তে আওয়ামীলীগ জনগণের কথা না ভেবে লুটপাতে ব্যস্ত হয়ে যায়। আওয়ামীলীগের এমপিরা জনগণের জন্য বরাদ্ধকৃত ত্রাণ থেকে ভাগ বসাচ্ছে। আবার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি দলীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সরকারী ত্রাণের বরাদ্দ থেকেও বাদ দিচ্ছে।

নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন, সারাদেশে অসহায় মানুষের জন্য সরকার যে ত্রাণ বরাদ্দ দিচ্ছে তা পর্যাপ্ত নয়, তার উপরে এসব ত্রাণ থেকে আওয়ামী লীগ দলীয় চেয়ারম্যান, মেম্বাররা তা আত্মসাত করছে। তাদের যে চোরের মনমানসিকতা তারা সে দৃষ্টিভঙ্গির সংকির্ণতা থেকে এখনো বেরিয়ে আসতে পারেনি।

অপরদিকে বিএনপি দীর্ঘ এক যুগ ক্ষমতার বাহিরে থাকার পরও সারাদেশে বিএনপি, অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নিজস্ব অর্থায়নে কর্মহীন মানুষদের পাশে দাড়িয়েছে।

জনগণের দল হিসাবে বিএনপি নেতাকর্মীরা জনগণের পাশে দাড়িয়েছে। করোনা শুরু থেকে চট্টগ্রামে বিএনপি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, বর্তমানে দেশের এই দূর্যোগকালীন সময়ে কে কোন কোন দল করে তা বিবেচনা করার সময় নয়। মানুষ হিসাবে মানুষের পাশে দাড়ানো সবার কর্তব্য। নেতৃবৃন্দ বোয়ালখালীর নির্বাচিত র্পৌর মেয়র আবুল কালাম আবুকে ত্রাণের বরাদ্দ থেকে বাদ চিন্তা থেকে বেরিয়ে এসে দলমত নির্বিশেষে জনগনের কল্যাণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

২৪ ঘন্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…