খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামাদির দুস্প্রাপ্যতা ও উচ্চমূল্য ত্রাণের চেয়েও বড়ো সংকট : সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২০, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামাদির দুস্প্রাপ্যতা ও উচ্চমূল্য ত্রাণের চেয়েও বড়ো সংকট : সুজন

খোরশেদ আলম সুজন

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ::::করোনাভাইরাস সৃষ্ট পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামাদির দুস্প্রাপ্যতা ও উচ্চমূল্য ত্রাণের চেয়েও বড়ো সংকট বলে মত প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১২ মে) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উপরোক্ত মত প্রকাশ করেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে বাঁচতে বেশ কিছু অভ্যাসের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নিয়মিত সাবান পানি দিয়ে হাত পরিস্কার করা। কারণ সাবান পানি দিয়ে হাত পরিস্কার করা হলে এতে করে হাতে থাকা জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়। এছাড়া সাবান পানি না থাকলে অ্যালকোহল সমৃদ্ধ হ্যান্ড রাব বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। তাছাড়া ভিড় কিংবা জনসমাগমে যেতে হলে আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরিধান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরে থাকার পক্ষেও মতে দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। স্বাভাবিকভাবেই দেশের নাগরিকগণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব সংস্থা কর্তৃক নির্দেশনা মেনে চলে দৈনন্দিন জীবন যাপন করতে বদ্ধপরিকর। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব সংস্থার নির্দেশনার সাথে সাথেই জনগনের ব্যবহার্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জাম যেমন মাস্ক, সাবান, তরল সাবান, হেক্সিসল, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডেটল এবং স্যাভলনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনগনকে ভোগান্তিতে ফেলেছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী। তাছাড়া অনেক সময় উচ্চমূল্যে কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে এসব পন্য। আবার অনেক সময় উচ্চমূল্যেও কিনতে পাওয়া যাচ্ছে না এসব সুরক্ষা সরঞ্জামাদি।

ফলতঃ জনগন বাধ্য হয়েই বাজার থেকে ভেজাল এবং নিম্নমানের এসব পণ্য কিনে হরহামেশাই প্রতারিত হচ্ছে।

তাছাড়া অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত এসব পন্য ব্যবহারের ফলে জনগনের স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে বরাবরই আশংকা থেকে যায়।

এর ফলে চর্ম রোগসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হতে পারেন ব্যবহারকারীরা।

দেখা যাচ্ছে এসব অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়তই অভিযান পরিচালনা করছেন সরকারের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ।

ম্যাজিস্ট্রেটগণ অভিযান পরিচালনা করে চলে যাওয়ার পর পূণরায় চড়া দামে এসব ভেজাল সুরক্ষা সরঞ্জামাদি ভোক্তাগণের নিকট বিক্রয় করে অসাধু ব্যবসায়ীগণ।

যারা জনগনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামাদির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনগনকে মৃত্যুর মুখোমুখি ঠেলে দিচ্ছে তারা এক প্রকার হত্যাকান্ডের সাথেও সংশ্লিষ্ট বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।

নিশ্চিতভাবেই বলা যায় এসব ব্যবসায়ীরা ভোগ্যপণ্য সিন্ডিকেটের অন্যতম সহযোগী। এ ব্যপারে সরকারকে দ্রুততার সাথে পদক্ষেপ গ্রহণ করে অবিলম্বে এসব দুষ্টচক্রের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেওয়ার জন্যও সরকারের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট বিনীত আবেদন জানান তিনি।

তাছাড়া যে সকল প্রতিষ্ঠান এসব সুরক্ষা সরঞ্জামাদি উৎপাদন করে সে সকল প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় উৎপাদিত মূল্যে সহজলভ্য স্থানে এসব পণ্য সরাসরি জনগনের নিকট বিপণনের অনুরোধ জানান তিনি।

এছাড়া যারা এসব ভেজাল পন্য উৎপাদন এবং কৃত্রিম সংকটের সাথে জড়িত তাদেরকে সামাজিক লজ্জ্বাজনক শাস্তি সহ সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার জন্য সর্বস্তরের জনগনের নিকট উদাত্ত আহবান জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমাদেরকে একদিকে করোনার সাথে যুদ্ধ করতে হচ্ছে অন্যদিকে করোনাকে পুঁজি করে যারা মানুষের জীবন মৃত্যুকে জিম্মি করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছে তাদের বিরুদ্ধেও আমাদের আইনগত এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এছাড়া দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠান এসব পণ্যের দুস্প্রাপ্যতার সুযোগ নিয়ে বাহারি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভেজাল এন৯৫ মাস্ক, নানারকম তরল সাবান, হেক্সিসল, হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহের নামে জনগনকে প্রতারিত করছে।

এসব অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াও সময়ের দাবী বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি জনগনের স্বাস্থ্য সুরক্ষার সামগ্রী নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলছে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরী করার মাধ্যমে এদের মুখোশ উম্মোচন করে দেওয়ার জন্য সাংবাদিক সমাজের নিকট বিনীত আহবান জানান।

তিনি আরো বলেন, দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন এলাকায় করোনা উপসর্গ থাকা সত্বেও কিছু অসুস্থ রোগী চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন না। এতে করে ঐ রোগীর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা মারাত্নক হুমকির মধ্যে পড়ার সম্ভাবনা প্রকট। এ রকম কোন রোগীর সন্ধান পেলে নাগরিক উদ্যোগকে জানানোর অনুরোধ জানান তিনি।

এছাড়া করোনা আক্রান্ত কোন রোগীর হাসপাতাল কিংবা চিকিৎসাকেন্দ্রে যেতে কোন প্রকার অসুবিধার সম্মূখীন হলেও নাগরিক উদ্যোগের সহযোগিতা নেওয়ার আহবান জানান সুজন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’