খুঁজুন
, ,

স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামাদির দুস্প্রাপ্যতা ও উচ্চমূল্য ত্রাণের চেয়েও বড়ো সংকট : সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 12 May, 2020, 4:03 pm
স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামাদির দুস্প্রাপ্যতা ও উচ্চমূল্য ত্রাণের চেয়েও বড়ো সংকট : সুজন

খোরশেদ আলম সুজন

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ::::করোনাভাইরাস সৃষ্ট পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামাদির দুস্প্রাপ্যতা ও উচ্চমূল্য ত্রাণের চেয়েও বড়ো সংকট বলে মত প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১২ মে) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উপরোক্ত মত প্রকাশ করেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে বাঁচতে বেশ কিছু অভ্যাসের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নিয়মিত সাবান পানি দিয়ে হাত পরিস্কার করা। কারণ সাবান পানি দিয়ে হাত পরিস্কার করা হলে এতে করে হাতে থাকা জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়। এছাড়া সাবান পানি না থাকলে অ্যালকোহল সমৃদ্ধ হ্যান্ড রাব বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। তাছাড়া ভিড় কিংবা জনসমাগমে যেতে হলে আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরিধান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরে থাকার পক্ষেও মতে দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। স্বাভাবিকভাবেই দেশের নাগরিকগণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব সংস্থা কর্তৃক নির্দেশনা মেনে চলে দৈনন্দিন জীবন যাপন করতে বদ্ধপরিকর। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব সংস্থার নির্দেশনার সাথে সাথেই জনগনের ব্যবহার্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জাম যেমন মাস্ক, সাবান, তরল সাবান, হেক্সিসল, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডেটল এবং স্যাভলনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনগনকে ভোগান্তিতে ফেলেছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী। তাছাড়া অনেক সময় উচ্চমূল্যে কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে এসব পন্য। আবার অনেক সময় উচ্চমূল্যেও কিনতে পাওয়া যাচ্ছে না এসব সুরক্ষা সরঞ্জামাদি।

ফলতঃ জনগন বাধ্য হয়েই বাজার থেকে ভেজাল এবং নিম্নমানের এসব পণ্য কিনে হরহামেশাই প্রতারিত হচ্ছে।

তাছাড়া অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত এসব পন্য ব্যবহারের ফলে জনগনের স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে বরাবরই আশংকা থেকে যায়।

এর ফলে চর্ম রোগসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হতে পারেন ব্যবহারকারীরা।

দেখা যাচ্ছে এসব অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়তই অভিযান পরিচালনা করছেন সরকারের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ।

ম্যাজিস্ট্রেটগণ অভিযান পরিচালনা করে চলে যাওয়ার পর পূণরায় চড়া দামে এসব ভেজাল সুরক্ষা সরঞ্জামাদি ভোক্তাগণের নিকট বিক্রয় করে অসাধু ব্যবসায়ীগণ।

যারা জনগনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামাদির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনগনকে মৃত্যুর মুখোমুখি ঠেলে দিচ্ছে তারা এক প্রকার হত্যাকান্ডের সাথেও সংশ্লিষ্ট বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।

নিশ্চিতভাবেই বলা যায় এসব ব্যবসায়ীরা ভোগ্যপণ্য সিন্ডিকেটের অন্যতম সহযোগী। এ ব্যপারে সরকারকে দ্রুততার সাথে পদক্ষেপ গ্রহণ করে অবিলম্বে এসব দুষ্টচক্রের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেওয়ার জন্যও সরকারের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট বিনীত আবেদন জানান তিনি।

তাছাড়া যে সকল প্রতিষ্ঠান এসব সুরক্ষা সরঞ্জামাদি উৎপাদন করে সে সকল প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় উৎপাদিত মূল্যে সহজলভ্য স্থানে এসব পণ্য সরাসরি জনগনের নিকট বিপণনের অনুরোধ জানান তিনি।

এছাড়া যারা এসব ভেজাল পন্য উৎপাদন এবং কৃত্রিম সংকটের সাথে জড়িত তাদেরকে সামাজিক লজ্জ্বাজনক শাস্তি সহ সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার জন্য সর্বস্তরের জনগনের নিকট উদাত্ত আহবান জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমাদেরকে একদিকে করোনার সাথে যুদ্ধ করতে হচ্ছে অন্যদিকে করোনাকে পুঁজি করে যারা মানুষের জীবন মৃত্যুকে জিম্মি করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছে তাদের বিরুদ্ধেও আমাদের আইনগত এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এছাড়া দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন অনলাইন প্রতিষ্ঠান এসব পণ্যের দুস্প্রাপ্যতার সুযোগ নিয়ে বাহারি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভেজাল এন৯৫ মাস্ক, নানারকম তরল সাবান, হেক্সিসল, হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহের নামে জনগনকে প্রতারিত করছে।

এসব অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াও সময়ের দাবী বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি জনগনের স্বাস্থ্য সুরক্ষার সামগ্রী নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলছে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরী করার মাধ্যমে এদের মুখোশ উম্মোচন করে দেওয়ার জন্য সাংবাদিক সমাজের নিকট বিনীত আহবান জানান।

তিনি আরো বলেন, দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন এলাকায় করোনা উপসর্গ থাকা সত্বেও কিছু অসুস্থ রোগী চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন না। এতে করে ঐ রোগীর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা মারাত্নক হুমকির মধ্যে পড়ার সম্ভাবনা প্রকট। এ রকম কোন রোগীর সন্ধান পেলে নাগরিক উদ্যোগকে জানানোর অনুরোধ জানান তিনি।

এছাড়া করোনা আক্রান্ত কোন রোগীর হাসপাতাল কিংবা চিকিৎসাকেন্দ্রে যেতে কোন প্রকার অসুবিধার সম্মূখীন হলেও নাগরিক উদ্যোগের সহযোগিতা নেওয়ার আহবান জানান সুজন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।

ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:40 pm
ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও প্রতিবন্ধকতা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে মেয়র বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে হকার ব্যবসা পরিচালনার কারণে সাধারণ নাগরিকদের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে হকারদের জীবিকা ও বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। এ কারণে শুধু উচ্ছেদ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, হকারদের জন্য পরিকল্পিতভাবে ইভিনিং মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় ও নির্ধারিত স্থানে হকাররা যাতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন হকারদের জীবিকার সুযোগ অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে নগরীর ফুটপাত ও সড়কে নাগরিকদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে একটি শৃঙ্খলিত, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে। নগরবাসীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো স্থাপনা বা কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে না। তবে হকারদের পুনর্বাসন ও বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অভিযানকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এগুলো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য। অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা কিংবা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চসিক ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। একদিকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে, অন্যদিকে উচ্ছেদ করা জায়গা যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি থাকবে।

মেয়র আরও বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকার ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। ব্যবসায়ীদেরও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং নির্ধারিত জায়গা ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।

নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে বলে জানান মেয়র।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ।