খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে মার্কেটগুলোতে মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২০, ৯:১৮ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে মার্কেটগুলোতে মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:একদিকে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা, অপরদিকে ঈদ উপলক্ষে মার্কেটগুলোতে বেড়েই চলছে জনগনের উপচে পড়া ভিড়। ব্যাবসায়ি বা ক্রেতা কেও মানতেছে না কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি।

শনিবার (১৬ মে) ঠাকুরগাঁও শহরের চৌড়াস্তায় গেলে এমনি চিত্রটি চোখে পড়ে। মহামারি করোনা ভাইরাসের এমন সময়ে সামাজিক দূরত্ব না মেনে গাদাগাদি করেই চলছে ঠাকুরগাঁওয়ের মার্কেট ও দোকানগুলো।

জানা যায়, করোনাকালীন সতর্কতা এবং সামাজিক দূরত্ব রক্ষার শর্তে সরকারের ঘোষণার পর গত রবিবার (১০ মে) থেকেই ঠাকুরগাঁওয়ের মার্কেটগুলো খুলেছেন ব্যবসায়ীরা। দিনের পর দিন মাকের্টগুলোতে জনগনের এমনি উপচে পড়া ভিড় দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে সচেতন মহল। অনেকের দাবি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যাতে বন্ধ করে দেয়া হয় মার্কেটগুলো।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকছেন শহরের এই মার্কেটের দোকনগুলো। জেলা শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকেই ঈদ মার্কেট করতে দলে দলে আসছেন ক্রেতারা। মার্কেটগুলোতে জীবানুনাশক স্প্রে করা হলেও নেই যেন কোন সামাজিক দূরত্ব।

অপরদিকে জেলা প্রশাসন ও চেম্বার অফ কমার্সের পক্ষ থেকে সকল প্রকার নির্দেশনা ও মার্কেট মনিটরিং করা হলেও তারা সড়ে যাবার পরেই পাল্টে যাচ্ছে মার্কেটের চিত্র। কেউ যেন মানছেনা কিছুই। যার ফলে বেড়েই চলছে জেলায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

চৌরাস্তা থেকে বাসার দিকে যাচ্ছিলেন শহরের হাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আল মামুন। তিনি জানান, কোন কাজ ছাড়া কেউ যেন বাসা থেকে না বেড় হয় সেটার জন্য সরকার বার বার বলছে। কিন্তু আজ চৌড়াস্তার দিকে আসে বুঝা গেলো কি অবস্থা। মানুষ এভাবে স্বেচ্ছায় নিজের মৃত্যুকে ডেকে নিয়ে আসছে।

মার্কেট করতে আসা ক্রেতা শহিদুল ইসলাম জানান, বাসায় ছোট মেয়ে কাপড়ের জন্য বাহান ধরেছে। কিন্তু মার্কেটের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে এখানে কাপড়ের বাজার নয় এটা যেন করোনার বাজার। এভাবে গা ঘেষে যদি মার্কেটগুলো চলে তাহলে তো মারাত্তক বিপদ। প্রশানের উচিত কঠোর ব্যবস্থা নেয়া। তা না হলে সামনে আমাদের এই শান্তির জেলায় বিপদ নামে আসবে।

কাপড় বিক্রেতারা জানান, ঈদের কারনে ক্রেতার সংখ্যা একটু বেড়ে চলছে। দোকানের সামনে সার্কেল করে দেয়া হচ্ছে। যাতে করে দূরত্ব বজায় রাখার যায়। এছাড়াও দোকান গুলোতে জীবনুনাশক স্প্রে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ এখন এসব মানতে চাচ্ছেনা। এরপরেও দূরত্বটি বজায় রাখার জন্য ত্রেতাদের বলা হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহবুবার রহমান বাবলু জানান, বৃহস্পতিবার আমরা মার্কেটের ১০টি দোকান বন্ধ করে দিয়েছিলাম। আজ সকালেও আমরা মার্কেটগুলোতে ম্যাজিস্ট্রেট সহ পরিদর্শন করেছি। সেই সাথে সামিাজিক দূরত্ব সহ সকল নিময় মেনে চলার ব্যাপারে সকলকে অবগত করেছি। এরপরেও যদি মাকেটে উপচে পড়া এই ভিড়টি নিয়ন্ত্রণ করা না সম্ভব না হয় তাহলে মার্কেট বন্ধ করা হবে।

ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা: মাহফুজুর রহমান সরকার জানান, আমাদের সকলের উচিৎ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করা। যদি এই সময়ে সামাজিক দূরত্ব না মেনে চলা হয় তাহলে করোনা ভাইরাসের আমাদের জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই সকলকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম, জানান ইতিমধ্যে আমারা কয়েকটি দোকানে অভিযান করে দোকান বন্ধ করে দিয়েছি। এছাড়াও আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিনিয়ত মার্কেটগুলোতে মনিটরিং করে যাচ্ছে। আমরা চাই যাতে সকলেই সুস্থ থাকুক।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/গৌতম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…