খুঁজুন
, ,

ঠাকুরগাঁওয়ে মার্কেটগুলোতে মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 16 May, 2020, 9:18 pm
ঠাকুরগাঁওয়ে মার্কেটগুলোতে মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:একদিকে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা, অপরদিকে ঈদ উপলক্ষে মার্কেটগুলোতে বেড়েই চলছে জনগনের উপচে পড়া ভিড়। ব্যাবসায়ি বা ক্রেতা কেও মানতেছে না কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি।

শনিবার (১৬ মে) ঠাকুরগাঁও শহরের চৌড়াস্তায় গেলে এমনি চিত্রটি চোখে পড়ে। মহামারি করোনা ভাইরাসের এমন সময়ে সামাজিক দূরত্ব না মেনে গাদাগাদি করেই চলছে ঠাকুরগাঁওয়ের মার্কেট ও দোকানগুলো।

জানা যায়, করোনাকালীন সতর্কতা এবং সামাজিক দূরত্ব রক্ষার শর্তে সরকারের ঘোষণার পর গত রবিবার (১০ মে) থেকেই ঠাকুরগাঁওয়ের মার্কেটগুলো খুলেছেন ব্যবসায়ীরা। দিনের পর দিন মাকের্টগুলোতে জনগনের এমনি উপচে পড়া ভিড় দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে সচেতন মহল। অনেকের দাবি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যাতে বন্ধ করে দেয়া হয় মার্কেটগুলো।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকছেন শহরের এই মার্কেটের দোকনগুলো। জেলা শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকেই ঈদ মার্কেট করতে দলে দলে আসছেন ক্রেতারা। মার্কেটগুলোতে জীবানুনাশক স্প্রে করা হলেও নেই যেন কোন সামাজিক দূরত্ব।

অপরদিকে জেলা প্রশাসন ও চেম্বার অফ কমার্সের পক্ষ থেকে সকল প্রকার নির্দেশনা ও মার্কেট মনিটরিং করা হলেও তারা সড়ে যাবার পরেই পাল্টে যাচ্ছে মার্কেটের চিত্র। কেউ যেন মানছেনা কিছুই। যার ফলে বেড়েই চলছে জেলায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

চৌরাস্তা থেকে বাসার দিকে যাচ্ছিলেন শহরের হাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আল মামুন। তিনি জানান, কোন কাজ ছাড়া কেউ যেন বাসা থেকে না বেড় হয় সেটার জন্য সরকার বার বার বলছে। কিন্তু আজ চৌড়াস্তার দিকে আসে বুঝা গেলো কি অবস্থা। মানুষ এভাবে স্বেচ্ছায় নিজের মৃত্যুকে ডেকে নিয়ে আসছে।

মার্কেট করতে আসা ক্রেতা শহিদুল ইসলাম জানান, বাসায় ছোট মেয়ে কাপড়ের জন্য বাহান ধরেছে। কিন্তু মার্কেটের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে এখানে কাপড়ের বাজার নয় এটা যেন করোনার বাজার। এভাবে গা ঘেষে যদি মার্কেটগুলো চলে তাহলে তো মারাত্তক বিপদ। প্রশানের উচিত কঠোর ব্যবস্থা নেয়া। তা না হলে সামনে আমাদের এই শান্তির জেলায় বিপদ নামে আসবে।

কাপড় বিক্রেতারা জানান, ঈদের কারনে ক্রেতার সংখ্যা একটু বেড়ে চলছে। দোকানের সামনে সার্কেল করে দেয়া হচ্ছে। যাতে করে দূরত্ব বজায় রাখার যায়। এছাড়াও দোকান গুলোতে জীবনুনাশক স্প্রে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ এখন এসব মানতে চাচ্ছেনা। এরপরেও দূরত্বটি বজায় রাখার জন্য ত্রেতাদের বলা হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহবুবার রহমান বাবলু জানান, বৃহস্পতিবার আমরা মার্কেটের ১০টি দোকান বন্ধ করে দিয়েছিলাম। আজ সকালেও আমরা মার্কেটগুলোতে ম্যাজিস্ট্রেট সহ পরিদর্শন করেছি। সেই সাথে সামিাজিক দূরত্ব সহ সকল নিময় মেনে চলার ব্যাপারে সকলকে অবগত করেছি। এরপরেও যদি মাকেটে উপচে পড়া এই ভিড়টি নিয়ন্ত্রণ করা না সম্ভব না হয় তাহলে মার্কেট বন্ধ করা হবে।

ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা: মাহফুজুর রহমান সরকার জানান, আমাদের সকলের উচিৎ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করা। যদি এই সময়ে সামাজিক দূরত্ব না মেনে চলা হয় তাহলে করোনা ভাইরাসের আমাদের জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই সকলকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম, জানান ইতিমধ্যে আমারা কয়েকটি দোকানে অভিযান করে দোকান বন্ধ করে দিয়েছি। এছাড়াও আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিনিয়ত মার্কেটগুলোতে মনিটরিং করে যাচ্ছে। আমরা চাই যাতে সকলেই সুস্থ থাকুক।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/গৌতম

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।