খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মনিরামপুরে করোনা সংক্রমণের ভয় উপেক্ষা করে ঈদের বাজারে উঁপচে পড়া ভীড়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২০, ১০:১৯ অপরাহ্ণ
মনিরামপুরে করোনা সংক্রমণের ভয় উপেক্ষা করে ঈদের বাজারে উঁপচে পড়া ভীড়

নিলয় ধর,যশোর প্রতিনিধি:যশোরের মনিরামপুরে মহামারি করোনাভাইরাস উপেক্ষা করে ঈদবাজার জমজমাট হয়ে উঠেছে। কাকডাকা ভোর থেকে শুরু হয়ে বিকেল পর্যন্ত পৌরশহরসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারের বিপনী বিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড় লেগেই চলেছে। এক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না কোন প্রকার সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব।

অন্যদিকে পৌরশহর ও বাজারসমূহে যাত্রীবাহী ভ্যান,ইজিবাইক,পণ্যবাহী ও ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল বৃদ্ধির কারণে সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজটের। তবে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বেশ তৎপরতা রয়েছে।

তারপরও মানুষের মধ্যে বিন্দুমাত্র সচেতনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না এখানে। ফলে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পৌরশহর এবং উপজেলার রাজগঞ্জ, খেদাপাড়া, চিনাটোলা,নেহালপুর,ঢাকুরিয়া, কুয়াদাসহ, মনিরামপুর, নওয়াপাড়া বিভিন্ন বাজারের বিপনী বিতানগুলোতে বেচাকেনা জমে উঠেছে। ক্রেতাদের ভিড়ে দোকানগুলো এখন সরগরম। ঈদ যতই এগিয়ে আসছে, ততই ভিড় বাড়ছে।

মহামারি করোনাভাইরাসকে তুচ্ছ মনে করে ক্রেতাদের পদচারণায় কাকডাকা ভোর থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত চলছে ধুমছে বেচাকেনা। তার ওপর কোন প্রকার সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার তোয়াক্কা করছে না ত্রেতারা। গাদাগাদি হুড়োহুড়ি করে তারা পছন্দের পণ্যটি কেনার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছে তারা। কিছু বিপনী বিতানে হ্যান্ডস্যানিটাইজার থাকলেও কাউকে ব্যবহার করতে দেখা যায়নি।

মনিরামপুর পৌরশহরের খান গার্মেন্টস, আল-আমীন বস্ত্রালয়, দোলা গার্মেন্টস, চঞ্চল গার্মেন্টস, রিবাত গার্মেন্টস, ভাই ভাই গার্মেন্টস, নিউ শাড়ি প্যালেস, জননী বস্ত্রালয়, শাহআলম বস্ত্রালয়, প্রিয়া গার্মেন্টস, রবি ফ্যাশন, এমএম কথ, শরিফ কথ স্টোরসহ বিভিন্ন বিপনী বিতানেও শনিবার ছিল উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে শিশু ও নারী ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে দোকানদারদের রীতিমত হিমশিম খেতে হয়।

তৈরি পোশাক,শাড়ি,লুঙ্গি,পাঞ্জাবী,জুতা, প্রসাধনীর পাশাপাশি নিত্যপণ্যের দোকানেও ছিল ভিড়।

গৃহবধূ রাশিদা খাতুন বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে একনাগাড়ে ঘরে বন্দি জীবন আর ভাল লাগে না। তাই সরকারের বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে সন্তানদের নিয়ে কেনাকাটা করতে এসেছি।

নাসরিন সুলতানা বলেন, এত নিয়মকানুন মেনে কেনাকাটা করা সম্ভব নয়।

খান গার্মেন্টস’র মালিক মহিউদ্দিন খান জানান, দোকানে হ্যান্ডস্যানিটাইজার থাকলেও ক্রেতারা তা ব্যবহার করতে অনীহা প্রকাশ করছে।এছাড়াও অনেক ক্রেতা মুখে মাস্ক ব্যবহার করছে না।

রবি ফ্যাশানের মালিক রবিউল ইসলাম বলেন, চেষ্টা করছি ক্রেতাদের শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে।

মনি ফ্যাশানের মালিক ইকবাল হোসেন বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের সক্রিয়তায় কোন ধনের অপ্রীতিকর ঘটনা এই পর্যন্ত ঘটেনি। জুতার দোকানের মধ্যে লিবার্টি,সম্রাট,প্রাইম,নাজ,বাটা, পাদুকাভবনে বেচাকেনা চোখে পড়ার মত। তবে অধিকাংশ দোকানে ক্রেতারা সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব মানছেন না।

তার ওপর পৌরশহরে যাত্রীবাহী ভ্যান, ইজিবাইক, পণ্যবাহী ও ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল বৃদ্ধির কারণে শনিবার সকাল থেকেই সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজটের।

ফলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান উল্লাহ শরিফীর নেতৃত্বে সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পৌরশহরে ঝটিকা অভিযানে নামেন। এসময় সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব না মানায় বেশ কয়েকজন দোকানিকে ভৎর্সনা করা হয়। তবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একটু দূরে সরে গেলে আবারও সেখানে ভিড় শুরু হয়।

এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (আহসান উল্লাহ শরিফী) জানিয়েছেন, সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে জনসচেতনতা বৃদ্ধি না পেলে করোনা মোকাবেলায় সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বাস্তবায়ন করা দুরহ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…