খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনা মহামারি ও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ দেশ ভারতে এবার ঢুকে পড়েছে পঙ্গপালের দল!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২০, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ
করোনা মহামারি ও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ দেশ ভারতে এবার ঢুকে পড়েছে পঙ্গপালের দল!

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। আন্তর্জাতিক ডেস্ক : করোনা মহামারীর মধ্যেই ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে লণ্ডভন্ড করে গেছে সুপার সাইক্লোন আম্ফান। ঘুর্ণিঝড়টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ক্ষত না শুকাতেই এবার ভারতের সামনে এখন নতুন বিপদ। প্রবেশ করেছে পঙ্গপালের দল!

উত্তরাঞ্চলে আড়াই থেকে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ একটি পঙ্গপালের ঝাঁক ঢুকে পড়ার পর নড়েচড়ে বসেছে সেখানকার প্রশাসন। মধ্যপ্রদেশে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ছে এই পতঙ্গের দল।

গত ২৭ বছরের মধ্যে সেই রাজ্যের বৃহত্তম পঙ্গপালের আক্রমণ হতে চলেছে এটি এবং বর্ষা না আসা পর্যন্ত এই সংকট বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

কয়েক হাজার কোটি টাকার ফসল নষ্টের মুখে! শস্য ও শাক-সবজি মুহূর্তের মধ্যেই ধ্বংস করে দিতে পারে এই পঙ্গপাল। সম্প্রতি ঝাঁসি জেলার ম্যাজিস্ট্রেট অন্দ্র ভামসি পঙ্গপালের ঝাঁক ধেয়ে আসা নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। রাসায়নিক স্প্রে নিয়ে দমকল বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে তিনি।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ৯ টার মধ্যে পঙ্গপালের দল বিশ্রামের জন্য যে কোনও জায়গায় থামতে পারে। কৃষকদের সতর্ক থাকতে এবং পতঙ্গদের চলাচল পর্যবেক্ষণ করতে বলেছেন কর্মকর্তারা।

জেলাশাসক অন্দ্র ভামসি বলেন, গ্রামের সাধারণ মানুষকে বলা হয়েছে পঙ্গপালের গতিবিধি সম্পর্কে কন্ট্রোল রুমে খবর দিতে। যেখানে সবুজ ঘাস ও সবুজ ফসলের আধিক্য, পঙ্গপাল সেখানেই যায়। তাদের গতিবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত জানলেই তা জানিয়ে দেয়া হবে।

দেশটির কৃষি বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর কমল কাটিয়ার জানিয়েছেন, ছোট আকারের পঙ্গপালের ঝাঁক এগিয়ে আসছে। তিনি বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েছি, দেশে ইতোমধ্যে ২ দশমিক ৫ থেকে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ পঙ্গপালের ঝাঁক প্রবেশ করেছে।

কমল কাটিয়ার আরও জানান, রাজস্থানের কোটা থেকে একটি দল আসছে পঙ্গপাল মোকাবিলায় সহায়তা করতে। এই মুহূর্তে পঙ্গপালের ঝাঁক অবস্থান করছে ঝাঁসির বাঙ্গরা মগরপুরে। রাতেই পঙ্গপালগুলির উপরে কীটনাশক স্প্রে করা হবে।

ঢোলের মাধ্যমে জোরালো শব্দ ব্যবহার করে, থালা-বাটি বাজিয়ে এবং চিৎকার চেঁচামেচি করে কীটপতঙ্গগুলিকে দূরে রাখতে বলা হয়েছে।এনডিটিভি।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…