খুঁজুন
রবিবার, ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আক্রান্ত ২ চিকিৎসককে বাঁচাতে প্লাজমা দিলেন করোনা জয়ী পুলিশ সদস্য/প্লাজমা দেবে করোনা জয়ী সাংবাদিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০, ১:০৩ অপরাহ্ণ
আক্রান্ত ২ চিকিৎসককে বাঁচাতে প্লাজমা দিলেন করোনা জয়ী পুলিশ সদস্য/প্লাজমা দেবে করোনা জয়ী সাংবাদিক

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রাণঘাতী করোনার কবল থেকে সদ্য মুক্ত হয়ে আক্রান্ত দুই চিকিৎসককে বাঁচাতে নিজের প্লাজমা দিলেন করোনা জয়ী পুলিশ সদস্য অরুন চাকমা।

অন্যদিকে করোনাকে জয় করে সম্প্রতি ঘরে ফেরা সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম শিল্পী আক্রান্তদের বাঁচাতে নিজের প্লাজমা দেবার ঘোষণা দিয়েছেন।

জানা যায়, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের ট্রাফিক (উত্তর) বিভাগে কর্মরত পুলিশ সদস্য অরুন চাকমা গত ৩ মে সুস্থ হয়ে কর্মস্থলে ফিরে আসেন। ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনও শেষ হয়েছে সম্প্রতি।

এরমধ্যেই বৃহস্পতিবার বিকেলে করোনা আক্রান্ত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. সমিরুল ইসলাম ও ডা. মোহিদকে করোনা মুক্ত করার লক্ষ্যে নিজের প্লাজমা দিয়ে আসেন।

প্লাজমা দেয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আবু বকর সিদ্দিক। তিনি বলেন, এর আগেও মানুষের সেবা করতে আক্রান্ত হয়েছিলেন সিএমপির এ পুলিশ কনস্টেবল। করোনা মুক্ত হওয়ার পরও তিনি আক্রান্তদের বাঁচাতে নিজের প্লাজমা দিয়ে পুলিশকেও গৌরবের অংশ করলেন।

সিএমপি সূত্রে জানা যায়, অরুণ চাকমার করোনা পজেটিভ আসলে গত ১৯ মার্চ রাতে তিনি নগরীর আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে ১৪দিন টানা ১৪ দিন চিকিৎসা শেষে গত ৩ মে হাসপাতাল কতৃপক্ষ তাঁকে ছাড়পত্র দেন।

করোনা জয় করে ফেরা সিএমপির প্রথম পুলিশ সদস্য অরুন চাকমা
করোনা জয় করে ফেরা সিএমপির প্রথম পুলিশ সদস্য অরুন চাকমা

এর আগে প্রথম দফায় করোনা পরীক্ষায় পজেটিভ রিপোর্ট আসার পর চিকিৎসাধীন থাকার সময় আরো দুই দফা পরীক্ষা করানো হয়। পরপর দুইদফা রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় চিকিৎসকরা তাকে ছাড়পত্র দেন। চিকিৎসা শেষে কর্মস্থলে ফিরেন চট্টগ্রাম মহানগর ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল অরুণ চাকমা। তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান।

সিএমপির প্রথম করোনা জয়ী অরুণ চাকমা গণমাধ্যমকে বলেন, করোনা যুদ্ধে আমরা পিছু হটতে চাই না। পুলিশ বাহিনীর একজন গর্বিত সদস্য হিসেবে আমি করোনা যুদ্ধে নিজেকে নিয়োজিত রাখতেই দুই চিকিৎসকের প্রাণ বাঁচাতে নিজের প্লাজমা দান করেছি।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে পোস্ট দিয়ে করোনা আক্রান্তদের নিজের প্লাজমা দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন চট্টগ্রামের প্রথম করোনা আক্রান্ত সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম শিল্পী।

তিনি করোনামুক্ত হয়ে গতকাল ২৮ মে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার সময় তার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক টাইমলাইনে প্লাজমা দেয়ার ঘোষণা দেন।করোনা মুক্ত সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম শিল্পী

তার ফেসবুকে তিনি শিরোনাম করেন, প্লাজমা (রক্ত) দিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীকে বাঁচাতে চাই…। পোস্টে তিনি লেখেন আমি একজন করোনা আক্রান্ত রোগী ছিলাম। পজেটিভ থেকে নেগেটিভ হয়েছি চিকিৎসার মাধ্যমে। হাসপাতাল থেকে এসে এখন বাসায় আইসোলেশনে আছি।

সুস্থ হয়ে উঠা করোনা রোগীর রক্ত নিয়ে (গ্রুপ মিল রেখে) অন্য আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরে দেয়ার মাধ্যমে প্লাজমা পদ্ধতিতে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে সুস্থ্য করো যায়। ইতোমধ্যে দেশে প্লাজমা পদ্ধতিতে করোনা রোগীদের সুস্থ করার চিকিৎসা শুরু হয়েছে।

চট্টগ্রামেও একজন চিকিৎসককে প্লাজমা থেরাপি দেয়া হয়েছে। আমার রক্তের গ্রুপ (O+)। ইতোমধ্যে কয়েকজন আমার সাথে রক্ত নেয়ার বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন। আমিও আমার রক্তের মাধ্যমে করোনা আক্রান্ত রোগীকে সুস্থ করতে চাই।

তবে এ বিষয়ে আমার তেমন ধারণা নেই। আমার ১৪ দিন আইসোলেশন শেষে চিকিৎসকদের পরামর্শে আমি রক্ত দিতে পারবো ইনশআল্লাহ।

সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম শিল্পী চট্টগ্রাম থেকে পরিচালিত অনলাইন পোর্টাল পাঠক ডট নিউজের সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক বার্তা ইউএনবির চট্টগ্রাম প্রতিবেদক।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব প্রিন্স

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।