খুঁজুন
শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জবির ভিসি লুটপাট করতে ‘যুবলীগের’ দায়িত্ব পেতে চান’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯, ১:২২ অপরাহ্ণ
জবির ভিসি লুটপাট করতে ‘যুবলীগের’ দায়িত্ব পেতে চান’

লুটপাট করতেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য (ভিসি) মীজানুর রহমান যুবলীগের দায়িত্ব পেতে চান বলে মন্তব্য করেছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

শনিবার(১৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে খালেদা জিয়া মুক্তি পরিষদ আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য এ মন্তব্য করেন। আয়োজক সংগঠনের সহসভাপতি তাজুল ইসলাম গাজীর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‘প্রতিহিংসার বিচারে বন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি’ শীর্ষক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আজকে পত্রিকায় দেখলাম, আরো দুর্ভাগ্যজনক। আমি আকাশ থেকে পড়েছি। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস চ্যান্সেলর বলতে পারেন, কোন একটি রাজনৈতিক দলের অঙ্গ সংগঠনের সভাপতি পদ যদি তাকে দেয় তাহলে উনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস চ্যান্সেলরের পদ ছেড়ে দিতে পারেন। চিন্তা করেন।

তিনি বলেন, আজকে পত্রিকায় দেখলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মীজানুর রহমান ঘোষণা করেছেন, যদি যুবলীগের দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয় তাহলে তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব ছেড়ে দিতে পারেন! ধিক, লজ্জা। সমাজ কোথায় গেয়েছে। যে ভাইস চ্যান্সেলর এই ধরণের যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাদের শাসন করবেন। তার চোখ রাঙ্গানীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রকম্পিত থাকবে- সে যুবলীগের দায়িত্ব পেতে চান! কি জন্য? কারণ যুবলীগের দায়িত্বে গেলে ক্যাসিনো চালানো যায়। যুবলীগের দায়িত্বে গেলে টেন্ডার…। চিন্তা করেন, একজন ভাইস চ্যান্সেলরের লক্ষ্য কি হয়ে গেছে। যদি যুবলীগের প্রেসিডেন্ট হতে পারে তাহলে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের ব্যবস্থা আছে। ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে হয়তো সেটা নাই।

দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে মন্তব্য করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, আজকে অনেকগুলো ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেছে। ব্যাংক থেকে যারা ঋণ নিচ্ছেন, তারা আর ঋণ ফেরত দিচ্ছেন না। এই ঋণ নিচ্ছেন আওয়ামী লীগের ব্যবসায়ী ও সমর্থক গোষ্ঠীরা। আর খেলাপি না দিয়ে সরকার তাদেরকে আরো সুযোগ করে দিয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলো আজকে খালি হয়ে গেছে।

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, দেশ পরিচালনার জন্য সরকারের কাছে যে রাজস্ব থাকা দরকার (গত ৫ বছরের তিনগুন ট্র্যাক্স বাড়ানোর পরও) তা তাদের কাছে নাই। এজন্য দেশ পরিচালনা করতে বেসরকারি ও আধাসরকারি খাতের টাকা সরকার নিয়ে যাচ্ছে। এরপরও যখন পারছে না তখন প্রধানমন্ত্রী বলছেন, মহাসড়কেও টোল বসানো হবে। তাই বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, তারা সরকার চালাতে পারছে না। কেনো পারছে না? কারণ কেউ কাউকে সহযোগিতা করছেন না।

Feb2

তপুর জোড়া গোলে সান মারিনোকে হারালো বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৮:০৩ পূর্বাহ্ণ
তপুর জোড়া গোলে সান মারিনোকে হারালো বাংলাদেশ

ইউরোপের মাটিতে ইউরোপেরই কোনো দলের বিপক্ষে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। ঐতিহাসিক এই ম্যাচে সান মারিনোকে হারিয়ে রূপকথার এক জয় তুলে নিয়েছে লাল-সবুজের দল।

স্তাদিও অলিম্পিকো সেরাভালে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ফিফা প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের সব আলো নিজের দিকে কেড়ে নিয়েছেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণ, যার জোড়া গোলের ওপর ভর করে মাঠ ছাড়ে থমাস ডুলির শিষ্যরা। সান মারিনোর হয়ে একমাত্র গোলটি শোধ করেন নিকোলাস জাকোপেত্তি।

এই ম্যাচ দিয়েই বাংলাদেশের প্রধান কোচ হিসেবে ডাগআউটে অভিষেক হলো জার্মান কোচ থমাস ডুলির। তিনি শুরুর একাদশে সমিত সোম, ফাহামেদুল ইসলাম ও জায়ান আহমেদদের বসিয়ে রাখলেও ম্যাচজুড়ে দারুণ কৌশল দেখিয়েছেন।

ম্যাচের ১৭তম মিনিটে প্রথম ভালো আক্রমণ শানায় বাংলাদেশ, তবে বক্সে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার শট আটকে যায় প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের বাধায়। এর ঠিক দুই মিনিট পর, অর্থাৎ ১৯তম মিনিটে ডান দিক থেকে মোরছালিনের চমৎকার ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে তপু বর্মণ হেডের সাহায্যে বাংলাদেশকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন।

তবে ৩১তম মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরায় সান মারিনো। ডান দিক দিয়ে বেরার্দি বক্সে ঢুকে তপুকে কাটিয়ে কাটব্যাক দিলে বাংলাদেশের তিনজন ডিফেন্ডার বক্সে থাকা সত্ত্বেও বল ক্লিয়ার করতে পারেননি। সেই সুযোগে নিখুঁত লক্ষ্যভেদে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান নিকোলাস জাকোপেত্তি। বিরতির ঠিক আগে ৩৮তম মিনিটে সাদ উদ্দিনের সামনে কেবল গোলকিপার থাকলেও তিনি পোস্টের ওপর দিয়ে বল উড়িয়ে মারলে প্রথমার্ধ ১-১ সমতায় শেষ হয়।

বিরতির পর জামাল ভূঁইয়া ও মোরছালিনকে তুলে নিয়ে কোচ ডুলি মাঠে নামান সমিত সোম ও জায়ান আহমেদকে। এছাড়া ইসা ফয়সালের পরিবর্তে মাঠে নামেন জায়ান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৮তম মিনিটে হামজার দারুণ পাস ধরে রফিকুল ক্রস বাড়ালেও গোলমুখের সামনে সোহেল রানা পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন। এরপর ৫৩ মিনিটে সাদের ক্রসে ফাহিম লাফিয়ে উঠে শট নিলেও তা গোলপোস্টে থাকেনি। ম্যাচের ৬১ মিনিটে সান মারিনোর কাপিচ্ছিয়োনির এক বিপজ্জনক ফ্রি-কিক কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিতুল।

এরপর বিশ্বনাথ ঘোষ ও ফাহিমেদুল ইসলাম মাঠে নামেন ফাহিম ও রফিকুলের জায়গায়। মাঠে নামার খানিক পরই বদলি ডিফেন্ডার বিশ্বনাথের সামনে প্রতিপক্ষের গোলকিপারকে একা পাওয়ার দারুণ সুযোগ এলেও তিনি শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের বিশেষ নিয়মে দুই দলের সম্মতিতে এদিন একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয় এবং ৭৬ মিনিটে সোহেল রানা সিনিয়রকে তুলে কাজেম শাহ কিরমানিকে মাঠে নামানো হয়।

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে, অর্থাৎ ৮৬তম মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। বক্সের একটু সামনে থেকে হামজার নেওয়া ফ্রি-কিক কেউ ক্লিয়ার করতে না পারলে বিশ্বনাথের সাইড ভলি থেকে দুর্দান্ত এক হেডে বল জালে জড়ান তপু বর্মণ। নিজের দ্বিতীয় গোলের পর জার্সি খুলে বুনো উল্লাসে ফেটে পড়েন এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার। গ্যালারিতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশী দর্শকেরা মেতে ওঠেন ঐতিহাসিক জয়ের আনন্দে। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের ব্যবধান ধরে রেখে এক স্মরণীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ ফুটবল দল।

শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আবারো আগুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আবারো আগুন

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আবারো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের লিডার শফিক। তিনি জানান, শাহজালাল বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটের সামনে কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, আমরা রাত ১১:২৪ মিনিটে খবর পাই। তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিসের চার ইউনিট মিলে ১১:৩৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে খালে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে খালে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চাক্তাই খাল চট্টগ্রামের দুঃখ হিসেবে পরিচিত। তাই এই ডাইভারশন খাল নিয়মিত খনন ও পরিষ্কার রাখতে হবে। যদি আমরা নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়ে যেতে পারি এবং সবাই মিলে এই খালে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করি, তাহলে এই এলাকা জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে। বর্ষা মৌসুমের আগেই চলমান ব্রিজের নির্মাণকাজ শেষ করে জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে হবে।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে নগরীর চকবাজার ডিসি রোডস্থ মিয়ার বাপের মসজিদ এলাকা সংলগ্ন চাক্তাই খাল ও চলমান ব্রিজের নির্মাণকাজ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন খালের বর্তমান অবস্থা এবং ব্রিজের কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন। তিনি স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন এবং তাদের কথা শোনেন। তিনি কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দেন।

মেয়র তাঁর বক্তব্যে বলেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জলাবদ্ধতামুক্ত গ্রিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। চাক্তাই খালের ওপর নির্মাণাধীন এই ব্রিজটি স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় উন্নয়ন কাজ হয়, তাই কাজে কোনো ধরনের ধীরগতি বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না। আমি নিজে নিয়মিত মাঠে থেকে উন্নয়ন কাজগুলো তদারকি করছি।

মেয়র এ সময় বিশেষভাবে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণসচেতনতা ছাড়া এই শহরকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব নয়। বাজারের লোকজন যেন ফুটপাথ ও খালপাড়ে পসরা সাজিয়ে না বসেন তা নিশ্চিত করতে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। পুনর্বাসনের পরও যারা খালের পাশে এসে বসে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা শুধু অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। আমরা চাই নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হোক, এই নগরী আমাদের সবার, তাই পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও সবার।

পরিদর্শনকালে মেয়রের সাথে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হারুন জামান ও ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. মহসিন, আনোয়ার হোসেন লিপু, পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মাদ সেকান্দর, ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক হাজী মোহাম্মদ এমরান উদ্দিন, সদস্য সচিব মহিউদ্দিন মিজান, বিএনপি নেতা আবদুর রহিম, ফরিদুল হক লিটন, মো. আইয়ুব, মো. শহীদ, মো. খোকন ও মো. সেলিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং চসিকের প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ।