খুঁজুন
শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাবুয়ায় জিকিরে মোস্তফা (দঃ) মাহফিল অনুষ্টিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
ডাবুয়ায় জিকিরে মোস্তফা (দঃ) মাহফিল অনুষ্টিত

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ডাবুয়া ৪নং ইউনিট শাখার ব্যবস্থাপনায় ও এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) উদযাপন, বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী (কঃ) ও আওলাদে রাসুল (দঃ) হাফেজ ক্বারী আল্লামা তৈয়্যব শাহ (রহঃ)’র ওরস মোবারক উপলক্ষে ৩য় তম ‘আজিমুশশান জিকিরে মোস্তফা (দঃ) মাহফিল অনুষ্টিত হয়েছে।

শুক্রবার রাতে স্থানীয় বটতল টিলা ময়দানে আয়োজিত মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন ইহরাম হজ্ব কাফেলার পরিচালক ও শানে মাইজভান্ডারী ওলামা পরিষদের মহাসচিব আলহাজ্ব আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খান আল আযহারী (মাঃজিঃআ)।

শায়ের মাওলানা ওসমান গণী ক্বাদেরী ও রায়হান আকবরের যৌথ সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রাউজান পৌরসভার ২য় প্যানেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ। মাহফিল উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক, তরুণ রাজনীতিক আলহাজ্ব সাইফুদ্দীন চৌধুরী সাবু।

প্রধান বক্তা ছিলেন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম উত্তরজেলার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব আহসান হাবীব চৌধুরী হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট রাউজান উপজেলা উত্তরের সভাপতি হাফেজ আল্লামা জয়নাল আবেদিন জামাল, বাঃইঃ ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম উত্তরজেলার সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা কে. এম আজাদ রানা, বাঃইঃ ফ্রন্ট হলদিয়ার সভাপতি ও আল নূর-এ-হারামাইন হজ্ব কাফেলার পরিচালক আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, রাউজান প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাওলানা এম বেলাল উদ্দিন, দক্ষিণ হিংগলা তৈয়বীয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি মুহাম্মদ মোরশেদ আলম, খোশাল তালুকদার বাড়ি ঐক্য পরিষদের সভাপতি জসিম উদ্দিন তালুকদার।

আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বাঃইঃ যুবসেনা রাউজান উপজেলা উত্তরের সভাপতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম রেজভী, দি প্যানিনসুলা চিটাগাং (ইন্টারনাল অডিট) ম্যানেজার যুবনেতা নুরুল হায়দার, গাউছিয়া কমিটি হযরত ইয়াকুব শাহ ইউনিটের সভাপতি শাহ আলম বাদশা মেম্বার, ডাবুয়া ইউনিয়ন ছাত্রসেনার সভাপতি মাওলানা তাজ মোহাম্মদ রেজভী, বাঃইঃ যুবসেনা রাউজান উপজেলা উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ রায়হান, ব্যবসায়ী মঈনুউদ্দিন, গাউছিয়া কমিটি গহিরা ইউনিয়নের যুগ্ন সম্পাদক গাজী মাসুদ রানা, ছাত্রসেনা রাউজান উপজেলা সভাপতি নিজাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী, পৌরসভা সাংগঠনিক সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, দক্ষিণ হিংগলা তৈয়বীয়া স্মৃতি সংসদের সেক্রেটারি মাকসুদুল আলম সুমন, ডাবুয়া ইউনিয়ন ছাত্রসেনার সাবেক সহসভাপতি ঈসমাইল হোসেন সুমন, হলদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রসেনা সভাপতি মুছা মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, যুগ্মসম্পাদক ইমতিয়াজ আকবর, দরগাহ বাজার শাখার জিয়া ফারহান, চিকদাইর ইউনিয়নের হোসাইন নূরী, ডাবুয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি সাবের হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আছাদ হোসেন, পৌরসভা ছাত্রলীগের সেক্রেটারি আসিফ, ডাবুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, ডাবুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য মোরশেদুল হক চৌধুরী, ইউপি সদস্য আজাদ হোসেন, রাউজান উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোরশেদ আলম জমির, ডাবুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল হক।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ সেকান্দর হোসেন, মোহাম্মদ রাশেদ, রবিউল হাসান সাব্বির, শাহেদুল আলম, নজরুল ইসলাম, শাহারাজ হোসেন মনির, মোহাম্মদ আরিফ, মোহাম্মদ ইমন, সাইফুদ্দীন, জাহেদুল আলম, মিনহাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ সোহেল, আসিফ, মোহাম্মদ সাজেদুল, আরমান, আজিম, সজিব, আরমান শাহা, নুরুদ্দিন, জয়নাল, আমজাদ হোসেন, এসকান্দর প্রমুখ।

মাগরিবের পর থেকে শুরু হওয়া বিশাল পরিসরে সূশৃঙ্খল পরিবেশে শত শত সংগীত প্রেমী ইসলামী ভাইদের উপস্থিতিতে আল হাসসান ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের সাবেক যুগ্মমহাসচিব আন্তর্জাতিক ক্বারী আলহাজ্ব মাওলানা তারেক আবেদিন, রজভীয়া নুরীয়া সাংস্কৃতিক ফোরামের চেয়ারম্যান মাওলানা মাছুম-উর রশিদ ক্বাদেরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সালামত রেজা ক্বাদেরী, ইমামে আজম আবু হানিফা ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের মাওলানা শাহ আলম ক্বাদেরী, মাওলানা মিনহাজ উদ্দিন ভান্ডারী, আরিফুল ইসলাম ও শিশু শিল্পী আহসান হাবীব নাত পরিবেশন করেন। মনোমুগ্ধকর ইসলামী নাত পরিবেশন শেষে মিলাদ কিয়াম পরিবেশন করেন শায়ের তারেক আবেদীন ক্বাদেরী। পশ্চিম ডাবুয়া আমির চৌধুরী জামে মসজিদের খতিব ও রাউজান প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক এম. বেলাল উদ্দিন মাইজভান্ডারীর মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয় মাহফিল। পরে তাবরুক বিতরণ করা হয়।

Feb2

শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আবারো আগুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আবারো আগুন

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আবারো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের লিডার শফিক। তিনি জানান, শাহজালাল বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটের সামনে কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, আমরা রাত ১১:২৪ মিনিটে খবর পাই। তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিসের চার ইউনিট মিলে ১১:৩৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে খালে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে খালে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চাক্তাই খাল চট্টগ্রামের দুঃখ হিসেবে পরিচিত। তাই এই ডাইভারশন খাল নিয়মিত খনন ও পরিষ্কার রাখতে হবে। যদি আমরা নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়ে যেতে পারি এবং সবাই মিলে এই খালে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করি, তাহলে এই এলাকা জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে। বর্ষা মৌসুমের আগেই চলমান ব্রিজের নির্মাণকাজ শেষ করে জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে হবে।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে নগরীর চকবাজার ডিসি রোডস্থ মিয়ার বাপের মসজিদ এলাকা সংলগ্ন চাক্তাই খাল ও চলমান ব্রিজের নির্মাণকাজ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন খালের বর্তমান অবস্থা এবং ব্রিজের কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন। তিনি স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন এবং তাদের কথা শোনেন। তিনি কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দেন।

মেয়র তাঁর বক্তব্যে বলেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জলাবদ্ধতামুক্ত গ্রিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। চাক্তাই খালের ওপর নির্মাণাধীন এই ব্রিজটি স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় উন্নয়ন কাজ হয়, তাই কাজে কোনো ধরনের ধীরগতি বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না। আমি নিজে নিয়মিত মাঠে থেকে উন্নয়ন কাজগুলো তদারকি করছি।

মেয়র এ সময় বিশেষভাবে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণসচেতনতা ছাড়া এই শহরকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব নয়। বাজারের লোকজন যেন ফুটপাথ ও খালপাড়ে পসরা সাজিয়ে না বসেন তা নিশ্চিত করতে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। পুনর্বাসনের পরও যারা খালের পাশে এসে বসে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা শুধু অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। আমরা চাই নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হোক, এই নগরী আমাদের সবার, তাই পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও সবার।

পরিদর্শনকালে মেয়রের সাথে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হারুন জামান ও ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. মহসিন, আনোয়ার হোসেন লিপু, পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মাদ সেকান্দর, ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক হাজী মোহাম্মদ এমরান উদ্দিন, সদস্য সচিব মহিউদ্দিন মিজান, বিএনপি নেতা আবদুর রহিম, ফরিদুল হক লিটন, মো. আইয়ুব, মো. শহীদ, মো. খোকন ও মো. সেলিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং চসিকের প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ।

সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় কোন হস্তক্ষেপ করবে না সরকার। বিএনপি যখনই রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে তখনই সাংবাদিকদের পাশে থাকে।

শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মতো সাংবাদিক বান্ধব নানা কর্মসূচি সরকার হাতে নিচ্ছে। তারা যেমন সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়ন করে গেছেন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারও তাই করছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের মতো কোন হস্তক্ষেপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন বিএনপি সরকার অতীতেও করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশে নানা হস্তক্ষেপ করতো সরকার। তারা নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধা দিতো। তাছাড়াও তৈলমর্দন করাকে তারা স্বীকৃতি দিয়েছিল। আমরা কিন্তু তা করছি না। সেরকম কিছু করার ইচ্ছে কিংবা মানসিকতাও নেই। এখন পর্যন্ত আমরা কোন সংবাদ প্রকাশে চাপ প্রয়োগ করেছি বলে কেউ বলতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গণমাধ্যম তার নিজ গতিতে চলবে।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করবে। তবে অপতথ্য ও অসত্য তথ্য যেন খবরে না আসে। এজন্য আমরা আহ্বান জানাব সাংবাদিকরা যেন বিষয়গুলো খেয়াল রাখেন। বর্তমানে এআই বিশ্বব্যাপী এমন একটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে আমাদের নিয়ে গেছে। যে কাউকে অপদস্ত করা যাচ্ছে। নানাভাবে ছবি ও ভিডিও বানিয়ে ভুল তথ্য উপস্থাপন সহজ হয়ে গেছে। তবে এআই’র পজিটিভ দিকও রয়েছে। তাই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিকদের উপর মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাদেশের মতো চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের অধিকারগুলো নিয়ে আমরা কাজ করব। তবে অতীতে যেসব আবাসন বিএনপি সরকার দিয়েছিল সেগুলো ধরে রাখা গেছে কিনা সেটি আমাদের ভাবতে হবে। সম্পাদক পরিষদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের বকেয়া পরিশোধের দাবি জানিয়েছে, যেগুলো আগের সরকার দেয়নি। সেই দাবি অনুসারে আমি তাদের বকেয়া পরিশোধে উদ্যোগ নিয়েছি। তবে সাথে সাথে তাদের কাছে একটা দাবি জানিয়েছি যেন আমাদের সাংবাদিকদের ভাইদেরও কোনো বেতন বকেয়া না থাকে। তারা যেন প্রতিমাসে সঠিক সময়ে বেতনটা পায়। কারণ অনেকে আমার কাছে প্রায় আসে তাদের বেতন বকেয়া রয়েছে এমন অভিযোগ নিয়ে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, সরকার বিভিন্ন পর্যায়ের যৌক্তিক সমালোচনাকে গ্রহণ করছে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। দেশ পরিচালনা করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সেইসাথে যৌক্তিক সমালোচনাও প্রয়োজন। কেননা তা হলেই আমরা আমাদের ভুলগুলো বুঝতে পারব।

তিনি আরও বলেন, যারা প্রকৃত অর্থে সাংবাদিক, দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পৌঁছে দিতে জীবন, যৌবন, অধ্যবসায় পার করেছে, তারা সবাই যেন একটি বৃহৎ সাংবাদিক গোষ্ঠীর সাথে কাজ করতে পারে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক, ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের সদস্য ওসমান গনি মনসুর, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. আবু নাসের, কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান মুস্তাফা নঈম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ, চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তারেক আহমদ, সিএমইউজের সদস্য আমিনুল ইসলাম, বাসসের সিনিয়র রিপোর্টার মিয়া মো. আরিফ এবং দৈনিক আমার দেশের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান সোহাগ কুমার বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, প্রবীণ সাংবাদিক, পেশাজীবী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। শুরুতে সংগঠনের সদস্য মো. হোসেন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা আবাসন সংকট, বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান এবং ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন পেশাগত সমস্যা তুলে ধরেন। তারা এসব বিষয়ে সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বিশেষ করে গণমাধ্যম খাতের আর্থিক সংকটের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের সামাজিক নিরাপত্তা ও পেশাগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ভবনের দ্বিতীয় তলায় ফিতা কেটে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের নতুন কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।