খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাবুয়ায় জিকিরে মোস্তফা (দঃ) মাহফিল অনুষ্টিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
ডাবুয়ায় জিকিরে মোস্তফা (দঃ) মাহফিল অনুষ্টিত

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ডাবুয়া ৪নং ইউনিট শাখার ব্যবস্থাপনায় ও এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) উদযাপন, বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী (কঃ) ও আওলাদে রাসুল (দঃ) হাফেজ ক্বারী আল্লামা তৈয়্যব শাহ (রহঃ)’র ওরস মোবারক উপলক্ষে ৩য় তম ‘আজিমুশশান জিকিরে মোস্তফা (দঃ) মাহফিল অনুষ্টিত হয়েছে।

শুক্রবার রাতে স্থানীয় বটতল টিলা ময়দানে আয়োজিত মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন ইহরাম হজ্ব কাফেলার পরিচালক ও শানে মাইজভান্ডারী ওলামা পরিষদের মহাসচিব আলহাজ্ব আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খান আল আযহারী (মাঃজিঃআ)।

শায়ের মাওলানা ওসমান গণী ক্বাদেরী ও রায়হান আকবরের যৌথ সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রাউজান পৌরসভার ২য় প্যানেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ। মাহফিল উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক, তরুণ রাজনীতিক আলহাজ্ব সাইফুদ্দীন চৌধুরী সাবু।

প্রধান বক্তা ছিলেন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম উত্তরজেলার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব আহসান হাবীব চৌধুরী হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট রাউজান উপজেলা উত্তরের সভাপতি হাফেজ আল্লামা জয়নাল আবেদিন জামাল, বাঃইঃ ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম উত্তরজেলার সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা কে. এম আজাদ রানা, বাঃইঃ ফ্রন্ট হলদিয়ার সভাপতি ও আল নূর-এ-হারামাইন হজ্ব কাফেলার পরিচালক আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, রাউজান প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাওলানা এম বেলাল উদ্দিন, দক্ষিণ হিংগলা তৈয়বীয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি মুহাম্মদ মোরশেদ আলম, খোশাল তালুকদার বাড়ি ঐক্য পরিষদের সভাপতি জসিম উদ্দিন তালুকদার।

আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বাঃইঃ যুবসেনা রাউজান উপজেলা উত্তরের সভাপতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম রেজভী, দি প্যানিনসুলা চিটাগাং (ইন্টারনাল অডিট) ম্যানেজার যুবনেতা নুরুল হায়দার, গাউছিয়া কমিটি হযরত ইয়াকুব শাহ ইউনিটের সভাপতি শাহ আলম বাদশা মেম্বার, ডাবুয়া ইউনিয়ন ছাত্রসেনার সভাপতি মাওলানা তাজ মোহাম্মদ রেজভী, বাঃইঃ যুবসেনা রাউজান উপজেলা উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ রায়হান, ব্যবসায়ী মঈনুউদ্দিন, গাউছিয়া কমিটি গহিরা ইউনিয়নের যুগ্ন সম্পাদক গাজী মাসুদ রানা, ছাত্রসেনা রাউজান উপজেলা সভাপতি নিজাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী, পৌরসভা সাংগঠনিক সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, দক্ষিণ হিংগলা তৈয়বীয়া স্মৃতি সংসদের সেক্রেটারি মাকসুদুল আলম সুমন, ডাবুয়া ইউনিয়ন ছাত্রসেনার সাবেক সহসভাপতি ঈসমাইল হোসেন সুমন, হলদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রসেনা সভাপতি মুছা মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, যুগ্মসম্পাদক ইমতিয়াজ আকবর, দরগাহ বাজার শাখার জিয়া ফারহান, চিকদাইর ইউনিয়নের হোসাইন নূরী, ডাবুয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি সাবের হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আছাদ হোসেন, পৌরসভা ছাত্রলীগের সেক্রেটারি আসিফ, ডাবুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, ডাবুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সদস্য মোরশেদুল হক চৌধুরী, ইউপি সদস্য আজাদ হোসেন, রাউজান উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোরশেদ আলম জমির, ডাবুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল হক।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ সেকান্দর হোসেন, মোহাম্মদ রাশেদ, রবিউল হাসান সাব্বির, শাহেদুল আলম, নজরুল ইসলাম, শাহারাজ হোসেন মনির, মোহাম্মদ আরিফ, মোহাম্মদ ইমন, সাইফুদ্দীন, জাহেদুল আলম, মিনহাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ সোহেল, আসিফ, মোহাম্মদ সাজেদুল, আরমান, আজিম, সজিব, আরমান শাহা, নুরুদ্দিন, জয়নাল, আমজাদ হোসেন, এসকান্দর প্রমুখ।

মাগরিবের পর থেকে শুরু হওয়া বিশাল পরিসরে সূশৃঙ্খল পরিবেশে শত শত সংগীত প্রেমী ইসলামী ভাইদের উপস্থিতিতে আল হাসসান ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের সাবেক যুগ্মমহাসচিব আন্তর্জাতিক ক্বারী আলহাজ্ব মাওলানা তারেক আবেদিন, রজভীয়া নুরীয়া সাংস্কৃতিক ফোরামের চেয়ারম্যান মাওলানা মাছুম-উর রশিদ ক্বাদেরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সালামত রেজা ক্বাদেরী, ইমামে আজম আবু হানিফা ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের মাওলানা শাহ আলম ক্বাদেরী, মাওলানা মিনহাজ উদ্দিন ভান্ডারী, আরিফুল ইসলাম ও শিশু শিল্পী আহসান হাবীব নাত পরিবেশন করেন। মনোমুগ্ধকর ইসলামী নাত পরিবেশন শেষে মিলাদ কিয়াম পরিবেশন করেন শায়ের তারেক আবেদীন ক্বাদেরী। পশ্চিম ডাবুয়া আমির চৌধুরী জামে মসজিদের খতিব ও রাউজান প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক এম. বেলাল উদ্দিন মাইজভান্ডারীর মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয় মাহফিল। পরে তাবরুক বিতরণ করা হয়।

Feb2

সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাত

টেন্ডার নিয়ে বিরোধের জেরে ২০ হাজার টাকায় সন্ত্রাসী ভাড়া করে রাজধানীর মহাখালী জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালক ড. আহমদ হোসেনকে ছুরিকাঘাত করেছে বলে জানায় র‍্যাব।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানী কাওরানবাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

তিনি বলেন, মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক ড. আহমদ হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় ৫ ভাড়াটে সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলায় তার হাত ও পিঠে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব জানায়, ঘটনার পরপরই গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। র‍্যাব-১ ও সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। তারই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে দক্ষিণখান থেকে শরিফুল আলম করিম, বাড্ডা থেকে আমিনুল ইসলাম কালু, সাজ্জাদ বদি, সালাউদ্দিনকে এবং আরিফুজ্জামানকে গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের একটি টেন্ডারকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ওই দ্বন্দ্ব থেকেই ২০ হাজার টাকায় ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়োগ দিয়ে এই হামলা চালানো হয়। এতে কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলেও জানায় র‍্যাব।

সংবাদ সম্মেলনে ইন্তেখাব চৌধুরী আরও বলেন, টেন্ডারকে ঘিরে বিরোধে জড়িত দুটি গ্রুপের মধ্যে একটি ‘রুবেলের ইএমই ট্রেডার্স’ এবং অন্যটি ‘মোনায়েম গ্রুপ’। এর মধ্যে রুবেল মালয়েশিয়ায় অবস্থান করে এই হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। তার পক্ষে দেশে থাকা শরীফুল আলম করিমসহ অন্যরা কাজটি সম্পন্ন করেন।

র‍্যাব কর্মকর্তারা বলছে, মাত্র ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের দিয়ে এই হামলা চালানো হয়। হামলার ধরণ দেখে মনে হয় এটি হত্যার উদ্দেশ্যে নয়, বরং ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়, যা তদন্তে সহায়ক হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পেছনে থাকা মূল পরিকল্পনাকারী রুবেল বিদেশে অবস্থান করছে। তবে তিনি এই টেন্ডার কমিটিতে ছিলেন কিনা সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি র‍্যাব।

ডাকাতি নয়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে নওগাঁয় চার খুন : পুলিশ সুপার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
ডাকাতি নয়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে নওগাঁয় চার খুন : পুলিশ সুপার

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ড ডাকাতি নয়, জমিজমা সংক্রান্ত জেরে হয়েছে বলে জানিয়েছেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিলি) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

এদিকে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা ও হালিমা এবং ভাগনে সবুজ রানা (২৫)।

পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিকভাবে এ হত্যাকাণ্ড কোনো ডাকাতি বা দস্যুতা ওই রকম ঘটনা মনে হচ্ছে না। ঘটনাটি পরিবার সংক্রান্ত বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হতে পারে। যে গৃহবধূ মারা গেছে তার কানে এখনো গহনা (দুল) রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে। দ্রুতই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে।

এর আগে সোমবার (২০ এপ্রিল) মধ্যরাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), তার স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং তিন বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির ভেতরেই পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ফজরের নামাজের পর দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ভেতরে ঢুকলে তাদের মরদেহ দেখতে পান। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুর রহমানের বোন শিরিনার সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। এ নিয়ে আগেও তাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন অভিযোগ করেন, তার মেয়ের ননদ শিরিনা ও তার ছেলে সবুজ রানা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এর আগেও তারা তার মেয়ে ও জামাইকে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

চসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
চসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালীর নাম চূড়ান্ত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগর জামায়াতের শূরা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে নগর শাখার সদস্যদের মতামত বিবেচনায় এনে তাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

নগর আমির নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, গতকাল নগরের দায়িত্বশীলদের সভা ছিল। সেখানে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান চট্টগ্রামের মেয়র প্রার্থী হিসেবে শামসুজ্জামান হেলালীর নাম ঘোষণা করেন। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি দলের পক্ষে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কাউন্সিলর পদের প্রার্থীর জন্য মহানগর কমিটি কাজ করছে। সেটি পরে ঘোষণা করা হবে।

শামসুজ্জামান হেলালী এর আগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শুলকবহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ আসন থেকেও জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের কাছে তিনি পরাজিত হন।