খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রেমিকার বিয়ের খবরে যুবকের আত্মহত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২০, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
প্রেমিকার বিয়ের খবরে যুবকের আত্মহত্যা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : দীর্ঘদিনের প্রেমের ইতি টেনে বিয়েরর পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছে প্রেমিকা। প্রেমিকার বিয়ের খবর কথা জানতে পেরে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মো. ফারুক হোসেন (২৫) নামে এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

বুধবার (২৪ জুন) ভোর রাতের দিকে জেলার মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের চক্রপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. ফারুক হোসেন মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের চক্রপাড়া এলাকার মো. আবুল কাশেমের ছেলে।

মৃত্যুর কয়েকদিন আগে (২০ জুন) নিজের ফেসবুক একাউন্টে এক স্টাটাসে উল্লেখ করে ‘ডিপ্রেশন শব্দের অর্থ তারাই বুঝে ! যারা প্রতিনিয়ত নিজের ভেতরে নিজেকে দাফন করে ! ডিপ্রেশনে থাকা মানুষ গুলো ! সবার মতোই স্বাভাবিক জীবন যাপন করে ! তাদের দেখে কেউ বুঝবেনা, কতো কষ্ট লুকিয়ে তারা অভিনয় করে যাচ্ছে ! তারা মুখ ফুটে কখনোই বলবেনা, আমি ভালো নেই ! মিথ্যা অভিনয় দিয়ে তারা সবাইকে খুশি রাখে ! এভাবেই হয়তো তাদের দিন কেটে যায় ! কিন্তু রাত হলেই তাদের ডিপ্রেশন বাড়তে থাকে ! একাকিত্বের কষ্ট তাদের মস্তিষ্ককে গ্রাস করে ! তাদের ভেতরে আটকে থাকা কষ্ট গুলো, অশ্রু হয়ে গড়িয়ে পড়ে ! আত্মহত্যা মহাপাপ ভেবেই হয়তো, তারা নিজেদের মোড়াতে পারে না, দাফনের কাফনে !’

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বাবাকে ব্যাবসায় সহযোগিতা করে আসছিল মো. ফারুক হোসেন। তারই সুত্র ধরে চক্রপাড়ায় বাড়ির পাশে বাবার দোকানেই রাতযাপন করতো সে।

প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতেও খাওয়া দাওয়া শেষে দোকানে ঘুমাতে আসে ফারুক হোসেন। রাতের কোন এক সময় দোকানের আঁড়ার সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। বুধবার (২৪ জুন) সকালের দিকে দোকান না খুললে অনেক ডাকাডাকির পরে দরজা ভেঙে দোকানের আড়ার সাথে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায় বাবা মো. আবুল কাশেমসহ প্রতিবেসীরা। পরে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাটিরাঙা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সামছুদ্দিন ভুইয়া বলেন, প্রেমে ব্যার্থ হয়েই যুবক আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। মৃত্যুর আগে দেয়া ফেসবুক স্টাটাস তদন্ত করে দেখা হবে। লাশ উদ্ধার শেষে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/প্রদীপ

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…