খুঁজুন
, ,

দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন বাঁচিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে: চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 24 June, 2020, 8:58 pm
দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন বাঁচিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে: চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়িত কার্যক্রম নগর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মানুষের উন্নয়নে কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, ইউএনডিপি ও ইউকে এইডের সহায়তাপুষ্ট নগরীর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প সব সময়েই নগরের ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের পাশে থেকে কাজ করছে এবং করবে।

তিনি ধৈর্যশীলতার সহিত কোভিড-১৯ দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য এবং প্রত্যেককে মাস্ক পরিধান করে ও সঠিক দুরত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন যে, এই প্রকল্পের আওতায় খুব শীঘ্রই আরো দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ন মানুষকে জরুরি খাদ্য সহায়তার জন্য নগদ অর্থ সহায়তা দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

মেয়র বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি মানুষের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিপর্যস্থ করে চলেছে। বাধ্যতামূলক ছুটির কারণে অর্থনীতির গতি নিম্নমুখী। স্বল্প আয়ের এবং শ্রমঘন প্রতিষ্ঠানে চাকরির সঙ্গে যুক্তরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগস্থ। এসব চাকরির বড় অংশই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রয়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে যুক্ত। বলা যায়, এ সব খাতের কর্মজীবী ও উদ্যোক্তা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত। অর্থনীতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলে তাদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বর্ধিত বেকারত্ব ও মৌলিক প্রয়োজন যথাযথ মেটাতে না পারার কারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠীতে নতুন একটি ধারা যুক্ত করবে, যাদের ‘নব্য দরিদ্র’ হিসেবে অভিহিত করা যায়। কোভিড-১৯ সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার কারণে উপার্জন হারিয়ে তারা দারিদ্র সীমার নিচে চলে এসেছে। তাই সরকারের নীতিনির্ধারকরা আর্থিক প্রণোদনা ও খাদ্য সহায়তার সমন্বয়ে একটি প্যাকেজ ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে। কর্মসংস্থানবিহীন পুনরুদ্ধার গত এক দশকে অর্জিত আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিকে চরম ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে কর্মহারানো পরিবারের ছেলে-মেয়েদের লেখ-পড়ার খরচ চালানো বড়ই কষ্টকর। এমনকি ঝরে পড়তে পারে অনেক শিক্ষার্থী। তাই কোভিড-১৯ দূর্যোগকালীন সময়ে ইউএনডিপি ইউকে-এইড এর সহায়তায় প্রান্তিক জনগোষ্টি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন বাঁচিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

আজ বুধবার দুপুরে চসিক সম্মেলন কক্ষে ইউএনডিপি ইউকে-এইড এর সহায়তায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রান্তিক জনগোষ্টি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এসব কথা বলেন।

আজ প্রদত্ত প্রতিজনকে ৩ হাজার ৩ শত ৩৭ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ২০২০ সালের দ্বিতীয় দফা অনুদান হিসেবে ৮২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৩০০ টাকা ১ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত যাদের মধ্যে ৮৬৮ জন ছেলে এবং ২৫৩৬ জন মেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ অনুদান বিতরণ করা হয়। এই অর্থ সহায়তা উপকারভোগীদের মোবাইল একাউন্টে পৌঁছে যাবে।

অনুষ্ঠানে কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার মো. সারোয়ার হোসেন খান, সোসিও ইকোনমিক ও নিউট্রিশন এক্সপার্ট মোহাম্মদ হানিফ, টাউন ফেডারেশন এর চেয়ারপার্সন কোহিনুর আক্তারসহ এলআইইউপিসি প্রকল্পের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, প্রান্তিকজনগোষ্টির জীবন মান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ইতোমধ্যে ৮৪ হাজার পরিবারের মাঝে ৫ টি করে প্রায় ৪ লক্ষ ২৩ হাজার সাবান, ৩৬৪ সিডিসিতে ৩৮৪টি হাত ধোয়ার পয়েন্ট স্থাপন, কয়েকটি এতিমখানায় হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে দেয়া হয়েছে ৪৫ হাজার সাবান। এছাড়াও গর্ভবতী মায়েদের জন্য ১ হাজার দিনের জরুরী পুষ্টি খাদ্য সহায়তায় ১ হাজার ৬শ ৭৪ জন গর্ভবর্তী মাকে মাসিক জরুরী খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

কোভিড-১৯ মোকাবেলায় স্বেচ্ছাসেবক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
লকডাউন চলাকালীন সময়ে স্বেচ্ছাসেবীরা হলেন অবরুদ্ধ মানুষের কাছের স্বজ্জন-মেয়র
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় অঞ্চলভিত্তিক লকডাউন চলাকালীন সময়ে প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবীরা হলেন অবরুদ্ধ মানুষের কাছের স্বজ্জন ও ভালো বন্ধু। এ জন্য তাদের জানতে হবে, শিখতে হবে কীভাবে মানুষের মন জয় করে তাদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং আরোপিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন না করে করোনা সংক্রমণ মুক্ত থাকা যায়। মনে রাখতে হবে পরিস্থিতি অনুযায়ী আচরণ ও অভ্যাসগত নেতিবাচক প্রবণতা পরিহার এবং প্রচলিত বেপরোয়া জীবনাচারের পরিবর্তন না হলে কাঙ্খিত মুক্তি সুদূর পরাহত এই বার্তাটি স্বেচ্ছাসেবকদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। তবে লকডাউন কোথায় কিভাবে-কখন হবে এবং সংক্রমেণের হার প্রবণ এলাকা সু-নির্দ্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে শুধু সেখানে তা প্রয়োগ করার বিষয়টি মাথায় রাখতে হচ্ছে।

তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের চলমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলাই পজেটিভ ক্যাম্পেইন পাওয়ার হিসেবে অবিহিত করে বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে সারা বিশ্বের কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না। আমাদেরও ছিল না। তাই পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে সে সম্পর্কে ধারানাও ছিল না। শুরুতেই কোন কোন ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত ও সমন্বয়হীনতা ছিল। এসব নিয়ে সমালোচনা থাকতে পারে, তবে পরামর্শও থাকতে হবে। তাই কখন-কোথায়-কী ভুল হয়েছে, কেন হয়েছে সে কথা বার বার না লিখে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়া যায়, কী করা যায় সেই পরামর্শ ও পথ বাতলে দিলে আমরা অবশ্যই গ্রহণ করবো।

আজ বুধবার দুপুরে নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আইইডিসিআর ও সিভিল সার্জন চট্টগ্রাম এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রস্তাবিত রেডজোন ৪,৮,২০,২১ ও ২২ নং ওয়ার্ড এলাকার ২৫০জন স্বেচ্ছাসেবকদের কোভিড-১৯ কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং সংক্রান্ত ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, রেডজোন চিহ্নিত এলাকায় লকডাউন কার্যকর করণে প্রশিক্ষিত ও সুশৃংখল স্বেচ্ছাসেবকরাই অবদান রাখতে পারে। এ পরিস্থিতি প্রত্যেকের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই নিজের সুরক্ষা নিজেরই হাতে। এই বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলেও তাকে অনেকেই আমলে আনছেন না। এই উদাসিনতাও একটি মারাত্মক ব্যাধি। তিনি একাজটি করতে গিয়ে স্ব্চ্ছোসেবকদের স্বাস্থ্য রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাদেরকে সংক্রমণ প্রবণ এলাকায় আক্রান্ত ব্যক্তি ও পরিবারের কাছে শারীরিকভাবে সরাসরি যেতে হবে না। এক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হবে।

কর্মশালায় কাউন্সিলর সলিম উল্লাহ বাচ্চু, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আসিফ, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, কর্মশালার আইইডিসিআর এর প্রশিক্ষক ডা. মোহাম্মদ ওমর কাইয়ুম, ডা: তৌহিদুল আনোয়ার খান, ডা. তাহমিনা করীম, ডা, হায়দার, ডা.নাবিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সিটি মেয়রের নিকট করোনা সুরক্ষা সামগ্রী দিল
চট্টগ্রাম আইন কলেজের ২০১৮-১৯ এলএলবি ২য় বর্ষের শিক্ষার্থীরা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেছেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নগরবাসীকে নিরাপদ রাখতে বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। তবে চসিকের পাশাশি বিভিন্ন কর্পোরেট হাউস,ব্যক্তি,প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এসব কার্যক্রমে অবদান রেখে চলেছেন। যা একটি আশাজাগানীয়া উদ্যোগ। এথেকে অন্যরাও উদ্ভুদ্ধ হয়ে সামাজিক ও মানবিক কাজে এগিয়ে আসছে। আজ বিকেলে চসিক নগরভবনের কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম আইন কলেজের ২০১৮-১৯ এলএলবি ২য় বর্ষের শিক্ষার্থীরা করোনা মোকাবেলায় বিভিন্ন সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

এসময় কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, আইন কলেজের ভিপি আবদুল খালেক সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ সোহেল, আবদুর শুক্কুর চৌধুরী, সাবিহা সুলতানা রক্সি উপস্থিত ছিলেন।

সিটি মেয়রকে স্মারকলিপি দিল গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীনকে চট্টগ্রাম নগরীতে কোভিড-১৯ সনাক্তদের জন্য আইসোলেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠার আগ্রহ প্রকাশ করে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

এই সময় মেয়র বলেন, করোনাকালে যারা মানবিকতার মাহর্ত্ম নিয়ে সেবাব্রতে নিবেদিত তারা অবশ্যই সমাজ-বান্ধব ইতিবাচক দূত। তাদের সকল শুভ উদ্যোগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সহযাত্রী হবে।

স্মারকলিপি প্রদানকালে কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব পেয়ার মোহাম্মদ, উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আবু তালেব বেলাল, এরশাদ খতিবী, মোহাম্মদ আহসান হাবীব চৌধুরী, এড.মোছাহেব উদ্দিন বখেতেয়ার উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

​কারাতের আসল শিক্ষা ভালো মানুষ হওয়া: মুহাম্মদ শাহেদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 8:36 pm
​কারাতের আসল শিক্ষা ভালো মানুষ হওয়া: মুহাম্মদ শাহেদ

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, জাপান কারাতে শুধু একটি মার্শাল আর্ট নয়; এটি শৃঙ্খলা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, অধ্যবসায়, সৌজন্য ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার একটি অনুশীলন। জাপানি কারাতে ঐতিহ্যে ‘সম্মান’ ও ‘শিষ্টাচার’-এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারাতে আমাদের শেখায়—শুধু শারীরিকভাবে শক্তিশালী হওয়াই যথেষ্ট নয়, একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলাও জরুরি। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে মনোযোগ, ধৈর্য, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং দায়িত্ববোধ তৈরি হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে কারাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আজ ৭ সেপ্টেম্বর JKA WF Bangladesh Annual Karate Camp 2026 আয়োজনে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা জিমনেশিয়াম হলে বিকাল ৫ ঘটিকায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (JKA) JKA World Federation Bangladesh-এর আয়োজনে ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, জাপানের ঐতিহ্যবাহী কারাতে সংস্কৃতি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও সাংস্কৃতিক交流 বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের তরুণরা যদি পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও কারাতের মতো শৃঙ্খলাপূর্ণ অনুশীলনের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে তারা আরও আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। পরিশেষে, কারাতে শিক্ষার্থীদের বলব—জয়-পরাজয়ের চেয়ে বড় হলো নিয়মিত অনুশীলন, শৃঙ্খলা, প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান এবং নিজের চরিত্রকে উন্নত করা। জাপান কারাতের এই সুন্দর ঐতিহ্য আরও বিস্তৃত হোক, আমাদের তরুণ সমাজ সুস্থ, সুন্দর ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে গড়ে উঠুক—এই প্রত্যাশা করছি।

ক্যাম্পের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে JKA Headquarters-Gi Technical Director ও ৮ম ডানধারী শিহান কাতসুতোশি শিনা বিশেষ কারাতে সেমিনার পরিচালনা করছেন। তাঁর সরাসরি নির্দেশনায় অংশগ্রহণকারী কারাতেকা ও প্রশিক্ষকরা জাপানিজ শটোকান কারাতের বিভিন্ন উন্নত কৌশল, কাতা, কুমিতে ও কারাতে টেকনিক সম্পর্কে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন।

ক্রীড়া সংগঠক তানভির মল্লিকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন JKA WF Bangladesh’ এর কান্ট্রি হেড ও বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টুলু উস শামস্। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান মুহাম্মদ শাহেদকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো জানান (JKA) I JKA World Federation Bangladesh.

সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রতন তালুকদার ও মারিয়া চক্রবর্তী, অরূপ বড়ুয়া, জাফর আহমদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মহিউদ্দিন মুকুল, জহিরুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, নজরুল ইসলাম, মোঃ নওশাদ, মঞ্জুর আলম, হাবিব উল্লাহ খান রাজু, মোর্শেদ কামাল, একরাম ছিদ্দিকী, মঈন উদ্দীন খান রাজিব, শফিউল বাশার সামু, আবু কাউসার, ফারুক খান, মাহবুব আলম, ফারুক ও প্রশিক্ষাণার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ।

অটোরিকশার জন্য আসছে কিউআর কোড-ডিজিটাল ট্র্যাকিং

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 8:22 pm
অটোরিকশার জন্য আসছে কিউআর কোড-ডিজিটাল ট্র্যাকিং

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পুরোপুরি বন্ধ না করে একটি ডিজিটাল, নিবন্ধিত ও শৃঙ্খলিত ব্যবস্থার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদে উত্থাপিত এক নোটিশের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, অটোরিকশাচালকদের কর্মসংস্থান অক্ষুণ্ন রেখে ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুতই নতুন নীতিমালা ও বিধিমালা কার্যকর করা হচ্ছে। এই নীতিমালার অধীনে প্রতিটি অটোরিকশায় কিউআর কোড ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম যুক্ত করা হবে, যাতে একটি নম্বরের অধীনে অবৈধভাবে একাধিক রিকশা চালানোর সুযোগ না থাকে। একইসঙ্গে লেড-এসিড ব্যাটারি তুলে দিয়ে পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি ব্যবহার এবং নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক রিকশা চলাচলের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু ৭১ বিধিতে মনোযোগ আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সংসদ অধিবেশনে সংরক্ষিত আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু রাজধানীর ১৭টি সিগন্যালে চালু থাকা ৫০টি এআই নির্ভর ট্রাফিক ক্যামেরার সুফল ও অটোরিকশার কারণে তৈরি হওয়া সমস্যার কথা তুলে ধরে নোটিশ উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ট্রাফিক ক্যামেরা চালুর পর সড়কে লাল বাতি অমান্য করা, লাইন পরিবর্তন কিংবা অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর মতো অনিয়ম অনেকাংশেই কমে এসেছে। কিন্তু হতাশাজনক বিষয় হলো, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলো কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া গতিতে চলছে। এসব যানের কোনো নম্বর প্লেট না থাকায় এআই ক্যামেরায় অনিয়ম শনাক্ত হলেও জরিমানা করা বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

রেহানা আক্তার রানু বলেন, ঢাকা শহরে বিপুল সংখ্যক অটোরিকশা প্রধান সড়কগুলোতেও ঢুকে পড়ছে। সঠিক কাঠামোগত নকশা না থাকায় প্রায়ই এসব বাহন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। তবে কম ভাড়া ও সহজলভ্যতার কারণে এটি সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তাই অটোরিকশা পুরো বন্ধ না করে তাদের কাঠামোগত পরিবর্তন, নম্বর প্লেট সংযোজন, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও প্রশিক্ষণের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

নোটিশের বিপরীতে দেওয়া সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদকে জানান, গত এক দশকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ইজি বাইক ও তিন চাকার বৈদ্যুতিক যানগুলো গ্রামীণ ও নগর পরিবহন ব্যবস্থার একটি প্রধান অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কম খরচ ও সহজ যাতায়াতের কারণে যেমন সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছে, তেমনি চালক, গ্যারেজ শ্রমিক, যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ী ও চার্জিং সেবা দাতাসহ একটি বিশাল অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে এর দ্রুত ও অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও রাজস্ব ক্ষতির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে আনুমানিক ৫০ থেকে ৮০ লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার রয়েছে, যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ ব্যবহার করে। বিপরীতে বৈধ চার্জিং পয়েন্টের সংখ্যা মাত্র প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি। শুধুমাত্র ঢাকা শহরেই প্রায় ৪৮ হাজার অনানুষ্ঠানিক ও অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে প্রতি বছর সরকারের প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।

পরিবেশ বিপর্যয়ের প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এসব রিকশায় যে ক্ষতিকারক লেড-এসিড ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় এবং এর অনিরাপদ রিসাইক্লিংয়ের কারণে যে ধোঁয়া ও সিসা নির্গত হয়, তা বাতাস, মাটি ও পানি মারাত্মকভাবে দূষিত করছে। এমনকি আশেপাশে গড়ে ওঠা পোল্ট্রি শিল্পগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান টেনে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালে দেশে মোট ৬ হাজার ৭২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ হাজার ১১ জন নিহত হন। এসব দুর্ঘটনার ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশেই যুক্ত ছিল অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।

বর্তমান আইনি পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রধান সড়কগুলোতে অটোরিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে ডিএমপি নিয়মিত অভিযান ও ডাম্পিং পরিচালনা করছে। একইসঙ্গে ডিএমপি, ডেসকো ও ডিপিডিসির যৌথ অভিযানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। সড়ক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে ঢাকা শহরের ১৭টি সিগন্যালে ৫০টি এআই ক্যামেরা থেকে ইতিবাচক ফল পাওয়ায় তেজগাঁও ও রমনা বিভাগে আরও ২০০টি এআই ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে, যা পর্যায়ক্রমে পুরো রাজধানীতে সম্প্রসারণ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগ পেয়ে সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু বলেন, তিনি রিকশা নিষিদ্ধ করার কথা বলেননি, বরং একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিদিন কেবল ঢাকাতেই অন্তত ৩০০টি নতুন অটোরিকশা যুক্ত হচ্ছে এবং প্রতিদিন ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এদের পেছনে খরচ হচ্ছে, যা বর্তমান লোডশেডিংয়ের একটি প্রধান কারণ। তিনি বাহন জব্দ করা, ডাম্পিং কিংবা পুলিশের হয়রানি বন্ধ করে এগুলোকে ভেতরের গলির রাস্তায় চালানোর নির্দেশ দেওয়া, সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জিং অবকাঠামো গড়ে তোলা, বিআরটিএ নিবন্ধন এবং এলাকাভিত্তিক জোনিং ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব করেন। শেষ পর্যায়ে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, এই সমন্বিত ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ঠিক কবে নাগাদ তৈরি ও বাস্তবায়িত করা হবে।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে হওয়া আলোচনার সূত্রে সংসদকে নিশ্চিত করেন যে, সুনির্দিষ্ট বিধিবিধান ও নীতিমালা এরইমধ্যে প্রণীত হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক চূড়ান্ত হওয়া এই নীতিমালায় রূপরেখা নিশ্চিত করা হয়েছে যাতে কোনো চালকের কর্মসংস্থান ব্যাহত না হয়।

মন্ত্রী জানান, নীতিমালার অধীনে একটি ডিজিটাল নিবন্ধন প্রক্রিয়ার মধ্যে কিউআর কোড এবং ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু থাকবে, যাতে একটি নম্বরের অধীনে অবৈধভাবে একাধিক রিকশা চালানোর সুযোগ না থাকে। একইসঙ্গে লেড-এসিড ব্যাটারি তুলে দিয়ে ডিজিটাল পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি ব্যবহারে কঠোর শর্ত দেওয়া হবে।

শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও সিটি কর্পোরেশনের অসাধু কর্মচারীদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঈমানদারিতার সঙ্গে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার জাতীয় স্বার্থ, সড়ক নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে অতি দ্রুত এই নীতিমালার পূর্ণ প্রয়োগ ঘটাবে।