খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার পরিবারকে উল্টো মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
লোহাগাড়ায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার পরিবারকে উল্টো মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আদালতের নিষেজ্ঞা অমান্য করে মৌরশী ভূমি জবর-দখলচেষ্টায় প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী হামলার শিকার এক নির্যাতিত পরিবারকে উল্টো মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন নির্যাতিত পরিবারের সদস্য আছমা পারভীন মুন্নি (৩০)।

১০ জুলাই (শুক্রবার) দুপুর ১২ টায় লোহাগাড়া উপজেলা সদর বটতলী মোটর ষ্টেশনস্থ একটি রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

আছমা পারভীন মুন্নি লোহাগাড়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের রশিদের পাড়ার মৃত আব্দুল গণি মাষ্টারের মেয়ে। সাংবাদিক সম্মেলনে নির্যাতিত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আছমা পারভীন মুন্নি জানান, লোহাগাড়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের ৩ নাম্বার ওয়ার্ডের রশিদের পাড়ায় আমাদের বসতভিটা ও তৎসংলগ্ন মৌরশী ভূমি আদালতে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও তা অমান্য করে বার বার জবর-দখল করার পায়তারা চালিয়ে আসছিল প্রতিপক্ষরা। এ লক্ষে প্রতিপক্ষরা আমাকে ও আমার পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রাণে হত্যা করিবে মর্মে প্রকাশ্যে হুমকি-ধমকি দিলে আমি প্রতিপক্ষের হুমকি-ধমকি ও ভূমি জবর-দখলচেষ্টার আশংকার তথ্য জানিয়ে গত ৬ জুলাই রাতে প্রতিপক্ষ সাইদুল আলম, জহিরুল আলম, দিদারুল আলম রাসেল ও আব্দুল নুর তুষারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে লোহাগাড়া থানায় লিখিত একটি সাধারণ ডায়রী (নং-২২৭, তারিখ- ০৬/০৭/২০) দাযের করি। থানায় ডায়রী দায়েরের বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিপক্ষরা তড়িঘড়ি করে গত ৭ জুলাই সকালে ভূঁয়া, ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে আমাদের বিরুদ্ধে একটি সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজন করেন। এরপর একইদিন বিকেলে বাড়ী যাওয়ার পথে আমার ওপর শারিরীক আক্রমণ করেন প্রতিপক্ষরা। আক্রমণের বিষয়টি আমি থানা পুলিশকে জানালে আরো বেশী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন তারা।

সর্বশেষ গত ৮ জুলাই সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে দেশীয় তৈরী অস্ত্র-স্বস্ত্র নিয়ে আমাদের বসতভিটার টিনের ঘেরা-বেড়া ও পাকা পিলার ভাংচুর করে। এরপর আমাদের জায়গায় ইট, বালি ও সিমেন্ট স্তুপ করত: জোরপূর্বক বাড়ী নির্মাণ কাজ করতে থাকে।

এসময় আমার বড়বোন শাহেদা বেগম কুসুম গিয়ে বাঁধা দিলে প্রতিপক্ষরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারাত্মক জখম করে। বড়বোনের আত্নচিৎসারে আমি প্রতিপক্ষের হাত থেকে তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে আমাকেও মারাত্নকভাবে আঘাত করে তারা। এসময় তারা আমার মোবাইল ও নগদ ১০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এছাড়াও বসতভিটার ৪০ হাজার টাকার ঘেরা-বেড়া ভাংচুরসহ ৬০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে।

পরে আমরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করি। আমাদের ওপর হামলা করে উল্টো আমাদেরকে ফাঁসিয়ে হয়রানী করার উদ্দেশ্যে আমাদের আসামী করে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করেন প্রতিপক্ষরা। পরে অবশ্য আমি বাদী হয়ে দাযের করা অভিযোগটিও মামলা হিসেবে রেকর্ড করেন। লোহাগাড়া থানার মামলা নং-১১, তারিখ : ০৮/০৭/২০২০। এ মামলায় সাইদুল আলমসহ প্রতিপক্ষের ১২ জনকে আসামী করা হয়।

এদিকে, মামলা দায়ের করার পর আসামীরা বসতবাড়ীতে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে জানান ভূক্তভোগী আছমা পারভীন মুন্নিসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা। বর্তমানে তাঁরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানানো হয়।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/আজাদ

 

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…