খুঁজুন
শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৃষ্টি জনিতকারণে সড়কে প্যাচওয়ার্ক স্থগিত হলেও বন্ধ নয়-সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
বৃষ্টি জনিতকারণে সড়কে প্যাচওয়ার্ক স্থগিত হলেও বন্ধ নয়-সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের যে সমস্ত সড়কে খানা-খন্দক সহ দৃশ্যমান ভাঙাচোরা রয়েছে সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে প্যাচওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত মেরামত ও সংস্কারের চলমান কাজ বৃষ্টি জনিত কারণে স্থগিত থাকায় চসিক প্রশাসক দু:খ প্রকাশ করে নগরবাসীদের আপাতত ধৈর্য্য ধারণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

তবে তিনি এও বলেছেন বৃষ্টির ফাঁকে ফাঁকে বা বিরতিতে যাতে মেরামত ও খানা-খন্দক ও ভাঙাচোরা অবস্থা সাড়ানোর কাজ সম্পন্ন করতে চসিকের সংশ্লিস্ট বিভাগের জনবলকে প্রস্তুত রাখা আছে।

তিনি নগরবাসীকে জ্ঞাত করেন যে, সড়ক মেরামত কাজে বালি,স্টোন চিপস্ ও বিটুমিনের সমন্বয়ে যে মিক্সারটি তৈরী করা হয় তা ৮ ঘন্টার বেশি রাখা যায় না। নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হলে এর ব্যবহার উপযোগীতা হারায়। এ বাস্তবতা বিবেচনায় বৃষ্টির ঘনঘটায় বেশি করে মিশ্রণ তৈরী সম্ভব হচ্ছে না।

এও দেখা গেছে যে, অতিরিক্ত মজুদকৃত মিশ্রণ তড়িঘড়ি করে সড়ক মেরামত কাজে ব্যবহৃত হলেও তার স্থায়িত্ব খুবই কম এবং যেখানে মেরামত হয়েছে তা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার আশঙ্খা থাকে সাথে চসিকের বিপূল পরিমাণ অর্থ ও শ্রম নষ্ট হয়। তারপরও জনজীবনে স্বস্তি দিতে চসিকের পক্ষ থেকে প্যাচওয়ার্ক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তবে যেসব এলাকায় খুব বেশি বেহাল অবস্থা কিংবা চসিকের দৃষ্টিগোচর হচ্ছেনা তেমন এলাকায় বসবাসরতারা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন এর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা হোয়াটসআ্যাপে তুলে ধরলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এবিষয়ে প্রশাসক নগরবসীর দৃষ্টি আকর্ষণকরেছেন।

বর্তমানে যেসব এলাকায় চসিকের ৯টি ডিভিশনের মাধ্যমে প্যাচওয়ার্ক কার্যক্রম চলছে তা হলো ফকিরহাট, কালা মিয়া বাজার, বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার, এফ আই ডিসি রোড, সল্টগোলা ক্রসিং, বন্দর কাস্টম, জাকির হোসেন রোড।

চসিক প্রশাসককের নির্দেশনা
নগরীতে কখন-কোথায়
কীভাবে হকাররা ব্যবসা করবেন

চট্টগ্রাম নগরীতে সুশৃংখল ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার আওতায় এনে হকারদের আয়-রুজির পথ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন উদ্যোগ গ্রহণ করেছ। হকারদের সাথে আলোচনায় সর্বসম্মতভাবে যে সিদ্ধান্তগুলো গৃহিত হয়েছে তা মেনে চলার জন্য চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন তাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় প্রতিদিন বিকেল ৩ টা থেকে রাত সাড়ে ৮ টা পর্যন্ত হকাররা ব্যবসা পরিচালনা করবেন।

আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে প্রথম পর্যায়ে স্টেশন রোড ও আগ্রাবাদে নির্ধারিত জায়গায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হকাররা বসতে পারবেন। তাদের জন্য হলুদ রঙের মার্ক করা চিহ্নিত স্থানে শুধুমাত্র বসার টুল ছাড়া অন্য কোন স্থাপনা থাকবে না এবং এখন থেকে সড়কের এক পাশেই তারা ব্যবসা করতে পারবেন। হকারদের খেয়াল রাখতে হবে নগরবাসীর হাঁটা চলা এবং যানবাহন চলাচলে যাতে কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, হকার উচ্ছেদ নয়, পূনর্বাসন করাইটাই হলো একটি সামাজিক দায়িত্ব। তাই হকাররা যে সকল হলুদ মার্ক করা স্থানে বসবেন। সেখানে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও বাতি লাগানোর দায়িত্ব পালন করবে সিটি কর্পোরেশন।

এছাড়া হকারদের জন্য নির্ধারিত ব্যাচ ও ইউনিফর্মও নির্দ্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। এই ইউনিফর্ম ছাড়া কোন হকার রাস্তায় বসতে পারবেন না।

তিনি উল্লেখ করেন যে, হকার নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠকে যে সিদ্ধান্তগুলো গৃহিত হয়েছে, তা যদি মেনে চলা হয় তাহলে এই সুশৃংখল ব্যবস্থাপনার সুফল তারাই পাবেন। সিদ্ধান্ত পালনে যেন ব্যত্যয় না ঘটে সেজন্য হকার নেতৃবৃন্দকে তিনি সতর্ক বার্তা দেন।

তিনি বলেন, অনেক সময় ফুটপাত অরক্ষিত থাকায় পথচারী ও নগরবাসী দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এসব অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে, স্কুল-কলেজের শিক্ষাথীরা স্বাচ্ছন্দে চলাফেরা করতে ও নগরবাসীকে সিগ্ধ, নির্মল ও দুর্গন্ধমুক্ত সকাল উপহার দেয়ার জন্য চসিকের গৃহিত পদক্ষেপ সমূহ বাস্তবায়নে প্রিয় নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি বলেন নদী, সাগর ও পাহাড়ের মেলবন্ধনে চট্টগ্রাম নগরীর যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য রয়েছে, তা ফিরিয়ে আনা হবে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

 

Feb2

মাটি ও পরিবেশ উপযোগী বৃক্ষরোপণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
মাটি ও পরিবেশ উপযোগী বৃক্ষরোপণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

মাটির গুণগত মান বজায় এবং স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৬ জুন) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের সব অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য এক নয়। যে এলাকায় যে ধরনের মাটি ও পরিবেশ রয়েছে, সে অনুযায়ী গাছ নির্বাচন করে লাগাতে হবে। এতে গাছের বেঁচে থাকার হার বাড়বে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঋতুচক্রেও দেখা যাচ্ছে পরিবর্তন। আগে জুন মাস এলেই নিয়মিত বৃষ্টিপাত হতো, কিন্তু এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণের পেছনে বনাঞ্চল ও গাছপালা কমে যাওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।’

তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করবে সরকার। এই বৃক্ষরোপণ কীভাবে হবে তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জন্য সরকার যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ১৪ জুন কক্সবাজারের দুলহাজরায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, পরিবেশ সচিব রায়হান কাওছার, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেলের সদস্য জামাইল বশীর জেবি উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতকে হারিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
ভারতকে হারিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে

দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত। ভারতের গোয়ার পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে আজ শুধু ট্রফির লড়াই নয়, মর্যাদা, আধিপত্য, প্রতিশোধ এবং ইতিহাস গড়ারও লড়াই। বাংলাদেশের সামনে বিরল কীর্তি গড়ার হাতছানি। ২০২২ ও ২০২৪ সালের পর এবারও শিরোপা জিতলে টানা তৃতীয়বার সাফের চ্যাম্পিয়ন হবেন লাল-সবুজের মেয়েরা। স্বাগতিক ভারতের লক্ষ্য হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করা।

ফাইনালে ওঠার পথে দুদলের যাত্রা ছিল ভিন্ন। গ্রুপপর্বে ভারত বাংলাদেশের অপরাজেয় পথচলায় ধাক্কা দেয় ৩-০ গোলের জয়ে। সেই ম্যাচে বাংলাদেশকে ছন্নছাড়া দেখালেও সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ২-১ গোলের জয় তুলে নেয় পিটার বাটলারের দল। অন্যদিকে ভারত ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে। ফাইনালের আগে বাংলাদেশ শিবিরে আত্মবিশ্বাসের কমতি নেই। কোচ পিটার বাটলার শুরু থেকেই বলে আসছেন, ভারতের বিপক্ষে তার দল ভিন্ন চেহারায় মাঠে নামবে। গ্রুপপর্বের পরাজয়কে তিনি দেখছেন শিক্ষার অংশ হিসাবে। তার বিশ্বাস, ভারতের আক্রমণাত্মক ফুটবল বাংলাদেশের জন্য পালটা আক্রমণের সুযোগ তৈরি করতে পারে। সেই কৌশল রপ্ত করতে প্রস্তুতি নিয়েছে দল। বাংলাদেশের ফুটবলাররাও জানেন, ফাইনাল একেবারেই আলাদা ম্যাচ। গ্রুপপর্বের ফল এখানে কোনো মূল্য বহন করে না। বড় ম্যাচে নিজেদের প্রমাণ করার সামর্থ্য আগেও দেখিয়েছে বাংলাদেশ। নেপালের বিপক্ষে সেমিফাইনালের জয় আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ভারতও সতর্ক। কোচ ক্রিসপিন চেত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের মতো প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। তার মতে, ফাইনালে দুদলের সম্ভাবনাই সমান। ভুটানের বিপক্ষে জয় পেলেও নিজের দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নন তিনি। ভারতেরও লক্ষ্য নিজেদের সেরাটা উপহার দেওয়া।

ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন দুদলের তারকা ফুটবলাররা। বাংলাদেশের আক্রমণভাগে ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ওপর থাকবে বাড়তি দায়িত্ব। ভারতের আশা থাকবে সানফিদা নংরুম, মালাভিকা এবং গোলরক্ষক পন্থোই চানুকে নিয়ে।

একদিকে বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন, অন্যদিকে ভারতের হারানো সিংহাসন পুনরুদ্ধারের আকাক্সক্ষা। সব হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে গোয়ার ফাইনাল আজ রূপ নেবে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের সবচেয়ে বড় মহারণে। অপেক্ষা শেষ বাঁশির। কার হাতে উঠবে সাফের সোনালি ট্রফি। কার মাথায় শোভা পাবে দক্ষিণ এশিয়ার রানির মুকুট।

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮টি পুশইন অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ
গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮টি পুশইন অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক অবৈধভাবে পুশইনের ৮টি পৃথক অপচেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করেছে বিজিবি।

শনিবার (৬ জুন) সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ঝিনাইদহের মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ যাদবপুর সীমান্তে ৩ জন ব্যক্তি ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি টহলদল সীমান্তের শূন্য লাইনে অবস্থান নিয়ে তাদের বাধা প্রদান করে। বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়। নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ করমুডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় ভারত কর্তৃক ১৭ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টা করা হয়। বিজিবি টহলদল তাৎক্ষণিকভাবে তাদের প্রতিহত করে।

তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ বড়খাতা ও পঁয়ষট্টিবাড়ী সীমান্ত এলাকায় ভারত থেকে ২১ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হয়। বিজিবির তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ফলে তাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং তারা সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেনি।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের (১৫ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ দিঘলটারী সীমান্ত এলাকায় ৭ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের অপচেষ্টা চালানো হলে বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা প্রদান করে। একই ব্যাটালিয়নের দুর্গাপুর সীমান্ত এলাকায় আরও ৪ জন ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করা হলে বিজিবি তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বর্তমানে উক্ত ব্যক্তিরা ভারতীয় ভূখণ্ডের কাঁটাতারবিহীন চর এলাকায় অবস্থান করছে এবং বিজিবি সেখানে নিবিড় নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ পঞ্চগড়ের বড়বাড়ী প্রধানপাড়া সীমান্ত এলাকায় ভারত থেকে ১০ জন ব্যক্তিকে সীমান্তের কাঁটাতারের বাইরে এনে অবস্থান করায়। এ বিষয়ে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফ উক্ত ব্যক্তিদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করলেও তাদের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। বিজিবি বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

এছাড়া নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ কচুগড়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের মহাদেব থানাধীন বলিশী গিতারাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পূর্বে জড়ো করে রাখা ১৬-১৭ জন ব্যক্তিকে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে সেখান থেকে সরিয়ে লেংগুড়া সীমান্তের বিপরীতে বিএসএফের চিকনী ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিজিবি উক্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিজিবি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় পুনর্ব্যক্ত করছে যে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বিদ্যমান আইন এবং বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থি কোনো ধরনের পুশইন প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।