খুঁজুন
, ,

গুরুতর আহত ইউএনও ওয়াহিদা ঢাকায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 3 September, 2020, 4:16 pm
গুরুতর আহত ইউএনও ওয়াহিদা ঢাকায়

দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্তকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমকে (৩৫) রংপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হয়। তাকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে সরকারি বাসভবনে ঢুকে ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে পিটিয়ে আহত করে দুষ্কৃতকারীরা। গুরুতর অবস্থায় তাদের প্রথমে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে রংপুর কমিউনিটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসা দেয়া হয়। তার বাবাকে ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, তার মাথার বাম পাশে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বাম হাত ও পা কোনো রকম সাড়া দিচ্ছে না। হাসপাতালের চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ঘোড়াঘাট থানার ওসি এ তথ্য জানিয়েছেন।

ওয়াহিদা খানমের বাবার নাম ওমর আলী। নওগাঁ থেকে মাঝে মাঝে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন মুক্তিযোদ্ধা বাবা ওমর আলী। ওয়াহিদা খানমের স্বামী মেজবাহুল হোসেন রংপুরের পীরগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। তাদের তিন বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে। হামলার সময় শিশুটি ঘুমন্ত ছিল। বর্তমানে সে ভালো আছে।

দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাহমুদুল আলম জানান, আনুমানিক রাত ৩টার দিকে ঘরের ভেন্টিলেটর দিয়ে দুর্বৃত্তরা প্রবেশ করে। প্রথমে তার বাবাকে আহত করে পাশের ঘরে বাথরুমে আটকে রাখে। পরে ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলা চালায়। এলোপাতাড়িভাবে তাকেও পিটিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

মূলত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা জেলা প্রশাসকের। ঘটনার পর জেলা প্রশাসকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা-ওসি আমিরুল ইসলাম জানান, প্রথমে নির্বাহী কর্মকর্তার বাবাকে আহত করে বাথরুমে আটকে রাখে। এরপর নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। বাসভবনের নাইট গার্ডকে তালা দিয়ে আটকে রাখে। কাজের মেয়েও নিচে ছিল।

এটি কোনো ডাকাতি ছিল না, সম্ভবত হত্যার উদ্দেশ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে মনে করেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

নেই আইফোন, জঙ্গলে মিলল কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 3:11 pm
নেই আইফোন, জঙ্গলে মিলল কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ

মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়া ১৩ বছরের কিশোর অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিখোঁজের একদিন পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মরদেহ উদ্ধার হলেও তার কাছে থাকা আইফোনটি পাওয়া যায়নি।

অপ্রতিম বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।

এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে ওইদিন সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।

নিখোঁজের পর থেকেই অপ্রতিমকে উদ্ধারে স্বজনদের পাশাপাশি পুলিশও তৎপর ছিল। তার সর্বশেষ অবস্থান এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছিল পুলিশ।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ পাওয়া গেছে। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এদিকে অপ্রতিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 2:50 pm
নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান পর সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। জারি করা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ অনুযায়ী চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধির একটি অংশ এবং পর্যায়ক্রমে ২০২৭ সালের জুলাই থেকে শতভাগ বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইভাবে পেনশনভোগীরাও পর্যায়ক্রমে বর্ধিত নিট পেনশন পাবেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এরপর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়

আদেশ অনুযায়ী, ১ জুলাই নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করে বেতন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৪০ শতাংশ নবম ও এর ওপরের গ্রেডে এবং ৫০ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে।

পরবর্তী ধাপে ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৭০ শতাংশ ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ৭৫ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের দেওয়া হবে।

এরপর ১ জুলাই ২০২৭ থেকে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টসহ মূল বেতন শতভাগ কার্যকর হবে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, কর্মচারীরা ১ জুলাই থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে পাবেন।

পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও একইভাবে পর্যায়ক্রমে বর্ধিত নিট পেনশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদ্যমান নিট পেনশন স্ল্যাব ২০ হাজার ১ টাকা ও তদূর্ধ্বের ক্ষেত্রে নিট পেনশন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৪০ শতাংশ এবং ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্ল্যাবের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বিদ্যমান নিট পেনশনের সঙ্গে যোগ করে দেওয়া হবে।

আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ২০ হাজার ১ টাকা ও তদূর্ধ্বের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির ৭০ শতাংশ এবং ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্ল্যাবের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ দেওয়া হবে।

আগামী বছরের ১ জুলাই থেকে বার্ষিক বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টসহ নিট পেনশন শতভাগ কার্যকর হবে। অবসরভোগী ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীরাও গত ১ জুলাই থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের নিট পেনশন বকেয়া হিসেবে পাবেন।

এ ছাড়া গত ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে কোনো কর্মচারী অবসর-উত্তর ছুটি শেষে অবসরে গেলে তার ‘গ্রস ও নিট পেনশন জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬’ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।

হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 9:34 am
হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : শফিকুর রহমান

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত লং মার্চ সফলতায় অনেকের মাথা গরম হয়ে গিয়েছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুইদিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমরা অনুরোধ করব হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লং মার্চ কর্মসূচির উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আজকে আমাদের দ্বিতীয় দফার লং মার্চ। প্রথম দফা ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আল্লাহর মেহেরবানীতে সফলভাবে এতে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুই দিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনুরোধ করব, হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না। বরঞ্চ জনতার দাবি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন। আজকে আট দফা, মনে রাখবেন, এটা নয় দফা হতে পারে, ১০ দফা হতে পারে। আবার জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় এটা এক দফায় পরিণত হতে পারে।’

এক দফায় পরিণত হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘এক দফায় যখন পরিণত হবে, তখন কিন্তু পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে। আমরা বলি, সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আগে সাম্প্রতিক অতীত থেকে শিক্ষা নিন। শিক্ষা নিয়ে জনগণের দাবি মেনে নিন।’

দাবি না মানলে কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘যদি দাবি মানতে ব্যর্থ হন, তাহলে পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্রে কোনো কাজ হবে না। আমরা কোনো কিছুকেই পরোয়া করব না। কারণ আমরা কোনো দলীয় দাবি নিয়ে মাঠে নামিনি। আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি।’

১১ দলের সঙ্গে দেশের ১৮ কোটি মানুষ রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আজকে ১৮ কোটি মানুষ ১১ দলের সঙ্গে আছে। সেই দাবি আদায় করে আমরা ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।’

জনগণকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা জনগণকে কথা দিচ্ছি, এ লড়াই শুরু হয়েছে। দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।’