খুঁজুন
, ,

চোরাচালানী কায়দায় বৈধ কাগজপত্র বিহীন পেঁয়াজসহ নিত্যভোগ্যপণ্যের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের দাবি ক্যাব’র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2020, 1:01 pm
চোরাচালানী কায়দায় বৈধ কাগজপত্র বিহীন পেঁয়াজসহ নিত্যভোগ্যপণ্যের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের দাবি ক্যাব’র

কোন কারণ ছাড়াই কিছু দিন পর পর বৈধ আমদানির ছাড়পত্র, এলসি খোলার কাগজপত্র ছাড়া আমদানিকারকের কমিশন এজেন্ট, আড়তদার পরিচয়ে কিছু পেঁয়াজসহ ভোগ্যপণ্য ব্যবসায়ী জনগনকে জিম্মি করে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্ঠি করছে। দেশের চাহিদার সিংহভাগ দেশীয় উৎপাদন দিয়ে মেটানো সম্ভব হলেও ব্যবসায়ীরা আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রিতে স্বাচ্ছ্যন্দ।

কারণ পেপারলেস ব্যবসা হবার কারনে আমদানিকৃত পেয়াঁজ নিয়ে ক্রেতাদের সহজেই বোকা বানানো যায়। যার কারনে বাজারে দেশীয় পেয়াঁজ উদাও। ২০১৯ সালেও এ সমস্ত ব্যবসায়ীরা একই কায়দায় পেয়াঁজের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিলো। এবারও তারা একই কায়দায় ক্রেতাদের পকেট কাটছে। দীর্ঘ দু’ সপ্তাহ ধরে এ অস্থিরতা চলমান হলে জেলা প্রশাসন ২/১দিন আগে খাতুনগঞ্জে অভিযান চালালে তাঁরা গতকাল বিক্রি বন্ধ রাখেন।

কিন্তু যারা দেশে চোরাচালানী কায়দায় পেপারলেস ব্যবসার নামে জনগনকে জিম্মিকরে ব্যবসা করছে। প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করলেই ধর্মঘটসহ নানা হুমকি প্রদান করছে। অপকর্মের হোতাদের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির পরিবর্তে জামাই আদরের কারনে তারা বার বার এ ধরনের অপকর্ম করে যাচ্ছে। তাই এ অবস্থায় জরুরী ভাবে আমদানিকারকের এজেন্ট পরিচয়ে অবৈধ পেপারলেস ব্যবসা বন্ধ, পেয়াজসহ নিত্যভোগ্য পণ্যের ব্যবসায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, সরকারের বানিজ্য মন্ত্রণালয়, জেলা-উপজেলা প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরসহ সরকারের বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধি, ক্যাব, গণমাধ্যম ও চেম্বার প্রতিনিধি সমন্বয়ে বাজার তদারকি জোরদার, জাতীয় ও স্থানীয় ভাবে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাপ্রতিনিধিদের সাথে জরুরী সভা করে সম্ভাব্য করনীয় নির্ধারন, বিকল্প উৎস থেকে এ সমস্ত ভোগ্যপণ্য আমদানি নিশ্চিত করা, বিকল্প বাজার হিসাবে টিসিবির মাধ্যমে ভোগ্য পণ্য বিক্রি জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন দেশের ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষনকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারণ সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ন সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান, ক্যাব যুব গ্রুপের সভাপতি চৌধুরী কে এনএম রিয়াদ ও সম্পাদক নিপা দাস প্রমুখ উপরোক্ত দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বাজারে অভিযান পরিচালনা করলেই ব্যবসায়ীরা বিক্রি বন্ধ করে ধর্মঘট করে প্রশাসনের সাথে দেনদরারে চলে যান। আর প্রশাসন বড় বড় ব্যবসায়ীদের চাপে এ সমস্ত অসাধু ব্যবসচায়ী চক্রের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহনে কালক্ষেপন করে থাকেন। আর চোরাচালানী কায়দায় বৈধ কাগজপত্র ছাড়া পণ্য বিক্রি, অর্থ লেন দেনের কারনে মানি লন্ডারিং এর মতো অপরাধ বাড়ছে এবং সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে। আর এভাবে অবৈধ ব্যবসা চলমান থাকলে দেশে জঙ্গি ও রাজনৈতিক অস্থিরতাখাতে অর্থায়নবৃদ্দিসহ দেশের জন্য হুমকি হতে পারে। আর এ কারনে দেশের বৃহৎ শিল্প ও ব্যবসায়ী নেতারা প্রতিনিয়তই এই নিত্যভোগ্যপণ্যের বাজারে ঝুুঁকে পড়ছে।

বিবৃতিতে ক্যাব নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন ভারতে পেঁয়াজ উৎপাদনকারী রাজ্যে বৃস্টি ও বন্যা সংবাদে দেশে পেয়াঁজের মূল্য হঠাৎ করে ২ সপ্তায় দফায় বাড়লেও বানিজ্য মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন কোন প্রকার উদ্যোগ না নিয়ে নিরব থাকায় জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। আর্ন্তজাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির অযুহাতে ব্যবসায়ীরা বার বার তাৎক্ষনিক দাম বাড়ালেও বিদেশে দাম কমলে তার প্রতিফলন দেশে হয় না, তখন উল্টো সুর বেশী দামে কেনা, লোকসান দিয়ে বিক্রি করবো নাকি? যে কোন পণ্যের দাম বাড়লে বা কৃত্রিম সংকট তৈরী হলে ইতি পূর্বে বানিজ্য মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসন ঐ খাতের ব্যবসায়ী ও ভোক্তা এবং প্রশাসনের লোকজনকে নিয়ে করনীয় বিষয়ে পরামর্শ সভা করে বিকল্প উৎস থেকে আমদানি করা, বাজার তদারকি জোরদার করে মজুতদারী ঠেকানো, টিসিবির মাধ্যমে খোলা বাজারে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়ে অস্থিরতা বন্ধে উদ্যোগ নিয়ে থাকলেও ইদানিং ব্যবসায়ীদের উপর সবকিছু ছেড়ে দিয়েছে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন মানুষের জনদুর্ভোগ লাগবে কার্যকরী ও বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে ভ্রাম্যমান আদালত, সমন্বিত বাজার তদারকি কার্যক্রম একটি উদ্ভাবনী মডেল চলমান ছিলো। যেখানে জেলা-উপজেলা প্রশাসন সফল ভাবে নেতৃত্ব প্রদান করলেও বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্য পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের মতো অতিজনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে প্রশাসনের দৃষ্ঠি না থাকায় তাঁরা সাধারণ জনগনের দুর্ভোগ লাগবে কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। ফলে সরকারের অনেক উদ্ভাবনী উদ্যোগের সফল তৃণমূল মানষ উপভোগ করতে পারছে না। অন্যদিকে যে ভাবে পারে লুটপাট করছে, প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন নিরব দর্শক। প্রশাসনের নিরবতায় সর্বত্রই মনে হচ্ছে লুটপাটের রাজত্ব। বাজার নিয়ন্ত্রণে বানিজ্য মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের নানা সভার সিদ্ধান্ত শুনা গেলেও তার কার্যকারিতা কতটুকু তা নিরপেক্ষ তদন্ত অনুসন্ধান প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করা হয়।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 10:15 am
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও মৃত্যুর পুণ্যময় দিন। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল অর্থাৎ আজকের এই দিনে তিনি আরবের মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩ বছর বয়সে একইদিনে তিনি ইন্তেকাল করেন।

দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নামে পরিচিত। ৫৭০ সালের এই দিনে (১২ রবিউল আউয়াল) আরবের মক্কা নগরীর সভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমিনার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।

মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.) এর জন্মের আগে গোটা আরব অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। ওই সময় আরবের মানুষ মহান আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিল। আরবের সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা। এ যুগকে বলা হতো ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’র যুগ।

তখন মানুষ হানাহানি ও কাটাকাটিতে লিপ্ত ছিল এবং মূর্তিপূজা করত। এই অন্ধকার যুগ থেকে মানবকুলের মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহ তাআলা রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে দুনিয়ায় প্রেরণ করেন।

মহানবী (সা.) অতি অল্প বয়সেই আল্লাহর প্রেমে অনুরক্ত হয়ে পড়েন এবং প্রায়ই তিনি হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। ২৫ বছর বয়সে মহানবী বিবি খাদিজার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মাত্র ৪০ বছর বয়সে তিনি নবুয়ত লাভ বা মহান রাব্বুর আলামিনের নৈকট্য লাভ করেন।

পবিত্র কোরআন শরীফে বর্ণিত আছে, ‘মহানবীকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবীই সৃষ্টি করতেন না’। এসব কারণে এবং তৎকালীন আরব জাহানের বাস্তবতায় এ দিনের (পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর) গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি। বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় এ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করে থাকে।

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। তারা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা-বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে বুধবার সরকারি ছুটি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন আলোচনা সভা, মিলাদ, দোয়া মাহফিলসহ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মঙ্গলবার বাদ মাগরিব থেকে শুরু হয়েছে পক্ষকালব্যাপী আয়োজন। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বিএনপি। সিরাতুন্নবী (সা.) নামে জামায়াত এবং দলটির বিভিন্ন সংগঠন মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে। আজ বাদ আসর বাংলামোটরে দলীয় কার্যালয়ে মেহফিলে ইশক রাসুল (সা.) এবং নাত-সন্ধ্যার আয়োজন করেছে এনসিপি।

ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 10:09 am
ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক-কে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভুটানের রাজাকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করে। বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টার অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন।

এসময় রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জবাবে ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি শুভকামনা জ্ঞাপন করেন।

আলাপকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি বলেন, ভুটান সবসময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছে। কারণ, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান।

বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা, রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও শুভ কামনাও রাষ্ট্রপতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

ভুটানের রাজা তার দূরদর্শী ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে।

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।