খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মশার উপদ্রব কমাতে বাড়ির আঙিনায় রোপন করুন বিশেষ কিছু গাছ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
মশার উপদ্রব কমাতে বাড়ির আঙিনায় রোপন করুন বিশেষ কিছু গাছ

বর্ষা আসলেই বাড়ে মশার উপদ্রব। দাপট দেখাতে শুরু করে মশাবাহী ভাইরাস ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া। এছাড়াও চুলকানি, ত্বকে লালচে দাগসহ আরও নানা সমস্যা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে মশার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া খুবই জরুরি।

তবে মশা মারতে কামান দাগার প্রয়োজন নেই! মানে কাঁড়িকাঁড়ি পয়সা খরচ করে হরেক রকম মসকিউটো রেপেল্যান্ট ব্যবহার না করে বরং প্রকৃতির সাহায্য নিন। এই যন্ত্রণাকর কীটের কামড় থেকে বাঁচার জন্য রয়েছে বিভিন্ন গাছ। যেগুলোর ঘ্রাণ মানুষের ভালোলাগলেও মশাদের জন্য অতি জঘন্য।

উদ্ভিদবিজ্ঞানে এই ধরনের গন্ধযুক্ত গাছ ও ফুলের কথা অনেক আগেই প্রতিষ্ঠিত। উদ্ভিদবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে মশা-মাছি দূরে রাখার কিছু উদ্ভিদ ও ফুলের কথা এখানে উল্লেখ করছি।

হলুদ গাঁদা ফুল:

হলুদ গাঁদা ফুল সবাই চেনেন। গাঁদাফুলের রেণু ও পাপড়ি থেকে নিসৃত বিশেষ গন্ধ মানুষের নাকে সুঘ্রাণ হলেও মশার জন্য অসহনীয়। তাই ঘরের সামনের বাগানে, বারান্দা কিংবা জানালার পাশে টবে এই গাছ থাকলে মশার উপদ্রব কমবে।

সিট্রোনেলা ঘাস:

বিশেষ ঘাসজাতীয় এই গাছ পাঁচ থেকে ছয় ফিট পর্যন্ত লম্বা হয়। বাগানের ধারে, কিংবা টবে এই ঘাস রোপণ করে রাখতে রাখতে পারেন। সিট্রোনেলার বিশেষ গন্ধ মশা দূরে রাখে। আবার এই ঘাস থেতলে তেল বের করে পানিতে মিশিয়ে ঘর মুছলে মশা এবং বিভিন্ন পোকামাকড়ের উপদ্রব কমবে। তবে টবে রাখলে তাতে ভালো পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা থাকতে হবে।

পুদিনা বা মেন্থল:

মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে এবং খাবারের স্বাদ বাড়াতে মেন্থল বা পুদিনার বেশ সুপরিচিত। তবে মশা তাড়াতেও পুদিনা গাছের তীব্র ঘন্ধ অত্যন্ত কার্যকর। ছোট পাত্র, টব ইত্যাদিতে ঘরে বা বেলকণিতে পুদিনা গাছ রাখা যায়। এটি সরাসরি সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখতে হবে। মৃদু ছায়াতেও পুদিনা গাছ সহজেই বেড়ে উঠতে পারে।

ব্যাজল গাছ:

ব্যাজল এক ধরনের লতাগুল্ম। পুদিনা বা ধনেপাতার মতোই সুগন্ধিযুক্ত এই লতাগুল্ম খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য সুখ্যাতি আছে। সেই সঙ্গে মশা-মাছি তাড়াতেও এটি বেশ কার্যকর। কারণ ব্যাজল থেকে বের হওয়া গন্ধ মশা ও মাছি দূরে রাখে। এই গাছও টবে ঘরের বিভিন্ন স্থানে রাখতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে, ব্যাজল গাছের চাই প্রচুর সূর্যের আলো, পানি এবং এই পানি বের হওয়ার উত্তম রাস্তা।

তুলসী গাছ:

তুলসির একাধিক স্বাস্থ্য ও আয়ুর্বেদিক গুণের কথা আমরা অনেকেই জানি। তুলসি গাছ পরিবেশকে জীবাণুমুক্ত, বিশুদ্ধ রাখতে সাহায্য করে। তুলসির গন্ধ মশা, মাছি, পোকা-মাকড়কে দূরে রাখে। তাই বাড়িতে টবে হলেও তুলসি গাছ লাগান।

রসুন:

রসুন শুধু রান্নায় স্বাদ বাড়ায় না, একই সঙ্গে দ্রুত ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে। কিন্তু আপনি জানেন কি, বাড়ির বাগানে বা বেলকণিতে টবে দু’চারটা রসুন গাছ লাগালে মশার উপদ্রব থেকেও সহজে মুক্তি পাওয়া যায়! বিশ্বাস না হলে বাড়িতে রসুন গাছ লাগান আর ফল পান হাতেনাতে।

রোজমেরি:

রোজামেরি ফুলের রঙ নীল। এই ফুলও গাঁদা এবং ল্যাভেন্ডারের মতো নিজস্ব উপায়ে মশা দূর করতে সক্ষম। তাই রোজমেরি ফুল গাছও মশা থেকে মুক্তির জন্য বাড়িতে লাগাতে পারেন।

তবে মনে রাখতে হবে, পুরোপুরি মশার উপদ্রব থেকে বাঁচার জন্য অন্যান্য ব্যবস্থাও নিতে হবে। এরমধ্যে অন্যতম- ঘরবাড়ির আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। আর গাছে দেওয়া পানি যেন কোথাও না জমে থাকে। কারণ জমে থাকা পানিই মশার বংশ বিস্তারে সবচেয়ে সহায়ক!

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…