খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ৩ জনকে পিটিয়েছে বখাটে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
লক্ষ্মীপুরে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ৩ জনকে পিটিয়েছে বখাটে

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :
ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ৩ জনকে পিটিয়ে আহত করেছে বখাটে ও তার লোকজন। ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুর সদরের চর রমণীমোহন ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ভাঙ্গারপুল নামক স্থানে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ফার্নিচার মিস্ত্রী আবুল হোসেন গাজীর কিশোরী কন্যা(১৫)কে ৩ নং ওয়ার্ডের গাজী বাড়ির মালিক গাজীর বখাটে ছেলে রিয়াজ গাজি(২০) দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিশোরী মেয়েটির পরিবার বেড়িরপাশে থাকায় বেড়ির উপর দাঁড়িয়ে বখাটে রিয়াজ হোসেন রাত-বিরাতে অশ্লীল ভাষা ও কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত করে আসছিল। এই নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইয়াকুব সরকার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একাধিক সালিশ বৈঠক হয়েছে তথাপিও মালেক গাজীর বখাটে ছেলে কিশোরীটিকে তুলে নেয়ার লাগাতার হুমকি, ঘরে ঢিল মারা ও অর্ধউলঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে।

শনিবার দুপুরের পরে কিশোরী মেয়েটিকে একা ঘরে পেয়ে বখাটে রিয়াজ হোসেন ওড়না দিয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় মেয়েটির আত্মচিৎকারে তার মা শিল্পী আক্তার এগিয়ে এলে বখাটে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

শিল্পী আক্তার বখাটে রিয়াজের মায়ের কাছে ঘটনাটি জানাতে গেলে বখাটে রিয়াজের বাবা মালেক গাজী(৫৫), এরশাদ (২৩) ও স্থানীয় জাহাঙ্গীর সর্দারের ছেলে মিলন(২২) সহ শিল্পী আক্তারের উপর হামলে পড়ে। খবর পেয়ে শিল্পী আক্তারের বৃদ্ধ বাবা হোসেন খালাসী (৬০) ও মা দেলোয়ারা বেগম (৫৫)এগিয়ে এলে তাদেরকেও বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

ধর্ষণ চেষ্টা ও মারধরের বিষয়ে মালেক গাজীর সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এনিয়ে আহত শিল্পী আক্তারের স্বামী মোঃ আবুল হোসেন গাজী বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এই বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন -‘অভিযোগ পেলে ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…