খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যানজট মুক্ত পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল নগরী গড়তে চসিক ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে কাজ করবে-সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
যানজট মুক্ত পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল নগরী গড়তে চসিক ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে কাজ করবে-সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, যানজট মুক্ত, পরিচ্ছন্ন সুন্দর ও সুশৃঙ্খল নগরী গড়তে চট্টগ্রাম ট্রাফিক বিভাগ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন যৌথ উদ্যোগে কাজ করতে বদ্ধ পরিকর। এই নগরীকে নিরাপদ ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

আজ অপরাহ্নে সিএমপি ট্রাফিক বিভাগের সাথে যানজট নিরসনে চসিক নগর ভবনের কনফারেন্স রুমে এক বৈঠকে প্রশাসক এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম দ্রুত বর্ধমান একটি নগর, যেখানে বিবিধ উন্নয়ন ও পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে। দেশের সব প্রান্ত থেকে মানুষ বিবিধ প্রয়োজনে ছুটছে বন্দর নগরী অভিমুখে, বাড়িয়ে তুলছে নগরীর জনসংখ্যাকে। এই অতিরিক্ত জনসংখ্যা নগরীতে নানা কৃত্রিম সমস্যার সৃষ্টি করছে, যার মধ্যে অন্যতম যানজট। যানজট সৃষ্টিতে রাস্তার মোড়ে গাড়ি দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা, সড়কে বিভিন্ন গতির ও অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করা, ট্রাফিক আইন অমান্য করা, আইন প্রয়োগ ও কার্যকরের অভাব, অপর্যাপ্ত ও অপরিকল্পিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশের অভাব, সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়া, লাইসেন্সবিহীন ও অদক্ষ চালক, রাস্তা ও ফুটপাত দখল, অবৈধ রিকশার ছড়াছড়ি, যানবাহনের ইচ্ছামতো চলাচল, যত্রতত্র পার্কিং ও আইন মেনে না চলা, ফুটপাতগুলো দখল, সড়কে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা প্রধান প্রধান কারণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এছাড়া অপরিকল্পিভাবে রাস্তা কেটে উন্নয়ন কাজ করা, মোড়ে মোড়ে রিকশা দাঁড়িয়ে থাকা, সড়কের পাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান, ত্রুটিযুক্ত যানবাহন ও দিনে সড়কে বড় ট্রাক চলাচল করাই মুলত দায়ী। নগরীতে অপরিকল্পিত বাসস্ট্যান্ডের কারণে নগরীর চার প্রবেশমুখ কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। নগরীর অক্সিজেন মোড়, শাহ আমানত সেতু চত্বর, কাপ্তাই রাস্তার মাথা এবং সিটি গেট-কর্নেল হাটে যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বেশিরভাগ সড়কের দুই পাশের ফুটপাত দখল করে চলছে ব্যবসা-বাণিজ্য। যত্রতত্র যানবাহন দাঁড়িয়ে থেকে যাত্রী উঠা-নামা করানোর কারণে প্রতিটি মোড়েই এক ধরনের বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে।

তিনি বলেন, গাড়ির সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, সেভাবে সড়ক বাড়েনি। চালকদের মধ্যে সচেতনতাও বাড়েনি। পরিকল্পিতভাবে টার্মিনালও গড়ে তোলা হয়নি।

তিনি শিঘ্রই নগরীতে প্যাডেল চালিত অবৈধ রিক্সা উচ্ছেদ করে রিক্সা চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট এরিয়া ঠিক করে দেওয়া হবে বলে জানান। সমাজের বিভিন্ন সচেতন মহল যদি শহরের উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমে একাজে এগিয়ে আসেন তা হলে এ শহরে চিত্র বদলাতে দেরী হবেনা বলে উল্লেখ করে প্রশাসক।

সিএমপি ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে যান নিরসনে কিছু প্রস্তাবনা লিখিতভাবে প্রশাসক এর নিকট দেন। প্রশাসক এ ব্যাপারে একমত হয়ে এক সাথে কাজ করার পরিকল্পনার কথা জানান। নগরীর ফুটপাতে যেন হকাররা যত্রতত্র বসতে না পারে এবং স্থায়ী কোন স্থাপনা তৈরী করতে না পারে সে দিকে নজর রাখার তাগাদা দেন প্রশাসক।

এছাড়া রাস্তায় জেব্রা ক্রসিং ও রোড় মার্কিং করা, নগরীর বিভিন্ন মোড়ে ফুটওভার ব্রিজ স্থাপন করা, যাত্রী উঠানামার স্থান নির্দিষ্ট করার বিষয়ের উপর জোর দেয়ার আহবান জানান প্রশাসক।

বৈঠকে করোনা মহামারিকালে যে সকল পুলিশ সদস্য মৃত্যু বরণ করেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন করোনাকালে তাদের ভূমিকা জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে।

এসময় চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমেদ, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ.কে.এম.রেজাউল করিম, ডিসি ট্রাফিক দক্ষিণ মোঃ শহিদুল্লাহ, ডিসি ট্রাফিক পশ্চিম জয়নুল আবেদীন, এডিসি ট্রাফিক উওর উক্য সিং,এডিসি ট্রাফিক বন্দর অলক বিশ্বাস, এডিসি ট্রাফিক পশ্চিম সিএমপি ছত্রধর ত্রিপুরা, স্থপতি আবদুল্লাহ ওমর উপস্থিত ছিলেন।

মৎস্যজীবিদের মাঝে চাল তুলে দিচ্ছেন চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

মৎস্যজীবিদের মাঝে চসিক প্রশাসকের চাল বিতরণ
মৎস্যজীবিদের যে কোন সমস্যা-অভিযোগ প্রশাসকের কাছে তুলে ধরার আহবান

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, “খাদ্যবান্ধব’ কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রান্তিক জনগোষ্টিকে চাল বিতরণ কর্মসূচি চালু করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর ভিশন অনুযায়ী বাংলাদেশে কোনো মানুষ দরিদ্র থাকবেনা, বাংলাদেশ হবে উন্নত -সমৃদ্ধ। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ এই- সেøাগানে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীতে একটা মানুষও না খেয়ে থাকবে না, একটা মানুষ গৃহহীন থাকবে না।

আজ বিকেলে নগরীর আনন্দবাজারে অসহায় ২৮৪ জন মৎস্যজীবি পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত চাল বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা রাজনীতি করি কাদের জন্য? আপনাদের জন্য। আপনাদের অভুক্ত রেখে রাজনীতি মানায় না। নগরীতে প্রান্তিক জনগোষ্টি বিশেষ করে মৎস্যজীবিরা বৈরী আবহাওয়া ও সাগর উত্তাল থাকলে মাছ ধরা বন্ধ থাকার কারণে খাদ্যাভাবে পড়তে হয়। তাদের দু:খ দুর্দশা লাঘবে সরকারের এই মানবিক উদ্যোগ আমরা বাস্তবায়ন করছি। প্রশাসক মৎস্যজীবিদের যে কোন প্রয়োজন বা অভিযোগ তাঁর কাছে তুলে ধরার আহবান জনান।

এসময় প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হামেম, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রম সম্পাদক আবদুল আহাদ, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াছ, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক হাবিব শরীফ, মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী, মৎস্যজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিরেন্দ্র জলদাশ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া জামেয়া আহমদীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসায় ১৪৮ প্যাকেট,কদম মোবারক মুসলিম এতিম খানায় ১৫২ প্যাকেট, দারুল মারুফ মাদ্রাসায় ১৫০ প্যাকেট ও কৈবল্যধাম আশ্রমে ১৫০ প্যাকেট চাল প্রদান করেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…