খুঁজুন
, ,

ঢাকা ও চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে বিতর্কিতদের পুনঃ নিয়োগ না দেবার আহবান ক্যাব’র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 20 September, 2020, 1:34 pm
ঢাকা ও চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে বিতর্কিতদের পুনঃ নিয়োগ না দেবার আহবান ক্যাব’র

ঢাকা ও চট্টগ্রাম ওয়াসায় বিতর্কিত ও দুর্নীতি অনিয়মের সাথে জড়িত বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিন এ খান ও ফয়জুল্লাকে পুনঃনিয়োগ না দেবার আহবান জানিয়েছেন দেশের ক্রেতা-ভোক্তাদের জাতীয় প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

কোন প্রকার সার্চ কমিটি না করে ও নিয়াগ বিজ্ঞাপন প্রকাশ না করে এক ব্যক্তিকে বারবার নিয়োগ দিয়ে সরকারী ক্রয়নীতিকে উপক্ষো করা হয়েছে। আর ওয়াসা পরিচালনা পর্ষদ কোন যুক্তিতে এক ব্যক্তিকে বারবার নিয়োগ দেবার সুপারিশ করেছে তার সুনিদিষ্ঠ ব্যাখ্যা ছিলো না। ফলে দুই ওয়াসা বোর্ডের কাজ অনেকটাই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের রাবার স্টাম্প হিসাবে কাজ করছেন বলে মন্তব্য করা হয়। তাই দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রশ্নবিদ্ধ পূনঃ নিয়োগ না দিয়ে নতুন যোগ্য ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার জন্য সার্চ কমিটি ও বিজ্ঞাপন প্রদান করে সরকারি ক্রয় ও নিয়োগ-নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরনের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারণ সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ন সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান, ক্যাব যুব গ্রুপের সভাপতি চৌধুরী কে এনএম রিয়াদ ও সম্পাদক নিপা দাস প্রমুখ উপরোক্ত দাবি জানান।

রাস্ট্রীয় মালিকানাধীন সেবাদানকারি ঢাকা ও চট্টগ্রাম ওয়াসার এ উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়ে ক্যাব নেতৃবৃন্দ বলেন বর্তমান দুই এমডিকে অনৈতিক ও বিধিবহির্ভূতভাবে পুনঃনিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করেছে ওয়াসার বোর্ড। যা ওয়াসার কার্যক্রম ও নীতিমালাকে সহায়তা করার জন্য বোর্ড সদস্যদেরকে অর্পিত দায়িত্বের বরখেলাপ। কারন বোর্ড সদস্যরা ওয়াসার স্বার্থ সুরক্ষার জন্য সরকার তাদেরকে নিয়োগ প্রদান করেছেন। কিন্তু তাঁরা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের স্বার্থ রক্ষা ছাড়া কিছুই করতে পারেন নি। এক ব্যক্তির পুনঃ নিয়োগের জন্য বোর্ড সভা আহবান করা কতটা যুক্তিসঙ্গত ও নীতি নৈতিকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ?

নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ঢাকা ও চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনায় এক ব্যক্তির অনৈতিক ও অবৈধ বহাল অব্যাহত রেখে দীর্ঘকালের লালিত এককেন্দ্রিক আধিপত্যবাদ অপরিবর্তিত রাখার সুযোগ তৈরী করেছেন। রাস্ট্রীয় মালিকানাধীন সেবা প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক ব্যর্থতা ও গ্রাহকদের কাছে কাংখিত সেবা প্রদানে অনিয়মের গুরুতর সব অভিযোগ থাকার পরও এই পদে প্রশ্নবিদ্ধ নিয়োগ ও পুনঃনিয়োগ দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর “শুণ্য সহনশীলতাকে” বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের সামিল বলে মন্তব্য করছেন ক্যাব।

বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়, সরকারী যে কোন চাকুরীতে নিয়োগে বিধিমালা অনুযায়ী হবার কথা। আর একজন কতবার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে পারেন? তার সুনির্র্দিষ্ঠ ব্যাখ্যা থাকার পরও দুই ওয়াসায় বোর্ড সভার আলোচ্য সুচিতে শুধুমাত্র বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নাম উল্লেখ করে তাকে আবারও তিন বছর মেয়াদে পুনঃনিয়োগের সুপারিশ চূড়ান্ত করার কথা বলা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এই পদে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছিল কি না, কারা আবেদন করেছিলেন, কেন তারা যোগ্য বিবেচিত হলেন না বা কেন বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকই একমাত্র উপযুক্ত প্রাার্থী, কেন সংশ্লিষ্ট বিধি অবমাননা করে মেয়াদের পর মেয়াদ একই ব্যক্তিকে বারবার পূনঃ নিয়োগ অপরিহার্য তার প্রক্রিয়াগত প্রশ্নের উত্তর যাচাই করা হয়েছে কি না, তার উল্লেখ দরকার ছিলো।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রায় এক যুগ দায়িত্বকালে জনদুর্ভোগের বিষয়টি কারও অজানা নয়। বিভিন্ন গবেষনা ও গণমাধ্যমের সুত্র সূত্রে ওয়াসার ছোট-বড় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সেবা প্রদানে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির ব্যাপক বিস্তারের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। সরকারের দুর্নীতি দমন কমিশনে অনেকগুলি তদন্তাধীন।

বিবৃতিতে ক্যাব নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রাম ওয়াসার দুই বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ২০০৯ সালে প্রশ্নবিদ্ধ বিতর্কিত নিয়োগের পর টানা পাঁচ মেয়াদে ১১-১২ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিবারই নিয়োগ নবায়নের ক্ষেত্রে কোনো না কোনোভাবে আইন ও নীতিমালাকে ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন। কিন্তু সংস্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী নিয়োগে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য পরামর্শ দেয়া হলেও কখনো বয়সসীমা বাড়িয়ে, আবার কখনো বোর্ডের সাম্প্রতিক সভার সুপারিশ পাশ কাটিয়ে পুরনো সভার তামাদি সুপারিশ ব্যবহার করে, এমনকি বোর্ডের মতামত গ্রহণেরই তোয়াক্কা না করে প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে পুনঃনিয়োগ দেয়া হয়।

তাই আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তির না ঘটিয়ে বর্তমান দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নিয়োগে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট খাতে যোগ্য, অভিজ্ঞ ও কর্মট নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ দেবার দাবি জানান। একইসঙ্গে এই রাস্ট্রীয় মালিকানাধীন সেবা সংস্থার গ্রাহকদের কল্যাণে বর্তমান এমডি’সহ ওয়াসার যাবতীয় নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়ে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্ত ও নিরীক্ষার দাবি জানান।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 6:12 pm
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গুরুতর স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিকেল ৫টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। যা জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরপরই সংবিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।

এর আগে মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ-এর নিকট পদত্যাগপত্র জমা দেন।

স্পিকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানিং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় Autonomic Neuropathy নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।

তিনি আরও লিখেন, এ অবস্থায়, সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধানের ১২৩ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে দলটির মনোনীত ব্যক্তিরই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা নিয়ে বিএনপির শীর্ষপর্যায়ে কয়েক দিন ধরে আলোচনা চলছে।

আজ দুপুরে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই তিনি ব্যাংককে গিয়েছিলেন। সফরসূচি অনুযায়ী আগামী রোববার তাঁর ফেরার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগে তিনি দেশে ফেরেন।

পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 5:48 pm
পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। একটু আগে (বিকেল সাড়ে চারটা) স্পিকার বরাবর পদত্যাগ করেন তিনি। তাঁর পদত্যাগপত্র সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছেছে। বঙ্গভবন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পদত্যাগপত্রে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি লেখেন, তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতাসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।

ইতোপূর্বে তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, সম্প্রতি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি (Autonomic Neuropathy) নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে; যার ফলে তিনি মাঝেমধ্যেই কিছু সময় অচেতন হয়ে পড়েন।

তিনি আরও লেখেন, এসব রোগের প্রাদুর্ভাব ও শারীরিক-মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না এবং তার দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রয়োজন। এমন পরিস্থিতিতে সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে বিকেল ৫টার পর সংবাদ সম্মেলন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদের ৫৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি ও অসুস্থতার কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমরাও মানুষ : ডা. শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 2:55 pm
জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমরাও মানুষ : ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয় দাবি করে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা মানুষ, আমাদেরও ভুলত্রুটি হয়। আমরা একটা কথা পরিষ্কার বলেছি, অন্যায় আর জামায়াতে ইসলামী একসঙ্গে চলে না।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলার রুকন সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তবে এর অর্থ এই নয় যে, আমরা কোনো অন্যায় করি না। আমাদের ভুল, অন্যায়, দোষ ও অপরাধও হয়। আমরা আহ্বান জানিয়েছি, যারা দেশ ও জাতিকে ভালোবাসেন, তারা আমাদের কোনো অন্যায় বা অপরাধ দেখলে তা আমাদের ধরে দিন। কথা দিচ্ছি- আমরা সংশোধন করব, ইনশাআল্লাহ।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আপনার গায়ে যদি সাদা কাপড় থাকে, তাহলে আরও বেশি যত্নশীল হতে হবে। ভেরি কেয়ারফুল! নৈতিকতার প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামীতে কোনো ছাড় নেই।

তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করব সংশোধন করার। সহনীয় মাত্রার কোনো লঙ্ঘন হলে সংশোধনের মাধ্যমে তাকে আবারও দায়িত্ব দেওয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু সেই মাত্রা যদি গুরুতর হয়, তাহলে আমাদের কিছুই করার থাকবে না। সেক্ষেত্রে আমাদের কঠিন সিদ্ধান্তের দিকেই যেতে হবে। আর সেই বার্তা আমিসহ আমাদের সবার জন্য– সচেতন ও সতর্ক থাকার। সাবধান, সবাই সাবধান।