খুঁজুন
, ,

পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 5:48 pm
পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। একটু আগে (বিকেল সাড়ে চারটা) স্পিকার বরাবর পদত্যাগ করেন তিনি। তাঁর পদত্যাগপত্র সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছেছে। বঙ্গভবন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পদত্যাগপত্রে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি লেখেন, তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতাসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।

ইতোপূর্বে তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, সম্প্রতি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি (Autonomic Neuropathy) নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে; যার ফলে তিনি মাঝেমধ্যেই কিছু সময় অচেতন হয়ে পড়েন।

তিনি আরও লেখেন, এসব রোগের প্রাদুর্ভাব ও শারীরিক-মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না এবং তার দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রয়োজন। এমন পরিস্থিতিতে সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে বিকেল ৫টার পর সংবাদ সম্মেলন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদের ৫৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি ও অসুস্থতার কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

Feb2
Feb2

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 6:12 pm
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গুরুতর স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিকেল ৫টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। যা জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরপরই সংবিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।

এর আগে মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ-এর নিকট পদত্যাগপত্র জমা দেন।

স্পিকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানিং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় Autonomic Neuropathy নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।

তিনি আরও লিখেন, এ অবস্থায়, সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধানের ১২৩ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে দলটির মনোনীত ব্যক্তিরই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা নিয়ে বিএনপির শীর্ষপর্যায়ে কয়েক দিন ধরে আলোচনা চলছে।

আজ দুপুরে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই তিনি ব্যাংককে গিয়েছিলেন। সফরসূচি অনুযায়ী আগামী রোববার তাঁর ফেরার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগে তিনি দেশে ফেরেন।

জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমরাও মানুষ : ডা. শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 2:55 pm
জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমরাও মানুষ : ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফেরেশতাদের দল নয় দাবি করে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা মানুষ, আমাদেরও ভুলত্রুটি হয়। আমরা একটা কথা পরিষ্কার বলেছি, অন্যায় আর জামায়াতে ইসলামী একসঙ্গে চলে না।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলার রুকন সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তবে এর অর্থ এই নয় যে, আমরা কোনো অন্যায় করি না। আমাদের ভুল, অন্যায়, দোষ ও অপরাধও হয়। আমরা আহ্বান জানিয়েছি, যারা দেশ ও জাতিকে ভালোবাসেন, তারা আমাদের কোনো অন্যায় বা অপরাধ দেখলে তা আমাদের ধরে দিন। কথা দিচ্ছি- আমরা সংশোধন করব, ইনশাআল্লাহ।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আপনার গায়ে যদি সাদা কাপড় থাকে, তাহলে আরও বেশি যত্নশীল হতে হবে। ভেরি কেয়ারফুল! নৈতিকতার প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামীতে কোনো ছাড় নেই।

তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করব সংশোধন করার। সহনীয় মাত্রার কোনো লঙ্ঘন হলে সংশোধনের মাধ্যমে তাকে আবারও দায়িত্ব দেওয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু সেই মাত্রা যদি গুরুতর হয়, তাহলে আমাদের কিছুই করার থাকবে না। সেক্ষেত্রে আমাদের কঠিন সিদ্ধান্তের দিকেই যেতে হবে। আর সেই বার্তা আমিসহ আমাদের সবার জন্য– সচেতন ও সতর্ক থাকার। সাবধান, সবাই সাবধান।

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 24 July, 2026, 10:54 am
মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম নগরের বাজারে মাংস ও ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে মাছে ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়, আর ডিম ১৩৫ টাকা ডজন। পাঙাশ মাছের দামও দু’শ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) নগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, কয়েকটি মাছের দাম বেশ চড়া দেখা গেছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ ও ট্যাংরা ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে কিছুটা বেড়েছে চাষের কই, তেলাপিয়া, পাঙাশ ও মাঝারি আকারের রুই মাছের দাম। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

আরও দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। প্রতি কেজি গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে খরচ করতে হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাহাড়তলী বাজরের ইদ্রিস মিয়া বলেন, এই সপ্তাহে চাষের মাছের দাম বেড়েছে। বাজারে মাছ কম আসছে। এ কারণে কিছু মাছের দাম বেশি। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা বিক্রি করছি। পাঙাশ ২২০ টাকা। তবে মরে গেলে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

ব্রয়লার মুরগি কিনেছেন আতাউর রহমান ও তার স্ত্রী। তারা জানান, ব্রয়লার আজকে ১৯০ টাকা কেজি কিনেছেন। গত মাসে মুরগির দাম কম ছিল। আজকে তো কেজিতে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বেশি মনে হচ্ছে।

এদিকে মাছের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়লেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়।

আক্তারুজ্জামান নামে এক ক্রেতা বলেন, আমরা কী খাবো? সব কিছুর দাম তো বাড়ছে। বৃষ্টির কারণে বেড়েছে সবজির দাম। মাছের দাম বাড়াটা হয়ত ‍বুঝা যায় না। কিন্তু ১০ টাকা হলেও বেড়েছে। দাম বাড়লেও আমাদের খেতে হবে।