খুঁজুন
বুধবার, ৩রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৯:১৩ অপরাহ্ণ
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আর নেই

বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম করোনাভাইরাস সংক্রমণমুক্ত হলেও সুস্থ হয়ে আর ফিরতে পারলেন না

রোববার সন্ধ্যায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহিরাজিউন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

মাহবুবে আলমের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন মাহবুবে আলম।

তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

এর আগে এদিন সন্ধ্যায় তার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, জটিল অবস্থায় আছেন তিনি। অবস্থা খুব একটা ভালো না। দেখা যাক, ডাক্তাররা চেষ্টা করছেন। উনার অবস্থা খুবই ক্রিটিক্যাল।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ মুক্ত হলেও এক সপ্তাহ আগে হঠাৎ শারীরিক জটিলতা বাড়তে শুরু করে রাষ্ট্রের প্রধান এই আইন কর্মকর্তার।

গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর জ্বর নিয়ে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি হন মাহবুবে আলম। সেখানে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ই সেপ্টেম্বর মাহবুবে আলমের শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি ঘটলে আইসিইউতে নেয়া হয়।

ওই সময় আইনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, মাহবুবে আলমের সর্বশেষ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ এসেছিল।

মাহবুবে আলম ২০০৯ সালে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে নিয়োগ পান। তারপর মৃত্যু অবধি ওই পদে ছিলেন। পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সর্বোচ্চ আদালতে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন মাহবুবে আলম।

এছাড়া সংবিধানের পঞ্চম, সপ্তম, ত্রয়োদশ ও ষোড়শ সংশোধনী মামলা পরিচালনাও করেন তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের মামলায়ও যুক্ত ছিলেন মাহবুবে আলম। আলোচিত বিডিআর বিদ্রোহ হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবীর দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

তার এসব ভূমিকা স্মরণ করেছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, “মাহবুবে আলম বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা পরিচালনায় অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন একজন প্রথম সারির যোদ্ধা।”

শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “তিনি একজন প্রথিতযশা আইনজীবী হিসেবে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনেক আইনি বিষয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ভূমিকা রেখেছেন এবং সবসময় ন্যায়নিষ্ঠ থেকে আইনপেশায় নিয়োজিত ছিলেন, যা অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।”

তিনি এক মেয়াদে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং এক মেয়াদে সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মাহবুবে আলমের জন্ম ১৯৪৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মৌছামান্দ্রা গ্রামে।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৮ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স এবং ১৯৬৯ সালে লোক প্রশাসনে ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি নেন তিনি।

ছাত্র জীবনে বাম আন্দোলনে যুক্ত মাহবুবে আলম পরে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনে বাংলাদেশে কমিউনিস্ট পার্টিতে বিভক্তির পর রাজনীতি ছেড়ে আইন পেশায় পুরোদমে সক্রিয় হন মাহবুবে আলম।

তিনি অবশ্য ১৯৭৩ সালেই বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত হয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য হন।

মাহবুবে আলম ১৯৭৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগে এবং ১৯৮০ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আইন পেশা পরিচালনার অনুমতি পান। ১৯৯৮ সালে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি।

১৯৯৩-৯৪ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক নির্বাচিত হন।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ১৯৯৮ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে ২০০১ সালের ৪ অক্টোবর পর্যন্ত অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবে আলম।

২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারির আগে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছিলেন মাহবুবে আলম।

সেনা নিয়ন্ত্রিত ওই সরকার আমলে শেখ হাসিনা গ্রেপ্তার হওয়ার পর শীর্ষ আইনজীবীদের অনেকে পিছুটান দিলেও আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর পক্ষে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মাহবুবে আলম।

দৃশ্যত সেই কারণেই তার উপর আস্থাবান ছিলেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার পর ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান মাহবুবে আলম। তার পর থেকে টানা ১১ বছর তিনি এ দায়িত্বে বহাল ছিলেন।

সর্বশেষ সংসদ নির্বাচনে জন্মস্থান মুন্সীগঞ্জ থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন মাহবুবে আলম। তবে তাকে প্রার্থী না করে অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বই চালিয়ে যেতে বলা হয়।

মাহবুবে আলম ১৯৭৯ সালে ভারতের নয়াদিল্লির ‘ইনস্টিটিউট অব কনস্টিটিশনাল অ্যান্ড পার্লামেন্টারি স্টাডিজ’ থেকে সাংবিধানিক আইন ও সংসদীয় প্রতিষ্ঠান ও পদ্ধতি বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেন।

ভ্রমণপ্রিয় হিসেবে পরিচিত এই আইনজীবী দেশে ও দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে অংশ নিতে বিভিন্ন সময় ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, হংকং, কোরিয়া ও তানজানিয়াসহ অনেক দেশ সফর করেছেন।

রবীন্দ্র সাহিত্যের বিশেষ অনুরাগী মাহবুবে আলমের স্ত্রী বিনতা মাহবুব একজন চিত্রশিল্পী। তাদের দুই সন্তানের মধ্যে ছেলে সুমন মাহবুব দীর্ঘ দিন সাংবাদিকতায় ছিলেন, মেয়ে শিশির কনা আইন পেশায় রয়েছেন।

২৪ ঘণ্টা

Feb2

সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে মার্কেট-শপিংমল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে মার্কেট-শপিংমল

দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ সাশ্রয় কার্যক্রম আরও জোরদার ও কার্যকর করতে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সব শপিংমল, বিপণিবিতান, মার্কেট ও খুচরা দোকানপাট আবারও প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার কঠোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও ক্রেতাদের সুবিধার্থে সাময়িকভাবে খোলা রাখার যে বিশেষ সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ সোমবার (১ জুন) থেকে নতুন করে এই নির্দেশনা পুরো দেশে কার্যকর করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি জরুরি সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে। এই বিশেষ নির্দেশনাটি অনতিবিলম্বে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে সরকারি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের আদেশে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, এর আগে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সফলভাবে কার্যকর ছিল। তবে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিপুল পরিধি ও সাধারণ মানুষের কেনাকাটার সুবিধার্থে সাময়িকভাবে সেই সময়সীমা বৃদ্ধি করে রাত ১০টা পর্যন্ত করা হয়েছিল।

নতুন নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, ঈদ উৎসব ও উৎসব-পরবর্তী বিশেষ সুবিধার নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১ জুন থেকে আবারও সরকারের আগের মূল সিদ্ধান্তটি পুনর্বহাল করা হলো। এর ফলে এখন থেকে রাত ১০টার পরিবর্তে দেশের সব ধরণের ছোট-বড় শপিংমল, সুপার শপ, মার্কেট ও কাঁচাবাজারকে ঠিক সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে তাদের সব ধরণের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ শেষ করতে হবে।

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সর্বোচ্চ অপচয় রোধ ও সাশ্রয় নিশ্চিত করতে শপিংমলের পাশাপাশি আরও কিছু কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। নতুন আদেশ অনুযায়ী, দেশের সব ধরনের বাণিজ্যিক বিলবোর্ড ও বিজ্ঞাপনের ডিজিটাল আলোকসজ্জা প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ করতে হবে।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য স্থানীয় মেলা, জাতীয় বাণিজ্য মেলা এবং যেকোনো ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা কনসার্টও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সম্পূর্ণ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সব প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনাটি শতভাগ বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে।

তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। আজ (সোমবার) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে বলেন, বিকেল ৪টায় তোফায়েল আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।

পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। আজ (সোমবার, ১ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন।

পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান উল্লেখ করেছেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।