খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরিশালের উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনারের শুদ্ধাচার পুরস্কার অর্জন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
বরিশালের উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনারের শুদ্ধাচার পুরস্কার অর্জন

ডেস্ক নিউজ : ভূমি সংস্কার বোর্ড কর্তৃক ঘোষিত জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০১৯-২০ পুরস্কার পেয়েছেন বরিশাল বিভাগের উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনার (ডিএলআরসি) তরফদার মো: আক্তার জামীল।

শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা ২০১৭ অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের জন্য দেশের আট বিভাগের সব ডিএলআরসিদের মধ্য হতে একজন ডিএলআরসিকে এবছর পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।

২৩ সেপ্টেম্বর ‍বুধবার ভূমি সংস্কার বোর্ড, মতিঝিল এর সম্মেলন কক্ষে বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সরকারের সচিব মোঃ ইয়াকুব আলী পাটোয়ারী পুরস্কার হিসেবে তার হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন।এছাড়া তাকে এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থও দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার
চর্চায় উৎসাহ দেয়ার লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
‘শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা-২০১৭’ প্রণয়ন
করে। নীতিমালার ৪ ধারা অনুযায়ী ১১টি ক্ষেত্র ও ১৯টি সূচক বিবেচনায় নিয়ে শুদ্ধাচার পুরস্কার দেয়ার জন্য তিনজন কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্বাচন করা হয়।

শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ গুণাবলি হচ্ছে- পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা, সততার নিদর্শন, নির্ভরযোগ্যতা ও কর্তব্যনিষ্ঠা, শৃঙ্খলাবোধ, সহকর্মীদের সঙ্গে আচরণ, সেবাগ্রহীতার সঙ্গে আচরণ, প্রতিষ্ঠানের বিধিবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, সমন্বয় ও নেতৃত্বদানের ক্ষমতা, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে পারদর্শিতা, পেশাগত স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক সচেতনতা, উদ্ভাবনী চর্চার সক্ষমতা, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে তৎপরতা, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশে আগ্রহ, উপস্থাপন দক্ষতা, ই-ফাইল ব্যবহারে আগ্রহ এবং অভিযোগ প্রতিকারে সহযোগিতা করা।

শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ভূমি সংস্কার বোর্ড এর অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তা ছাড়াও ১ম-১০ম গ্রেড পর্যায়ে বোর্ডের সদস্য ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ জাকীর হোসেন এবং ১১তম-২০তম গ্রেড পর্যায়ে বোর্ডের সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর মুনতাছির মামুনকে পুরস্কৃত করা হয়।

২২তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের উপ-সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা তরফদার মো: আক্তার জামীল ২৯ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে বরিশাল বিভাগের উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন। ডিএলআরসি হিসেবে যোগদানের পর থেকেই তিনি সরকার ঘোষিত শতভাগ ই-নামজারি বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার ৪২টি উপজেলা ভূমি অফিস এবং ২৫৪ টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্বুদ্ধ করেন এবং তাদের কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করেন। এর ফলে গত অর্থ বছরে ই-নামজারি বাস্তবায়নে প্রত্যন্ত বিভাগ হওয়া সত্বেও বরিশাল বিভাগ ঈর্ষনীয় সাফল্য দেখাতে সক্ষম হয়। একই অর্থ বছরে প্রায় ৮ মাস তিনি খুলনা বিভাগের ১০ জেলার উপজেলা ভূমি অফিস এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কার্যক্রমও অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মনিটরিং করেন।

প্রতিনিয়ত অফিসগুলো ভিজিট করে তিনি স্বচ্ছতা ও সততার সাথে ভূমি সেবা প্রদানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উৎসাহ প্রদান করেন। এছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনাসহ করোনাকালে বিভাগীয় পর্যায়ে ডিএলআরসিদের মধ্যে তাকে করোনা ভাইরাস মোকাবেলা ও বিস্তার রোধকল্পে গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং তদারকির দায়িত্ব প্রদান করা হলে তিনি নিবিড়ভাবে তদারকির কাজটি সম্পন্ন করেন।

এছাড়া একজন বৃক্ষপ্রেমিক হিসেবে যখন যে অফিস তদারকিতে যান সেখানেই বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করেন এবং সহকর্মীদের এ কাজে উদ্বুদ্ধ করেন। উল্লেখ্য, তিনি নিজ মুন্সিয়ানায় অপরিচিত ডিএলআরসি পদটিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।

২৪ ঘণ্টা/আসাদ/জামিল

 

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…