খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরিশালে নারী নির্যাতন মামলার আসামী ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২০, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
বরিশালে নারী নির্যাতন মামলার আসামী ধরতে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ

বরিশাল ব্যুরোঃ বরিশালের উজিরপুরে নারী নির্যতন মামলার আসামী ধরতে যাওয়া পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে ২ পুলিশ কর্মকর্তাকে বেধরক মারধর করেছে সন্ত্রাসীরা। হামলার স্বীকার আহত দুই পুলিশ কর্মকর্তা হচ্ছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উজিরপুর থানার উপ পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন ও সহকারী পরিদর্শক নুরুল আমিন।

উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের কাকড়াধারী এলাকায় বৃহস্পতিবার (৮ অক্টেবর) রাতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ হামলার সাথে জড়িত রুবেল নামক একজনকে গ্রেফতার করেছে।

জানাগেছে, উপজেলার কাকড়াধারী গ্রামের হাবিব রাড়ীর পুত্র রবিউল ও সবুজের নামে উজিরপুর মডেল থানায় নারী নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন এক কলেজ ছাত্রী মামলাটি দায়ের করা হলে ওই মামলাটির আসামীরাসহ স্থানীয় লোকজন কাকড়াধারী গ্রামের সাইকুল রাড়ীর বাড়িতে সালিশ বৈাঠক আয়োজন করেন নরী নির্যাতন মামলার বাদী কলেজ ছাত্রী সুবর্নাকে ওই বৈঠকে জোড় করে হাজির করা হয়। মামলার বাদীর ফোন পেয়ে উজিরপুর থানার এস আই নিজামউদ্দিন ও এ এস আই নুরুল আমিন উপস্তিত হয়ে মামলার এজাহার ভুক্ত আসামী রবিউল ও সবুজকে গ্রেফতার করলে আসমী সবুজের আত্মীয়-স্বজনরা একত্রিত হয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তার উপর হামলা চালিয়ে আসামী ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

পুলিশের উপর হামলার খবর পেয়ে বরিশাল পুলিশ সুপার ও উজিরপুর সার্কেল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ ঘটানয় উজিরপুর থানার উপ পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে শুক্রবার উজিরপুর মডেল থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ২০/২৫ জন অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন বলে উজিরপুর থানার ওসি জিয়াউল আহসান নিশ্চিত করেছেন।

হামলার স্বীকার এ এস আই নুরুল আমিন জানিয়েছেন, তারা একটি নারী নির্যতন মামলার এজাহার ভুক্ত আসামীদের ধরার জন্য কাকড়াধারী গ্রামে উপস্তিত হলে মামলার আসামী সবুজ ও রবিউলের মামা বিমানবন্দর এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন আসামী সবুজের ভায়রা সোহেলের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী নিয়ে অর্তকিত ভাবে তাদের উপর হামলা চালিয়ে তাদের মারধর করে গায়ের পোশাক ছিড়ে ফেলে পুলিশের উপর হামলার খবর পেয়ে গুঠিয়া ক্যাম্পের পুলিশ উপস্তিত হলে আসামীরা পালিয়ে যায়।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম/আবু সাঈদ

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…