খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আপীল বিভাগের রায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সেই ৫২টি স্থাপনা উচ্ছেদে করা যাবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
আপীল বিভাগের রায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সেই ৫২টি স্থাপনা উচ্ছেদে করা যাবে
ইসলাম মাহমুদ, কক্সবাজার : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ‘প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকার’ কলাতলী থেকে সুগন্ধা পয়েন্ট পর্যন্ত গড়ে উঠা ৫২টি স্থাপনা উচ্ছেদে বাধা নেই বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের আপিল বিভাগ।
এর ফলে সৈকতের পাড় ঘেঁষে নির্মিত বেশ কয়েকটি রেস্তোরা ও দোকানপাট ভেঙ্গে ফেলতে হবে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে হাইকোর্টে আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতি ছৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চের ১ নম্বর আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দিয়েছেন বলে জানান মামলায় ভূমি মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। এর আগে ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) সৈকতের প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় (ইসিএ) গড়ে ওঠা ৫২টি স্থাপনা (প্রতিষ্ঠান) উচ্ছেদে নোটিশ প্রদান করে। এর প্রেক্ষিতে জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি এসব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করে। এ নিয়ে ২০১৮ সালের ১৬ এপ্রিল এসব স্থাপনা উচ্ছেদে উচ্চ আদালত রুল জারি ও স্থগিতাদেশ প্রদান করেন।
মূলত উচ্ছেদের আদেশ পাওয়া ৫২ টি স্থাপনা গড়ে তুলে ব্যবসা করতে কক্সবাজার পৌরসভা ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করেছিল। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মনজিল বলেন, ‘আদালতের এ আদেশের প্রেক্ষিতে ভূমি মন্ত্রণালয় ও সরকারের পক্ষে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করা হয়। বৃহস্পতিবার শুনানির নির্ধারিত দিনে সৈকতের কলাতলী থেকে সুগন্ধা পয়েন্ট পর্যন্ত গড়ে উঠা ৫২টি স্থাপনা উচ্ছেদের বিরুদ্ধে বহাল থাকা রুল ও স্থগিতাদেশ খারিজ করে আদালত এ আদেশ দিয়েছেন। এতে সৈকতের ইসিএ এলাকায় গড়ে ওঠা ৫২টি স্থাপনা উচ্ছেদে কোন বাধা রইল না।’
শুনানিতে এডভোকেট মনজিল মোরসেদ আরও বলেন, ‘কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে সরকার ইতিপূর্বে প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করেছে। এছাড়া ইতিপূর্বে জনস্বার্থের একটি মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশে সৈকত এলাকা কিছু স্থাপনা অপসারণও করা হয়েছিল। এমনকি আপিল বিভাগের একই রায়ে ইসিএ এলাকার ভেতরে থাকা স্থাপনাগুলো ভেঙ্গে অপসারণেরও নির্দেশ ছিল। তারপরও সৈকতের প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকার বিভিন্ন স্থানে নানা ধরণের স্থাপনা গড়ে তুলে ব্যবসা পরিচালনা হয়ে আসছে। কক্সবাজার পৌরসভা বে-আইনিভাবে এসব স্থাপনা গড়ে তুলতে ট্রেড লাইসেন্স দিয়েছে।’
এ নিয়ে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফোরকান আহমদ বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সৈকত এলাকায় এসব বৈধ-অবৈধ স্থাপনা সৈকতে তৈরি হয়ে আসছে। উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করলেও জায়গাটার মালিক জেলা প্রশাসন। এটা খাস জায়গা। খাস জায়গার দায়িত্ব কালেক্টরের। আর কালেক্টরের হলেন ডিসি, ল্যান্ড মিনিস্ট্রি।’ তাই এসব অবৈধ স্থাপনা অপসারণের পর প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে মন্তব্য করে কউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা যদি যৌথভাবে এটা না করি, আমি সরাই দিলাম, অপসারণ করলাম। কিন্তু জেলা প্রশাসন যদি এটা ধরে রাখতে না পারেন, অন্য একটা কিছু করার মত ব্যবস্থা না করেন; তাহলে এ সমস্যাগুলো হবেই।’ কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, আদালতের আদেশ হাতে পাওয়ার পর তা কার্যকর করার জন্য দ্রুত উচ্ছেদের ব্যবস্থা করা হবে।
২৪ঘণ্টা/এন এম রানা/
Feb2

অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে জাহাজ কুইচি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে জাহাজ কুইচি

মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পৌঁছেছে হংকংয়ের পতাকাবাহী জাহাজ কুইচি। আজ দুপুর থেকেই জাহাজটি থেকে তেল খালাস কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে এর লোকাল এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইন। এপ্রিল মাসে আসা এটি অকটেনের তৃতীয় চালান। গত ৮ এপ্রিল ২৬ হাজার টন ও ১৭ এপ্রিল ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে এসেছিল আরও দুটি জাহাজ।

দৈনিক ১২০০ টন চাহিদা হিসেবে এই এক মাসে আসা ৭৯ হাজার টন অকটেন দিয়ে চলা যাবে দুই মাসেরও বেশি সময়।

প্রাইড শিপিং লাইনের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম জানান, বহির্নোঙ্গরে অকটেন ও ডিজেল নিয়ে অবস্থান করছে আরও পাঁচটি জাহাজ। এছাড়া বুধবার তিনটি জাহাজ বার্থিং করে তেল খালাস শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, বন্দরে ডলফিন জেটি মাত্র তিনটি। তাই চাইলেও সবগুলো জাহাজকে একসঙ্গে বার্থিং দেয়া সম্ভব নয়। এদিকে আবহাওয়া খারাপ থাকায় কার্গো খালাসে একটু বেগ পেতে হচ্ছে।

চট্টগ্রামে নৌবাহিনী মেডিকেল কলেজের যাত্রা শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে নৌবাহিনী মেডিকেল কলেজের যাত্রা শুরু

চট্টগ্রামের বানৌজা ঈসা খান সংলগ্ন বন্দরটিলা এলাকায় নবনির্মিত বাংলাদেশ নৌবাহিনী মেডিকেল কলেজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) এ মেডিকেল কলেজের উদ্বোধন হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত এ আধুনিক মেডিকেল কলেজটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে গড়ে ওঠা একটি চিকিৎসাবিষয়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যা আধুনিক অবকাঠামো ও উন্নত প্রশিক্ষণ সুবিধার মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের নীতিমালা ও মানদণ্ড অনুসরণ করে এরই মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে চলতি শিক্ষাবর্ষে ৫০ জন বেসামরিক ছাত্রছাত্রীর অংশগ্রহণে ৫ বছর মেয়াদি চিকিৎসাশিক্ষা কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌবাহিনী প্রধান বলেন, চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে আধুনিক চিকিৎসাবিষয়ক শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত এ মেডিকেল কলেজ স্বাস্থ্যখাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দক্ষ, নৈতিক ও পেশাদার চিকিৎসক তৈরির মাধ্যমে এটি সশস্ত্র বাহিনীর চিকিৎসা সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং একই সঙ্গে দেশের সাধারণ জনগণের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

নেভি মেডিকেল কলেজটির মূল লক্ষ্য হলো স্বাস্থ্যখাতের জন্য দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করা, যারা সমাজের সকল স্তরে সকল পরিস্থিতিতে কার্যকর চিকিৎসা দিতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি দুর্যোগকালীন চিকিৎসা এবং সংক্রামক রোগ ব্যবস্থাপনায় গবেষণা ও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় স্বনির্ভরতা অর্জন এবং উপকূলীয় দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলে চিকিৎসাসেবায় দক্ষ জনবল গড়ে তোলা হবে।

প্রতিষ্ঠানটিতে আধুনিক ল্যাবরেটরি, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, উন্নত শ্রেণিকক্ষ এবং অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলীর সমন্বয়ে মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের সুদক্ষ শিক্ষক ও প্রশিক্ষিত জনবল দ্বারা একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়া এই কার্যক্রমে নৌবাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের শৃঙ্খলা ও পেশাদারত্বের সমন্বয়ে পরিচালিত নেভি মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম দেশের স্বাস্থ্যখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

এ সময় নৌবাহিনী সদর দপ্তর ও চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সামরিক ও বেসামরিক অতিথি, চিকিৎসা ও শিক্ষা খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।

৭ জেলায় বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
৭ জেলায় বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু

দেশের ৭ জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দিনের বিভিন্ন সময় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে পটুয়াখালীতে চারজন, জামালপুরে দুইজন, বরগুনায় দুইজন, ময়মনসিংহে একজন, বাগেরহাটে একজন, রংপুরে একজন ও রাজবাড়ীতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখি ঝড়ের সময় বজ্রপাতে চারজন নিহত হয়েছেন। বুধবার দিনের বিভিন্ন সময়ে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে গত দুই দিনে বজ্রপাতে অর্ধশতাধিক গরুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৯টার দিকে রাঙ্গাবালী উপজেলার চরগঙ্গা গ্রামে মাঠে গরু বাঁধতে গিয়ে সৌরভ মজুমদার (২২) বজ্রপাতে মারা যান। দুপুর ১টার দিকে কলাপাড়া উপজেলার তারিকাটা গ্রামে ভুট্টা ক্ষেতে কাজ করার সময় জহির উদ্দিন (২৮) নিহত হন। এরপর দুপুর ২টার দিকে পূর্ব চাকামাইয়া গ্রামে গরুকে ঘাস খাওয়াতে গিয়ে সেতারা বেগম (৫৫) এবং একই সময়ে শান্তিপুর গ্রামে মাঠ থেকে গরু নিয়ে আসার সময় খালেক হাওলাদার (৫৫) বজ্রপাতে প্রাণ হারান। এছাড়াও রাঙ্গাবালী ও কলাপাড়া উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় গত দুই দিনে অন্তত ৫০টি গরুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন এবং কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউছার হামিদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জামালপুর

জামালপুরের ইসলামপুরে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে শামীম মিয়া (৩৫) ও রাস্তার কাজ করার সময় সাগর ইসলাম (১৮) নামে এক শ্রমিক মারা যান। বুধবার সকালে উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের মরাকান্দি গ্রামে ও সাপধরী ইউনিয়নের ইন্দুল্লামারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শামীম মিয়া একই এলাকার হাজী মোহাম্মদ আলীর ছেলে এবং নিহত সাগর ইসলাম দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চিনিয়াপাড়া গ্রামের মো. স্বাধীনের ছেলে।

ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কাইয়ূম গাজী বলেন, বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা চলমান।

বরগুনা

বরগুনায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় আল-আমীন নামে এক জেলে ও নূরজামাল নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত আল-আমীন পাথরঘাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পদ্মা এলাকার বাসিন্দা এবং নূরজামাল আমতলী উপজেলার পূজাখোলা নামক এলাকার বাসিন্দা।

বুধবার দুপুরের দিকে পাথরঘাটা ও আমতলী উপজেলায় বজ্রপাতে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

পাথারঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল হক এবং আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, আমতলীতে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরপরই নিহতের পরিবারের সদস্যদের নিকট দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ২৫ হাজার টাকার একটি চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সাদ্দাম হোসেন উপজেলার গালাগাঁও ইউনিয়নের গাবরগাতি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর ছেলে। সকালে বাড়ির অদূরে রাংসা নদীতে মাছ ধরতে যান তিনি। এ সময় বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয় লোকজন মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।

তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানবীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

বাগেরহাট

বাগেরহাটে বজ্রপাতে রবিন হাওলাদার (৫৩) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার সরকারডাঙ্গা গ্রামের মাঠে গরু আনতে গেলে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। রবিন হাওলাদার সরকারডাঙ্গা গ্রামের জগদীশ হাওলাদারের ছেলে।

বাগেরহাট মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সরকারডাঙ্গা গ্রামে বজ্রপাতে রবিন হাওলাদার নামের এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। পারিবারিক শ্মশানে তার শেষকৃত্য হওয়ার কথা রয়েছে।

রংপুর

রংপুরের তারাগঞ্জে বজ্রপাতে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের কাজীপাড়া গ্রামে ওই গৃহবধূ রান্না করার জন্য বাড়ির পাশে খড়ি সংগ্রহ করতে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।

তারাগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, বজ্রপাতে গৃহবধূর মুত্যুর খবর শুনে নিহতের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

রাজবাড়ী

রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে সুমন মন্ডল (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মজ্জৎকোল গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সুমন ওই গ্রামের সিদ্দিক মন্ডলের ছেলে।

সুমনের বন্ধু মফিজুল ইসলাম রুবেল জানান, সকাল পৌনে ৭টার দিকে তিনি সাড়ে ৩ বছর বয়সী মেয়ে সাফিয়াকে কোলে নিয়ে বাড়ির পাশে দোকানে কিছু বাজার আনতে যাচ্ছিলেন। এসময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে মেয়ে কোল থেকে ছিটকে পড়ে যায় এবং সুমন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিলে সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মেয়ে সাফিয়ার নাক ও কান দিয়ে সামান্য রক্ত বের হলেও বর্তমানে সে সুস্থ রয়েছে।

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, বজ্রপাতে একজনের মৃত্যুর খবর শুনেছি।