খুঁজুন
রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিউনিসিয়ার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে ইতিহাস গড়ে জিতল জাপান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:২৭ অপরাহ্ণ
তিউনিসিয়ার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে ইতিহাস গড়ে জিতল জাপান

ম্যাচটাই ছিল বড় মাইলফলকের। বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচে নেমে ইতিহাসগড়া জয় পেয়েছে জাপান। সর্বোচ্চ এই প্রতিযোগিতায় প্রথমবার এত বড় (৪-০) ব্যবধানে জিতে তারা তিউনিসিয়ার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে। একইসঙ্গে এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে ৪টি গোল করল সামুরাই ব্লুরা।

এর আগে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ২-২ গোলের ড্র দিয়ে জাপান এবারের আসর শুরু করেছিল। তিউনিসিয়ার বিপক্ষে বড় জয় তাদের টানা চতুর্থবারের মতো নকআউট পর্বের দিকে একধাপ এগিয়ে দিলো। এর আগে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে এত বেশি গোল করতে পারেনি জাপান। গতিময় আক্রমণাত্মক ফুটবলে সহজ জয় পেল তারা। আর উদ্বোধনী ম্যাচের পর কোচ বরখাস্ত করার নজির গড়া তিউনিসিয়া কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি।

জাপানের হয়ে জোড়া গোল করেন আয়াসে উয়েদা। এ ছাড়া দাইচি কামাদা ও জুনিয়া ইতো একটি করে গোল করেন। এই জয়ে জাপান চার পয়েন্ট নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সমান অবস্থানে রয়েছে। তবে দুই ম্যাচে এক গোল বেশি করায় গোল ব্যবধানে এগিয়ে গ্রুপের শীর্ষে আছে ডাচরা। সমান ম্যাচ খেলে সুইডেন ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে অবস্থান করছে।

মেক্সিকোর এস্তাদিও মন্টেরেইয়ে অনুষ্ঠিত ১০০০তম ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে এগিয়ে যায় জাপান। যা বিশ্বকাপে তাদের ইতিহাসের দ্রুততম গোল। কেইতো নাকামুরার ক্রসে দাইচি কামাদা নিকটদূরত্ব থেকে বল জালে পাঠান। যা চলমান আসরে তার দ্বিতীয় গোল। ৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আয়াসে উয়েদা। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড দূর থেকে বাঁকানো শটে জালের কাঁপান।

উয়েদা ক্লাব পর্যায়েও দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছেন। ফেইনুর্দের হয়ে ২৪ গোল করে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জেতা এই ফুটবলার আজও দ্বিতীয়বার স্কোরশিটে নাম তোলেন ৮৩ মিনিটে। তার নিখুঁত লুপিং হেডে আসে জাপানের ঐতিহাসিক চতুর্থ গোল। এর আগে ৬৯ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন জুনিয়া ইতো। উয়েদার চমৎকার ফ্লিক থেকে বল পেয়ে তিনি তিউনিসিয়ার গোলরক্ষক আইমেন দাহমেনকে ঠান্ডা মাথায় ফাঁকি দিয়েছেন।

প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে ৫-১ গোলে লজ্জাজনক হারের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে দু’বারের আফ্রিকা কাপ অব নেশনস জয়ী কোচ হার্ভে রেনার্দকে দায়িত্ব দিয়েছিল তিউনিসিয়া। কিন্তু উত্তর আফ্রিকার দলটি জাপানের দ্রুতগতির আক্রমণ ঠেকাতে পারেনি, আবার নিজেরাও উল্লেখযোগ্য কোনো গোলের সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।

Feb2

সুইজারল্যান্ডে ইরানের প্রতিনিধি দল, যাচ্ছেন ভ্যান্স-শাহবাজ-মুনিরও

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ
সুইজারল্যান্ডে ইরানের প্রতিনিধি দল, যাচ্ছেন ভ্যান্স-শাহবাজ-মুনিরও

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দিতে ওয়াশিংটন ছেড়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও। একই আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসীম মুনির।

রোববার (২১ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বে দেশটির প্রতিনিধি দলটি এরই মধ্যে সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে।

ইরানি প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) যাতে সব পক্ষ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করে, তা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

এদিকে ওয়াশিংটন ছাড়ার আগে শনিবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, সুইজারল্যান্ডে ইরানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের এই আলোচনা নিয়ে তিনি বেশ আশাবাদী। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে এই আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জেডি ভ্যান্স বলেন, ইরানি প্রতিপক্ষের সঙ্গে অন্তত এক বা দুইদিন জোরালো আলোচনা হতে পারে। লেবাননে যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুরতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ এবং চুক্তিটি কার্যকর করতে করণীয় বিষয়গুলোর পাশাপাশি ইরানের পরমাণু অস্ত্রের আকাঙ্ক্ষা নসাৎ করার দিকেও ওয়াশিংটন মনোনিবেশ করবে। তবে ইরানের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি এর আওতাভুক্ত নয় বলে তিনি স্পষ্ট করেন। তিনি আরও বলেন, সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে নির্ধারিত ৬০ দিনের মেয়াদে উভয় পক্ষ ঠিক কী অর্জন করতে চায়, তা সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরার প্রথম সুযোগ এটি।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসীম মুনির বুর্গেনস্টকের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন। এই আলোচনায় কাতারও অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতা বাস্তবায়নে পাকিস্তান তার সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

চট্টগ্রামে তিন খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ৩৬ লাখ টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ৩৬ লাখ টাকা জরিমানা

চট্টগ্রামে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সংক্ষিপ্ত বিচারিক কার্যক্রমে তিনটি খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিভিন্ন অনিয়ম, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনা এবং নিরাপদ খাদ্য আইন লঙ্ঘনের দায়ে এ জরিমানা করা হয়।

শনিবার (২০ জুন) চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম মহানগরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফা।

অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করা হয়। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় আদালত তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার আদেশ দেন।

অভিযানে আবুল খায়ের ফুড অ্যান্ড বেভারেজে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণে বিষাক্ত প্লাস্টিকজাতীয় পদার্থের উপস্থিতি, চানাচুর, চিড়া ও বুট উৎপাদনে পোড়াতেল ব্যবহার, প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় বর্জ্য পদার্থ সংরক্ষণ, খাদ্যপণ্যের মোড়কীকরণে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ না করা, বিভ্রান্তিকর তথ্য সংযোজন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ম্যাংগো ফ্রুট পাল্প সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ এবং খাদ্য কর্মীদের স্বাস্থ্যবিধি না মানাসহ বিভিন্ন অসঙ্গতি পাওয়া যায়। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এদিকে মধুবন সুইটস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, বিভিন্ন পোকামাকড়ের অবাধ বিচরণ, নিম্নমানের খাদ্যপণ্য উৎপাদন, বর্জ্য পদার্থ খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহার, খাদ্য স্পর্শক হিসেবে খোলা কাগজ ও খবরের কাগজ ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে মোড়কীকরণ না করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অপরদিকে ময়মনসিংহ অ্যাগ্রোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণসহ বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে। জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চট্টগ্রামের নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোহাম্মদ ফারহান ইসলাম বলেন, খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে আবুল খায়ের ফুড অ্যান্ড বেভারেজকে ১৬ লাখ টাকা, মধুবন সুইটস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে ১৫ লাখ টাকা এবং ময়মনসিংহ অ্যাগ্রোকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ইকুয়েডরকে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ইকুয়েডরকে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও

প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে হার। বিশ্বকাপের অভিষেক মঞ্চে এমন এক হতাশাজনক শুরুর পর খুব কম মানুষই কুরাসাওয়ের কাছ থেকে বড় কিছু প্রত্যাশা করেছিলেন। কিন্তু ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই সবাইকে চমকে দিল ক্যারিবীয় দ্বীপদেশটি। দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দল ইকুয়েডরকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ফল তুলে নিয়েছে কুরাসাও।

রোববার (২১ জুন) কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল ইকুয়েডরের। একের পর এক আক্রমণ সাজিয়ে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি তারা। এর প্রধান কারণ ছিলেন কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক এলয় রুম। পুরো ম্যাচজুড়ে অসাধারণ দৃঢ়তা ও মনোযোগ ধরে রেখে ইকুয়েডরের একাধিক নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেন তিনি।

ম্যাচে মোট ১৫টি সেভ করেছেন রুম, যা বিশ্বকাপের মঞ্চে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম সেরা গোলকিপিং প্রদর্শনী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডর গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও বারবার তাদের হতাশ করেছেন এই গোলরক্ষক। দূরপাল্লার শট, বক্সের ভেতরের সুযোগ কিংবা হেড সব ধরনের প্রচেষ্টাই ঠেকিয়ে দিয়েছেন তিনি।

বিশ্বকাপে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড এখনও যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক গোলরক্ষক টিম হাওয়ার্ডের দখলে। ২০১৪ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে তিনি ১৬টি সেভ করেছিলেন। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১৫টি সেভ করে সেই রেকর্ডের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন রুম।

ম্যাচের আগে কাগজে-কলমে পরিষ্কার ফেভারিট ছিল ইকুয়েডর। বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা, খেলোয়াড়দের মান এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স সবদিক থেকেই এগিয়ে ছিল দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিরা। কিন্তু মাঠে নিজেদের পরিকল্পনা নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করে কুরাসাও। শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ, কঠোর পরিশ্রম এবং গোলরক্ষকের অনবদ্য নৈপুণ্যে ইকুয়েডরের আক্রমণভাগকে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে দেয় তারা।

প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে সাত গোল হজম করা দলটির জন্য এই ফল শুধু একটি পয়েন্ট নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ারও বড় উপলক্ষ। বিশ্বকাপের মতো আসরে প্রথমবারের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পয়েন্ট অর্জন কুরাসাওয়ের ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নেবে।

অন্যদিকে, ইকুয়েডরের জন্য এটি হতাশার ফল। নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই পয়েন্ট হারিয়েছে তারা। ম্যাচজুড়ে আধিপত্য দেখিয়েও গোল করতে না পারার আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে দলটিকে।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে কুরাসাওয়ের খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাসই বলে দিচ্ছিল, তাদের কাছে এই ড্রয়ের মূল্য কতটা। জয়ের সমান আনন্দ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ক্যারিবীয় দেশটি। আর সেই আনন্দের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন গোলরক্ষক এলয় রুম, যার বীরত্বেই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও।