খুঁজুন
, ,

হাওরাঞ্চলের মানুষের দুঃখ আর থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2020, 4:00 pm
হাওরাঞ্চলের মানুষের দুঃখ আর থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ সড়ক নির্মাণের ফলে হাওরবাসীর চলাচলের দুর্ভোগ কমেছে, সৃষ্টি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থানের। ফলে হাওরাঞ্চলের মানুষের দুঃখ আর থাকবে না।

বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হন তিনি।

হাওরের বিশাল জলরাশির মাঝখানে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক এখন একটি আকর্ষণীয় পর্যটনস্থলে পরিণত হয়েছে। কিশোরগঞ্জ জেলায় হাওরের বুকে ইটনা থেকে মিঠামইন হয়ে অষ্টগ্রাম পর্যন্ত ২৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ক নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৮৭৪.০৮ কোটি টাকা। ২০১৬ সালের ২১ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এ সড়কের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছিলেন।

আজকের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। মহামান্য রাষ্ট্রপতি যদি এই উদ্যোগটা না নিতেন, আর বারবার আমাদের না বলতেন, তা হলে তো এই অঞ্চলে যে এই রকমভাবে রাস্তা করা যায়, এটি হয়তো চিন্তারই বাইরে ছিল। কিন্তু আজকে তার অনুপ্রেরণা এবং তারই উদ্যোগে এ রাস্তাটি আমরা করতে পেরেছি।

এই সড়ক হওয়ায় কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের মানুষের এখন আর সেই ‘আগের মতো দুঃখ থাকবে না’ বলে আশা প্রকাশ করেন সরকারপ্রধান।

সারা দেশে যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পণ্য পরিবহন ও মানুষের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে তার সরকার সারা দেশে ‘যোগাযোগ নেটওয়ার্ক’ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সারা দেশে একটা সড়কের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছি; যাতে করে যোগাযোগব্যবস্থাটা… নৌপথগুলো সচল করা… সেই ব্যবস্থা নিয়েছি। রেলপথ সংযোগ পুনরায় স্থাপন করে এবং আরও নতুন নতুন অঞ্চলে রেললাইন সম্প্রসারণ করে রেলে যোগাযোগের সুযোগটা বাড়াচ্ছি। নৌপথে যোগাযোগ বাড়াচ্ছি, সড়কপথে যোগাযোগ বাড়াচ্ছি।

অনুষ্ঠানের গণভবন প্রান্তে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

আর কিশোরগঞ্জের মিঠামইন প্রান্তে ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, ডিসি মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

হাসপাতালের লাইন দীর্ঘ না করতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 7:17 pm
হাসপাতালের লাইন দীর্ঘ না করতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে: ডিসি জাহিদ

হাসপাতালে রোগীর চাপ কমাতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করে রোগ প্রতিরোধে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, মানুষ অসুস্থ হওয়ার পর শুধু চিকিৎসার ব্যবস্থা বাড়ানোর পরিবর্তে খাদ্য উৎপাদন থেকে প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশন—প্রতিটি পর্যায়ে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চট্টগ্রাম থেকে এ ধরনের একটি নতুন অভিযাত্রা শুরু হতে পারে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁয় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন। এ সময় রেস্তোরাঁগুলোর রান্নাঘর, খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনব্যবস্থা, সংরক্ষণ এবং পরিচ্ছন্নতায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের জন্য ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়ার কথা জানান তিনি।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের চিন্তা করতে হবে—আমরা কি হাসপাতালের লাইন আরও দীর্ঘ করব, নাকি মানুষকে অসুস্থ হওয়ার আগেই সুস্থ রাখার চেষ্টা করব?’

দেশে হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা বাড়লেও রোগীর চাপ কমছে না উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, ১০ বছর আগে হাসপাতালগুলোয় রোগীর চাপ কেমন ছিল এবং এখন কেমন, তা দেখতে হবে। হাসপাতাল বাড়লেও অনেক জায়গায় রোগীরা শয্যা পাচ্ছেন না। কেন এমন হচ্ছে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে।

তাঁর মতে, রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার পাশাপাশি রোগের কারণ চিহ্নিত করে প্রতিরোধে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। আর রোগ প্রতিরোধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় হচ্ছে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমরা যদি স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিসম্পন্ন খাবার গ্রহণ না করি, তাহলে সুস্থ জাতি গঠন করতে পারব না।’

খাদ্যনিরাপত্তার ঝুঁকি শুধু হোটেল-রেস্তোরাঁয় সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে জাহিদুল ইসলাম বলেন, কৃষিপণ্য উৎপাদনে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশকের ব্যবহার, পশু-পাখি পালনে ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ এবং খাবার প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশনে স্বাস্থ্যবিধির ঘাটতি—বিভিন্ন পর্যায়ে খাদ্য অনিরাপদ হয়ে উঠতে পারে।

তাই উৎপাদন থেকে ভোক্তার খাবারের টেবিলে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্বশীল হতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জেলা প্রশাসক বলেন, জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে বাইরে তৈরি খাবারের ওপর মানুষের নির্ভরতা বাড়ছে। কর্মজীবী অনেক পরিবারের পক্ষে প্রতিদিন ঘরে রান্না করা সম্ভব হয় না। অনলাইনে খাবার অর্ডার এবং হোটেল-রেস্তোরাঁর ওপর নির্ভরতাও বাড়ছে। এ কারণে রেস্তোরাঁয় নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করা জনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।

খাদ্যে অনিয়ম ঠেকাতে বছরের পর বছর অভিযান ও জরিমানা করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে স্থায়ী পরিবর্তন আসেনি বলে জানান জেলা প্রশাসক। জরিমানার পরও কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের অনিয়ম আবার দেখা যাচ্ছে।

এ কারণে শুধু জরিমানা ও শাস্তির ওপর নির্ভর না করে রেস্তোরাঁ মালিক ও কর্মীদের মধ্যে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

‘শুধু জরিমানা করাই আমাদের দায়িত্ব নয়। যাঁরা ব্যবসা করছেন, তাঁদেরও দায়িত্ব নিতে হবে,’ বলেন জাহিদুল ইসলাম।

রেস্তোরাঁয় কর্মরত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য নিয়ে প্রাথমিক তথ্যভান্ডার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান জেলা প্রশাসক। বিশেষ করে রান্না, খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কর্মীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। কর্মীদের মাধ্যমে কোনো সংক্রামক রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের কথাও বলেন তিনি।

প্রতিটি রেস্তোরাঁকে নিবন্ধিত শ্রেণি অনুযায়ী নির্ধারিত মান বজায় রাখতে হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠান যে মানের রেস্তোরাঁ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে, ভোক্তার সেই মানের নিরাপদ খাবার ও সেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

নির্ধারিত মান বজায় রাখতে না পারলে রেস্তোরাঁর গ্রেড পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। বিষয়টি ভোক্তাদের জানানোর ব্যবস্থাও নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

‘পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম’ এবং ‘দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান–২০২৬’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। কাজীর দেউরি হয়ে র‍্যালিটি স্টেডিয়াম মার্কেট প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

পরে স্টেডিয়াম এলাকার রেস্তোরাঁগুলোতে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়। একই সময়ে জেলার অন্যান্য রেস্তোরাঁয়ও মালিক ও কর্মীরা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালান। এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংসও এ কার্যক্রমের অংশ ছিল।

জেলা প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত চট্টগ্রাম গড়তে গত জুলাই থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে। এর ধারাবাহিকতায় রেস্তোরাঁয় পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান রেস্তোরাঁয় রান্না ও খাবার পরিবেশনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্যসনদ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্ব দেন। রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির প্রতিনিধিরাও নিরাপদ খাবার পরিবেশনে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার কথা জানান।

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, উৎপাদক, ব্যবসায়ী, রেস্তোরাঁ মালিক, কর্মী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও ভোক্তা—সব পক্ষকেই দায়িত্ব নিতে হবে।

চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সমাজ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের জন্য উদাহরণ তৈরি করেছে উল্লেখ করে জাহিদুল ইসলাম বলেন, নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম পথ দেখাতে পারে।

‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে প্রতিরোধ। মানুষ অসুস্থ হওয়ার পর শুধু চিকিৎসার ব্যবস্থা নয়, আমরা চাই মানুষ যেন আগে থেকেই সুস্থ থাকে,’ বলেন জেলা প্রশাসক।

নেই আইফোন, জঙ্গলে মিলল কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 3:11 pm
নেই আইফোন, জঙ্গলে মিলল কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ

মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়া ১৩ বছরের কিশোর অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিখোঁজের একদিন পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মরদেহ উদ্ধার হলেও তার কাছে থাকা আইফোনটি পাওয়া যায়নি।

অপ্রতিম বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।

এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে ওইদিন সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।

নিখোঁজের পর থেকেই অপ্রতিমকে উদ্ধারে স্বজনদের পাশাপাশি পুলিশও তৎপর ছিল। তার সর্বশেষ অবস্থান এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছিল পুলিশ।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ পাওয়া গেছে। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এদিকে অপ্রতিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 2:50 pm
নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান পর সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। জারি করা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ অনুযায়ী চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধির একটি অংশ এবং পর্যায়ক্রমে ২০২৭ সালের জুলাই থেকে শতভাগ বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইভাবে পেনশনভোগীরাও পর্যায়ক্রমে বর্ধিত নিট পেনশন পাবেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এরপর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়

আদেশ অনুযায়ী, ১ জুলাই নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করে বেতন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৪০ শতাংশ নবম ও এর ওপরের গ্রেডে এবং ৫০ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে।

পরবর্তী ধাপে ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৭০ শতাংশ ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ৭৫ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের দেওয়া হবে।

এরপর ১ জুলাই ২০২৭ থেকে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টসহ মূল বেতন শতভাগ কার্যকর হবে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, কর্মচারীরা ১ জুলাই থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে পাবেন।

পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও একইভাবে পর্যায়ক্রমে বর্ধিত নিট পেনশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদ্যমান নিট পেনশন স্ল্যাব ২০ হাজার ১ টাকা ও তদূর্ধ্বের ক্ষেত্রে নিট পেনশন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৪০ শতাংশ এবং ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্ল্যাবের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বিদ্যমান নিট পেনশনের সঙ্গে যোগ করে দেওয়া হবে।

আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ২০ হাজার ১ টাকা ও তদূর্ধ্বের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির ৭০ শতাংশ এবং ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্ল্যাবের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ দেওয়া হবে।

আগামী বছরের ১ জুলাই থেকে বার্ষিক বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টসহ নিট পেনশন শতভাগ কার্যকর হবে। অবসরভোগী ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীরাও গত ১ জুলাই থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের নিট পেনশন বকেয়া হিসেবে পাবেন।

এ ছাড়া গত ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে কোনো কর্মচারী অবসর-উত্তর ছুটি শেষে অবসরে গেলে তার ‘গ্রস ও নিট পেনশন জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬’ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।