খুঁজুন
বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২০, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
যশোরে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু

নিলয় ধর, যশোর প্রতিনিধি : অবশেষে যশোরে কাঙ্খিত ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু হয়েছে। ইতিমধ্যে সাত জন যশোর অফিস থেকে এই পাসপোর্ট গ্রহণ করেছে ও প্রক্রিয়াধীন আছে শতাধিক আবেদন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে যশোরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম চালু হয়।

করোনা মহামারির কারণে এ কার্যক্রম দুই মাস পিছিয়ে ছিল। একইসাথে চালু রয়েছে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট কার্যক্রম।

সূত্র জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের ঘোষণা দেন। ই-পাসপোর্ট এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে বিদ্যমান বইয়ের সঙ্গে একটি ডিজিটাল পাতা (ডাটা পেজ) জুড়ে দেওয়া রয়েছে। ওই ডিজিটাল পাতায় উন্নতমানের মেশিন রিডেবল চিপ বসানো রয়েছে। এতে সংরক্ষিত থাকবে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য।

ডাটা পেজে থাকবে পাসপোর্টধারীর ৩ ধরনের ছবি, ১০ আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ। ভ্রমণকালে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কম্পিউটারের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য-উপাত্ত জানতে পারবেন। এতে সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে বিভিন্ন বিমানবন্দরে ভিসা চেকিংয়ে। পৃথিবীর ১২০টি দেশে বর্তমানে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু আছে। চলতি বছরের ২৮ জুন থেকে দেশের বিভাগীয় অফিসগুলোতে এই কার্যক্রম চালু হবার কথা ছিল। এর ১৫ দিন পর জেলা অফিসগুলোতে ই-পাসপোর্টের কাজ শুরু হবে বলে নিদের্শনা পাঠানো হয়। কিন্তু করোনায় গোটা দেশ বিপর্যস্থ হয়ে পড়ে। ফলে অন্যান্য অফিস আদালতের ন্যায় পাসপোর্ট অফিসও কিছুদিন বন্ধ ছিল। এই কারণে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ধীরগতি আসে। পরবর্তীতে সরকারের নির্দেশে পাসপোর্ট অফিস খোলা হলেও নতুন আবেদন ও সংশোধন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। শুধুমাত্র চালু ছিল কোন পরিবর্তন ছাড়াই নবায়ন কার্যক্রম। এরপর গত সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যায় দেশের পাসপোর্ট অফিসগুলো।

২৯ সেপ্টেম্বর থেকে যশোরে চালু হয় ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম। এরপর গত ১৫ দিনে যশোর অফিস থেকে ৭ জনের ই-পাসপোর্ট প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে আরো শতাধিক বলে অফিস সূত্র জানানো হয়েছে।

সূত্র জানায়, যশোর অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট ৫ ও ১০ বছর মেয়াদী প্রদান করা হচ্ছে। এই ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, ১৮ বছরের নীচে ও ৬০ বছর বয়সের অধিক ব্যক্তিরা ৫ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের আবেদন করতে পারবেন। এই বয়সের বাইরের মানুষ ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের আবেদন করতে পারবেন। ৪৮ পাতার দশ বছর মেয়াদী সাধারণ (২১ দিন) ই-পাসপোর্টের ফি ৫ হাজার ৭৫০ টাকা, জরুরি (১০ দিন)মেয়াদের ফি ৬ হাজার ৩২৫ টাকা ও অতি জরুরি (২ দিন)মেয়াদের ফি ৮ হাজার ৬২৫ টাকা। একই পাসপোর্টের পাঁচ বছর মেয়াদী সাধারণ ফি ৪ হাজার ২৫ টাকা, জরুরি ফি ৬ হাজার ৩২৫ টাকা ও অতি জরুরি ফি ৮ হাজার ৬২৫ টাকা।

এছাড়া, ৬৪ পাতার ই-পাসপোর্টের দশ বছর মেয়াদী ফি সাধারণ(২১ দিন)৮ হাজার ৫০ টাকা, জরুরি ফি (১০ দিন) ১০ হাজার ৩৫০ টাকা ও অতি জরুরি ফি (২ দিন) ১৩ হাজার ৮শত টাকা। একই পাসপোর্টের পাঁচ বছর মেয়াদী ফি সাধারণ ৬ হাজার ৩২৫ টাকা, জরুরি ফি ৮ হাজার ৬২৫ টাকা ও অতি জরুরি ফি ১২ হাজার ৭৫ টাকা। একইসাথে চালু রয়েছে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)কার্যক্রম। এই পাসপোর্ট আবেদনের সাধারণ ফি(২১ দিন) ৩ হাজার ৪৪৫ টাকা।

এদিকে, ই-পাসপোর্টের আবেদন ও জমা সবকিছুই অনলাইনে করতে হবে। প্রথমেই অনলাইনে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন পূরণ করতে হবে। এরপর চাইলে আবেদনের সাথেই অনলাইনে নির্দিষ্ট ফি জমা দেয়া যাবে। এসময় অনলাইনেই আবেদনকারীকে অফিসে ফরম জমা দেয়ার তারিখ ও সময় জানিয়ে দেয়া হবে। এরপর আবেদনকারী নির্দিষ্ট তারিখে যশোর পাসপোর্ট অফিসে ফরম জমা দিতে পারবেন। এর বাইরে অন্য দিনে গেলে তিনি আবেদন জমা দিতে পারবেন না। অনলাইন ছাড়াও পাসপোর্ট আবেদনের ফি সোনালী ব্যাংক, যশোর কর্পোরেট শাখাসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকে জমা দেওয়া যায়।

এসব ব্যাপারে যশোর পাসপোর্ট অফিসে সদ্য আসা সহকারী পরিচালক মোবারক হোসেনের সাথে কয়েকবার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তারস্থলে মোবাইল রিসিভ করেন অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর। তিনি বলেছেন, স্যার রুমের বাইরে আছেন। আর পাসপোর্ট সংক্রান্ত সব তথ্য ওয়েবসাইটে রয়েছে। ওখান থেকে দেখে নিন, সব তথ্য পেয়ে যাবেন। এর ২ ঘন্টা পর দুপুর ২টা ৫১ মিনিটে ফের ফোন করা হলে অপরপ্রান্ত থেকে একই কথা বলা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

জুনের মধ্যে ব্যারাকে ফিরবে সব সেনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
জুনের মধ্যে ব্যারাকে ফিরবে সব সেনা

আগামী জুন মাসের মধ্যে মাঠপর্যায়ে থাকা সব সেনা সদস্যকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় নেওয়া হয় এ সিদ্ধান্ত। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেনা সদস্যদের চূড়ান্ত প্রত্যাহার শুরু হবে আগামী ৬ জুন থেকে। শুরুতে দূরবর্তী জেলা থেকে ব্যারাকে ফেরানো হবে সেনা সদস্যদের। পরবর্তীকালে ধাপে ধাপে বিভাগীয় শহর এবং বড় জেলা থেকে তুলে আনা হবে তাদের। এভাবে জুন মাসের মধ্যেই সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সরিয়ে নেওয়া হবে মাঠ থেকে।

গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, ‘নির্বাচনের পর সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা আর বহাল নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি মূলত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে তারা।’

এর আগে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কারফিউ জারি করে সেনা নামিয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনে ওই বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পুলিশ বাহিনী ভেঙে পড়ায় মাঠেই থেকে যায় সেনাবাহিনী। ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচনেও দায়িত্ব পালন করেছেন সেনাসদস্যরা।

সারা দেশে মাঠপর্যায়ে এখনো ১৭ হাজার সেনাসদস্য রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। মাঠপর্যায় থেকে সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে চূড়ান্ত প্রত্যাহার করতে বিভিন্ন সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ জানিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তার কারণ হিসেবে বলা হয়, দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করতে করতে সদস্যরা ক্লান্ত, তাদের বিশ্রামের প্রয়োজন। এমন প্রেক্ষাপটে গতকাল আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের চূড়ান্তভাবে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বাসের পর এবার বাড়লো লঞ্চের ভাড়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
বাসের পর এবার বাড়লো লঞ্চের ভাড়া

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাসের পর বাড়লো লঞ্চভাড়াও। একজন যাত্রীর লঞ্চভাড়া কম দূরত্বে প্রতি কিলোমিটারে ১৮ পয়সা ও বেশি দূরত্বে ১৪ পয়সা বেড়েছে। কম দূরত্বে লঞ্চের ভাড়া ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ ও বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) লঞ্চের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

লঞ্চভাড়া ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ২ টাকা ৭৭ পয়সা থেকে ১৮ পয়সা বেড়ে ২ টাকা ৯৫ পয়সা এবং ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে ভাড়া ২ টাকা ৩৮ পয়সা থেকে ১৪ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জনপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ২৯ টাকা থেকে ৩ টাকা বাড়িয়ে ৩২ টাকা করা হয়েছে।

নতুন ভাড়া মঙ্গলবার (৫ মে) থেকেই কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (নৌরুট, পারমিট, সময়সূচি ও ভাড়া নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৯’ এর বিধি ২৭ অনুযায়ী সরকার নৌযানে যাত্রী পরিবহনের জন্য জনপ্রতি সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন যাত্রী ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করেছে।

এর আগে গত ১৮ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়ে। জ্বালানি তেলের নতুন দাম ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়। এরপরই গণপরিবহনের ভাড়া বাড়াতে তৎপর হয়ে ওঠেন মালিক ও শ্রমিকরা। দফায় দফায় সরকারের সঙ্গে মিটিং করেন তারা।

পরে গত ২৩ এপ্রিল ডিজেলচালিত বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানোর ঘোষণা দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ওইদিনই ভাড়া বাড়িয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওইদিন থেকে কার্যকর হয় নতুন ভাড়া।

কাপ্তাই হ্রদে ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা অবমুক্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
কাপ্তাই হ্রদে ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা অবমুক্ত

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও কার্প জাতীয় মাছের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) এর নিজস্ব হ্যাচারিতে উৎপাদিত মোট ৬০ মেট্রিক টন মাছের পোনা কাপ্তাই হ্রদে অবমুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে বিএফডিসির ফিশারিঘাটে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের অতিরিক্ত চেয়ারম্যান মো. ইমাম উদ্দীন কবীরের সভাপতিত্বে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এছাড়া প্রজনন মৌসুমে মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে আগামী ৩ মাস পর্যন্ত মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা হয়েছে। চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে প্রায় ২৭ হাজার নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মাঝে বিশেষ ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্ধোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (স.দা) ড. অনুরাধা ভদ্র, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের রাঙামাটি কমান্ডার কর্নেল আবু মোহাম্মদ সিদ্দিক আলম এবং পৌর প্রশাসক মো. মোবার হোসেন।

প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদ দেশের মৎস উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এখানকার মাছ দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। উৎপাদন ও রপ্তানি আরও বাড়াতে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

‎তিনি আরও বলেন, জেলেদের ভিজিএফ কার্ডের আওতায় বর্তমানে যে ২০ কেজি চাল দেওয়া হয়, তা সমতলের জেলেদের মতো ৪০ কেজিতে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কাপ্তাই হ্রদ দূষণমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল থেকে পরবর্তী তিন মাস কাপ্তাই হ্রদে সব ধরনের মাছ ধরা ও বিপণন নিষিদ্ধ রয়েছে।