খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক চর্চায় উজ্জীবিত রেখেছে ঠাকুরগাঁও কর্নেট সাংস্কৃতিক সংসদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
নতুন প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক চর্চায় উজ্জীবিত রেখেছে ঠাকুরগাঁও কর্নেট সাংস্কৃতিক সংসদ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের আঞ্চলিক গানগুলো লোকজ সংস্কৃতির গ্রামীণজীবনের প্রাণের স্পন্দন। এ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে করোনাকালেও কিছু কিছু সাংস্কৃতিক সংগঠন চালিয়ে যাচ্ছে শিল্প ও সংস্কৃতির চর্চা।

স্বাধীনতার গানে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে ঠাকুরগাঁও জেলার কর্নেট সাংস্কৃতিক সংসদ।

১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে ক্রিড়া অঙ্গনে কাজ করে ১৯৯০ সালে সংঙ্গীত ও শিল্প সাহিত্য অঙ্গন সম্পৃক্ত করে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নিরলস ভাবে কাজ করে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ ভূনিকা পালন করে যাচ্ছে কর্নেট সংস্কৃতি সংসদ।

এ সংগঠনটির নিজস্ব ভবন না থাকায় শিল্পীরা নানা প্রতিকুলতায় চলছে সাংস্কৃতি কার্যক্রম। আর এ সংগঠনটি করোনাকালেও খণ্ডকালীন অনুশীলনের মাধ্যমে চালিয়ে আসচ্ছে সংগীত চর্চা। দেশাত্ববোধক ও লোকজ গানে গানে মুখরিত হয়ে উঠে সংগীতশিল্পীদের অনুশীলন।

হারমোনিয়াম আর তবলার তালে তালে দীর্ঘসময় চলে অনুশীলন। সমাজে অসংগতি দূরসহ দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে সাংস্কৃতিক চর্চার কোনো বিকল্প নেই বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করতে কাজ করছে বলে জানান সংগঠনের কর্মকর্তারা।

ঠাকুরগাঁও কর্নেট সাংস্কৃতিক সংসদের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম প্রবাল চৌধুরী বলেন, এই সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। আমরা বিজয় ও সাংস্কৃতিক মেলায় জেলা ও উপজেলায় শিল্পী ও সাংস্কৃতি সংগঠনের সমন্বয়ে অনুষ্ঠান পরিবেশনের ব্যবস্থা করে থাকি।অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিল্পীদের মিলন মেলায় পরিনত হয়।

ঠাকুরগাঁও কর্নেট সাংস্কৃতি সংসদের সভাপতি সৈয়দ নুর হোসেন বাবলু বলেন, জেলাতে আমরা একটি সাংস্কৃতিক মিউজিয়াম করার চেষ্টা করছি যেখানে সাংস্কৃতিক অতীত সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিতদের জীবনি সংগ্রহ করা হবে যা দেখে নতুন প্রজন্ম উজ্জীবিত হবে। সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে সব রকমের অন্যায়-অনাচার দূর হবে।সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে সংগঠনটির আরো কার্যক্রম ত্বরান্বিত হবে।

এ জেলায় ছোট-বড় ৩০টি সাংস্কৃতিক সংগঠন রয়েছে।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম/গৌতম

 

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…