খুঁজুন
শনিবার, ২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ মিল্কভিটা ম্যানেজারের বিরুদ্ধে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০, ১০:১২ অপরাহ্ণ
কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ মিল্কভিটা ম্যানেজারের বিরুদ্ধে

অ আ আবীর আকাশ,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার হায়দারগঞ্জ বাজারে অবস্থিত মিল্কভিটা কোম্পানির ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। দুধ উৎপাদন, বিপনন, গো-খাদ্য, ঔষধ ও উপকরণ ক্রয়-বিক্রয়ে অনিয়মের মধ্যেই চলছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের মিল্কভিটা দুগ্ধ শীতলীকরণ ও মহিষের কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র। এখানকার তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার ফরহাদুল আলম গত ৪ বছরে প্রতিষ্ঠানটির কোটি টাকার উপরে লোপাট করেছেন বলে খামারীদের অভিযোগ। মিল্কভিটার প্রধান কার্যালয়ের দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি অভিযোগের তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সনের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে মহিষের কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। এ প্রকল্পে সরকার সাড়ে ১৩ কোটি টাকা ও মিল্কভিটা অনুদান দেয় ৫ কোটি ১১ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে দুগ্ধ শীতলীকরণ কারখানাটি উদ্বোধন করা হয়। বর্তমানে এখানে কারখানা ছাড়াও রয়েছে ২০৬টি মহিষ। তন্মধ্যে ১০৪টি মা, ষাড় ৫টি ও বকনা বাছুর ১০৬টি। ৭০টি দুগ্ধ সমিতির মধ্যে চলমান রয়েছে ৩৩টি। প্রতিদিন এখন প্রায় দেড়শ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। প্রতিদিন প্রায় ৬শ’ কেজি দানাদার খাদ্য ও প্রায় ১২শ’ কেজি খড় লাগে।

রায়পুরের খামার সমিতির সভাপতিদের লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, এ তত্বাবধায়ক এখানে যোগদানের পর থেকে নিজের ইচ্ছেমত খড়কুটো ক্রয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার আর্থিক অনিয়ম করেন। ২০১৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর দু’শ লিটার মহিষের দুধ বাইরে ব্যাক্তি পর্যায়ে বিক্রয়ের টাকা আত্নসাত করেন। ২০১৯ সালের ২৫ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান সরেজমিন আসলে তদন্তে ধরা পড়লে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ওই টাকা জমা দেয়া হয়। মহিষ প্রজনন কেন্দ্রের জন্য বিভিন্ন প্রকার ওষুধ ক্রয়ের নামে-বেনামে ভাউচারের মাধ্যমে তা আত্নসাৎ করেন। দুগ্ধ কারখানার জেনারেটরের তেল কেনার নামে ভুয়া ভাউচারে প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা আত্নসাত করেন।। উল্লেখিত ৪টি খাতসহ বিভিন্ন খাতের দুর্নীতির অভিযোগ এনে তত্বাবধায়কের (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) অপসারণসহ কারখানার দুগ্ধ সংগ্রহ চালুকরণের দাবিতে ৫ খামার সভাপতি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় ও দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।

খামার সভাপতিরা আরো জানান, তদন্ত কর্মকর্তা ৮’শ খালি ভাউচার, ২’শ ওষুধ ভাউচার, স্থানীয় মিতালি বাজারের ডাক্তার কমলের স্বাক্ষর করা ৩০টি খালি ভাউচার, ডিজেলের ২হাজার টাকার খালি ভাউচার, খড়ের মুল্য ১১ টাকা করে সাড়ে ৪ হাজার কেজির পরিবর্তে ১৪ টাকা করে সাড়ে ৭ হাজার টাকা ভাউচারে লেখা, ভ্যাট দেন বিক্রেতা, কিন্তু তিনি ভাউচার দেন ক্রেতার। দেড় বছর পর খামারিদের অভিযোগের ভিত্তিতে ২০৪ লিটার দুধের দাম জমা দেয়া হয়। খুচরা দুধ বিক্রি করেন ও ৫০ হাজার টাকার খড় কেনা হলে ভাউচার করেন ৬৫ হাজার টাকা। উৎপাদন মূল্য থেকে কম মূল্যে পণ্য বিক্রি ও বিক্রির টাকা ফান্ডে জমা না করে মিল্কভিটায় কোটি টাকার অনিয়ম ও লুটপাট করেছেন।

রায়পুরের তত্ত্বাবধায়ক (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) ডাক্তার ফরহাদুল আলম বলেন, আমি ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর যোগদান করি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচেছ। খড় ক্রেতাদের ভাউচার না থাকায় আমরা ভাউচার বানিয়ে নিতে হয়। খামারীদের অভিযোগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লি: (মিল্কভিটা)’র এডিশনাল জিএম (এডমিন) তোফায়েল আহাম্মদ বলেন, অভিযোগগুলোর বিষয়ে তিনিসহ দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি সরেজমিন কাজ করছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের বিষয়ে কথা বলা যাবে না। সহসা চেয়ারম্যান বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

 

Feb2

বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বগুড়ার মোকামতলা উপজেলায় সদ্য গঠিত ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ শুক্রবার বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আজ বিকেলে আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি দুইটি ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্র জানায়, দুটি ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী অসন্তুষ্ট ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা ডেইলি স্টারকে বলেন, বিভিন্ন মহলে সমালোচনার কারণে বিষয়টি সরকারে ভাবমূর্তির ক্ষতি করেছে বলেও মনে করা হচ্ছে। এ কারণেই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্র আরও জানায়, নতুন নাম নির্ধারণে স্থানীয় জনগণের মতামত, এলাকার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ভৌগোলিক পরিচয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নতুন নাম চূড়ান্ত করার আগে আরেকটি গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে মতামত দিতে বলা হবে। এরপর প্রস্তাবিত নামগুলো যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন নাম চূড়ান্ত করে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নির্বাচনী এলাকায় সদ্য গঠিত তিনটি ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে বিতর্কের পর এ সিদ্ধান্ত এলো।

নামগুলো তার পারিবারিক উপাধি ও দুই ছেলের নামের সঙ্গে মিল থাকায় গত সোমবার সংসদে প্রতিমন্ত্রীকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়।

তবে অভিযোগ নাকচ করে সংসদে শাহে আলম বলেন, ‘নামগুলো অলৌকিকভাবে তার ছেলেদের নামের সঙ্গে মিলে গেছে।’

৩০ মিলিয়ন ডলারের ৪টি গ্যান্ট্রি ক্রেন নিয়ে পিসিটিতে ভিড়ল জাহাজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
৩০ মিলিয়ন ডলারের ৪টি গ্যান্ট্রি ক্রেন নিয়ে পিসিটিতে ভিড়ল জাহাজ

দেশের প্রথম বিদেশি অপারেটর দিয়ে পরিচালিত বন্দর টার্মিনাল পিসিটির জন্য এসেছে ৪টি অত্যাধুনিক কি গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি)। চীন থেকে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলারে সংগ্রহ করা ৪টি শিপ টু শোর কিউসিজি নিয়ে আসা বিশেষায়িত ডেক জাহাজ ‘LAN HAI HONG YUN’ শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে ভিড়েছে।

এর জন্য বন্দরের দুইজন অভিজ্ঞ পাইলট এবং তিনটি শক্তিশালী টাগবোট নিয়োজিত ছিল।

বিষয়টি পিসিটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সৌদি আরব ভিত্তিক বেসরকারি টার্মিনাল অপারেটর রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি) এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার বন্দরের ডেপুটি কনজারভেটর কিউজিসি নিয়ে আসা জাহাজটি থেকে আনলোডকালীন কর্ণফুলী চ্যানেলে পিসিটি সংলগ্ন এলাকায় সব বাণিজ্যিক জাহাজ ও কোস্টার, ট্যাংকার, ফিশিং ট্রলার চলাচলে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে পিসিটি জেটি থেকে কমপক্ষে ১০০ মিটার পূর্ব তীর ঘেঁষে চলাচলের জন্য অনুরোধ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন। এর আগে চট্টগ্রাম বন্দরের সিসিটি এবং এনসিটির জন্য কিউজিসি আনার অভিজ্ঞতা থাকায় বন্দর কর্তৃপক্ষ বহির্নোঙর থেকে বিশেষায়িত জাহাজটি সহজে পিসিটিতে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।

বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, দ্রুততম সময়ে এবং নিরাপদে জাহাজ থেকে কনটেইনার নামাতে বা জাহাজে তুলতে কিউজিসি সবচেয়ে আধুনিক। কিউজিসি না থাকলে নিজস্ব ক্রেন নেই এমন জাহাজ থেকে কনটেইনার খালাস করা যায় না কিংবা ঝুঁকির।

কিউজিসি সরবরাহের আদেশ দেওয়ার পর তৈরি করতে এক বছরের বেশি সময় লাগে। পিসিটিতে কিউজিসি যুক্ত হচ্ছে এটি নিঃসন্দেহে মেরিটাইম বিশ্বের জন্য ইতিবাচক দিক। কিউজিসি আনলোড করার পর অপারেশনাল করতে মাসখানেক সময় লাগতে পারে।

সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে চীনের সানি মেরিন হেভি ইন্ডাস্ট্রি থেকে ৪টি কিউজিসি কেনার চুক্তি করে রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেকানিক্যাল ম্যানেজার আলতাফুল আজম, প্রকৌশল বিভাগের প্রধান (আরএসজিটি চট্টগ্রাম) ফেরদৌস রহমান, টেকনিক্যাল প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের প্রধান (আরএসজিটি জেদ্দা) কোয়ান হি. হান, আরএসজিটি চট্টগ্রাম সিইও অ্যারউইন হেইজ, সানি-এর জেনারেল ম্যানেজার চেন জিং, বিদেশী বিক্রয় বিভাগের জিএম ট্যাং ওয়েইবিন, গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের ভাইস ডিন এলভি গুওজেন, মেনা-এর ডেপুটি জিএম টং লিচাও।

অত্যাধুনিক ক্রেনগুলোর আরএসজিটি বাংলাদেশের বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা ২ লাখ ৫০ হাজার টিইইউ’এস (২০ ফুট হিসেবে) থেকে ৬ লাখ টিইইউ’এসে বাড়বে যা এর পরিচালনার দক্ষতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে এবং লজিস্টিক খরচ কমিয়ে দেবে। এর আগে ১৪টি রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি ক্রেন (আরটিজি) সংগ্রহে ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে আরএসজিটি।

১ হাজার ২০০ কোটি টাকায় পিসিটি তৈরি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। চুক্তি অনুযায়ী সেই টার্মিনালে যন্ত্রপাতি কিনে পরিচালনা করছে রেড সি। তারই অংশ হিসেবে কিউজিসি আসছে পিসিটিতে। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উড়োজাহাজ ওঠানামা নিরাপদ রাখতে পিসিটির তিনটি জেটির একটিতে উচ্চতাসংক্রান্ত বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই বাকি দুটি জেটিতে বসানো হবে চারটি গ্যান্ট্রি ক্রেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে পিসিটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ২২ বছর মেয়াদি চুক্তি করেছে। চুক্তি অনুযায়ী, রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল পিসিটির আধুনিকায়ন, গ্যান্ট্রি ক্রেন সংগ্রহ এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের কথা। চুক্তির শুরুতে কনসেশন ফি ১৮ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে বন্দরকে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত পাঁচ মাসে পিসিটিতে কনটেইনার উঠানামা হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার টিইইউএস। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ আমদানি পণ্যের কনটেইনার। ১৯ শতাংশ রপ্তানি পণ্যের কনটেইনার। প্রতিমাসে এখন ১১-১২টি কনটেইনার জাহাজ পিসিটিতে ভিড়েছে। কিউজিসি অপারেশনাল হলে জাহাজের সংখ্যা ও কনটেনার হ্যান্ডলিং লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী করতে পারবে পিসিটি।

পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন : শার্ট হবে গাঢ় নীল, প্যান্ট খাকি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন : শার্ট হবে গাঢ় নীল, প্যান্ট খাকি

বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, জেলা পুলিশ ও অধিকাংশ ইউনিটের সদস্যদের শার্ট হবে গাঢ় নীল (ডিপ ব্লু) রঙের এবং প্যান্ট হবে খাকি রঙের। আর মেট্রোপলিটন পুলিশের জন্য শার্টের রং নির্ধারণ করা হয়েছে হালকা জলপাই (লাইট অলিভ)।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। পুলিশ আইন, ১৮৬১-এর ১২ ধারা অনুযায়ী সরকারের অনুমোদনক্রমে মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫-এর সংশোধনী জারি করেন।

গেজেটে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষর করেন।

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, আগে নির্ধারিত আয়রন রঙের শার্টের পরিবর্তে ডিপ ব্লু রঙের শার্ট এবং কফি (শেইল) রঙের প্যান্টের পরিবর্তে খাকি রঙের ট্রাউজার ব্যবহার করা হবে। একই সঙ্গে জ্যাকেট, জার্সি, কার্ডিগান ও পুলওভারের রংও ডিপ ব্লু করা হয়েছে। তবে মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্ষেত্রে জ্যাকেট ও শার্ট হবে লাইট অলিভ রঙের।

এ ছাড়া নারী পুলিশ সদস্যদের পোশাকেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, নারী সদস্যরা ডিপ ব্লু শাড়ির সঙ্গে ডিপ ব্লু ব্লাউজ পরতে পারবেন। মেট্রোপলিটন পুলিশের নারী সদস্যদের ক্ষেত্রে ডিপ ব্লু শাড়ির সঙ্গে লাইট অলিভ ব্লাউজ পরার বিধান রাখা হয়েছে। ট্রাফিক ইউনিটে কর্মরত বা মাথা ঢাকতে ইচ্ছুক নারী সদস্যরা সারা বছর ফুল স্লিভ শার্ট বা ব্লাউজ পরতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।