খুঁজুন
, ,

আওয়ামী জনপ্রতিনিধিদের বাসা-বাড়ী-অফিস নির্যাতনের টর্চার সেল: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 27 October, 2020, 5:11 pm
আওয়ামী জনপ্রতিনিধিদের বাসা-বাড়ী-অফিস নির্যাতনের টর্চার সেল: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও মেয়রপ্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ডিজিটাল বাকশালী আওয়ামী দু:শাসনে জনজীবন আজ বিপন্ন। আওয়ামী জনপ্রতিনিধিদের বাসা-বাড়ী-অফিস নির্যাতনের টর্চার সেল। বিনা ভোটের সরকারের আসল ফ্যাসিবাদী চরিত্র আজ দেশবাসীর কাছে দৃশ্যমান। চারিদিকে শুধু, ধর্ষণ, খুন, গুম, লুটপাট ও দখলের হরিলুট ব্রেকিং নিউজ।

তিনি এ সময় আরো বলেন, একনায়কতন্ত্রের হাত থেকে দেশবাসী ও দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার একমাত্র হাতিয়ার জাতীয়তাবাদী শক্তি। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম অবহেলিত যুবসমাজকে উৎপাদনমূখী রাজনীতিতে সক্রিয় করতে ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে আজ থেকে ৪২ বছর আগে নিজ হাতে গঠন করেছিলেন জাতীয়তাবাদী যুবদল। পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের দিক নির্দেশনায় শহীদ জিয়ার যুবদল আজ দেশের সর্ব বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

তিনি আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে সৌরভে গৌরবে মহিয়ান ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যে ভাস্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে নগরীর ষোলশহরস্থ ঐতিহাসিক বিল্পব উদ্যানে র‌্যালী ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রাম মহানগর
যুবদলের বেলুন উড়িয়ে র‌্যালী উদ্বোধন করছেন ডা. শাহাদাত হোসেন সহ নেতৃবৃন্দ।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আমার প্রাণের সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল। যুবদলের সাংগঠনিক রাজনীতির মাধ্যমেই দীর্ঘ পথ পরিক্রমা অতিক্রম করেই আমি আজ নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। শহীদ জিয়ার হাতে গড়া যুবদল আজ সুশৃংখল সাংগঠনিক ইউনিট হিসেবে সারাদেশে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। গণতন্ত্র পুন:রুদ্ধার আন্দোলনে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল দিপ্তী ও শাহেদের নেতৃত্বে আরো এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রাম মহানগর
যুবদলের উদ্যোগে বিপ্লব উদ্যানে পুস্পস্তবক অর্পণ করছেন ডা. শাহাদাত হোসেন সহ নেতৃবৃন্দ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সি: সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, যুবকদেরকেই আরো দায়িত্বশীল হয়ে গণতন্ত্র পুন:রুদ্ধার আন্দোলন সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। বিএনপিসহ যুবদল, ছাত্রদল ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের সমন্বয়ে কেন্দ্রঘোষিত যে কোন কর্মসূচি পালনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। নেতৃবৃন্দ এ সময় নগর যুবদলের সুশৃংখল ও সাংগঠনিক রাজনীতি চর্চার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তীর সভাপতিত্বে ও জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি নুর আহমেদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ ইলিয়াছ, মো. জাহাঙ্গির আলম, আবদুল করিম, আবদুল গফুর বাবুল, সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, মোহাম্মদ মুছা, মনিরুল হাসান সিদ্দিকী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাছিম, হাসান মুরাদ, জসিমুল ইসলাম কিশোর, জাহেদুল হাসান বাবু, মোহাম্মদ আলী সাকি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন, মো. হুমায়ুন কবীর, মো. তাজুল ইসলাম তাজু, আবদুল হামিদ পিন্টু, মো. তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, শাহীন পাটোয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, রাজন খান, ওমর ফারুক, সহ-সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, ওসমান গণি সিকদার, শাহজাহান পলাশ, আহাদ আলী সায়েম, জাফর আহমদ খোকন, মোহাম্মদ ইয়াসিন।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রাম মহানগর
যুবদলের র‌্যালীতে ডা. শাহাদাত হোসেন সহ বিএনপি ও যুবদল নেতৃবৃন্দ।

সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগীর, আজিজুল হক মাসুম, আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, মহিউদ্দিন মুকুল, এনামুল হক এনাম, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মো. ইকবাল, ওমর ইমতিয়াজ টিটু, সহ-সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, মনোয়ার হোসেন মানিক, কমল জ্যৌতি বড়ুয়া,শাহেদুল ইসলাম, মো. জহিরুল ইসলাম জহির, কামরুল ইসলাম, হামিদুল হক চৌধুরী, কোরবান আলী, মিজানুর রহমান বাবুল, গিয়াস উদ্দিন টুনু, মাস্টার ফজলুল হক, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, জাহাঙ্গির আলম বাবু, জাহাঙ্গির আলম মানিক, হোসেন জামান, আরিফ হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মো. সালাহ উদ্দিন, মো. ইদ্রিস, ইলিয়াছ হাসান মঞ্জু, আবদুল আওয়াল টিপু, আশরাফ উদ্দিন, সিরাজ সিকদার, মো. ইয়াছিন আজাদ, আবু সৈয়দ কালু, ইব্রাহিম খান, দেলোয়ার হোসেন, মিফতাহ উদ্দিন সিকদার টিটু, সাইদুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম আজাদ, জাফর সাদেক সোহেল, নগর যুবদলের সদস্য লতিফুল বারী সুমন, কলিম উল্লাহ, সোহাগ খান, আবদুল্লাহ আল মামুন, সাব্বির ইসলাম ফারুক, আবদুস সাত্তার, আবদুল করিম, থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আশিক মল্লিক, মঞ্জুর আলম, শওকত খান রাজু, মোর্শেদ কামাল, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক মেজবাহ উদ্দিন, আবু বক্কর বাবু, এস এম আলী, আকতার হোসেন, মোহাম্মদ হাসান, বাদশা আলমগীর, জহিরুল ইসলাম, মো. ইউনুস, যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলামসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:47 am
৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জেলার সাতটি উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এবং পানিবন্দি হয়ে আছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:37 am
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করতে দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

আদালতের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন মেনে চলার স্বার্থে শুক্রবার (১০ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত কোনো পলাতক অপরাধীর বক্তব্য, সাক্ষাৎকার কিংবা অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তাই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার যেকোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য (সরাসরি কিংবা ধারণকৃত) টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সব গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:28 am
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সারা দেশে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারাদিনই তিনি বন্যাকবলিত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার তিনি, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে যাবেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পরিস্থিতি এখনো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার নারী ও শিশু, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।