খুঁজুন
, ,

ভোট ডাকাতিকে ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা বাসে আগুন ও পরিকল্পিত মামলা দিয়েছে: ডা.শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 21 November, 2020, 7:20 pm
ভোট ডাকাতিকে ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা বাসে আগুন ও পরিকল্পিত মামলা দিয়েছে: ডা.শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ঢাকার নির্বাচনে ভোট ডাকাতিকে ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা বাসে আগুন ও পরিকল্পিত মামলা দিয়েছে। স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকার অতীতের ন্যায় আবারও দেশব্যাপী যুবদল নেতা কর্মীদের নামে গায়েবী মামলা দিয়ে হয়রানী শুরু করেছে। দেশের কোথাও না কোথাও প্রতিদিন গায়েবী মামলা দায়ের করে যুবদল কর্মীদের ঘর ছাড়া করা হচ্ছে, তাদের উপর নানা রকম নিপীড়ন চালানো হচ্ছে যা বর্তমান বিশ্বের সকল স্বৈশাসকের নির্যাতনের মাত্রা ছাড়িয়েছে। তাদের মনে রাখা উচিৎ প্রতিঘাত যখন শুরু হবে পালানোর রাস্তা খুঁজে পাবেন না। নীরব, টুকু, দীপ্তি ও শাহেদের সকল গায়েবী মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

তিনি আজ ২১ নভেম্বর (শনিবার) বিকালে নাছিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সধারণ সম্পাদক সুলতান সালহ উদ্দিন টুক, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মোশারফ হোসেন দীপ্তি ওসাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহদসহ নেতৃবৃন্দের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচন ও আন্দোলনকে সামনে রেখেই এসব ‘গায়েবি’ মামলায় নেতা-কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। দলের প্রধান বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র চলছে। সিনিয়র নেতারা যেন নির্বাচনের প্রস্তুতি বাদ দিয়ে আদালতে ব্যস্ত সময় কাটান, সে জন্য তাদের নামে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নামে সম্পূর্ণ সাজানো মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা হচ্ছে। এ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের গোটা জীবনে কোন বিশৃংখলা, অরাজকতা, হঠকারিতা, ভাংচুর, জালাও-পোড়াও এবং অনিয়মতান্ত্রিক কার্যক্রমের কোন নজির নেই। এ নেতৃবৃন্দ নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। প্রকৃতপক্ষে আন্দোলনের অগ্রযাত্রায় ভীত হয়ে এ নেতৃবৃন্দের উন্নত চরিত্রের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে আদর্শিক মোকাবিলায় ব্যর্থ এ ফ্যাসিবাদী সরকার গ্রেফতারী পরোয়ানা ও ঘৃণ্য পথ বেছে নিয়েছে যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তাদের এ হাস্যকর মামলায় গোটা জাতি বিস্মিত।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না। দমন-পীড়ন চালিয়ে এ দেশের আন্দোলনকে দমিয়ে রাখা যাবে না বরং বহুগুণ শক্তিতে এ আন্দোলন বলীয়ান হবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি নেতা-কর্মীদেরকে ধৈর্য ও দৃঢ়তার সাথে সংগ্রামে এগিয়ে চলার আহবান জানান এবং সরকারকে ফ্যাসিবাদী পথ পরিহার করে নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও আটক নেতৃবৃন্দের মুক্তি দাবী করেন।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সি.সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন’র সভাপতিত্বে এবং সি.যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন’র পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি আজমল হুদা রিংকু, নুর আহমেদ গুড্ডু, এস এম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ইকবাল হোসেন সংগ্রাম, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল করিম, আবদুল গফুর বাবুল, দিদারুল ফেরদৌস, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, নাসির উদ্দীন চৌধুরী নাছিম, হাসান মুরাদ, জসিমুল ইসলাম কিশোর, মুজিবুর রহমান, জাহিদ হোসেন বাবু, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবীর, সেলিম উদ্দিন, রাশেদুল হাছান লেবু, আব্দুল হামিদ পিন্টু, দিপংকর ভট্টাচার্য, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, জিয়াউল হুদা জিয়া, শাহিন পাটোয়োরী, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, রাজন খাঁন, ওমর ফারুক, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, জাহাঙ্গীর আলম বাচা, ওসমান গনি শিকদার, শাহজালাল পলাশ, জাফর আহমেদ খোকন, মোহাম্মদ ইয়াসিন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগীর, জসিম উদ্দীন সাগর, মোহাম্মদ আলাউদ্দীন, মহিউদ্দীন মুকুল, এস.এম. বখতেয়ার উদ্দীন, মোহাম্মদ ইকবাল, আছাদুজ্জামান রুবেল, সহ সম্পাদক বৃন্দ আতিকুর রহমান মাহবুবুর রহমান, মনোয়ার হোসেন মানিক, কমল জ্যোতি বড়ুয়া, সাহেদুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, গিয়াস উদ্দীন টুনু, জিয়াউল হক মিন্টু, মোহাম্মদ নওশাদ, মোঃ মঞ্জুর আলম, মোহাম্মদ হাসান, হামিদুল হক, মাস্টার ফজলু, মেজবাহ উদ্দীন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, সালাউদ্দীন, মোহাম্মদ ইদ্রিছ, আনোয়ার হোসেন, আশরাফ উদ্দীন, হোছেন জামান, ইব্রাহীম খান দেলোয়ার হোসেন, মিজানুর রহমান দুলাল, জাফর সাদেক সোহেল, আরিফ হোসেন, ইয়াছিন আজাদ, ইমরান ভুঁইয়া, আবু কালাম, ইলিয়াস হাসান মঞ্জু, মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন, মামুন খান, নগর যুবদলের সদস্য আফসার উদ দোলা অপু, সাবাব ইয়াজদ্দীন, বশির আহমেদ রানা, থানা যুবদলের আহবায়ক কতুব উদ্দীন, যুগ্ম আহবায়ক মঞ্জুর আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, ইউনুছ মুন্না, ওবায়দুল হক, ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, আবু বক্কর বাবু, মোঃ সাইফুল আলম, মোঃ হাসান, মোহাম্মদ জাবেদ, বাদশা আলমগীর, মোহাম্মদ ইউনুছ, জহিরুল ইসলাম, মোঃ মুজাহিদ, এস এম আলীসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

Feb2
Feb2

ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা, হবে উপনির্বাচন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 4:11 pm
ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা, হবে উপনির্বাচন

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) সংসদ সচিবালয় এ সংক্রান্ত চিঠি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা ৩, ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত (২১ আগস্ট, শুক্রবার) রাষ্ট্রপতির কার্যভার গ্রহণ করায় ওই আসনটি সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে শূন্য হলো। বিজ্ঞপ্তিটি অবিলম্বে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশের জন্য সরকারি মুদ্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শূন্য হওয়া আসনটিতে উপ-নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

একইসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়, বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরে অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, যেহেতু আসনটি শূণ্য ঘোষণা করা হয়েছে, এখন আমরা আইন-বিধি দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।

৯০ দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন হবে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসন্ন থাকায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের জন্য বেশি সময় নেব না, দ্রুতই নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 3:52 pm
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদের দায়িত্ব পাওয়া নতুন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী।

শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা ১টা ১৫ মিনিটের দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী ​এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী। তবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ প্রবেশ করেন দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে।

এদিন নতুন দুই প্রতিমন্ত্রী—হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন (ধর্ম মন্ত্রণালয়) শ্রদ্ধা জানাতে যান। তারা বীর শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন তারা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করলে সাধারণ জনগণদের জন্য স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করা হবে বলে জানান তিনি।

শরিফুলের ৬ উইকেটে আশা বাঁচিয়ে দিন শেষ করল বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 3:23 pm
শরিফুলের ৬ উইকেটে আশা বাঁচিয়ে দিন শেষ করল বাংলাদেশ

ডারউইন টেস্টে হাসান মাহমুদের পর এবার ম্যাকাই টেস্টে জ্বলে উঠলেন চোট থেকে ফেরা পেসার শরিফুল ইসলাম। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে নেমেই ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগার পেয়ে গেলেন বাঁ-হাতি এই পেসার। গড়লেন বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম ফাইফারের রেকর্ড।

এই ম্যাচে নামার আগে টেস্টে শরিফুলের সেরা বোলিং ফিগার ছিল ২৮/৩। এছাড়া এক টেস্টের দুই ইনিংসে মিলিয়ে ৫৬/৫ ছিল তার সেরা বোলিং। অজিদের বিপক্ষে আজ দুটিই ছাড়িয়ে গেলেন শরিফুল। ৮.৫ ওভারে ফাইফার পূর্ণ করা এই পেসার ইতোমধ্যে ৬ উইকেট (এখন পর্যন্ত ফিগারটা- ৩৪/৬) শিকার করেছেন।

অবশ্য বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে দ্রুততম ৫ উইকেট শিকারের রেকর্ডটা এখনও বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের দখলে আছে। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে তিনি মাত্র ৬.৫ ওভারেই ফাইফার নিয়েছিলেন। একই কীর্তি গড়তে আরও দুই ওভার বাড়তি লেগেছে শরিফুলের।

স্বভাবতই টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই গতিতারকা প্রথমবার ৫ উইকেটের দেখা পেলেন। একইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দ্বিতীয় পেসার হিসেবে ৫ উইকেট পেলেন তিনি। আগের টেস্টেই প্রথম ৫ উইকেট ছিল হাসান মাহমুদের। তিনিও শিকার বাগিয়েছিলেন ৬টি উইকেট। ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ৮ উইকেটের ৬টিই গেছে শরিফুলের পকেটে।

এর আগে ব্যাটিংয়ে দারুণ বিপর্যয়ে পড়ে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। অজি গতিতারকা মিচেল স্টার্ক নেন ৬ উইকেট। নিজেদের প্রথম ইনিংসে নামা স্বাগতিকদের ২৬ রানে প্রথম ধাক্কাটা দেন তাসকিন আহমেদ। দলীয় ৪৩ রানে ট্রাভিস হেডকে ইনসাইড এজে বোল্ড করে সেই দলে যোগ দেন শরিফুল। একই ওভারে বোল্ড করেন মার্নাস লাবুশেনকে। এরপর শরিফুল একে একে ফিরিয়েছেন স্টিভ স্মিথ, ব্যু ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও স্টার্ককে।

এর মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। তবে দিনের শেষদিকে শরিফুলের ৬ উইকেট শিকারের মাধ্যমে ম্যাচে টিকে রইল বাংলাদেশ।